খুঁজুন
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ, ১৪৩২

কক্সবাজারে একদিনে ৪ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজারে একদিনে ৪ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু
শেয়ার করুন

কক্সবাজার জেলায় একদিনে চারজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে এবং এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) পৃথক সময়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা ও টেকনাফে এসব ঘটনা ঘটে।

সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রের মৃত্যু

বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের মনুপাড়া এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ রাসিব (১৭) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি কক্সবাজার সিটি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং চৌফলদণ্ডী বাজার পাড়ার রবিউল আলমের ছেলে।
কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. বাবুল মিয়া জানান, নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে কক্সবাজারে আসছিলেন রাসিব। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে তার মোটরসাইকেল ধাক্কা দেয়। এতে ওই ব্যক্তি রক্তাক্ত হন। ওই পরিস্থিতিতে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারান রাসিব। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রক্ত দেখেই হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত পথচারীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা

বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডীতে নিজ বাড়ির নলকূপের পাশে বিবি আমেনা (৪৫) নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত আমেনা ওই ইউনিয়নের ঘোনার পাড়ার মোহাম্মদ শহিদুলের স্ত্রী।

আমেনার মেয়ে জানান, দুপুরে খাবার খেয়ে মা নলকূপে পানি আনতে যান। সেখানে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় আমেনার কপালে আঘাত ও গলায় ধারালো অস্ত্রের চিহ্ন ছিল। প্রতিবেশীরা তাকে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বামী শহিদুল বলেন, ‘আমি বাসায় ছিলাম না। ছেলে-মেয়ের কাছে মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে স্ত্রীর মরদেহ দেখতে পাই।’

কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. বাবুল মিয়া জানান, হত্যার প্রাথমিক কারণ জানতে পুলিশ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্নজনের সঙ্গে কথা বলছে।

শহরে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ বাঁকখালী নদীর প্যারাবন থেকে আনুমানিক ৫০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কক্সবাজার সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুবুল আলম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তির মৃত্যু কয়েকদিন আগে হতে পারে। তার পরনে সোয়েটার ও লুঙ্গি ছিল। মুখ ও কান কাঁকড়ায় খেয়ে ফেলেছে এবং শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছিল। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

টেকনাফে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

এদিকে বুধবার দুপুরে টেকনাফ স্থলবন্দরের পশ্চিমের পাহাড়ে ঝুলন্ত অবস্থায় আরও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, অজ্ঞাতপরিচয় ঝুলন্ত মরদেহটি আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী কোনো যুবকের হতে পারে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে। একই সঙ্গে পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফর: প্রচারণা বন্ধের ঘোষণা জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারীর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ
সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফর: প্রচারণা বন্ধের ঘোষণা জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারীর
শেয়ার করুন

কক্সবাজারে আগামীকাল বুধবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফরকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারণায় বিশেষ ঘোষণা দিয়েছেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।

 

​মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, বিএনপির এই শীর্ষ নেতার নির্বাচনী সফর উপলক্ষে বুধবার দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উখিয়ায় তাঁর সকল প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ রাখা হবে।

 

​মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, সালাউদ্দিন আহমদের আগমনকে সম্মান জানিয়ে এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এই ছয় ঘণ্টা নির্বাচনী কর্মকাণ্ড স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

 

এদিকে ২ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর কক্সবাজারে নির্বাচনী সমাবেশ থাকায় নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলেন কক্সবাজার -৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফর রহমান কাজল।

 

এমন রাজনৈতিক সহাবস্থান ও সম্প্রীতি সকল প্রার্থীর জন্যই অনুকরণীয় বলছেন নেটিজেনরা।

শবে বরাতে রাসুল সা. যেসব আমল করতেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
শবে বরাতে রাসুল সা. যেসব আমল করতেন
শেয়ার করুন

শাবান মাস মুমিনের আমলের মাস, শাবান মাস মুমিনের আনন্দের মাস, খুশির মাস। আর এ মাসের ১৪ তারিখের রাত মুসলমানদের অন্যতম একটি রাত। ভারতীয় উপমহাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশে এ রাত শবে বরাত নামে পরিচিত। হাদিসের ভাষায় এ রাতকে ‘নিসফ শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্যরাত বলা হয়। এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস শরিফে বিবৃত হয়েছে, মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাত অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে সৃষ্টির প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫)

 

শবে বরাতে রাসুল (সা.) যেসব আমল করতেন

 

১. পুরো রাত জেগে ইবাদত করতেন। যেমন-নফল নামাজ পড়া, কুরআন তেলাওয়াত করা, তাসবিহ পাঠ করা, তওবা-ইস্তেগফার ইত্যাদি পড়া। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেন– পাঁচটি রাত এমন আছে, যে রাতে বান্দার কোনও দোয়া ফেরত দেওয়া হয় না। আর তা হলো– জুমআর রাতের দোয়া, রজব মাসের প্রথম রাতের দোয়া, নিসফা শাবান তথা অর্ধ শাবানের রাতের দোয়া, ঈদুল ফিতর তথা রোজার ঈদের রাতের দোয়া, ঈদুল আজহা তথা কুরবানির ঈদের রাতের দোয়া। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক: ৭৯২৭, সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকি: ৬৯৮৭)

 

 

২. পুরো শাবান মাসেই অধিক পরিমাণে রোজা রাখা উত্তম। রাসুল (স.) প্রায় পুরো শাবান মাস রোজা রাখতেন। ফাতিমা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলকে (স.) শাবান ও রমযান ছাড়া দুই মাস একাধারে রোজা রাখতে দেখিনি। (সহিহ বুখারি: ১৯৬৯, সহিহ মুসলিম: ১১৫৬)

 

অন্য হাদিসে বিবৃত হয়েছে, রাসুল (স.) বলেন, যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত আসবে, তখন তোমরা এ রাতে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করবে এবং দিনে রোজা পালন করবে। কেননা এই দিন সূর্যাস্তের পরই আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আছো ক্ষমাপ্রার্থনাকারী, আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো। কে আছো রিজিকপ্রার্থী, আমি তাকে রিজিক দেবো। কে আছো বিপদগ্রস্ত, আমি তাকে বিপদমুক্ত করবো। ফজর হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা এ কথা বলতে থাকেন। (ইবন মাজাহ: ১৩৮৮)

 

৩. কিয়ামুল লাইল: হাদিস শরীফে বিবৃত হয়েছে, আলা ইবনুল হারিস (রা.) থেকে বর্ণিত, আয়েশা (রা.) বলেন, একবার রাসুল (স.) রাতে নামাজে দাঁড়িয়ে এতো দীর্ঘ সময় সেজদায় রইলেন যে, আমার ধারণা হলো হয়ত তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তখন আমি তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিয়ে দেখলাম। যখন তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামাজ শেষ করলেন তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আয়েশা ওহে হুমাইরা, তোমার কি আশঙ্কা হয়েছে যে, রাসুল (স.) তোমার হক নষ্ট করবেন? আমি উত্তরে বললাম, না, হে রাসুলুল্লাহ আপনার দীর্ঘ সেজদায় আমার আশঙ্কা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা।

 

রাসুল (স.) জিজ্ঞেস করলেন তুমি কি জানো এটা কোন রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও তার রাসুলই ভালো জানেন। তখন রাসুল (স.) বললেন, ‘এটা হলো অর্ধ শাবানের রাত অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখের দিবাগত রাত। আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তার বান্দার প্রতি মনযোগ দেন এবং ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন, অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন, বিদ্বেষ পোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই। (শুয়াবুল ঈমান: ৩৫৫৪)

 

সুতরাং এই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কিয়ামুল লাইল অর্থাৎ নফল নামাজে দীর্ঘ কিরাত পড়া এবং লম্বা সেজদা করা এ রাতের বিশেষ একটি আমল।

 

৪. ভিত্তিহীন কাজ পরিহার: হাদিস শরীফে শবে বরাতের রাতে রাসুল (স.) থেকে বিশেষ পদ্ধতিতে কোনও ইবাদত প্রমাণিত নেই। সাহাবায়ে কেরামদের থেকেও এর কোনও প্রমাণ পাওয়া যায় না। সুতরাং আমাদের সমাজে প্রচলিত শবে বরাতের বিশেষ পদ্ধতির যে নামাজের কথা বলা হয় তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট। এগুলো বিশ্বাস করা এবং এগুলোর ওপর আমল করা কোনোভাবেই জায়েজ নেই।

 

৫. ক্ষমা প্রার্থনা করা: শবে বরাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো বেশি বেশি তাওবা-ইস্তিগফার করা। কারণ বরকতময় এই রাতে আল্লাহ তাআলা প্রথম আকাশে এসে বান্দাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন। তাদের গুনাহগুলো মাফ করেন। হাদিস শরীফে বিবৃত হয়েছে, রাসুল (স.) বললেন, যখন অর্ধ শাবানের রাত আসে তখন আল্লাহ তাআলা প্রথম আকাশে অবস্থান করে, মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া অন্যদের ক্ষমা করে দেন। (মুসনাদে বাজজার: ৮০)

আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় হামলা চালাচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ এনসিপির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় হামলা চালাচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ এনসিপির
শেয়ার করুন

ভোটের প্রচারে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা করছে বলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশব্যাপী হামলার প্যাটার্ন অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট দলই এসব করে যাচ্ছে।

 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আইমান রাহাত এই অভিযোগ করেন।

 

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

এনসিপির পক্ষ থেকে সিইসি বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে সম্প্রতি ঘটা আটটি অভিযোগের বিষয়ে তুলে ধরা হয়।

 

এসময় এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আরও অভিযোগ করে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন তার বক্তব্য বিএনপির প্রার্থী বাছাইয়ে পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআইসহ তিন প্রতিষ্ঠানের জরিপের কথা উল্লেখ করেছেন। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ।

 

একই সঙ্গে গত ৩১ জানুয়ারি তারেক রহমানের বক্তব্য ১০ হাজারের কৃষি ঋণ মাফের রেশ ধরেই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা সহযোগী হয়ে কাজ করছে বলেও অভিযোগ জানানো হয়।