খুঁজুন
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

কক্সবাজারে একদিনে ৪ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:২৬ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজারে একদিনে ৪ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু
শেয়ার করুন

কক্সবাজার জেলায় একদিনে চারজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে এবং এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) পৃথক সময়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা ও টেকনাফে এসব ঘটনা ঘটে।

সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রের মৃত্যু

বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের মনুপাড়া এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ রাসিব (১৭) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি কক্সবাজার সিটি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং চৌফলদণ্ডী বাজার পাড়ার রবিউল আলমের ছেলে।
কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. বাবুল মিয়া জানান, নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে কক্সবাজারে আসছিলেন রাসিব। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে তার মোটরসাইকেল ধাক্কা দেয়। এতে ওই ব্যক্তি রক্তাক্ত হন। ওই পরিস্থিতিতে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারান রাসিব। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রক্ত দেখেই হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত পথচারীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা

বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডীতে নিজ বাড়ির নলকূপের পাশে বিবি আমেনা (৪৫) নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত আমেনা ওই ইউনিয়নের ঘোনার পাড়ার মোহাম্মদ শহিদুলের স্ত্রী।

আমেনার মেয়ে জানান, দুপুরে খাবার খেয়ে মা নলকূপে পানি আনতে যান। সেখানে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় আমেনার কপালে আঘাত ও গলায় ধারালো অস্ত্রের চিহ্ন ছিল। প্রতিবেশীরা তাকে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বামী শহিদুল বলেন, ‘আমি বাসায় ছিলাম না। ছেলে-মেয়ের কাছে মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে স্ত্রীর মরদেহ দেখতে পাই।’

কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. বাবুল মিয়া জানান, হত্যার প্রাথমিক কারণ জানতে পুলিশ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্নজনের সঙ্গে কথা বলছে।

শহরে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ বাঁকখালী নদীর প্যারাবন থেকে আনুমানিক ৫০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কক্সবাজার সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুবুল আলম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তির মৃত্যু কয়েকদিন আগে হতে পারে। তার পরনে সোয়েটার ও লুঙ্গি ছিল। মুখ ও কান কাঁকড়ায় খেয়ে ফেলেছে এবং শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছিল। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

টেকনাফে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

এদিকে বুধবার দুপুরে টেকনাফ স্থলবন্দরের পশ্চিমের পাহাড়ে ঝুলন্ত অবস্থায় আরও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, অজ্ঞাতপরিচয় ঝুলন্ত মরদেহটি আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী কোনো যুবকের হতে পারে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে। একই সঙ্গে পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

বিশ্ব গাধা দিবস আজ, উদযাপন করতে পারেন যেভাবে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
বিশ্ব গাধা দিবস আজ, উদযাপন করতে পারেন যেভাবে
শেয়ার করুন

আজ ৮ মে বিশ্ব গাধা দিবস। ‘গাধা’ শব্দটি হরহামেশাই ব্যবহার হয় মানুষের ক্ষেত্রে। একটু ভুল করলে বা না বুঝলে মানুষ সাধারণত তাকে গাধার সঙ্গে তুলনা করে। আবার কেউ বেশি পরিশ্রম করলে তাদের কাজকে অনেকেই গাধার খাটুনির সঙ্গে তুলনা করে। এক কথায়, বোঝা টানা এ প্রাণীটিকে বোকাসোকা হিসেবেই মনে করে মানুষ। এ থেকেই বোঝা যায় গাধা কতটা পরিশ্রম করে। এ ছাড়া গাধা ওষুধশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল উৎপাদকও। মূলত প্রাণীটির প্রতি সচেতনতা ও ভালোবাসা তৈরির উদ্দেশ্যেই দিবসটির সূচনা করা হয়।

 

গাধা দিবস উপলক্ষে ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন বিং ডট কম বিশেষ ডুডল প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রাণিবিজ্ঞানী আর্ক রাজিক ২০১৮ সালে বিশ্ব গাধা দিবসের প্রচলন করেছিলেন। তিনি মূলত মরুভূমির প্রাণী নিয়ে কাজ করেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন গাধারা মানুষের জন্য যে পরিমাণ কাজ করে, সেই পরিমাণ স্বীকৃতি পাচ্ছে না। এ জন্য তিনি একটি ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করেন। তারপর সেখানে গাধাবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য প্রচার করতে শুরু করেন।

 

গাধার দুটি প্রজাতি। উভয়ই আফ্রিকান বন্য গাধার উপপ্রজাতি এবং এগুলো হলো- সোমালি বন্য গাধা ও নুবিয়ান বন্য গাধা। ইতিহাস বলছে, ৪০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে মানব সেবার কাজ করছে গাধা।

 

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গাধা রয়েছে চীনে। দেশটিতে গাধার চামড়ার নিচে থাকা এক ধরনের বিশেষ আঠা থেকে ওষুধ তৈরি করা হয়। এ ওষুধ অ্যাজমা থেকে ইনসোমনিয়ার মতো নানা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ওষুধশিল্পে গাঁধার ব্যবহারের ফলে দেশটিতে ক্রমেই কমছে প্রাণীটির সংখ্যা।

ভারতের আন্ত মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, আকাশে উজ্জ্বল আলো

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
ভারতের আন্ত মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, আকাশে উজ্জ্বল আলো
শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরে নিজেদের আন্ত মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা শুরু করেছে ভারত। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় একটি মিসাইলের আলো দৃশ্যমান হয়েছে।

 

হঠাৎ আকাশে ভেসে ওঠা আলোর ঝলকে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম বিস্ময় ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর হঠাৎ আকাশের বুকে একটি উজ্জ্বল আলোর রেখা দেখা যায়। বেশ কয়েক মিনিট ধরে উজ্জ্বল রশ্মিটি আকাশে দৃশ্যমান ছিল।

 

 

আন্ত মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালাতে ৬ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। এ বিষয়ে ‘নোটিশ টু এয়ারম্যান’ (নোটাম) জারি করা হয়েছে।

 

ধারণা করা হচ্ছে, ভারত এবার ‘অগ্নি-৬’ ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালাচ্ছে। আন্ত মহাদেশীয় এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার।

 

কয়েকদিন আগে দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) চেয়ারম্যান সমির ভি কামাথ জানান, তারা নিজেদের প্রথম আন্ত মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল ‘অগ্নি-৬’-এর পরীক্ষা চালানোর জন্য প্রস্তুত।

বিয়ের ১১ বছর পর সন্তানের জন্ম, মৃত্যু হামে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
বিয়ের ১১ বছর পর সন্তানের জন্ম, মৃত্যু হামে
শেয়ার করুন

বিয়ের ১১ বছর পর ফারজানা ইসলাম প্রথম সন্তানের মুখ দেখেছিলেন। ছেলে ফাইয়াজ হাসান তাজিমের নামে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নাম রেখেছিলেন ‘তাজিম এর আম্মু’। ৮ মাস ১৮ দিন বয়সী তাজিম হামে মারা গেছে গত ২২ এপ্রিল।

 

ফারজানা ইসলাম-হেলাল ভূঁইয়া দম্পতির এই সন্তানের জন্ম হয়েছিল টেস্টটিউব বেবি বা আইভিএফ পদ্ধতিতে। এতে নারী ও পুরুষের প্রজনন কোষ সংগ্রহ করে একটি টেস্টটিউবে নিষিক্ত করা হয়। তারপর নিষিক্ত ডিম্বাণু বা ভ্রূণকে মায়ের জরায়ুতে স্থানান্তরের মাধ্যমে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা হয়। পদ্ধতিটি ব্যয়বহুল। ঝুঁকিও ছিল অনেক। সন্তানের জন্মের পর তাজিমকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন এই দম্পতি।

 

গত মার্চ মাস থেকে তাজিমকে নিয়ে লড়াই শুরু করেছিলেন ফারজানা ইসলাম। প্রথমে নিউমোনিয়া, পাতলা পায়খানা শুরু হয়, তারপর হাম। চাঁদপুর থেকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে ছেলেকে ভর্তি করে চিকিৎসা করিয়েছেন।

 

 

গতকাল বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে কথা হয় ফারজানা ইসলামের সঙ্গে। মেসেঞ্জারে ছেলের একটি ছবি পাঠিয়ে এই মা লিখেছেন, ‘এটা ছিল আমার বাবুর জীবনের শেষ হাসির ছবি’। বললেন, নিউমোনিয়ার চিকিৎসার জন্য খরচের বাইরে ১৭ দিন শুধু হামের চিকিৎসায় বিভিন্ন হাসপাতালে খরচ হয়েছে চার লাখ টাকার বেশি।

 

ফারজানা ছেলেকে নিয়ে ভোগান্তির কথা বলছিলেন। ১৮ মার্চ নিউমোনিয়া চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড মোড়ের প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ছেলেকে ভর্তি করান। পিআইসিইউ (শিশুদের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) এবং সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসা শেষে ২৫ মার্চ ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। লঞ্চে বাবার কোলে ছেলে হেসেছে সে ছবিও তুলেছিলেন। এর আগে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড মোড়ের বাংলাদেশ নবজাতক হাসপাতালেও ছেলেকে ভর্তি করিয়েছিলেন। তবে সেই সময় কয়েকটি শিশুর মৃত্যুতে ভয় পেয়ে হাসপাতাল ছেড়েছিলেন।

 

 

২৫ মার্চ বাড়ি ফেরার চার দিনের মাথায় ছেলের আবার জ্বর শুরু হয়। চিকিৎসকের চেম্বারে দেখানোর পাশাপাশি বাড়িতেই চিকিৎসা চলতে থাকে। অবস্থা খারাপ হলে ৫ এপ্রিল থেকে আবার দৌড়ানো শুরু হয় এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে। ওই দিন অ্যাম্বুলেন্সে করে ছেলেকে নিয়ে প্রথমে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে যান। বেড খালি না পেয়ে যান মিরপুরের আলোক হাসপাতালে। সেখানে পিআইসিইউ এবং পরে ওয়ার্ডে চিকিৎসা চলতে থাকে। সেখান থেকে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেও বেড না পেয়ে ভর্তি করান ধানমন্ডির সুপারম্যাক্স হেলথ কেয়ার লিমিটেডে।

 

ফারজানা জানান, সুপারম্যাক্স হাসপাতালে ক্যানোলায় ছেলের পা ফুলে শক্ত হয়ে গিয়েছিল। সেখানে পিআইসিইউতে ছেলের সঙ্গে মা–বাবার থাকার সুযোগ ছিল না। তাই ১৮ এপ্রিল আবার ছেলেকে ভর্তি করান প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে। সেখানেই পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছেলে মারা যায়।

 

একমাত্র ছেলের মৃত্যুর পর ফারজানা-হেলাল দম্পতি দিশাহারা হয়ে পড়েন। বিভিন্ন হাসপাতালের নথি থাকলেও তাজিমের জীবনের সর্বশেষ ছাড়পত্রের নথিটা হারিয়ে ফেলেছেন। বললেন, হাসপাতাল থেকে দেওয়া সব শেষ ছাড়পত্র বা মৃত্যুর কারণ লেখা নথিটা অ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়েছিল, সন্তানের মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামার সময় ওই নথিটার কথা কারও মনেই ছিল না।

 

সান্ত্বনা খুঁজে বেড়াচ্ছেন এই মা

ফারজানা ফেসবুকে কখনো ছেলের পায়ের ছবি বা কখনো অন্য কোনো স্মৃতির কথা লিখে চলেছেন। তাজিমের হামের জন্য প্রথম ডোজের টিকা পাওয়ার তারিখ ছিল ১ মে। তার আগেই সে মারা যায়। টিকার কার্ডটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন মা।

 

হামে মারা যাওয়া অন্য একটি শিশুকে নিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করে ফারজানা লিখেছেন, তাজিমের অসুস্থতার সময় তার চোখের যে চাহনি ছিল, তা তিনি ভুলতে পারছেন না। চোখ দেখেই তো ছেলের যে কত কষ্ট হচ্ছিল, তা বুঝতে পেরেছিলেন মা।

 

ক্ষোভ প্রকাশের জায়গাও এই ফেসবুক। এক পোস্টে ফারজানা লিখেছেন, দুই মাস ধরে নিষ্পাপ শিশুরা মরে যাচ্ছে, এ নিয়ে সংসদে আলাপ নেই। কারও কোনো দায় নেই। কেউ ব্যর্থতা স্বীকার করছে না। সব দোষ মা ও শিশুর। শিশুরা এই দেশে জন্ম নিল কেন? মা সন্তানের জন্ম দিল কেন?