খুঁজুন
শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ২৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

নড়াইলে এক মায়ের গর্ভে ৭ সন্তান; বাঁচানো গেল না একটিও

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
নড়াইলে এক মায়ের গর্ভে ৭ সন্তান; বাঁচানো গেল না একটিও
শেয়ার করুন

একই সঙ্গে সাত সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সালমা বেগম নামে এক গৃহবধূ। দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার পর ওই দম্পতির ঘর আলো করে চারটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে সন্তান এলেও শেষ পর্যন্ত কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। নড়াইলের এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইজিবাইক চালক মহসিন মোল্লা ও সালমা বেগম দম্পতির বিয়ের ১০ বছর পার হলেও তাদের কোনো সন্তান ছিল না। সম্প্রতি আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টে ছয়টি সন্তানের কথা জানা গেলেও বাস্তবে সাতটি সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগে (সাড়ে পাঁচ মাস) জন্ম হওয়ায় নবজাতকদের বাঁচানো যায়নি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ১১টার দিকে সাত নবজাতককে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

 

 

স্বজনরা জানান, গত সোমবার রাতে সালমা বেগমের প্রসব বেদনা উঠলে তাকে দ্রুত যশোরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে প্রথমে দুটি এবং বুধবার রাতে একে একে আরও পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অপরিণত বয়সে ভূমিষ্ঠ হওয়ায় তাদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল এবং শেষ পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয়। বর্তমানে মা সালমা বেগম যশোরেরই একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

 

নবজাতকদের দাদা আব্দুল লতিফ মোল্লা অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে আগে সৌদি আরবে থাকত। তিন বছর আগে দেশে এসে ইজিবাইক চালিয়ে সংসারের হাল ধরেছে। বিয়ের ১০ বছর পর নাতিনদের মুখ দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছিলাম আমরা। কিন্তু আল্লাহ আমাদের খুশি দিলেও তা আর রইলো না। এই কষ্ট রাখার জায়গা নেই।

 

 

দাদি মঞ্জুরা খাতুন জানান, নাতিনদের মুখ দেখার আশায় তারা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছেন, কিন্তু এক নিমেষেই সব আনন্দ বিষাদে পরিণত হলো।

 

 

স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু সেলিম বলেন, মহসিন মোল্লার সাতটি সন্তান হবে-এমন খবর শুনে সারা গ্রামে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছিল। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ খবর নিতে আসছিল। কিন্তু আজ শিশুগুলোর মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমরা মহসিনের স্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

বিয়ের ১১ বছর পর সন্তানের জন্ম, মৃত্যু হামে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
বিয়ের ১১ বছর পর সন্তানের জন্ম, মৃত্যু হামে
শেয়ার করুন

বিয়ের ১১ বছর পর ফারজানা ইসলাম প্রথম সন্তানের মুখ দেখেছিলেন। ছেলে ফাইয়াজ হাসান তাজিমের নামে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নাম রেখেছিলেন ‘তাজিম এর আম্মু’। ৮ মাস ১৮ দিন বয়সী তাজিম হামে মারা গেছে গত ২২ এপ্রিল।

 

ফারজানা ইসলাম-হেলাল ভূঁইয়া দম্পতির এই সন্তানের জন্ম হয়েছিল টেস্টটিউব বেবি বা আইভিএফ পদ্ধতিতে। এতে নারী ও পুরুষের প্রজনন কোষ সংগ্রহ করে একটি টেস্টটিউবে নিষিক্ত করা হয়। তারপর নিষিক্ত ডিম্বাণু বা ভ্রূণকে মায়ের জরায়ুতে স্থানান্তরের মাধ্যমে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা হয়। পদ্ধতিটি ব্যয়বহুল। ঝুঁকিও ছিল অনেক। সন্তানের জন্মের পর তাজিমকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন এই দম্পতি।

 

গত মার্চ মাস থেকে তাজিমকে নিয়ে লড়াই শুরু করেছিলেন ফারজানা ইসলাম। প্রথমে নিউমোনিয়া, পাতলা পায়খানা শুরু হয়, তারপর হাম। চাঁদপুর থেকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে ছেলেকে ভর্তি করে চিকিৎসা করিয়েছেন।

 

 

গতকাল বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে কথা হয় ফারজানা ইসলামের সঙ্গে। মেসেঞ্জারে ছেলের একটি ছবি পাঠিয়ে এই মা লিখেছেন, ‘এটা ছিল আমার বাবুর জীবনের শেষ হাসির ছবি’। বললেন, নিউমোনিয়ার চিকিৎসার জন্য খরচের বাইরে ১৭ দিন শুধু হামের চিকিৎসায় বিভিন্ন হাসপাতালে খরচ হয়েছে চার লাখ টাকার বেশি।

 

ফারজানা ছেলেকে নিয়ে ভোগান্তির কথা বলছিলেন। ১৮ মার্চ নিউমোনিয়া চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড মোড়ের প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ছেলেকে ভর্তি করান। পিআইসিইউ (শিশুদের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) এবং সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসা শেষে ২৫ মার্চ ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। লঞ্চে বাবার কোলে ছেলে হেসেছে সে ছবিও তুলেছিলেন। এর আগে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড মোড়ের বাংলাদেশ নবজাতক হাসপাতালেও ছেলেকে ভর্তি করিয়েছিলেন। তবে সেই সময় কয়েকটি শিশুর মৃত্যুতে ভয় পেয়ে হাসপাতাল ছেড়েছিলেন।

 

 

২৫ মার্চ বাড়ি ফেরার চার দিনের মাথায় ছেলের আবার জ্বর শুরু হয়। চিকিৎসকের চেম্বারে দেখানোর পাশাপাশি বাড়িতেই চিকিৎসা চলতে থাকে। অবস্থা খারাপ হলে ৫ এপ্রিল থেকে আবার দৌড়ানো শুরু হয় এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে। ওই দিন অ্যাম্বুলেন্সে করে ছেলেকে নিয়ে প্রথমে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে যান। বেড খালি না পেয়ে যান মিরপুরের আলোক হাসপাতালে। সেখানে পিআইসিইউ এবং পরে ওয়ার্ডে চিকিৎসা চলতে থাকে। সেখান থেকে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেও বেড না পেয়ে ভর্তি করান ধানমন্ডির সুপারম্যাক্স হেলথ কেয়ার লিমিটেডে।

 

ফারজানা জানান, সুপারম্যাক্স হাসপাতালে ক্যানোলায় ছেলের পা ফুলে শক্ত হয়ে গিয়েছিল। সেখানে পিআইসিইউতে ছেলের সঙ্গে মা–বাবার থাকার সুযোগ ছিল না। তাই ১৮ এপ্রিল আবার ছেলেকে ভর্তি করান প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে। সেখানেই পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছেলে মারা যায়।

 

একমাত্র ছেলের মৃত্যুর পর ফারজানা-হেলাল দম্পতি দিশাহারা হয়ে পড়েন। বিভিন্ন হাসপাতালের নথি থাকলেও তাজিমের জীবনের সর্বশেষ ছাড়পত্রের নথিটা হারিয়ে ফেলেছেন। বললেন, হাসপাতাল থেকে দেওয়া সব শেষ ছাড়পত্র বা মৃত্যুর কারণ লেখা নথিটা অ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়েছিল, সন্তানের মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামার সময় ওই নথিটার কথা কারও মনেই ছিল না।

 

সান্ত্বনা খুঁজে বেড়াচ্ছেন এই মা

ফারজানা ফেসবুকে কখনো ছেলের পায়ের ছবি বা কখনো অন্য কোনো স্মৃতির কথা লিখে চলেছেন। তাজিমের হামের জন্য প্রথম ডোজের টিকা পাওয়ার তারিখ ছিল ১ মে। তার আগেই সে মারা যায়। টিকার কার্ডটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন মা।

 

হামে মারা যাওয়া অন্য একটি শিশুকে নিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করে ফারজানা লিখেছেন, তাজিমের অসুস্থতার সময় তার চোখের যে চাহনি ছিল, তা তিনি ভুলতে পারছেন না। চোখ দেখেই তো ছেলের যে কত কষ্ট হচ্ছিল, তা বুঝতে পেরেছিলেন মা।

 

ক্ষোভ প্রকাশের জায়গাও এই ফেসবুক। এক পোস্টে ফারজানা লিখেছেন, দুই মাস ধরে নিষ্পাপ শিশুরা মরে যাচ্ছে, এ নিয়ে সংসদে আলাপ নেই। কারও কোনো দায় নেই। কেউ ব্যর্থতা স্বীকার করছে না। সব দোষ মা ও শিশুর। শিশুরা এই দেশে জন্ম নিল কেন? মা সন্তানের জন্ম দিল কেন?

গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
গভীর রাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব
শেয়ার করুন

শহরের রাস্তায় সাধারণ নারীরা কতটা নিরাপদ, তা সরেজমিনে যাচাই করতে এক অভিনব ও সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন ভারতের হায়দরাবাদের মালকাজগিরির পুলিশ কমিশনার সুমতি। তেলঙ্গানা ক্যাডারের এই সিনিয়র আইপিএস কর্মকর্তা গভীর রাতে সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে একাকী বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে সমাজের প্রকৃত চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।গত ১ মে দায়িত্ব গ্রহণের পর নারী নিরাপত্তার বাস্তব অবস্থা বুঝতে তার এই তিন ঘণ্টার অভিযানে উঠে এসেছে অত্যন্ত উদ্বেগজনক চিত্র। কোনো নিরাপত্তা রক্ষী বা পুলিশের প্রটোকল ছাড়াই সাধারণ পোশাকে দাঁড়িয়ে থাকাকালীন প্রায় ৪০ জন পুরুষ তাকে উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করে এবং সরাসরি কুপ্রস্তাব দেয়।

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মালকাজগিরি থানার কাছে একটি বাসস্ট্যান্ডে এই পর্যবেক্ষণমূলক অভিযান পরিচালনা করেন সুমতি। ছদ্মবেশে থাকায় উপস্থিত পুরুষদের কেউ বুঝতে পারেননি যে তারা একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছেন।

কমিশনারের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ৩ ঘণ্টার এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে তার কাছে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে যেমন নেশাগ্রস্ত লোক ছিল, তেমনি অনেক শিক্ষার্থী ও তরুণও ছিল। কেউ কেউ স্বাভাবিক আলাপের ছলে এগিয়ে এলেও শেষ পর্যন্ত অশালীন আচরণ বা কুপ্রস্তাব প্রদান করেন। শুধু অভিযোগের ওপর নির্ভর না করে ফিল্ড পর্যায়ে নারী নিরাপত্তার দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করতেই তিনি এই উদ্যোগ নেন।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, এই অভিযানের পর উত্যক্তকারী বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে পুলিশ কমিশনার তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের না করে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন।

অভিযুক্তদের থানায় ডেকে নিয়ে বিশেষ কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং জনসমক্ষে নারীদের প্রতি সম্মানজনক আচরণ করার বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সুমতি মনে করেন, অপরাধীদের শাস্তির পাশাপাশি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঘটার আগে সেই এলাকাগুলোতে টহল জোরদার এবং অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনা।

হায়দরাবাদের নারী আইপিএস সুমতির এমন সাহসী উদ্যোগ এই প্রথম নয়। এর আগেও তিনি যখন কাজিপেট রেলওয়ে স্টেশনে ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট অব পুলিশ হিসেবে কর্মরত ছিলেন, তখনও নিরাপত্তার মান যাচাই করতে একই ধরনের ছদ্মবেশি অভিযান চালিয়েছিলেন।

মালকাজগিরির পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার এই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ স্থানীয় নারীদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বৃদ্ধি এবং বিশেষ পুলিশি টহল দল বা ‘শি টিম’-এর তৎপরতা আরও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি।

চকরিয়ায় নদীতে ডুবে সাংবাদিক পুত্রের মৃত্যু

চকরিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
চকরিয়ায় নদীতে ডুবে সাংবাদিক পুত্রের মৃত্যু
শেয়ার করুন

চকরিয়ায় মাতামুহুরি নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মোহাম্মদ নুরে ইলাহী নাদিম (১৩) নামের এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত নাদিম চকরিয়ায় কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক অলি উল্লাহ রনির ছেলে।

শুক্রবার (৮ মে) সকাল ১০টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের করাইঘোনা ঘাটপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে নিজ বাড়ির পাশে মাতামুহুরি নদীতে গোসল করতে নামে নাদিম। একপর্যায়ে নদীর গভীর পানিতে তলিয়ে যায় সে। পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত নাদিমের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

এদিকে প্রিয় সন্তানের মৃত্যুতে সাংবাদিক অলি উল্লাহ রনির পরিবারে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।