খুঁজুন
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

সরকার গঠন করতে কংগ্রেসের সমর্থন চাইলেন থালাপতি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
সরকার গঠন করতে কংগ্রেসের সমর্থন চাইলেন থালাপতি
শেয়ার করুন

তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া টিভিকে প্রধান বিজয় রাজ্য সরকার গঠনে কংগ্রেসের সমর্থন চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল।

 

তিনি বলেন, কংগ্রেসের তামিলনাড়ু ইউনিট আগামীকাল বুধবার (৬ মে) সকালে চেন্নাইয়ে বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে দলটি রাজ্যে বিজেপির সরকার চায় না, কারণ তাদের মতে জনগণের রায় ‘ধর্মনিরপেক্ষ সরকারের’ পক্ষেই গেছে।

 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কংগ্রেস কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্য শাখাকে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছে। একই সঙ্গে নতুন সরকারে আরও কিছু দল যুক্ত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে, যদিও তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

 

 

এর আগে কংগ্রেসের তামিলনাড়ু দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গিরিশ চোদাঙ্কর নিশ্চিত করেন, বিজয় কংগ্রেস সভাপতির কাছে লিখিতভাবে সমর্থন চেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি বিবেচনা করছি। আমাদের ফলাফল খুব ভালো হয়নি, তরুণ ও নারীদের মধ্যে বিজয়ের প্রতি বড় ধরনের সমর্থন দেখা গেছে। রায় এসেছে ধর্মনিরপেক্ষ সরকারের পক্ষেই।’

 

নির্বাচনে টিভিকে ১০৮ আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে। তবে ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ আসনের সংখ্যা কোনো দলই অর্জন করতে পারেনি। ফলে রাজ্যে জোট গঠন নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

বিজয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া প্রথম প্রতিক্রিয়ায় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নানা বাধা ও সমালোচনা অতিক্রম করে তারা এই অবস্থানে এসেছে। তিনি দাবি করেন, দলটি একা দাঁড়িয়ে জনগণের ওপর আস্থা রেখে এগিয়েছে এবং তামিলনাড়ুর জনগণ তাদের পাশে থেকেছে।

 

তিনি আরও বলেন, টিভিকের এই অর্জন শুধু রাজনৈতিক জয় নয়, বরং গণতন্ত্রেরও জয়। তামিলনাড়ুর জনগণকে তিনি আজীবন কৃতজ্ঞতা জানান।

মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন
শেয়ার করুন

ডায়েটের কড়া নিয়মে হাঁপিয়ে উঠেছেন? তবে আজ একটু ছুটি নিতেই পারেন। কারণ আজ ৬ মে, ডায়েট না মেনে মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন। বছরে একদিন এই দিনটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, শরীরকে ভালোবাসাও জরুরি, শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়।

 

বর্তমান সময়ে ফিট থাকার নামে অনেকেই কঠোর খাদ্যনিয়ম মেনে চলেন। কিন্তু অতিরিক্ত কড়াকড়ি অনেক সময় শরীর ও মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই এই দিনটি উৎসাহ দেয় নিজের পছন্দের খাবার উপভোগ করতে এবং শরীর নিয়ে ইতিবাচক ভাবতে।

 

১৯৯২ সালে এই দিনের সূচনা করেন মেরি ইভান্স ইয়াং। তিনি নিজেই খাদ্যজনিত এক গুরুতর সমস্যায় ভুগেছিলেন। সুস্থ হয়ে ওঠার পর তিনি বুঝতে পারেন, শরীর নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা মানুষকে অসুস্থ করে তোলে। সেখান থেকেই শুরু হয় এই বিশেষ দিনের যাত্রা।

 

এই দিনটি শুধু ইচ্ছামতো খাওয়ার জন্য নয়, বরং একটি জরুরি বার্তা দেয়—শরীরকে ছোট করে দেখা নয়, ভালোবাসা শিখতে হবে। অনেকেই নিজের ওজন বা গড়ন নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। যা মানসিক চাপ তৈরি করে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সুস্থ থাকতে সুষম খাবার যেমন জরুরি, তেমনি দরকার আনন্দ নিয়ে খাওয়া। তাই বছরের এই একটি দিন মনে করিয়ে দেয়, খাবারের সঙ্গে সম্পর্কটা যেন ভয় নয়, আনন্দের হয়।

 

আজ তাই একটু ভিন্ন হোক রুটিন। প্রিয় খাবার খান, নিজেকে ভালোবাসুন, আর ভুলে যান অতিরিক্ত নিয়মের চাপ।

 

 

ব্যথা ছাড়াই হানা দিতে পারে স্ট্রোক, জীবন বাঁচাতে চিনুন এই ৫টি ‘নীরব’ লক্ষণ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ
ব্যথা ছাড়াই হানা দিতে পারে স্ট্রোক, জীবন বাঁচাতে চিনুন এই ৫টি ‘নীরব’ লক্ষণ
শেয়ার করুন
স্ট্রোক মানেই কি মাথায় প্রচণ্ড যন্ত্রণা বা অসহ্য ব্যথা? আমাদের এই প্রচলিত ধারণাটি জীবনঘাতী হতে পারে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রেই স্ট্রোক কোনো ধরনের ব্যথা ছাড়াই ঘটে। আর ব্যথার অনুপস্থিতির কারণেই রোগীরা লক্ষণগুলোকে সাধারণ ক্লান্তি বা সামান্য সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যান, যার ফলাফল হয় ভয়াবহ।

চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেন, ব্যথা না হওয়াটাই স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ফাঁদ। অনেকেই মনে করেন ব্যথা নেই মানে বিপদ নেই, কিন্তু ব্যথাহীন স্ট্রোক দ্রুত পঙ্গুত্ব এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

ব্যথাহীন স্ট্রোকের ৫টি প্রধান সতর্ক সংকেত:

১. হঠাৎ অবশ বা দুর্বলতা

শরীরের যেকোনো এক পাশ—বিশেষ করে মুখ, হাত বা পা হঠাৎ অবশ হয়ে আসা। হাসতে গেলে যদি মুখের এক পাশ বেঁকে যায় বা হাত উপরে তুলে ধরে রাখতে কষ্ট হয়, তবে বুঝবেন এটি স্ট্রোকের লক্ষণ।

২. কথাবার্তায় অসংলগ্নতা

হঠাৎ কথা জড়িয়ে যাওয়া, স্পষ্ট করে কথা বলতে না পারা কিংবা অন্যের সহজ কথা বুঝতে সমস্যা হওয়া।

৩. দৃষ্টিশক্তির আকস্মিক পরিবর্তন

হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা, একটি জিনিসকে দুটি দেখা অথবা চোখের সামনে অন্ধকার নেমে আসা।

৪. ভারসাম্য ও সমন্বয়হীনতা

হঠাৎ মাথা ঘোরা, হাঁটতে গিয়ে টাল সামলাতে না পারা বা শরীরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা।

আরও পড়ুন

শ্বাসকষ্ট না থাকলেও হতে পারে হাঁপানি, যে ৫ বিপজ্জনক লক্ষণে বুঝবেন

শ্বাসকষ্ট না থাকলেও হতে পারে হাঁপানি, যে ৫ বিপজ্জনক লক্ষণে বুঝবেন

 

৫. অস্বাভাবিক ক্লান্তি

কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ শরীর ভেঙে আসা বা হাত-পা নাড়াতে প্রচণ্ড কষ্ট হওয়া।

লক্ষণ চেনার জীবনদায়ী সূত্র: B.E. F.A.S.T.

চিকিৎসকরা স্ট্রোক শনাক্ত করতে এই সহজ সূত্রটি মনে রাখার পরামর্শ দেন:

B (Balance): ভারসাম্য বা হাঁটাচলায় সমস্যা।

E (Eyes): দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।

F (Face): মুখের এক পাশ ঝুলে পড়া বা বেঁকে যাওয়া।

A (Arm): এক হাতের দুর্বলতা বা অবশ ভাব।

S (Speech): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা অস্পষ্টতা।

T (Time): এই লক্ষণগুলো দেখা মাত্রই সময় নষ্ট না করে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা বা হাসপাতালে নেওয়া।

দ্রুত চিকিৎসা কেন অপরিহার্য?

চিকিৎসকরা জানান, কিছু স্ট্রোক (যেমন—বড় রক্তনালী বন্ধ হওয়া বা হেমারেজ) শুরুতে কোনো ব্যথা তৈরি করে না, কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যে তা জীবন কেড়ে নিতে পারে। দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে পারলে জরুরি ওষুধ বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি রোধ করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞের শেষ বার্তা

স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ‘সময়ই মস্তিষ্ক’। ব্যথা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না। শরীর যদি হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ করে, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার সচেতনতাই হতে পারে জীবন বাঁচানোর চাবিকাঠি।

গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে আবার গুলি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে আবার গুলি
শেয়ার করুন

খুলনা নগরে রাজু হাওলাদার (৩৮) নামের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে আবার গুলি করার অভিযোগ উঠেছে।

 

 

 

আহত রাজু হাওলাদার লবণচরা থানার শিপইয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা আছে। লবণচরা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে।

 

 

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার নগরের লবণচরা থানার কোবা মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় পেটে গুলিবিদ্ধ হন রাজু। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে কখন ও কীভাবে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

 

 

রাজুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সটি রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে।

 

 

কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহম্মেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘লবণচরা থানার একটি পার্টি চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় যাওয়ার পথে কুদির বটতলা এলাকায় কারা যেন অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বলে শুনেছি। পরে তারা আমাদের কাছে বিষয়টি জানিয়ে বাড়তি নিরাপত্তা চায়। আমরা পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে তাদের আমাদের থানা এলাকা পার করে দিই।’ তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। গুলি অ্যাম্বুলেন্সে লেগেছিল কি না, তাঁরা খতিয়ে দেখেননি। রাতের বেলা তারা শুধু সহায়তা চেয়েছিল, পুলিশ সেটাই করেছে।

 

 

 

লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, রাজুর ওপর গুলির ঘটনা কখন ও কোথায় ঘটেছে—এখনো স্পষ্ট নয়। রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে পাওয়া যায়। তাঁর পেটে গুলির চিহ্ন ছিল। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনার নেপথ্যের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ। অ্যাম্বুলেন্সে গুলির ঘটনার বিষয়ে তেমন কিছু বলতে পারেননি তিনি।