খুঁজুন
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ফের ধস, ভরিতে কমল ১৫ হাজার টাকা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ফের ধস, ভরিতে কমল ১৫ হাজার টাকা
শেয়ার করুন

টানা কয়েক দফায় বাড়ার পর স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বিশ্ববাজারে দাম কমার ফলে দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম।

Advertisement

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ভরিতে ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

স্বর্ণের দামের সঙ্গে কমেছে রুপার দামও। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভরিতে ৪৬৭ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা।

এর আগে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম ভরিতে ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা এবং রুপার দাম ভরিতে ৮১৬ টাকা কমিয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ
শেয়ার করুন

উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।

তিনি ২০১৯ সালের ৩ মে বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর ৩ দিন পর ৬ মে তাকে চৌধুরী পাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মাত্র ৬৩ বছর বয়সে মরণব্যাধী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

 

ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী উখিয়ার রুমখা চৌধুরী পাড়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী চৌধুরী পরিবারে জম্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি সৎ, বিনয়ী, বন্ধুবৎসল ও অমায়িক লোক হিসাবে সবার কাছে সমান জনপ্রিয় ছিলেন। স্বনামখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী একজন মেধাবী সংগঠক ছিলেন।

 

তিনি উখিয়া কোটবাজার অভিলাষ খেলাঘর আসর ও উখিয়া আর্টক্লাবের প্রতিষ্ঠা সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। মৃত্যুকালে ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী স্ত্রী, ৭ পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান রেখে যান।

 

পরিবারের পক্ষে মরহুমের মেঝসন্তান সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী মরহুম পিতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন
শেয়ার করুন

ডায়েটের কড়া নিয়মে হাঁপিয়ে উঠেছেন? তবে আজ একটু ছুটি নিতেই পারেন। কারণ আজ ৬ মে, ডায়েট না মেনে মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন। বছরে একদিন এই দিনটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, শরীরকে ভালোবাসাও জরুরি, শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়।

 

বর্তমান সময়ে ফিট থাকার নামে অনেকেই কঠোর খাদ্যনিয়ম মেনে চলেন। কিন্তু অতিরিক্ত কড়াকড়ি অনেক সময় শরীর ও মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই এই দিনটি উৎসাহ দেয় নিজের পছন্দের খাবার উপভোগ করতে এবং শরীর নিয়ে ইতিবাচক ভাবতে।

 

১৯৯২ সালে এই দিনের সূচনা করেন মেরি ইভান্স ইয়াং। তিনি নিজেই খাদ্যজনিত এক গুরুতর সমস্যায় ভুগেছিলেন। সুস্থ হয়ে ওঠার পর তিনি বুঝতে পারেন, শরীর নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা মানুষকে অসুস্থ করে তোলে। সেখান থেকেই শুরু হয় এই বিশেষ দিনের যাত্রা।

 

এই দিনটি শুধু ইচ্ছামতো খাওয়ার জন্য নয়, বরং একটি জরুরি বার্তা দেয়—শরীরকে ছোট করে দেখা নয়, ভালোবাসা শিখতে হবে। অনেকেই নিজের ওজন বা গড়ন নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। যা মানসিক চাপ তৈরি করে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সুস্থ থাকতে সুষম খাবার যেমন জরুরি, তেমনি দরকার আনন্দ নিয়ে খাওয়া। তাই বছরের এই একটি দিন মনে করিয়ে দেয়, খাবারের সঙ্গে সম্পর্কটা যেন ভয় নয়, আনন্দের হয়।

 

আজ তাই একটু ভিন্ন হোক রুটিন। প্রিয় খাবার খান, নিজেকে ভালোবাসুন, আর ভুলে যান অতিরিক্ত নিয়মের চাপ।

 

 

ব্যথা ছাড়াই হানা দিতে পারে স্ট্রোক, জীবন বাঁচাতে চিনুন এই ৫টি ‘নীরব’ লক্ষণ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ
ব্যথা ছাড়াই হানা দিতে পারে স্ট্রোক, জীবন বাঁচাতে চিনুন এই ৫টি ‘নীরব’ লক্ষণ
শেয়ার করুন
স্ট্রোক মানেই কি মাথায় প্রচণ্ড যন্ত্রণা বা অসহ্য ব্যথা? আমাদের এই প্রচলিত ধারণাটি জীবনঘাতী হতে পারে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রেই স্ট্রোক কোনো ধরনের ব্যথা ছাড়াই ঘটে। আর ব্যথার অনুপস্থিতির কারণেই রোগীরা লক্ষণগুলোকে সাধারণ ক্লান্তি বা সামান্য সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যান, যার ফলাফল হয় ভয়াবহ।

চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেন, ব্যথা না হওয়াটাই স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ফাঁদ। অনেকেই মনে করেন ব্যথা নেই মানে বিপদ নেই, কিন্তু ব্যথাহীন স্ট্রোক দ্রুত পঙ্গুত্ব এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

ব্যথাহীন স্ট্রোকের ৫টি প্রধান সতর্ক সংকেত:

১. হঠাৎ অবশ বা দুর্বলতা

শরীরের যেকোনো এক পাশ—বিশেষ করে মুখ, হাত বা পা হঠাৎ অবশ হয়ে আসা। হাসতে গেলে যদি মুখের এক পাশ বেঁকে যায় বা হাত উপরে তুলে ধরে রাখতে কষ্ট হয়, তবে বুঝবেন এটি স্ট্রোকের লক্ষণ।

২. কথাবার্তায় অসংলগ্নতা

হঠাৎ কথা জড়িয়ে যাওয়া, স্পষ্ট করে কথা বলতে না পারা কিংবা অন্যের সহজ কথা বুঝতে সমস্যা হওয়া।

৩. দৃষ্টিশক্তির আকস্মিক পরিবর্তন

হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা, একটি জিনিসকে দুটি দেখা অথবা চোখের সামনে অন্ধকার নেমে আসা।

৪. ভারসাম্য ও সমন্বয়হীনতা

হঠাৎ মাথা ঘোরা, হাঁটতে গিয়ে টাল সামলাতে না পারা বা শরীরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা।

আরও পড়ুন

শ্বাসকষ্ট না থাকলেও হতে পারে হাঁপানি, যে ৫ বিপজ্জনক লক্ষণে বুঝবেন

শ্বাসকষ্ট না থাকলেও হতে পারে হাঁপানি, যে ৫ বিপজ্জনক লক্ষণে বুঝবেন

 

৫. অস্বাভাবিক ক্লান্তি

কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ শরীর ভেঙে আসা বা হাত-পা নাড়াতে প্রচণ্ড কষ্ট হওয়া।

লক্ষণ চেনার জীবনদায়ী সূত্র: B.E. F.A.S.T.

চিকিৎসকরা স্ট্রোক শনাক্ত করতে এই সহজ সূত্রটি মনে রাখার পরামর্শ দেন:

B (Balance): ভারসাম্য বা হাঁটাচলায় সমস্যা।

E (Eyes): দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।

F (Face): মুখের এক পাশ ঝুলে পড়া বা বেঁকে যাওয়া।

A (Arm): এক হাতের দুর্বলতা বা অবশ ভাব।

S (Speech): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা অস্পষ্টতা।

T (Time): এই লক্ষণগুলো দেখা মাত্রই সময় নষ্ট না করে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা বা হাসপাতালে নেওয়া।

দ্রুত চিকিৎসা কেন অপরিহার্য?

চিকিৎসকরা জানান, কিছু স্ট্রোক (যেমন—বড় রক্তনালী বন্ধ হওয়া বা হেমারেজ) শুরুতে কোনো ব্যথা তৈরি করে না, কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যে তা জীবন কেড়ে নিতে পারে। দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে পারলে জরুরি ওষুধ বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি রোধ করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞের শেষ বার্তা

স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ‘সময়ই মস্তিষ্ক’। ব্যথা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না। শরীর যদি হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ করে, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার সচেতনতাই হতে পারে জীবন বাঁচানোর চাবিকাঠি।