খুঁজুন
শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড: পরিবেশমন্ত্রী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড: পরিবেশমন্ত্রী
শেয়ার করুন

আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

 

 

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের ইস্যু বিস্তারিত উল্লেখ আছে। এটা কার্যকর কীভাবে করবে, সেটা নিয়ে আজ আলোচনা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে আজ।

 

 

কত পরিবারকে দেওয়া হবে-জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা কিন্তু সার্বজনীন। এটাতে কোনো রেস্ট্রিকশন থাকবে না। তবে এটা একটা কমিটি করা হয়েছে— হয়তো শুরু করবে হতদরিদ্র থেকে আরম্ভ করে, তারপর দরিদ্র, তারপর মধ্যবিত্ত, এভাবে যাবে।

 

এই রমজানেই কি এটি শুরু হচ্ছে-এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঈদের আগেই পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চান পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে অন্তত, পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ঈদের আগেই শুরু করতে। এটুকু আমি জানি।

 

সিপিডি বলেছে যে, আগামী অর্থবছরে ফ্যামিলি কার্ড চালু যদি না হয়, তাহলে এর নেতিবাচক প্রভাব নির্বাচনের ওপর পড়বে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা তো চালু হবে, এটা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। এটা আমাদের খালি মেকানিজমটা বের করছে, মানে কার্যক্রমটা কীভাবে চালু করবে সেটা নিয়েই কথা হয়েছে।

শেষ হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, মধ্যরাত থেকে ইলিশ শিকারে নামছেন জেলেরা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
শেষ হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, মধ্যরাত থেকে ইলিশ শিকারে নামছেন জেলেরা
শেয়ার করুন

দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে দেশের নদ-নদীতে আবারও ইলিশ ধরা শুরু হচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর জেলে পাড়াগুলোতে এখন উৎসবের আমেজ ও নদীতে নামার শেষ প্রস্তুতি চলছে।

 

এর আগে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চাঁদপুর জেলাসহ ছয় জেলার পাঁচটি অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশ ও সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। এই সময়ে জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশ সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

মৎস্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবারের অভিযান প্রায় শতভাগ সফল হয়েছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এ বছর জেলায় প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত ইলিশ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলে পাড়াগুলোতে নৌকা মেরামত, জাল সেলাই এবং ইঞ্জিন প্রস্তুতের কাজ শেষ করে নদীতে নামার অপেক্ষায় রয়েছেন জেলেরা। তবে অনেকে ঋণ করে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন বলে জানিয়েছেন।

 

জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় সংসার চালাতে এবং নৌকা-জাল মেরামতে ঋণ নিতে হয়েছে। এখন নদীতে মাছ না পেলে তারা আর্থিক সংকটে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন।

 

চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, দুই মাসে অভয়াশ্রম এলাকায় কঠোর অভিযান চালানো হয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় বহু জেলেকে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের ফলে জাটকা রক্ষা ও ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

 

সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা সময় ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের জন্য বিজিএফ চালসহ খাদ্য সহায়তাও প্রদান করা হয়েছে।

প্রবাসীর মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রহমতুল্লাহ নামে এক প্রবাসী ও তার স্ত্রীর 

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
প্রবাসীর মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রহমতুল্লাহ নামে এক প্রবাসী ও তার স্ত্রীর 
শেয়ার করুন

প্রবাসীর মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রহমতুল্লাহ নামে এক প্রবাসী ও তার স্ত্রীর

‎প্রবাসী  আব্দুল্লাহর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে দেশে এসে নিখোঁজ রয়েছেন রহমতুল্লাহ নামের এক প্রবাসীর স্ত্রী, অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহ তার পরিচিত প্রবাসী রহমতুল্লাহর মাধ্যমে দেশে থাকা পরিবারের জন্য কিছু মূল্যবান জিনিসপত্র পাঠান। এসবের মধ্যে ছিল একটি আইফোন, একটি সোনার চেইন, দুটি দামী ঘড়ি, একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, অন্যান্য দামী আসবাবপত্র এবং প্রায় ১৫ হাজার সৌদি রিয়াল।

‎জানা গেছে, রহমতুল্লাহর স্ত্রী প্রবাসে গিয়ে প্রায় তিন মাস অবস্থান করার পর দেশে ফেরার সময় এসব মালামাল তার হাতে তুলে দেন আব্দুল্লাহ, যাতে তিনি সেগুলো আব্দুল্লাহর পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন। কিন্তু দেশে আসার পর প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি কোনো ধরনের যোগাযোগ করেননি।

‎অভিযোগকারী আব্দুল্লাহ জানান, একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও রহমতুল্লাহ ফোন বন্ধ করে দেন এবং এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে রহমতুল্লাহর স্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে আব্দুল্লাহ,

‎এ ঘটনায় রহমতুল্লাহর দেশের বাড়ির ঠিকানা বা অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হলে তা ভুল বলে জানা যায়। বর্তমানে রহমতুল্লাহ সৌদি আরবে অবস্থান করলেও তিনি কোনোভাবেই আব্দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন না।

‎এদিকে, রহমতুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করতে পারলে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ।

ঢাকা বার নির্বাচন : ৬৬ শতাংশ আইনজীবীই দেননি ভোট

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
ঢাকা বার নির্বাচন : ৬৬ শতাংশ আইনজীবীই দেননি ভোট
শেয়ার করুন

দেশের বৃহত্তম বার ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে দুই দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৩৪ শতাংশ আইনজীবী ভোট দিয়েছেন। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন ৬৬ শতাংশ ভোটারই।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ শেষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন কালবেলাকে জানান, প্রথম দিনে ভোট দেন দুই হাজার ৭৫৯ জন। আর দ্বিতীয় দিনে ভোট দেন চার হাজার ৩১০ জন আইনজীবী।

 

তিনি আর বলেন, সবমিলে দুই দিনে সাত হাজার ৬৯ জন আইনজীবী নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ভোটার ২০ হাজার ৭৮৫ জন আইনজীবী।

 

অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন হয়েছে খুবই উৎসবমুখরভাবে। ভোটাররা যেন ভালোভাবে ভোট দিতে পারে তার জন্য বুথ বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

 

ফলাফলের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, আগামীকাল জুমার নামাজের পর ভোট গণনা শুরু হবে। ভোটার স্লিপগুলো ঠিকভাবে সিরিয়াল করে গণনা শুরু হবে। সেক্ষেত্রে শুক্রবার রাত অথবা শনিবার সকালে ফলাফল ঘোষণা হতে পারে।

 

এদিকে, ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভবনে গতকাল বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত হয় ভোটগ্রহণ হয়। দুই দিনেই বৃষ্টির মাঝেই আইনজীবীরা ভোট দিতে আসেন।

 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদে ভোটগ্রহণ হয়। বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত আইনজীবীরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল) এবং জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (সবুজ প্যানেলে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

উভয় প্যানেলে ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন ছাড়াও স্বতন্ত্র আটজন প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

তবে নির্বাচনে মাঠে নেই আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সমর্থিত সাদা প্যানেল। প্যানেল না থাকলেও আওয়ামী সমর্থিত কয়েকজন আইনজীবী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে চাইলে মনোনয়ন নিতে বাঁধার সম্মুখীন হন বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করেন কয়েকজন আইনজীবী।

 

নির্বাচনে বিএনপি জোট নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল কালাম খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপর দিকে জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ১১ জোটের সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এস এম কামাল উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক লড়ছেন।

 

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২১টি পদে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা।

 

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিতরা আদালতে আসা বন্ধ করে দেন। এতে সমিতির সব কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। এই পরিস্থিতিতে ওই বছরের ১৩ আগস্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা। এরপর থেকেই তারা দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।