খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

মেরিন ড্রাইভে ‘চাদের গাড়ি’ বন্ধের দাবি, জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
মেরিন ড্রাইভে ‘চাদের গাড়ি’ বন্ধের দাবি, জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি
শেয়ার করুন

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত ‘চাদের গাড়ি’ চলাচল বন্ধ এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয় যুবশক্তি কক্সবাজার জেলা শাখা।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে বলা হয়, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন রুট মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি বিপুল সংখ্যক পর্যটক যাতায়াত করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ফিটনেসবিহীন, অননুমোদিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ‘চাদের গাড়ি’ অবাধে চলাচল করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

 

স্মারকলিপিতে সংগঠনটির নেতারা উল্লেখ করেন, এসব যানবাহনের অধিকাংশেরই বৈধ রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ নেই। পাশাপাশি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষিত চালকের অভাব থাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

 

এ প্রেক্ষাপটে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরে জাতীয় যুবশক্তি। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত ‘চাদের গাড়ি’ সম্পূর্ণ বন্ধ, বৈধ ও ফিটনেসসম্পন্ন যানবাহনের মাধ্যমে পর্যটক পরিবহন নিশ্চিত করা, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বৃদ্ধি এবং চালকদের লাইসেন্স ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা।

 

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে এবং মেরিন ড্রাইভে পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত হবে।

 

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুবশক্তি কক্সবাজার জেলা শাখার আহ্বায়ক আসিফ মোহাম্মদ বাপ্পি, সদস্য সচিব শামীম ফরহাদ, মূখ্য সংগঠক ফারুক নওশাদ, যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) মিনহাজ আবরার, যুগ্ম সদস্য সচিব মফিজুর রহমান ও আম্মার মাহমুদ, জেলা সংগঠক সালাহ উদ্দীন নয়ন এবং শহর শাখার সদস্য সচিব শাহেদুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা বার নির্বাচন : ৬৬ শতাংশ আইনজীবীই দেননি ভোট

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
ঢাকা বার নির্বাচন : ৬৬ শতাংশ আইনজীবীই দেননি ভোট
শেয়ার করুন

দেশের বৃহত্তম বার ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে দুই দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৩৪ শতাংশ আইনজীবী ভোট দিয়েছেন। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন ৬৬ শতাংশ ভোটারই।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ শেষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন কালবেলাকে জানান, প্রথম দিনে ভোট দেন দুই হাজার ৭৫৯ জন। আর দ্বিতীয় দিনে ভোট দেন চার হাজার ৩১০ জন আইনজীবী।

 

তিনি আর বলেন, সবমিলে দুই দিনে সাত হাজার ৬৯ জন আইনজীবী নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ভোটার ২০ হাজার ৭৮৫ জন আইনজীবী।

 

অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন হয়েছে খুবই উৎসবমুখরভাবে। ভোটাররা যেন ভালোভাবে ভোট দিতে পারে তার জন্য বুথ বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

 

ফলাফলের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, আগামীকাল জুমার নামাজের পর ভোট গণনা শুরু হবে। ভোটার স্লিপগুলো ঠিকভাবে সিরিয়াল করে গণনা শুরু হবে। সেক্ষেত্রে শুক্রবার রাত অথবা শনিবার সকালে ফলাফল ঘোষণা হতে পারে।

 

এদিকে, ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভবনে গতকাল বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত হয় ভোটগ্রহণ হয়। দুই দিনেই বৃষ্টির মাঝেই আইনজীবীরা ভোট দিতে আসেন।

 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদে ভোটগ্রহণ হয়। বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত আইনজীবীরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল) এবং জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (সবুজ প্যানেলে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

উভয় প্যানেলে ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন ছাড়াও স্বতন্ত্র আটজন প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

তবে নির্বাচনে মাঠে নেই আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সমর্থিত সাদা প্যানেল। প্যানেল না থাকলেও আওয়ামী সমর্থিত কয়েকজন আইনজীবী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে চাইলে মনোনয়ন নিতে বাঁধার সম্মুখীন হন বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করেন কয়েকজন আইনজীবী।

 

নির্বাচনে বিএনপি জোট নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল কালাম খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপর দিকে জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ১১ জোটের সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এস এম কামাল উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক লড়ছেন।

 

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২১টি পদে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা।

 

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিতরা আদালতে আসা বন্ধ করে দেন। এতে সমিতির সব কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। এই পরিস্থিতিতে ওই বছরের ১৩ আগস্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা। এরপর থেকেই তারা দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

৫-৮ আগস্ট অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন রাষ্ট্রপতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
৫-৮ আগস্ট অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন রাষ্ট্রপতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শেয়ার করুন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, চব্বিশের ৫ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সরকারবিহীন একটা রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি মোহা. সাহাবুদ্দিন অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন। সে জন্য তাকে ধন্যবাদ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবু আলা মওদুদীর রাজনৈতিক অবস্থান ও মুক্তিযোদ্ধা তালিকা নিয়ে চলমান বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ইতিহাসের নতুন অনেক তথ্য আমাদের সামনে আসছে। আবু আলা মওদুদী যে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন, তা প্রায় ৭৫ বছর পর জানা গেল! এ নতুন ইতিহাস জানানোর জন্য আপনাদের (জামায়াতকে) ধন্যবাদ। আবার ইতিহাসের একটা নতুন জিনিস জানলাম যে জামায়াতের আবু তাহের সাহেব শিশু মুক্তিযোদ্ধা, তাকে অভিনন্দন।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কারা, তা এখন স্পষ্ট হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সংবিধান সংশোধন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এরইমধ্যে বিশেষ কমিটির প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিরোধী দলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তারা সংস্কার পরিষদ করতে চায়। সংশোধনীকে সংস্কার মনে করে তারা যদি মনে মনে খুশি হয়, তবে তাতে আমাদের আপত্তি নেই। তাদের কাছে কমিটির জন্য সদস্য চাওয়া হয়েছে, তারা দেননি। আশা করি দেবেন, সময় আছে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী সালাহউদ্দিন বলেন, কেউ কেউ নির্বাচন চায়নি, লড়াই করে নির্বাচন আদায় করে নিতে হয়েছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ফল্ট। তারা (জামায়াত ও এনসিপি) কীভাবে চিঠি পেয়ে দুটি শপথ নিয়েছে।

গত ১৫ বছরে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের চিত্র তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে অহেতুক বাহাস না করে আসুন আমরা সবাই মিলে এই টাকা ফেরাতে কাজ করি।

আওয়ামী লীগ ও তাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেয়া দলগুলোকে ‘জাতীয় বেইমান’ বলা থেকে বিরত থেকে তাদের রাজনৈতিক ভূমিকার সমালোচনা করেন তিনি।

সংসদে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

‘প্রতিবেশীর সাথে সম্পর্ক করবো কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক না’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ
‘প্রতিবেশীর সাথে সম্পর্ক করবো কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক না’
শেয়ার করুন

প্রতিবেশীর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চায়, কিন্তু সেই সম্পর্ক কখনোই দাসত্বের পর্যায়ে যেতে পারে না। বন্ধুত্ব হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে, এটি কোনও ‘স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক’ নয়।”

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

দেশের সমসাময়িক রাজনীতি ও প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশ সবার সঙ্গে অর্থনৈতিক কারণে বন্ধুত্ব চায়, কিন্তু সেই বন্ধুত্ব কখনোই দাসত্বের নামান্তর হবে না। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক হতে হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে, জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নয়। প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব হবে— কিন্তু তা কখনোই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মতো হওয়া উচিত নয়। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ বজায় রাখাই হবে আমাদের মূল অগ্রাধিকার।’

 

 

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন শুরু হয়, তখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দ্রুততম সময়ে এই আন্দোলনকে নৈতিক ও সর্বাত্মক সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি কোনও একক দলের অর্জন নয়, বরং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে স্কুলপড়ুয়া কিশোর-কিশোরী এবং বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত ত্যাগের ফসল। যারা আজ সংসদে আছেন তাদের পাশাপাশি অসংখ্য সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মী এই ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেছেন।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হলেও প্রকৃত মুক্তি এখনও আসেনি। জলবায়ু ও রাজনৈতিক ভাবনার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রজন্মের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমানকে ধারণ করেই পূরণ করতে হবে।’