খুঁজুন
সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৪ বৈশাখ, ১৪৩৩

সুনামগঞ্জে এত বজ্রপাত হয় জানলে বিয়েই করতাম না ওখানে: স্পিকার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে এত বজ্রপাত হয় জানলে বিয়েই করতাম না ওখানে: স্পিকার
শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদে হাওর অঞ্চলে বজ্রপাতে প্রাণহানি ও এর প্রতিকার নিয়ে আলোচনার সময় এক চিলতে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। সুনামগঞ্জের বজ্রপাতের ভয়াবহতা ও উচ্চ ঘনত্বের কথা শুনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রসিকতা করে বলেছেন, “এত বজ্রপাত সুনামগঞ্জে হয়, জানলে তো ওখানে বিয়েই করতাম না।”

সোমবার (২৭ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২২তম কার্যদিবসে ৭১ বিধিতে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের ওপর আলোচনা চলাকালে স্পিকার এই মন্তব্য করেন। বিকেল সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়েছিল।

 

 

আলোচনায় অংশ নিয়ে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল তার নির্বাচনি এলাকার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকার চারটি উপজেলাই হাওর-বেষ্টিত। কৃষি ও মৎস্য আহরণের জন্য সারা বছরই এই এলাকার মানুষকে হাওরে থাকতে হয়। কিন্তু গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমে আকস্মিক বজ্রপাতে এখানে অসংখ্য প্রাণহানি ঘটে। অতি সম্প্রতি দেশে বজ্রপাতে ১২ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে চারজনই আমার নির্বাচনি এলাকার।

 

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্যমতে, সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে বজ্রপাতের ঘনত্ব বিশ্বের অন্যতম বেশি। এখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২৫টিরও বেশি বজ্রপাত হয়। সাবেক সরকার বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি প্রতিটি হাওরে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র এবং বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপনের জোর দাবি জানান।

 

 

জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাত একটি বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে হাওর ও উত্তরাঞ্চলে এর প্রকোপ বেশি। সরকার জনসচেতনতা বাড়াতে ওইসব এলাকায় সাইরেন বসানোর পরিকল্পনা করছে, যাতে মেঘ জমলেই কৃষকরা সতর্ক হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেন।

 

 

মন্ত্রী আরও জানান, বজ্রপাত রোধে তালগাছ রোপণ এবং বজ্রনিরোধক টাওয়ার বসানোর বিষয়ে গবেষণা চলছে। এছাড়া বিধিমালা সংশোধন করা হয়েছে যাতে বজ্রপাতে গবাদি পশু মারা গেলেও কৃষকরা আর্থিক সহায়তা পান।

 

 

মন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়ার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হাসিমুখে মন্তব্য করেন, এত বজ্রপাত সুনামগঞ্জে হয়, জানলে তো বিয়েই করতাম না ওখানে। স্পিকারের এই সরস মন্তব্যে সংসদ কক্ষে হাসির রোল পড়ে।

 

 

উল্লেখ্য, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের শ্বশুরবাড়ি সুনামগঞ্জে। তার সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ ১৯৪৯ সালের ২ জানুয়ারি সুনামগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাদের দীর্ঘ ৫৪ বছরের দাম্পত্য জীবন ছিল। গত ২৮ মার্চ সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিলারা হাফিজ পরলোকগমন করেন। স্ত্রীর জন্মস্থানের প্রতি স্পিকারের এই ব্যক্তিগত সংযোগ ও স্মৃতির সূত্র ধরেই মূলত সংসদে এই কৌতুকপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর নিক্ষেপে দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে এক যাত্রীর চারটি দাঁত ভেঙে গেছে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর নিক্ষেপে দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে এক যাত্রীর চারটি দাঁত ভেঙে গেছে
শেয়ার করুন

কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর নিক্ষেপে দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে এক যাত্রীর চারটি দাঁত ভেঙে গেছে।  

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে কক্সবাজার রুটে চলাচলরত আন্তনগর ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

তাদের মধ্যে মোহাম্মদ হিমেল আহমেদের (২৫) চারটি দাঁত ভেঙে গেছে। অপর যাত্রী মোহাম্মদ আবু সাঈদ (৪০) ঘাড়ে আঘাত পেয়েছেন।

 

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ট্রেনটি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার স্টেশন ছেড়ে আসে। আহত দুই যাত্রী নন-এসি কোচের (ঢ বগি) ৩৫-৩৬ নম্বর আসনে বসা ছিলেন। চকরিয়া এলাকা অতিক্রম করার সময় বাইরে থেকে একটি পাথর ছুড়ে মারা হয়। এতে তারা আহত হন। পরে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে বিকেল সোয়া চারটার দিকে ট্রেনটি আবার ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।

একই বগিতে থাকা যাত্রী সাইদুল ইসলাম বলেন, তারা ১৮-২০ জনের একটি দল দিনাজপুরের বিরামপুর থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। হিমেলের চারটি দাঁত ভেঙে যায় এবং নিচের ঠোঁটের ভেতরের অংশ ফেটে যায়। এতে কয়েকটি সেলাই লাগতে পারে। আরেক যাত্রী ঘাড়ে গুরুতর আঘাত পান।

 

 

সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় ট্রেনের অ্যাটেনডেন্ট অন্যত্র ছিলেন। বিষয়টি জানার পর গার্ড ও অ্যাটেনডেন্ট ঘটনাস্থলে আসতে দেরি করেন। একজন রেলওয়ে পুলিশ সদস্য সহযোগিতা করলেও অন্যদের অবহেলা ছিল। স্থানীয় থানায় বিষয়টি জানালে উল্টো জানালা খোলা রাখার বিষয় নিয়ে যাত্রীদেরই প্রশ্ন করা হয়, যা যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়িয়েছে।

রেলে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা নতুন নয়। গত এক বছরে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত ট্রেনগুলোতে অন্তত ১৪৫ বার পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৯ জন। এ ছাড়া ট্রেনের দরজা ও জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজার রুটে। এই রুটে গত এক বছরে অন্তত ৩৮টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় ১৪ জন আহত হয়েছেন।

বর্তমানে কক্সবাজার রুটে চার জোড়া ট্রেন চলাচল করে-এর মধ্যে দুটি ঢাকা-কক্সবাজার এবং দুটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে। যাত্রীচাহিদা বাড়লে বিশেষ ট্রেনও চালানো হয়। জনপ্রিয় এই রুটে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা এখন যাত্রীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রেলওয়ে পুলিশকে চকরিয়া-হারবাং এলাকায় নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি রেলওয়ের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অটোরিকশায় মাইক বেঁধে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, যুবককে পিটুনি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
অটোরিকশায় মাইক বেঁধে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, যুবককে পিটুনি
শেয়ার করুন

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে অটোরিকশায় মাইক বেঁধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নামে স্লোগান দেওয়ার সময় এক যুবককে পিটুনি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় প্রচারে ব্যবহৃত দুটি মাইক অটোরিকশা থেকে খুলে নেন তাঁরা। এ ছাড়া কেড়ে নেওয়া হয় একটি অ্যামপ্লিফায়ার। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের টাউনহল মোড়ের দক্ষিণে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সিএনজিচালিত অটোরিকশাটির ওপরে মাইক দুটি বাঁধা ছিল। ভেতরে বসে ওই যুবক মাইকে স্লোগান দিতে থাকেন। শহরে পৌর বাজার এলাকা থেকে সুধারাম থানার দিকে যেতে যেতে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ইত্যাদি স্লোগান দেন তিনি। স্লোাগান দিতে দিতেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয়ের সামনে আসেন। সেখানে অটোরিকশা থেকে নেমে সড়কে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেন তিনি। তবে এ সময় স্থানীয় কিছু বাসিন্দা তেড়ে এলে অটোরিকশায় উঠে যান। পরে ওই বাসিন্দারা অটোরিকশা থেকে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে মারধর করেন। অটোরিকশাচালককেও চড়থাপ্পড় দেন তাঁরা। এরপর মাইক ও অ্যামপ্লিফায়ার কেড়ে নিয়ে ওই যুবক ও অটোরিকশাচালককে ছেড়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মাইক ও অ্যামপ্লিফায়ার জব্দ করে।

 

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ওই যুবকের নাম–পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। তাঁকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রচারণায় ব্যবহৃত মাইক ও অ্যামপ্লিফায়ার জব্দ করেছে।

আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে কক্সবাজারের ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে কক্সবাজারের ১৭৩ আইনজীবীর আবেদন
শেয়ার করুন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে কক্সবাজারের ১৭৩ জন আইনজীবী সম্মিলিতভাবে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়-এ আবেদন জানিয়েছেন।

 

জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল “গণতান্ত্রিক বহুত্ববাদ ও সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ এবং মৌলিক অধিকার পরিপন্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে কক্সবাজার জেলা সম্মিলিত আইনজীবীদের বিবৃতি” শিরোনামে ১৭৩ জন আইনজীবীর স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২২ এপ্রিল ঢাকায় অবস্থিত সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের প্রধানের কাছে একই দাবিতে স্বাক্ষরিত আবেদন জমা দেওয়া হয়।

 

বিবৃতিতে আইনজীবীরা বলেন, জাতীয় সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া “সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) বিল ২০২৬” অসাংবিধানিক এবং এটি দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর আঘাত হেনেছে। তাদের দাবি, যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ ও ন্যাচারাল জাস্টিসের নীতির পরিপন্থী।

 

আইনজীবীরা আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ International Covenant on Civil and Political Rights-এর স্বাক্ষরকারী দেশ। তাদের মতে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক এই অঙ্গীকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

 

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলে তা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

 

আবেদনে আইনজীবীরা বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত; প্রশাসনিক বা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা সমীচীন নয়।

 

এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত আওয়ামীপন্থী নেতারা ও স্বাক্ষরকারী সদস্যরা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা বলেন, “দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে কোন দল রাজনীতি করবে। আমরা অবিলম্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।”