খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

রাষ্ট্রপতি অপসারণের ব্যাপারে বিএনপির এখন আগ্রহ নেই : মোস্তফা ফিরোজ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি অপসারণের ব্যাপারে বিএনপির এখন আগ্রহ নেই : মোস্তফা ফিরোজ
শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব হিসেবে আবারও নিয়োগ পেয়েছেন মো. সরওয়ার আলম। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এই কর্মকর্তাকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে তা বাতিল করা হয়।

 

এখন আবার সরওয়ার আলমকে এক বছর মেয়াদে সচিব পদমর্যাদায় এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব পুনরায় নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে তারেক রহমান সরকার রাষ্ট্রীয় রীতিনীতি সাংবিধানিক যে নিয়ম কানুনগুলো, সেগুলো রক্ষা করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক ও আলোচক মোস্তফা ফিরোজ। তিনি মনে করেন, খুব সহসায় রাষ্ট্রপতিকে সরানো হচ্ছে না।

 

আজ বুধবার নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘ভয়েস বাংলা’য় এক ভিডিওতে এমন মন্তব্য করেন মোস্তফা ফিরোজ।

 

তিনি বলেন, ‘বিষয়টা খুব পরিষ্কার। নতুন সরকার বলতে পারত, যেহেতু ইউনূস সরকার রাষ্ট্রপতির প্রেস ডিপার্টমেন্ট বন্ধ রেখেছে আমরা কেন তা চালু করব। কিন্তু সরকার তা করেনি। তার মানে রাষ্ট্রীয় রীতি-নীতি, সাংবিধানিক যে নিয়ম কানুনগুলো সেটা রক্ষা করতে চায় তারেক রহমানের সরকার।

 

এতেই বোঝা যাচ্ছে খুব সহসা রাষ্ট্রপতি সরছেন না।’

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যেমে বর্তমান সরকার অন্তর্বর্তী সরকারকেও একটি বার্তা দিয়েছেন বলে মনে করেন মোস্তফা ফিরোজ। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস যে অন্যায় কাজ করেছেন সেই অন্যায়ের একটা প্রতিবাদও জানানো হলো সরওয়ার আলমকে রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব হিসেবে নিয়োগের মধ্য দিয়ে।’

 

মোস্তফা ফিরোজ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলছিলেন, বিএনপি চাইলে আমি থাকতে পারি আর না চাইলে চলে যাব। তিনি আশাবাদী যে তারেক রহমানের সরকার তাকে অপমান করবে না।

 

তাকে মর্যাদা দেবে, গুরুত্ব দেবে। সেই গুরুত্ব বিবেচনায় সরওয়ার আলমকে এক বছরের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার মানে হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি অপসরণ করা এটার ব্যাপারে বিএনপির এখন খুব একটা আগ্রহ নেই।’

দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়া বউকে তালাকের নির্দেশ বিএনপি এমপির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়া বউকে তালাকের নির্দেশ বিএনপি এমপির
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যেসব নেতাকর্মীর বউ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছে, তাদের বউকে তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কুমিল্লা-১০ আসনের এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।

 

গত মঙ্গলবার লালমাই উপজেলার বাগমারা বাজারে দেওয়া বক্তব্যে নেতাকর্মীদের এ নির্দেশ দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এ সদস্য। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

এক মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে বলতে শোনা যায়, ‘এগুলায় বলে ‘আমি কী করতাম?’ সে নাকি কথা দিয়ে ফেলেছে। তাইলে তুই হেতিরে তালাক দিয়ে দে। যে বউ স্বামীর কথা শুনে না, স্বামীকে মানে না, এমন বউকে তালাক দিয়ে দে।’

 

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমার দলে কিছু মোনাফিক আছে, যারা বিএনপি করে কিন্তু ভোট দিয়েছে দাঁড়িপাল্লায়। অর্থ দিয়েও জামায়াতকে সহযোগিতা করেছে। আবার কেউ কেউ আছে, যারা বিএনপি নেতা হলেও তাদের বউ ভোট দিয়েছে জামায়াতকে।

 

বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচিত এ এমপি বলেন, যারা নির্বাচনের আগে আমার বিরোধিতা করেছে, তারাই এখন ঢাকায় যাইয়া আমার লগে সেলফি তোলে। সেলফি তুইলা দোষ ঢাকতে চায়। আমি বলি, আরে চিটিং তুই এতদিন কই ছিলি। নির্বাচনের দিন কই ছিলি।

 

তিনি আরো বলেন, আমার কাছে পাত্তা না পাইয়া এ হাইব্রিডগুলা আমার বদনাম করে। বলে কি না, ‘নেতা খারাপ ব্যাবহার করে’।

 

এ বিষয়ে জানতে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

 

 

সূত্র: আমার দেশ

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

শেয়ার করুন

২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। প্রতিবেদনে বর্বরোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার নাম উঠে এসেছে। এ ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ অন্তত ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

চ্যানেল 24 এর হাতে আসা তদন্ত প্রতিবেদন বলা হয়েছে, শাপলা চত্বরে গণহত্যার ঘটনায় ৩০ এর বেশি আসামি করা হয়েছে। সরাসরি গণভবন থেকে এই হত্যার নির্দেশ আসে। এজন্য শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এরপর নাম এসেছে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু ও তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের।

 

 

এছাড়াও আসামিদের মধ্যে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক, গণজাগরণ মঞ্চের ইমরান এইচ সরকার, শাহরিয়ার কবীর, পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খোন্দকার, পুলিশ কর্মকর্তা শহিদুল হক, ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ, র‍্যাবের ডিজি মোখলেস, জিয়াউল আহসান ও পুলিশের আরও কয়েকজন কর্মকর্তার নাম রয়েছে।

 

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস্টারপ্ল্যান করে ঢাকায় আনা হয় হেফাজতের নেতাকর্মীদের। ভয় দেখানোর জন্য সারাদিন তাদের ত্যক্ত-বিরক্ত করা হয়। এরপর তাদের হেয় করতে ভাঙচুরের খবর গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে রাত ১০টার পর প্রাথমিকভাবে শাপলা চত্বরে অভিযান চালাতে নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। এমন নির্দেশনা পেয়ে রাত ১টা ৪৫ এ লাইট নিভিয়ে একদিক খোলা রেখে সমন্বিতভাবে ‘ক্রাকডাউনে’ যায় আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী।

 

তবে ওই ঘটনায় মোট কতজন মারা গেছে তার তদন্ত রিপোর্ট চূড়ান্ত করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা। শুধুমাত্র ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মৃতদের নিয়ে ‘অধিকারের’ রিপোর্টকে বেস করে তদন্ত রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।

 

কুরআন-সুন্নাহবিরোধী সব আইন বাতিল, ধর্মের অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানসহ ১৩ দফা দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ ডাকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এরপর সারাদেশ থেকে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা জড়ো হতে থাকেন রাজধানীর চারটি পয়েন্টে। একদিকে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হলেও অন্যদিকে রাজধানীর প্রত্যেকটি পয়েন্ট দাঁড়িয়ে থেকে সমাবেশে যেতে বাধা দেয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

 

 

এতে দিনভর হেফাজতের সঙ্গে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ চলে। পরবর্তীতে রাতে বিদ্যুৎ বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। যদিও বরবরাই তা অস্বীকার করে এসেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।

 

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এ ঘটনার তদন্ত চেয়ে ট্রাইব্যুনালের তদন্তের আবেদন জানায় হেফাজতে ইসলাম। জাতীয় নির্বাচনের আগেই যার তদন্ত শেষ করেছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

 

আলোচিত এ মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামি হলেন- সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ও পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল‍্যা নজরুল ইসলাম।

 

 

সূত্রঃ চ্যানেল 24

এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে বিএনপি-আ’লীগের হামলা, পুলিশসহ আহত ২০

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে বিএনপি-আ’লীগের হামলা, পুলিশসহ আহত ২০
শেয়ার করুন

নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হাতিয়া উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দেখতে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল মাঝি এবং আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের লোকজন সংঘটিত হয়ে এ হামলা চালান।

 

হামলায় পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এসময় এনসিপি কর্মীদের অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

 

এনসিপির যুবশক্তির হাতিয়া উপজেলা আহ্বায়ক মো. ইউসুফ বলেন, ‌‘পুলিশের উপস্থিতিতে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। অথচ পুলিশ সেখানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। প্রশাসনের এমন রহস্যময় ভূমিকা আমাদেরকে অবাক করেছে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর এভাবে হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমাদের প্রায় ২০ জন নেতাকর্মীর বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসব বিষয়েও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

 

জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘হামলাকারী সন্ত্রাসী বেলাল মাঝিকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত আমি এখান থেকে অবস্থান ছাড়বো না। সে ২০১৮ সালেও সাবেক এমপি ফজলুল আজিমের ওপর হামলা করেছিল। আজ আমার গাড়িবহরে হামলা করেছে। আমি তার গ্রেফতার চাই।’

 

তবে যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত বেলাল মাঝি ও আবদুর রহমান এবং বিএনপির দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হামলার পর বিক্ষিপ্তভাবে বিএনপির কয়েকটি কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ করা হয়েছে।

 

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন হামলা সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

তিনি বলেন, পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।