খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

৬ পদে বিএনপি ও ৮ পদে আওয়ামী লীগের জয়, জামায়াত শূন্য

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
৬ পদে বিএনপি ও ৮ পদে আওয়ামী লীগের জয়, জামায়াত শূন্য
শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ছয়টি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি। নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আটটি পদে বিজয়ী হয়েছে। তবে জামায়াত সমর্থিত একজনও বিজয়ী হতে পারেনি।

 

গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র আইনজীবী এ কে এম হুমায়ুন কবির এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

 

১৫টি পদের মধ্যে বিএনপি ৬, আওয়ামী লীগ ৮ ও একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

বিজয়ীরা হলেন সভাপতি মনিরুল ইসলাম হাওলাদার (বিএনপি), সহ-সভাপতি আবদুল মজিদ চৌধুরী (বিএনপি), আবুল খায়ের (আওয়ামী লীগ), মো. রফিক উল্যা (বিএনপি), সহসম্পাদক ফখরুল ইসলাম জুয়েল (বিএনপি), চাঁদমনি মোহন (আওয়ামী লীগ), পাঠাগার সম্পাদক মোশারফ হোসাইন (বিএনপি), সাংস্কৃতিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ), অডিট সম্পাদক রাকিবুল হাসান অপু (আওয়ামী লীগ), সদস্য আজহার উদ্দিন রকি (আওয়ামী লীগ), নুরুল হুদা মুরাদ (স্বতন্ত্র), ইউসুফ (আওয়ামী লীগ), মো. ইউসুফ মানিক (আওয়ামী লীগ), আবদুল্লাহ আল নোমান (আওয়ামী লীগ), জাফর আহমেদ বিএনপি)।

 

এদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির সদস্য সচিব নুরুল হুদা পাটওয়ারী গত ২৬ জানুয়ারি একটি নোটিশে জানান, তাদের আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২৬-২৭ সালের লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে কোন পদে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত হয়। যদিও এরপরেও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বিভিন্ন পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

এ বিষয়ে নুরুল হুদা পাটওয়ারীর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগ সমর্থিত লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক এক সভাপতি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় মূলত তারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। নির্বাচন না করার জন্য বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের সিদ্ধান্ত ছিল। তারপরও অন্যপদগুলো নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের আটজন নির্বাচিত হয়েছেন।

 

 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, ভোট গণনা শেষে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। তারাবির নামাজের বিরতির কারণে ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হয়েছে।

দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়া বউকে তালাকের নির্দেশ বিএনপি এমপির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়া বউকে তালাকের নির্দেশ বিএনপি এমপির
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যেসব নেতাকর্মীর বউ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছে, তাদের বউকে তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কুমিল্লা-১০ আসনের এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।

 

গত মঙ্গলবার লালমাই উপজেলার বাগমারা বাজারে দেওয়া বক্তব্যে নেতাকর্মীদের এ নির্দেশ দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এ সদস্য। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

এক মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে বলতে শোনা যায়, ‘এগুলায় বলে ‘আমি কী করতাম?’ সে নাকি কথা দিয়ে ফেলেছে। তাইলে তুই হেতিরে তালাক দিয়ে দে। যে বউ স্বামীর কথা শুনে না, স্বামীকে মানে না, এমন বউকে তালাক দিয়ে দে।’

 

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমার দলে কিছু মোনাফিক আছে, যারা বিএনপি করে কিন্তু ভোট দিয়েছে দাঁড়িপাল্লায়। অর্থ দিয়েও জামায়াতকে সহযোগিতা করেছে। আবার কেউ কেউ আছে, যারা বিএনপি নেতা হলেও তাদের বউ ভোট দিয়েছে জামায়াতকে।

 

বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচিত এ এমপি বলেন, যারা নির্বাচনের আগে আমার বিরোধিতা করেছে, তারাই এখন ঢাকায় যাইয়া আমার লগে সেলফি তোলে। সেলফি তুইলা দোষ ঢাকতে চায়। আমি বলি, আরে চিটিং তুই এতদিন কই ছিলি। নির্বাচনের দিন কই ছিলি।

 

তিনি আরো বলেন, আমার কাছে পাত্তা না পাইয়া এ হাইব্রিডগুলা আমার বদনাম করে। বলে কি না, ‘নেতা খারাপ ব্যাবহার করে’।

 

এ বিষয়ে জানতে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াকে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

 

 

সূত্র: আমার দেশ

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা, প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা

শেয়ার করুন

২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। প্রতিবেদনে বর্বরোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার নাম উঠে এসেছে। এ ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ অন্তত ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

চ্যানেল 24 এর হাতে আসা তদন্ত প্রতিবেদন বলা হয়েছে, শাপলা চত্বরে গণহত্যার ঘটনায় ৩০ এর বেশি আসামি করা হয়েছে। সরাসরি গণভবন থেকে এই হত্যার নির্দেশ আসে। এজন্য শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এরপর নাম এসেছে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু ও তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের।

 

 

এছাড়াও আসামিদের মধ্যে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক, গণজাগরণ মঞ্চের ইমরান এইচ সরকার, শাহরিয়ার কবীর, পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খোন্দকার, পুলিশ কর্মকর্তা শহিদুল হক, ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ, র‍্যাবের ডিজি মোখলেস, জিয়াউল আহসান ও পুলিশের আরও কয়েকজন কর্মকর্তার নাম রয়েছে।

 

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস্টারপ্ল্যান করে ঢাকায় আনা হয় হেফাজতের নেতাকর্মীদের। ভয় দেখানোর জন্য সারাদিন তাদের ত্যক্ত-বিরক্ত করা হয়। এরপর তাদের হেয় করতে ভাঙচুরের খবর গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে রাত ১০টার পর প্রাথমিকভাবে শাপলা চত্বরে অভিযান চালাতে নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। এমন নির্দেশনা পেয়ে রাত ১টা ৪৫ এ লাইট নিভিয়ে একদিক খোলা রেখে সমন্বিতভাবে ‘ক্রাকডাউনে’ যায় আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী।

 

তবে ওই ঘটনায় মোট কতজন মারা গেছে তার তদন্ত রিপোর্ট চূড়ান্ত করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা। শুধুমাত্র ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মৃতদের নিয়ে ‘অধিকারের’ রিপোর্টকে বেস করে তদন্ত রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।

 

কুরআন-সুন্নাহবিরোধী সব আইন বাতিল, ধর্মের অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানসহ ১৩ দফা দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ ডাকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এরপর সারাদেশ থেকে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা জড়ো হতে থাকেন রাজধানীর চারটি পয়েন্টে। একদিকে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হলেও অন্যদিকে রাজধানীর প্রত্যেকটি পয়েন্ট দাঁড়িয়ে থেকে সমাবেশে যেতে বাধা দেয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

 

 

এতে দিনভর হেফাজতের সঙ্গে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ চলে। পরবর্তীতে রাতে বিদ্যুৎ বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। যদিও বরবরাই তা অস্বীকার করে এসেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।

 

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এ ঘটনার তদন্ত চেয়ে ট্রাইব্যুনালের তদন্তের আবেদন জানায় হেফাজতে ইসলাম। জাতীয় নির্বাচনের আগেই যার তদন্ত শেষ করেছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

 

আলোচিত এ মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামি হলেন- সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ও পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল‍্যা নজরুল ইসলাম।

 

 

সূত্রঃ চ্যানেল 24

এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে বিএনপি-আ’লীগের হামলা, পুলিশসহ আহত ২০

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে বিএনপি-আ’লীগের হামলা, পুলিশসহ আহত ২০
শেয়ার করুন

নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হাতিয়া উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দেখতে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল মাঝি এবং আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের লোকজন সংঘটিত হয়ে এ হামলা চালান।

 

হামলায় পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এসময় এনসিপি কর্মীদের অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

 

এনসিপির যুবশক্তির হাতিয়া উপজেলা আহ্বায়ক মো. ইউসুফ বলেন, ‌‘পুলিশের উপস্থিতিতে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। অথচ পুলিশ সেখানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। প্রশাসনের এমন রহস্যময় ভূমিকা আমাদেরকে অবাক করেছে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর এভাবে হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমাদের প্রায় ২০ জন নেতাকর্মীর বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসব বিষয়েও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

 

জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘হামলাকারী সন্ত্রাসী বেলাল মাঝিকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত আমি এখান থেকে অবস্থান ছাড়বো না। সে ২০১৮ সালেও সাবেক এমপি ফজলুল আজিমের ওপর হামলা করেছিল। আজ আমার গাড়িবহরে হামলা করেছে। আমি তার গ্রেফতার চাই।’

 

তবে যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত বেলাল মাঝি ও আবদুর রহমান এবং বিএনপির দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হামলার পর বিক্ষিপ্তভাবে বিএনপির কয়েকটি কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ করা হয়েছে।

 

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন হামলা সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

তিনি বলেন, পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।