খুঁজুন
, ,

কক্সবাজারের অগ্নি দুর্ঘটনা নিয়ে এলপিজি স্টেশনের মালিক এন. আলমের বিবৃতি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারের অগ্নি দুর্ঘটনা নিয়ে এলপিজি স্টেশনের মালিক এন. আলমের বিবৃতি
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কলাতলীর এলপিজি গ্যাস পাম্পে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এবার মুখ বলেছেন কক্সবাজার ফিলিং স্টেশনের মালিক এন আলম। গণমাধ্যমে পাঠানো তার বিবৃতি টি হুবুহু তুলে ধরা হলো।

আসসালামু আলাইকুম
প্রিয় কক্সবাজার বাসি, গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আমার মালিকানাধীন ‘কক্সবাজার এলপিজি স্টেশন’-এ অগ্নি দুর্ঘটনার ঘটনার ঘটেছে। ঘটনাটি একেবারে অনাকাঙ্ক্ষিত ও নিছক দুর্ঘটনা। আমি সবার আগে এই দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন লোকজন ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। তাদের কষ্টে-যন্ত্রণায় আমি সমব্যথী। তাদের এই যন্ত্রণা আমার মনে মারাত্মকভাবে আঘাত করেছে। ঘটনার পর থেকে অসুস্থ হয়ে আমি শয্যাশায়ী অবস্থায় আছি।
প্রথম, আমি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। এলপিজি ও জ্বালানি তেল ব্যবসায় আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। রামু উপজেলা/ চকরিয়া উপজেলায় আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি সরকারি ও পরিবেশগত সর্বোচ্চ নিয়ম-নীতি বাস্তবায়ন করে প্রতিষ্ঠা করেছি। দক্ষ প্রতিষ্ঠান দিয়ে এই এলপিজি স্টেশনটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং দক্ষ নিয়োগ দিয়ে পরিচালনা করার চিন্তা ছিল । কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনায়, ৮জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছে৷ তাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তাদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব আমি গ্রহণ করেছি। বর্তমানে তাদের ছয়জনের মধ্যে ৩ জন চট্টগ্রামে ও ৩ জন ঢাকায় সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এসব রোগীদের সাথে আমি এবং আমার লোকজন সার্বক্ষণিক নিয়োজিত। সঠিক ও সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আমাদের কোনো ধরণের গাফিলতি নেই। এছাড়া আগুনে ঘরপুড়ে এবং নানাভাবে আরো যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা পোষণ করেছি আমি। আইনকে শ্রদ্ধা করে আইন মতে তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।
একটি কথা সবাই জানবেন, এত বড় দুর্ঘটনা কেউ ইচ্ছে করে ঘটায় না বা কাজে এরকম কোনো অবহেলা রাখে না। দুর্ঘটনা সম্পূর্ণ আল্লাহর হাতে। দুর্ঘটনায় আমার অপূ্রণীয় আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু তাতে আমার একবিন্দু কষ্ট নেই। আমার কষ্ট অগ্নিদগ্ধে হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরানো মানুষগুলোর কষ্টে। আর নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের দুঃখে। এখন আমরা প্রধান ও একমাত্র কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে আহতদের সুস্থ করে তোলা। তার জন্য আমার যা যা করার দরকার সব করে যাবো ইনশাআল্লাহ ।
জেলা প্রশাসন এই ঘটনার তদন্ত কমিটি গঠন করছে। টিমের কাছে আমার ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন বক্তব্য দিয়েছে। তদন্তে যাই উঠে আসে আমি তাই মেনে নেবো। আমার যা শাস্তি হয় তাই মাথা পেতে নেবো৷ কিন্তু এই ঘটনায় একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের আভাস রয়েছে। প্রথমে সন্ধ্যা ৭টার দিকে গ্যাস লিকেজ হয়, কিন্তু অগ্নিকান্ড । তখন বালু ও অগ্নিনির্বাপন যন্ত্র এবং ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় লিকেজ আগুন বন্ধ করা হয়। কিন্তু পুনরায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকায় ফায়ার সার্ভিসের পরামর্শক্রমে টাংকিতে থাকা গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয়। এসময় ফায়ার সার্ভিস আশেপাশে কোনো ধরনের আগুন না জ্বালাতে মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করেন। কিন্তু সন্দেহ হচ্ছে, গ্যাস ছেড়ে দেওয়া কালে আমার অ্যাসোসিয়েশনের পার্শ্ববর্তী বেলায়েত এবং সোহেল গং আমার স্টাফদের উপরে আক্রমণ করে একজনকে আহত করে।
তাকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয় এর পরবর্তীতে বেলায়েত-সোহেল গং আমার স্টাফদেরকে বলে- সবাই বের হয়ে যাও আমরা থাকবো ভিতরে। এর পরবর্তীতে ১০টা ৫ মিনিটের দিকে পাম্পের ৩০০ ফুট দূরের একটি গ্যারেজের সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়রা এবং আমি মনে করছি , ওই কুচক্রটি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্যারেজে ওয়েল্ডিং করে নাশকতার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। এতে আগুন লেগে আহত ও ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে।

এদিকে আলামত নষ্ট না হওয়ার জন্য প্রশাসনের পরামর্শক্রমে পাম্প বেড়া দিয়ে ঘেরাও করার কাজ করা হয়। কিন্তু ওই চক্রটি সংঘবদ্ধভাবে হামলা করে বেড়া ভাংচুর করেছে এবং গতকাল রাত্রে পাম্পের অনেক কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায় ও পেছনের একটি দেওয়ালও ভেঙে ফেলে। আরো দেখা যায়, আমাদের বিদ্যুতের তার, লাইটের তার, সিসি ক্যামেরার তার ছিঁড়ে ফেলে। একইসাথে চক্রটি বিভিন্ন ফেসবুক পেজ এবং নিজেদের আইডিতে বিভ্রমূলক প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে। ঘটনাটি অবগত হয়ে সদর থানার পুলিশের দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। একইভাবে চক্রটি সাংবাদিকদের মিসগাইড করে নানা ধরণের মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছেন।
এই বেলায়েত এবং সোহেলদের দ্বারাই পরবর্তী আগুনটা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। সেই জন্য ওদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার অনেক গোপনীয় রহস্য বের হতে পারে। এই বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসিকে লিখিতভাবে অবহিত করা হবে।

পরিশেষে আমি দৃঢ়ভাবে বলছি, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিস্ফোরক অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের প্রয়োজনীয় সব লাইসেন্স ও অনুপতিপত্র নিয়ে দুর্ঘটনার শিকার ‘কক্সবাজার এলপিজি স্টেশনটি’ সম্পূর্ণ বৈধপন্থায় যাত্রা করা হয়। তার সব কাগজপত্র আমি তদন্ত কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছি। এছাড়া সকলের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করছি।

কিন্তু কিছু সাংবাদিক ভাই ও সাধারণ লোকজন তথ্য অবগত না হয়ে এই গ্যাস পাম্পটি অবৈধ বলে প্রচার করছে- এটা সত্য নয়। পরিশেষে আহত হয়ে পবিত্র রমজানে হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতরানো মানুষগুলোর জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি তাদের পাশে আছি।

এইচ এম নুরুল আলম (এন আলম)
স্বত্বাধিকারী, দুর্ঘটনার শিকার ‘কক্সবাজার এলপিজি স্টেশন’

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন শাহজালাল রুমি। পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি বাসা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

ভবনটির কেয়ারটেকার জানান, টঙ্গীর মাদ্রাসায় ওই ঘটনার পর থেকেই রুমি হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায়ও ছিলেন তিনি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন রুমি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়। কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ভয়ের কারণে রুমির পরিবারের সদস্যরা বাসায় থাকছেন না।

 

হাবিবুর রহমান আরও জানান, যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী।

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

 

পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

 

মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়

 

ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা
শেয়ার করুন

অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম নিউজে টার্মিনালকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা।

 

এক প্রতিবাদলিপিতে শহিদুল মোস্তফা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর ছবি ব্যবহার করে ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁকে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর তিনি বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

শহিদুল মোস্তফা জানান, তিনি মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম লারপাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং লারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কারও নাম বা ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য ও পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

শহিদুল মোস্তফা টেলিগ্রাম নিউজ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও ছবি পুনরায় যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিবাদকারী:

শহিদুল মোস্তফা

স্বত্বাধিকারী, মুনজারিন টাইলস।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।