খুঁজুন
শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১৪ চৈত্র, ১৪৩২

ইরানে হা ম লা র তীব্রতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদির আহ্বান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
ইরানে হা ম লা র তীব্রতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদির আহ্বান
শেয়ার করুন

ইরানে হামলার তীব্রতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব। সৌদির একটি গোয়েন্দা সূত্র সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এরসঙ্গে ইরান যুদ্ধে সৌদি আরব সরাসরি যুক্ত হবে কি না এ বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস গত ২৪ মার্চ এক প্রতিবেদনে জানায়, সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আহ্বান জানাচ্ছেন, তিনি যেন ইরানে হামলার তীব্রতা বাড়ান। আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) সৌদির এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা দ্য গার্ডিয়ানকে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ট্রাম্পকে প্রিন্স সালমান বলেছেন তিনি যেন ইরান যুদ্ধ মাঝপথে থামিয়ে না দেন। এছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধকে মধ্যপ্রাচ্য পুনর্গঠনের ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন সৌদির ডি ফ্যাক্টো লিডার।

 

সৌদির গোয়েন্দা সূত্রটি বলেছেন, ক্রাউন প্রিন্স শুধু যুদ্ধ মাঝপথে না থামানোর কথাই বলছেন না, তিনি ইরানে হামলার তীব্রতা বাড়ানোর কথা বলছেন।

 

ইরান যুদ্ধে প্রিন্স সালমানের সম্পৃক্ততার কথা গতকাল অনেকটাই নিশ্চিত করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাংবাদিকরা এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “হ্যাঁ প্রিন্স সালমান একজন যোদ্ধা। তিনি আমাদের সঙ্গে লড়াই করছেন।”

 

সৌদির এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, সৌদি ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেনি, কিন্তু পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে সৌদির যে শান্তি আলোচনা চলছে, যদি এটি ব্যর্থ হয় তাহলে সৌদি আরব সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে পারে।

 

সৌদির এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, সৌদি ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেনি, কিন্তু পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে সৌদির যে শান্তি আলোচনা চলছে, যদি এটি ব্যর্থ হয় তাহলে সৌদি আরব সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে পারে।

 

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

অন্তর্বর্তী সরকারকে ২০২৯ পর্যন্ত রাখতে চেয়েছিল ‘ডিপ স্টেট’: আসিফ মাহমুদ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
অন্তর্বর্তী সরকারকে ২০২৯ পর্যন্ত রাখতে চেয়েছিল ‘ডিপ স্টেট’: আসিফ মাহমুদ
শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তী সরকার যাতে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারে ‘ডিপ স্টেট’ সে স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল বলে দাবি করেছেন সেই সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, ‘সরকারের শুরুর দিকে আমাদের বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন, যাদের আসলে ‘ডিপ স্টেট’ বলা হয়, তারা আমাদের অফার দিয়েছিল। বলেছিল, শেখ হাসিনার যে মেয়াদ আছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত, সেটি আপনারা শেষ করুন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।’

 

 

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘রক্তে ভেজা স্বাধীনতা থেকে সংস্কার ও গণভোট : বাস্তবায়নের রাজনৈতিক কর্তব্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপি সভার আয়োজন করে।

 

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘তাদের (ডিপ স্টেট) নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ছিল, কিছু কিছু জায়গায় তাদের ‘ফ্যাসিলিটেড’ করা এবং তারা রোডম্যাপও করে নিয়ে আসছিল যে, বিএনপির নেতাদের তো সাজা আছে। সাজা থাকলে সাধারণভাবে নির্বাচন দিলেও তারা নির্বাচন করতে পারবে না। তাদের সাজাগুলো ইয়ে না করে (বাতিল না করে) আদালতের মাধ্যমে দীর্ঘ করা। তারেক রহমানের নিজের নামে সাজা ছিল। তিনি যদি সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকতেন, নির্বাচন হলেও তিনি অংশগ্রহণ করতে পারতেন না। তারা পুরো স্ট্র্যাটেজি আমাদের সাজিয়ে দিয়েছিল, কীভাবে তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে ক্ষমতায় থাকা যায়। আমরা কিন্তু সেটাতে সায় দিইনি।’

 

বড় কোম্পানিগুলো তেল মজুত করছে, আর এই মজুত সিন্ডিকেটে বিএনপির বিভিন্ন অংশের যোগসাজশ রয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমি গত সরকারের পারচেজিং কমিটিতে ছিলাম। তেলের দুই মাসের মজুত থাকার কথা। এক মাসের মধ্যে কীভাবে এত দুরবস্থা হয়? অবশ্যই সরকারের ঘনিষ্ঠ কেউ মজুত করছে।’

 

বিএনপি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক নিয়োগ দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে বিএনপি গণতন্ত্রের ক্ষতি করেছে। বিএনপি যাদের মেয়র পদে নির্বাচন করাবে, তাদের কী প্রশাসক হিসাবে বসিয়ে দিয়েছে? প্রশাসক পদে বসেই তারা যদি নির্বাচন করবেন, তাহলে আর বাকিরা নির্বাচন করে কী করবে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় গণতন্ত্রকে সামনে রেখেছি এবং সেটার প্রতি সরকারের কমিটমেন্ট ছিল বলেই নির্বাচনটা হয়েছে। নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেজন্য নিজেরা আগ বাড়িয়ে পদত্যাগ করে চলে এসেছি। কিন্তু আমরা দেখলাম, বিগত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা দুজন ব্যক্তি বর্তমান সরকারের মন্ত্রী পদমর্যাদায় আছেন। যদিও এই সরকারি দলই সেই সময় আমাদের পদত্যাগ চেয়েছিল।’

 

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘বাংলাদেশে ইতিহাসচর্চা দীর্ঘদিন ধরে একটি সংকীর্ণ বিতর্কে সীমাবদ্ধ। কে আগে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, তা নিয়েই মূলত আলোচনা চলে। কিন্তু প্রকৃত ইতিহাস কেবল এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। এটি জনগণের দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ এবং অবদানের ইতিহাস। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেশের ইতিহাসের বয়ানও বদলে যায়। আমরা আশা করেছিলাম, সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের পর এই ধারা বদলাবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলো এখনো জনগণের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না।’

এবার চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
এবার চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
শেয়ার করুন

চাঁদে শুধু ঘুরে আসা নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করতে যাচ্ছে। সম্প্রতি ইগনিশন নামের এক অনুষ্ঠানে চাঁদে নিয়মিত নভোচারী পাঠানোর পাশাপাশি সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণসহ মহাকাশের আরও গভীরে অভিযান পরিচালনার মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। পরিকল্পনাটি মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় মহাকাশ নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর।

নাসার নতুন প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, নাসা আবারও প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাঁদে ফেরা, সেখানে একটি ঘাঁটি তৈরিসহ মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় এখন বছরের হিসাবে নয়, মাসের হিসাবে গণনা করা হবে।

 

 

নাসার নতুন এই পরিকল্পনা চাঁদে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কারণ, এখন থেকে দীর্ঘ বিরতির পর বড় কোনো মিশন পরিচালনার বদলে নাসা ঘন ঘন এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য ল্যান্ডিং প্রযুক্তির ওপর জোর দেবে। এই অভিযানের প্রথম মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে আর্টেমিস প্রোগ্রামকে। ২০২৭ সালে আর্টেমিস ৩ মিশনের মাধ্যমে নভোচারীরা চাঁদে যাবেন এবং পরবর্তী সময়ে ছয় মাস অন্তর নিয়মিত মিশন পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয়ের মতে, নতুন এই পরিকল্পনা কয়েকটি ধাপে বাস্তবায়িত হবে। প্রথম ধাপে প্রযুক্তির পরীক্ষা এবং রোবোটিক ও কার্গো মিশনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। দ্বিতীয় ধাপে প্রাথমিক অবকাঠামো তৈরি, আধা বাসযোগ্য সিস্টেম স্থাপন এবং নভোচারীদের নিয়মিত যাতায়াত নিশ্চিত করা হবে। চূড়ান্ত ধাপে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহায়তায় চাঁদে মানুষের স্থায়ী উপস্থিতি বজায় রাখা এবং একে একটি দীর্ঘমেয়াদি ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

ইরানের পক্ষে যেকোনো সময় যুদ্ধে নামতে প্রস্তুত হুথিরা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
ইরানের পক্ষে যেকোনো সময় যুদ্ধে নামতে প্রস্তুত হুথিরা
শেয়ার করুন

ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি ইরানের পক্ষ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যেকোনো সময় যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনায় প্রয়োজন হলে সরাসরি সংঘাতে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য তাদের সার্বিক সামরিক প্রস্তুতি রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হুতির এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, তারা সব ধরনের বিকল্প নিয়ে সামরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ইরান বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে এবং প্রতিদিন শত্রুদের পরাজিত করছে। তবে পরিস্থিতির যদি কোনো নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটে, আমরা ঠিকই তা বুঝতে পারব।

 

 

 

তিনি আরও জানান, পুরো পরিস্থিতির ওপর তারা সতর্ক নজর রাখছেন এবং সম্মুখ সমরে এগিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত সময় কখন, তা তারা সহজেই নির্ধারণ করতে পারবেন।

 

 

 

বিশ্লেষকদের মতে, হুতি গোষ্ঠী সরাসরি এ সংঘাতে জড়ালে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন ফ্রন্ট তৈরি হবে। এক্ষেত্রে হুতিদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে ইয়েমেন উপকূলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালি, যা সুয়েজ খালের অন্যতম প্রবেশদ্বার। এর ফলে হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি এ গুরুত্বপূর্ণ জলপথটিতেও ইরানের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ফলশ্রুতিতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ চরম হুমকির মুখে পড়বে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে।

 

 

 

উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে হুতি বিদ্রোহীরা এই জলপথে চলাচলকারী তেলের ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে।

 

 

 

তথ্যসূত্র: আলজাজিরা