খুঁজুন
, ,

নতুন শত্রু খুঁজছে ইসরায়েল, তালিকায় শীর্ষে পাকিস্তান–তুরস্ক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
নতুন শত্রু খুঁজছে ইসরায়েল, তালিকায় শীর্ষে পাকিস্তান–তুরস্ক
শেয়ার করুন

ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধান শত্রু বা ‘আর্চ নেমেসিস’ কে হতে যাচ্ছে তা নিয়ে এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে ভবিষ্যদ্বাণী ও বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। ইরানের পর ইসরায়েলের প্রধান শত্রু হিসেবে পাকিস্তান ও তুরস্কের নাম নিয়ে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

 

 

ইসরায়েলি বিশ্লেষক বোয়াজ গোলানি দেশটির দৈনিক মাআরিভে প্রকাশিত এক নিবন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের ‘পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির’ দিকে ইঙ্গিত করেছেন। ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে তিনি এই মত দেন।

 

গোলানি বলেন, গত তিন দশক ধরে আলি খামেনির নেতৃত্বে ইরান ইসরায়েলের প্রধান শত্রুর ভূমিকা পালন করে আসলেও বর্তমান যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে দেশটির সামরিক সক্ষমতা ‘বিপর্যস্ত’ হয়ে পড়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ‘পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে’ নতুন কোনো শক্তিশালী দেশ এই শূন্যস্থান এগিয়ে আসবে।

 

কলামটিতে তুরস্ক বা পাকিস্তানকে ইরানের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে রাখা হয়েছে। গোলানি লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে প্রতিযোগিতাটি এখন তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমাবদ্ধ।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘উভয়ই বিশাল দেশ, দুটি দেশই সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সেখানে কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা সামরিক শক্তির ওপর নির্ভরশীল। দেশ দুটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী থাকলেও আশ্চর্যজনকভাবে ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক বিদ্যমান।’

 

 

গত এক সপ্তাহে ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। গাজায় চলমান যুদ্ধ এবং সিরিয়ায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দেশের নেতারা পাল্টাপাল্টি তীক্ষ্ণ অভিযোগ ছুড়ে দিচ্ছেন।

 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের বিরুদ্ধে ‘নিজ দেশের কুর্দি নাগরিকদের ওপর গণহত্যা’ এবং ‘ইরানের সন্ত্রাসী রেজিম ও তাদের প্রক্সিদের মদদ দেওয়ার’ অভিযোগ তোলেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন। বিশ্লেষকদের মতে, সিরিয়াকে কেন্দ্র করে এই নতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা দানা বাঁধতে পারে।

 

অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধের সময় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করলেও পাকিস্তানের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইসরায়েলের কড়া সমালোচনা করেছেন। সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ এক্সে একটি পোস্ট করে (যা পরে মুছে ফেলা হয়) ইসরায়েলকে ‘শয়তান’ এবং ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’ বলে অভিহিত করেছেন। যা দুই দেশের মধ্যকার আদর্শিক সংঘাতের বহিঃপ্রকাশ। মজার ব্যাপার হলো, পাকিস্তান যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদলের মধ্যে শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতা করতে যাচ্ছিল, তার কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি এই মন্তব্যটি করেন।

 

মাআরিভের ওই নিবন্ধে গোলানি সতর্ক করে বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে লড়াই থেমে যাওয়ার পরপরই এই দুই দেশের যেকোনো একটির সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতির জন্য ইসরায়েলকে অবশ্যই প্রস্তুত থাকতে হবে।’ তিনি উপসংহারে লিখেন, ‘তাদের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়া আমাদের হাতে নেই এবং দুটি বিকল্পই প্রায় সমান খারাপ। তাদের মোকাবিলা করার জন্য আমাদের প্রধান অস্ত্র হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক, যা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে রক্ষা করতে হবে। উল্লেখ্য যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন।’

 

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইউসিবি ব্যাংকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও, থানায় জিডি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ইউসিবি ব্যাংকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও, থানায় জিডি
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্টেশন এলাকার ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) শাখায় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হকের ব্যাংক হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিজের অজান্তে হিসাব থেকে ওই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে ঈদগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

 

জানা গেছে, গতকাল সকালে ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা তুলতে চেক দিয়ে এক কর্মচারীকে ব্যাংকে পাঠান ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। সেখানে গিয়ে ওই কর্মচারী জানতে পারেন, হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা নেই। পরে বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানানো হলে তিনি নিজেই ব্যাংকে গিয়ে খোঁজ নেন। এ সময় তাঁর হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা স্থানান্তর হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

এ ঘটনায় ঈদগাঁও থানায় জিডি করেছেন ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। জিডি নম্বর ৯৭৪ এবং ট্র্যাকিং নম্বর DEL665।

 

তবে কীভাবে, কখন এবং কার মাধ্যমে ওই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ব্যাংকের লেনদেনের তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে অর্থ স্থানান্তরের প্রকৃত কারণ জানা যেতে পারে।

 

এ বিষয়ে ইউসিবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন শাহজালাল রুমি। পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি বাসা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

ভবনটির কেয়ারটেকার জানান, টঙ্গীর মাদ্রাসায় ওই ঘটনার পর থেকেই রুমি হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায়ও ছিলেন তিনি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন রুমি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়। কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ভয়ের কারণে রুমির পরিবারের সদস্যরা বাসায় থাকছেন না।

 

হাবিবুর রহমান আরও জানান, যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী।

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

 

পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

 

মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়

 

ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা
শেয়ার করুন

অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম নিউজে টার্মিনালকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা।

 

এক প্রতিবাদলিপিতে শহিদুল মোস্তফা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর ছবি ব্যবহার করে ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁকে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর তিনি বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

শহিদুল মোস্তফা জানান, তিনি মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম লারপাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং লারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কারও নাম বা ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য ও পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

শহিদুল মোস্তফা টেলিগ্রাম নিউজ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও ছবি পুনরায় যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিবাদকারী:

শহিদুল মোস্তফা

স্বত্বাধিকারী, মুনজারিন টাইলস।