খুঁজুন
রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখে পোস্ট দেওয়ায় এক ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

শনিবার (২ মে) পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল ও সদস্য সচিব শাহিন আলম জনি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার ১০ নম্বর সুখিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোনায়েম খাঁনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

 

এতে আরও বলা হয়, উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন এবং সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল বলেন, ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখে পোস্ট দেওয়া, সাংগঠনিক কাজে না পাওয়াসহ সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

‘পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই’ আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ
‘পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই’  আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব
শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। তবুও আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব। দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

 

 

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ আওয়ামী লীগের প্রতিই নিবেদিত কি না- এমন প্রশ্নে সাকিবের সাফ উত্তর, “সেটাই তো হওয়ার কথা (আওয়ামী লীগে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ), তাই না? আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই, ইচ্ছা নেই এবং কোনো কালেও ছিল না। আমি এই জিনিস কখনও করিনি। ঠিক আছে? আমি যদি একটা ছোট দলেও কোনো দিন নাম লিখিয়েছি তো ওই দলের প্রতি সবসময় অনুগত ছিলাম। পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।”

 

 

বর্তমানে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও তা আজীবন থাকবে না বলেই জানান সাকিব। তিনি বলেন, “এখন নিষিদ্ধ, তাই বলে আজীবন নিষিদ্ধ থাকবে নাকি? আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে! এটা তো মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। দেশের একটা বড় অংশকে তো দাবিয়ে রাখতে পারবেন না। হ্যাঁ, জোর করে কিছুদিন সম্ভব আটকে রাখা বা যতদিন সম্ভব দমিয়ে রাখতে পারেন। কিন্তু এটাতে আসলে দেশের কোনো উন্নতি বা রাজনীতির ভালো আছে বলে আমার মনে হয় না।”

 

 

একটা সময় আওয়ামী লীগও বিরোধী দলকে দমন করার চেষ্টা করেছে। এ প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, “এই ভুলটা যদি আমরা করে থাকি, ১০-১৫-২০ বছর আগের রাজনীতির সেই সময়ে দলের ভাবনা তো আমি জানি না, কিন্তু আমরা যদি এরকম ভুল করে থাকি, সেই ভুলেরও তো তাহলে এখন পুনরাবৃত্তি হচ্ছে! পরে যদি আবার অন্য কোনো দল ক্ষমতায় আসে বা আমরা আসি এবং পুনরাবৃত্তি করি, তাহলে এই খেলা তো চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এগুলো শেষ করতে হবে।”

এমপি কাজলপন্থীদের কেউ পায়নি ছাত্রদলের কমিটি, যোগদানের আহবান জানিয়ে তুষের আগুনে ঘি ঢালছে এনসিপি!

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
এমপি কাজলপন্থীদের কেউ পায়নি ছাত্রদলের কমিটি, যোগদানের আহবান জানিয়ে তুষের আগুনে ঘি ঢালছে এনসিপি!
শেয়ার করুন

কক্সবাজারে সদ্য ঘোষিত জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। অভিযোগ উঠেছে, এমপি কাজল পন্থীদের এই কমিটিতে কাউকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের দাবি, রাজনৈতিক কারণেই তাদেরকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে, তীব্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাদ পড়া নেতাকর্মী ও তাদের সমর্থকরা পোস্ট ও মন্তব্যের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

অন্যদিকে, এই পরিস্থিতির মধ্যে নতুন একটি রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে। আলোচনায় থাকা কিছু নেতাকে এনসিপিতে (ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি) যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানের এনসিপি নেতৃবৃন্দ ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এসব নেতাকে তাদের দলে যোগ দিতে উৎসাহিত করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, ক্ষুব্ধ নেতারা শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন এবং এর প্রভাব কক্সবাজারের ছাত্ররাজনীতিতে কতটা পড়ে।

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ দীর্ঘ কারাবাস ও জামিন জটিলতায় সাংবাদিকরা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ দীর্ঘ কারাবাস ও জামিন জটিলতায় সাংবাদিকরা
শেয়ার করুন

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ পালিত হচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন দেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা, গ্রেপ্তার ও দীর্ঘ কারাবাস নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জুলাই গণ–অভ্যুত্থান-পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় করা একাধিক হত্যা মামলায় কয়েকজন সাংবাদিক এখনো কারাগারে আছেন। বারবার জামিন আবেদন করেও তাঁরা মুক্তি পাচ্ছেন না, ফলে অনেকে দীর্ঘদিন ধরে বন্দী জীবন কাটাচ্ছেন। একই সময়ে অনেক সাংবাদিক মামলা-ভয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন ।

২০২৪ সালের ২১ আগস্ট বিমানবন্দর থেকে আটক হন একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক বার্তাপ্রধান শাকিল আহমেদ ও সাবেক প্রধান প্রতিবেদক-উপস্থাপক ফারজানা রূপা। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা ও আদাবরে পৃথক হত্যা মামলায় অভিযোগ আনা হয়। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে তাঁরা কারাগারে রয়েছেন, তবে এখনো জামিন পাননি।

একই বছরের সেপ্টেম্বরে ময়মনসিংহ সীমান্ত থেকে আটক হন একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত। তাঁদেরও জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক একাধিক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বারবার জামিন আবেদন নাকচ হওয়ায় তাঁরা এখনো কারাগারে আছেন।

অন্যদিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জাতীয় প্রেসক্লাব ও বিএফইউজের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ এবং সাংবাদিকতা-সম্পর্কিত বিভিন্ন মামলায় মাইটিভির চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দীনসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিকও বর্তমানে কারাবন্দী আছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দায়ের হওয়া এসব মামলায় অভিযোগ উঠেছে, অনেক ক্ষেত্রেই সাংবাদিকদের ঢালাওভাবে আসামি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সাংবাদিক শাহনাজ শারমীন একই দিনে ভিন্ন স্থানে লাইভ সম্প্রচার করার পরও একটি হত্যা মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়, যা নিয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন—অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) তথ্য অনুযায়ী, জুলাই পরবর্তী সময়ে শত শত সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং বহুজনকে হত্যা বা সহিংসতার মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সংবাদ

নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী মনে করেন, বিচার ছাড়াই দীর্ঘদিন কাউকে আটকে রাখা আইনের শাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দ্রুত এসব মামলার সুরাহা হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মামলাগুলো তদন্তাধীন এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না, তাদের অব্যাহতি দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।

এদিকে মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে অন্তত শত শত সাংবাদিক নির্যাতন বা হয়রানির শিকার হয়েছেন, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।

এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের প্রতিপাদ্য—‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন: মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার’—আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আশা থাকলেও বাস্তবে মামলা, গ্রেপ্তার ও প্রশাসনিক চাপ সাংবাদিকদের কাজকে ক্রমেই জটিল করে তুলছে।