খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

খুনিয়াপালংয়ে ৭০ বছরের মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ নিখোঁজ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
খুনিয়াপালংয়ে ৭০ বছরের মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ নিখোঁজ
শেয়ার করুন

খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুলাবাগান কালাপাড়া এলাকা থেকে কবির আহমেদ (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন এবং বাম হাত প্যারালাইজ রোগে আক্রান্ত বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

গত ৯ মে শনিবার থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল শার্ট ও লুঙ্গি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, অনেক খোঁজাখুঁজির পরও এখনো তার সন্ধান মেলেনি। কোনো স্বহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেলে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

☎️ যোগাযোগ:

০১৮৫৮-৩৯৪৮৬১

০১৮৪৩-৭২৬৭৫৪

বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু
শেয়ার করুন

ফেনীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

তারা হলেন, মোহাম্মদ নুরুল আলম ও তার পুত্র নুর হাসনাত নীরব। নুরুল আলম পেশায় অ্যাম্বুলেন্স চালক। তাদের বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বক্তারমুনশি বাজারে।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে মোটরসাইকেলযোগে নুরুল আলম ও পুত্র নুর হাসনাত নীরব বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। হাফেজিয়া এলাকায় পৌঁছালে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে দাউদকান্দি এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস পাশ থেকে মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নুরুল আলম মারা যান। এ সময় তার ছেলে নীরব গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করলে পথিমধ্যে সে মারা যায়।

 

 

এ বিষয়ে ফেনীর মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, নিহতদের মৃতদেহ ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে থানায় রেখেছে। বাস চালক পালিয়ে গেছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

মুসলিমদের অত্যাচার করলে কোনো হিন্দুকে ছাড় দেয়া হবে না

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
মুসলিমদের অত্যাচার করলে কোনো হিন্দুকে ছাড় দেয়া হবে না
শেয়ার করুন

তামিলনাড়ুর নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় রাজ্যের ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় কঠোর বার্তা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করেন, নাগরিকের ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের অত্যাচার বা সহিংসতা সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘মুসলিমদের ওপর অত্যাচার করা হলে কোনো হিন্দুকেও ছাড় দেওয়া হবে না।’

অপরাধী যে ধর্মেরই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখাকে সরকারের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

 

 

 

গত রবিবার ৫১ বছর বয়সী এই অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া নেতা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তার দল টিভিকে (TVK) এবার ডিএমকে ও এআইএডিএমকে-র দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আধিপত্য ভেঙে নিরঙ্কুশ জয় পায়। বিজয়ের নেতৃত্বে গঠিত এই জোট সরকারে কংগ্রেস, বামপন্থী দল এবং মুসলিম লিগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই সামাজিক সংস্কারের অংশ হিসেবে তিনি রাজ্যের ৪ হাজার ৭৬৫টি সরকারি মদের দোকানের মধ্যে ৭১৭টি বন্ধের নির্দেশ দেন। মূলত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাসস্ট্যান্ডের কাছে অবস্থিত টাসম্যাক পরিচালিত এসব দোকান বন্ধের এই সিদ্ধান্ত ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

 

 

মদের দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তে রাজস্ব ঘাটতির আশঙ্কা থাকলেও বিজয় তার জনকল্যাণমূলক অবস্থানে অনড় রয়েছেন। ইতোমধ্যে তার সরকার বিনামূল্যে বিদ্যুৎ প্রদান, বিশেষ নারী নিরাপত্তা বাহিনী গঠন এবং মাদকবিরোধী ইউনিট তৈরির মতো একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতা গ্রহণের পর বিজয়ের এই সাহসী নীতি ও কঠোর অবস্থান তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা করতে যাচ্ছে।

৩৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
৩৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ
শেয়ার করুন

প্রায় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হতে পারে। প্রায় ২৫ বছর আগে তত্কালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ শুরু করেছিল। এবার নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণের অংশ হিসেবে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

 

প্র্রকল্প প্রস্তাবের নথি অনুসারে, রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পদ্মা নদীতে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার মূল বাঁধ নির্মাণ করা হবে। পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচটি নদীকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। মূলত ফারাক্কা বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে পানির যে সংকট দেখা দেয়, তা থেকে কিছুটা রেহাই পেতে প্রকল্পটি প্রস্তুত করা হয়েছে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। সে জন্য কয়েক দশকের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পদ্মা ব্যারাজ নামের প্রকল্পটি পাশের অপেক্ষায় আছে।

 

 

 

প্রকল্পের আওতায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার মূল বাঁধ নির্মাণ করা হবে। যাতে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডার স্লুইস ও ২টি ফিশ পাশ। এ বাঁধের মাধ্যমে ২৯০ কোটি ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা যাবে। আর সংরক্ষিত পানি বণ্টনের জন্য তিনটি অফটেক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুেকন্দ্র স্থাপন করা হবে।

 

সংরক্ষিত পানি দিয়ে পাঁচটি নদীর পানিপ্রবাহ পুনরুজ্জীবিত করা হবে। এগুলো হলো হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতী নদী। শুষ্ক মৌসুমে এসব নদীতে প্রায় ৮০০ কিউসেক মিটার পানি সরবরাহ করা হবে।

 

 

 

প্রকল্পের নথি বলছে, বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের চাষযোগ্য প্রায় ২৯ লাখ হেক্টর কৃষি জমিতে প্রয়োজনীয় সেচের পানি সরবরাহ করা যাবে। এতে প্রায় ২৪ লাখ টন ধানের ও ২ দশমিক ৩৪ লাখ টন মাছের উত্পাদন বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।