খুঁজুন
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার খবর, সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার খবর, সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের আলোচিত খোরশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা সমন্বয়ক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে নানা মাধ্যমে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে তথ্য নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের যাতায়াতও বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

 

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী জানিয়েছেন, তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

 

খোরশেদ হত্যা মামলার পর থেকেই নিহতের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত তারিনকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিহতের পরিবার এবং মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি তাকে হত্যাকাণ্ডের “মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

 

ঘটনার পর জেলা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার প্রকাশ্যেই তারিনকে নির্দোষ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।

 

দীর্ঘ দেড় মাস পার হলেও হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী কিংবা ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

 

এর মধ্যেই নতুন করে তারিনকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতার গুঞ্জন জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

রামু প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
রামু প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি
শেয়ার করুন

রামু প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি: আবদুল্লাহ আল মামুন সভাপতি, সোয়েব সাঈদ সাধারণ সম্পাদক

 

রামু প্রেস ক্লাবের কমিটি পূনর্গঠিত হয়েছে। কমিটিতে এম আব্দুল্লাহ আল মামুন সভাপতি এবং সোয়েব সাঈদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার, ১২ মে বিকাল তিনটায় রামু পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত রামু প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। ২১ সদস্য বিশিষ্ট নবগঠিত কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ -সভাপতি খালেদ হোসেন টাপু, আল মাহমুদ ভূট্টো ও হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এইচএম হুমায়ন কবির ও হামিদুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক জহির উদ্দিন খন্দকার, অর্থ সম্পাদক আবুল কাশেম সাগর, দফতর সম্পাদক শওকত ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামাল শিশির, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক কামাল হোসেন, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এম এইচ আরমান, ক্রীড়া সম্পাদক মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট শিপ্ত বড়ুয়া, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, নির্বাহী সদস্য খালেদ শহীদ, নীতিশ বড়ুয়া, জাফর আলম জুয়েল, হাসান তারেক মুকিম ও নুরুল হক সিকদার।

 

সভার প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন- রামু প্রেস ক্লাবের সভাপতি নীতিশ বড়ুয়া। সাধারণ সম্পাদক সোয়েব সাঈদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় কার্যকরী পরিষদ পূনর্গঠন ও সদস্য অর্ন্তভূক্তিসহ ক্লাবের সার্বিক উন্নয়নে আলোচনা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন- সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার এর সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর। বিশেষ অতিথি ছিলেন- চ্যানেল টুয়েন্টিফোর এর কক্সবাজার প্রতিনিধি আজিম নিহাদ, নিউজ টুয়েন্টিফোর এর কক্সবাজার প্রতিনিধি ইরফান উল হাসান, বিজয় টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি শাহ আলম।

সাধারণ সভা শেষে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন- রামু প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি খালেদ শহীদ। এ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার এর সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফরের সমন্বয়ে আরও দায়িত্ব পালন করেন- বিদায়ী সভাপতি নীতিশ বড়ুয়া, চ্যানেল টুয়েন্টিফোর এর কক্সবাজার প্রতিনিধি আজিম নিহাদ, নিউজ টুয়েন্টিফোর এর কক্সবাজার প্রতিনিধি ইরফান উল হাসান, বিজয় টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি শাহ আলম।

 

সভায় রামু প্রেস ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- খালেদ শহীদ, এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, খালেদ হোসেন টাপু, হাসান তারেক মুকিম, আল মাহমুদ ভূট্টো, আবুল কাশেম সাগর, হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর, কামাল হোসেন, শওকত ইসলাম, এম এইচ আরমান, জহির উদ্দিন খন্দকার, হামিদুল হক, জাফর আলম জুয়েল, কামাল শিশির, সুজন চক্রবর্তী, মো. আবদুল্লাহ, এইচ এম জয়নাল আবেদীন।

প্রথম অধিবেশনে সকলের সম্মতিক্রমে ৯ জন কর্মরত সংবাদকর্মীকে তাঁদের আবেদনের প্রেক্ষিতে রামু প্রেস ক্লাবের সাধারণ সদস্যপদ প্রদান করা হয়। নতুন সদস্যরা হলেন- জাফর আলম জুয়েল, কামাল শিশির, কায়েদ আলম কায়সার, জাবেদুল আনোয়ার, মোহাম্মদ মোবারক, এসএম লুৎফুর কবির শিহাব, হামিদুল হক মার্শাল, নুরুল আমিন ও মোহাম্মদ ইলিয়াছ।

এতে সংবাদকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কায়েদ আলম কায়সার, জাবেদুল আনোয়ার, মোহাম্মদ মোবারক, এসএম লুৎফুর কবির শিহাব, হামিদুল হক মার্শাল, নুরুল আমিন, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, নবীন সংবাদকর্মী উচ্ছ্বাস বড়ুয়া, মামুনুর রশিদ মুন্না, রায়হান উদ্দিন মাহিম, আরিফুল ইসলাম, মো. শাহারিয়া নাজিম জয়। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন- হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর। সভায় সৌদিআরব থেকে মুঠোফোনে শুভেচ্ছা জানান- ওবাইদুল হক নোমান ও কপিল উদ্দিন।

হুইপের টিস্যুবক্স নিক্ষেপ নিয়ে ‘অপপ্রচারের’ নিন্দা শরীয়তপুর প্রেসক্লাব সভাপতির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ণ
হুইপের টিস্যুবক্স নিক্ষেপ নিয়ে ‘অপপ্রচারের’ নিন্দা শরীয়তপুর প্রেসক্লাব সভাপতির
শেয়ার করুন

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ হলরুমে জেলেদের মধ্যে বকনা বাছুর বিতরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ‘অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে নিজ কার্যালয় থেকে একটি ভিডিও বার্তায় অপপ্রচারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান আবুল হোসেন সরদার।

তিনি বলেন, সম্প্রতি কয়েকটি ফেসবুক আইডি ও অনলাইন পোর্টালে দাবি করা হয়, অনুষ্ঠান চলাকালে হুইপ সাংবাদিকদের উদ্দেশে টিস্যুবক্স নিক্ষেপ করেন।

তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের দাবি সঠিক নয় এবং ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, অনুষ্ঠান চলাকালে সাময়িক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য টিস্যুবক্সটি তার এক দলীয় কর্মীকে উদ্দেশ্য করে নিক্ষেপ করেন। এটি কোনো সাংবাদিককে লক্ষ্য করে করা হয়নি এবং এ ঘটনায় কোনো সাংবাদিক অভিযোগও করেননি।

বিষয়টি শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের নজরে আসলে মঙ্গলবার সকালে শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মো. আবুল হোসেন সরদারের সভাপতিত্বে প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সভা আহ্বান করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন রবিন, সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম পাইলট, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাফিল বেপারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম শাকিল, কোষাধ্যক্ষ ছগির হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. আল-আমিন, প্রচার সম্পাদক জামাল মল্লিক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, সদস্য ইসহাক মাদবর, বারেক ভূঁইয়া, মো. মিরাজ সিকদার, মো. সাইফুল ইসলাম ঢালী প্রমুখ। সভায় এ ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ সংবাদের বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

শরীয়তপুর প্রেসক্লাব মনে করে, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ তথ্য প্রচার দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থি। এ ধরনের অপপ্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং সাংবাদিক সমাজ ও গণমাধ্যমের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্মানবোধ ক্ষুণ্ন করে।

শরীয়তপুর প্রেসক্লাব সভাপতি সংশ্লিষ্ট সকল গণমাধ্যমকর্মী ও সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন সত্য, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করেন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকেন।

ফ্লাইওভারে ঝুলছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নিথর দেহ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
ফ্লাইওভারে ঝুলছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নিথর দেহ
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা ফ্লাইওভারে ঝুলন্ত অবস্থায় কাউসার আহমেদ নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি নগরীর আকবর শাহ থানা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বলে জানা গেছে।

 

সোমবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর বিএসআরএম ডিপো সংলগ্ন ফ্লাইওভার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত কাউসার রাউজান উপজেলার উরকিরচর এলাকায় আবুল কাশেমর ছেলে।

 

এ ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

এদিকে, মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম মহানগরের সাবেক কয়েকজন নেতা মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে ফেসবুকে দাবি করেছেন, কাউসারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ফ্লাইওভারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে হত্যার দাবিকে গুজব বলছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তাদের ধারণা কাউসার আত্মহত্যা করেছেন।

 

 

পাহাড়তলী থানার এসআই মাসুদুর রহমান বলেন, নিহত ব্যক্তি বিএসআরএমে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জেনেছে, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক হতাশায় ভুগছিলেন।

 

তিনি বলেন, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তারপরও নিয়ম অনুযায়ী ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।

 

মাসুদুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তার অনেকগুলোই ‘প্রপাগান্ডা’। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

তবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, কাউসারকে অপহরণের পর হত্যা করে ফ্লাইওভারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

 

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা তালুকদার পারভেজ আনসারী অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ করার কারণে কাউসারকে অপহরণ করে হত্যা করেছে। পরে তার মরদেহ ফ্লাইওভারে ঝুলিয়ে রাখা হয়।’

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।