খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে কক্সবাজারের যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রবিউল ইমরান
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৩:২৮ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে কক্সবাজারের যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে কক্সবাজার সদরের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২১ মে) রাত পৌনে ১২টার দিকে নগরীর একটি বাসার কক্ষের দরজা ভেঙে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবকের নাম হুমায়ুন মাহফুজ। তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিকদার পাড়ার মৌলভী মনির আহমেদের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে কক্ষের দরজা বন্ধ থাকায় আশপাশের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে কক্ষের ভেতর থেকে হুমায়ুন মাহফুজের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রামে অটোরিকশা চালকের ধাক্কায় আহত সেই পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ২:১৯ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে অটোরিকশা চালকের ধাক্কায় আহত সেই পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী থানাধীন এলাকায় অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করতে গিয়ে চালকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হওয়া পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বুধবার (২০ মে) সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুবরণ করেন।

চমেক হাসপাতালে কর্মরত জেলা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রাসমনি ঘাট এলাকায় অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করেন কনস্টেবল কুদ্দুস।

পরে সেটি মনসুরাবাদ ডাম্পিং স্টেশনে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু মাঝখানে পাহাড়তলীর রাসমণি ঘাট এলাকায় পৌঁছানোর পর হঠাৎ রিকশাওয়ালা ধাক্কা দিয়ে কুদ্দুসকে চাকার নিচে ফেলে দেন।

এ সময় মাথায় গুরুত্বর আঘাত পাওয়ার পর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে থাকার পর ৬ দিন মৃত্যুবরণ করেছেন তিনি।

শিক্ষার ফেরিওয়ালা মরহুম জালাল আহমদ চৌধুরী এঁর ১৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
শিক্ষার ফেরিওয়ালা মরহুম জালাল আহমদ চৌধুরী এঁর ১৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
শেয়ার করুন

শিক্ষার ফেরিওয়ালা মরহুম জালাল আহমদ চৌধুরী, যিনি ১৯৫৬ খ্রি. এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম কলেজ হতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তৎকালীন সময়ে বহু সরকারি বেসরকারি লোভনীয় চাকুরির সুযোগ থাকার পরও শুধুমাত্র এলাকায় শিক্ষা বিস্তারের মহান ব্রত নিয়ে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। প্রথম দিকে কিছুদিন এলাকার বাইরে শিক্ষকতা করলেও ১৯৬৭ খ্রি. এ তৎকালীন আর এক শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট ঠিকাদার  মরহুম অছিউর রহমান কনট্রাকটরের আর্থিক সহায়তায় ” জোয়ারিয়ানালা এইচ এম সাঁচি উচ্চ বিদ্যালয়  “প্রতিষ্ঠা করেন। নিজে অবৈতনিক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে ১৯৯৩ খ্রি. পর্যন্ত শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব শেষে অবসর নেন।শিক্ষাপাগল এ মানুষটি অবসর নিয়েও থেমে থাকেননি। ১৯৯৫ খ্রি. এ ব্যক্তিগতভাবে নিজে জমি দান করে এবং নিজ ভাইদের নিকট হতে ও নিজ ছাত্র শিক্ষানুরাগী মরহুম আলহাজ্ব সামশুল হক এর নিকট থেকে  জমি সংগ্রহ করে জোয়ারিয়ানালায় নারী শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় ” জোয়ারিয়ানালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ” প্রতিষ্ঠা করেন। নিজে অবৈতনিক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বিদ্যালয়ে রুপ দেন। উনার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান দুটি এখনো জোয়ারিয়ানালায় দ্বীপশিখার মতো শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে যাচ্ছে স্বমহিমায়। উক্ত বিদ্যালয় দুটির প্রাক্তন অনেক শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্ব-স্ব ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে জোয়ারিয়ানালার সুনাম বৃদ্ধি করে চলেছেন। যেটুকুন শুনেছি এবং দেখেছি বিদ্যালয় দুটির প্রতিষ্ঠার শুরুতে ও দুঃসময়ে ফেরিওয়ালার মত বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করে ছাত্র-ছাত্রী ভিক্ষে করে এনে বইপত্র কিনে দিয়ে বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো , বাড়ী বাড়ী গিয়ে ধান, চাল ও চাঁদা সংগ্রহ করে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনভাতা যোগানসহ বিদ্যালয় দুটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য আমৃত্যু নিজের মেধা, শ্রম ও সামর্থ্য দিয়ে চেষ্টা করে গেছেন। উনার একজন ছাত্র হিসেবে আমি প্রতিষ্ঠান দুটির উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি। নিজে ছাত্র অবস্থায় মায়ের তরফ হতে পাওয়া জমি দান করে ” ঘোনারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় “প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করে আমৃত্যু বিদ্যালয় পরিচালনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি সেই সাথে অবিভক্ত জোয়ারিয়ানালার  পঞ্চায়েত  চেয়ারম্যান ও রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও  দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন।
নির্লোভ, নিরহংকার শিক্ষাপাগল এ মানুষটি ২০ মে ২০০৮ খ্রি. আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও তাঁর মহৎ কর্মকান্ডগুলো আমাদেরকে এখনও নিরন্তর অনুপ্রেরণা দেয় এবং উৎসাহ যোগায়।
তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা আজ দেশ-বিদেশে আলো ছড়াচ্ছেন। তাঁর সন্তানদের মধ্যে মোমিনুর রশিদ আমিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব, অ্যাডভোকেট ইকবালুর রশিদ আমিন কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ৩বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মামুনুর রশিদ আমিন সাবেক সড়ক ও জনপদ বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা, হাসিনা জামান প্রধান শিক্ষক খুটাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

টিকা নিয়ে ইউনূস সরকারকে ৫-৬টি চিঠি দিয়েও সাড়া পায়নি ইউনিসেফ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
টিকা নিয়ে ইউনূস সরকারকে ৫-৬টি চিঠি দিয়েও সাড়া পায়নি ইউনিসেফ
শেয়ার করুন

দেশে টিকার ঘাটতি এবং রোগ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ইউনূস সরকারকে বেশ কয়েকবার সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ। তারা বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে লেখা পাঁচ-ছয়টি চিঠিতে সম্ভাব্য টিকা নিয়ে সংকটের কথা বলা হয়েছিল।

 

 

এ ছাড়া ১০টি মিটিংয়ে সরকারের কর্মকর্তাদের কাছে একই কথা জানানো হয়েছিল।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে ইউনিসেফ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।

 

সংবাদ সম্মেলনে টিকা সংকটের কারণ, সংকট কাটিয়ে উঠতে ইউনিসেফ কী করেছে, সংকট আর যেন না হয়—এসব বিষয়ে কথা বলেন রানা ফ্লাওয়ার্স।

 

তিনি সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান সরকার চাইলে উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতিতে টিকা কিনতে পারে।

 

 

টিকার মজুদ নিশ্চিত থাকা জরুরি।

রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহ করতে এক বছরের মতো সময় লেগে যায়। ইউনিসেফের মাধ্যমে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করা যায়।