খুঁজুন
, ,

প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে সাংবাদিকদের পাসকার্ড না দেওয়ায় ক্ষোভ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে সাংবাদিকদের পাসকার্ড না দেওয়ায় ক্ষোভ
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের জন্য পাসকার্ড না দেওয়া এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রবেশে বাধার অভিযোগ উঠেছে। দিনব্যাপী একাধিক কর্মসূচি কভার করতে গিয়ে জেলার অধিকাংশ গণমাধ্যমকর্মী অনুমতিপত্র না পাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন বলে সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় জেলার সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

 

 

সাংবাদিকদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সফরের আওতায় জনসমাবেশ ছাড়াও পিএমখালীর পাতলী খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, সুধী সমাবেশ, উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিকদের জন্য কোনো পাসকার্ড ইস্যু করা হয়নি। ফলে তারা নির্ধারিত ভেন্যুতে প্রবেশ, তথ্য সংগ্রহ, ছবি ও ভিডিও ধারণে বাধার মুখে পড়েন।

 

কক্সবাজার রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সায়ীদ আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে পিএম বিটের সাংবাদিকরা থাকলেও স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতি সবসময় গুরুত্বপূর্ণ থাকে। অনেক প্রতিষ্ঠান স্থানীয় প্রতিনিধির ওপর নির্ভর করে।

 

তিনি বলেন, স্থানীয় সাংবাদিকদের সারা দিনব্যাপী সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ না দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এটি সাংবাদিকতার মর্যাদার পরিপন্থি। কক্সবাজার রিপোর্টার্স ইউনিটি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

 

ক্রাইম অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (ক্র্যাক) সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, জেলা পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর কোনো সফরে স্থানীয় সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনার ঘটনা এই প্রথম দেখলাম। শুধু তাই নয়, সুধী সমাবেশেও কোনো সাংবাদিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এমনকি প্রেসক্লাবের শীর্ষ নেতৃত্বসহ সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

তিনি আরও বলেন, এটি শুধু কক্সবাজারের সাংবাদিকদের জন্য নয়, বরং সারা বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজের জন্যই একটি কলঙ্কজনক ও দুঃখজনক ঘটনা। স্থানীয় সাংবাদিকদের এভাবে বঞ্চিত করা সংবাদপেশার মর্যাদা ও স্বাধীনতার পরিপন্থি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।

 

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি বলেন, আমার ৪০ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে এমন ঘটনা দেখিনি। কোনো জেলার স্থানীয় সাংবাদিকদের এভাবে রাষ্ট্রীয় সফরের সংবাদ সংগ্রহ থেকে বঞ্চিত করার নজির নেই। প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন কোনো জেলায় আসেন না। তাই স্থানীয় সাংবাদিকরা এমন সফর কভার করার জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করেন। কিন্তু একটি চক্র সেই সুযোগ নষ্ট করেছে।

 

 

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রস্তুতি সভায় এসএসএফ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, স্থানীয় সাংবাদিকদের অনুমোদনের বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন দেখবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

 

সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজারে আসার আগের দিন রাত ১১টা পর্যন্ত ডিএসবি অফিস থেকে জানানো হয়েছিল পাসকার্ড দেওয়া হবে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা হয়নি। ফলে বিকল্প কোনো সুযোগও ছিল না। সাংবাদিকদের এভাবে বঞ্চিত করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।

 

তিনি বলেন, এ ঘটনার বিরুদ্ধে আমরা সংগঠিতভাবে প্রতিবাদ জানাব।

 

সাংবাদিকদের অভিযোগ, বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রবেশের অনুমতি না থাকায় অনেকেই দূর থেকে অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করতে বাধ্য হন। এতে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য, ছবি ও তথ্য সংগ্রহে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়।

 

এদিকে স্থানীয় সাংবাদিকদের বঞ্চনার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জেলার প্রায় সব সাংবাদিক নিজ ফেসবুক আইডিতে ক্ষোভ, হতাশা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করেছেন। অনেকেই এটিকে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজের প্রতি অবমূল্যায়ন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বলে মন্তব্য করেছেন।

 

সাংবাদিকদের দাবি, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সফরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রচলিত ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও এবার তা উপেক্ষিত হয়েছে, যা পেশাগত মর্যাদার জন্য প্রশ্নবিদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

 

দায় নিচ্ছে না কেউ

 

জেলা প্রশাসন বলছে, তারা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তালিকা যথাযথভাবে পাঠিয়েছেন। তবে কেন সাংবাদিকদের পাসকার্ড ইস্যু করা হয়নি, সে বিষয়ে তারা অবগত নন।

 

এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ সামীম কবীর বলেন, সাংবাদিকদের জন্য পাসকার্ড ইস্যু না করার বিষয়ে উপর থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল। নির্দেশনা অনুযায়ীই তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়েছেন।

 

তিনি জানান, জেলা প্রশাসন থেকে পাঠানো সাংবাদিকদের তালিকা ধরে আগেই যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল। এ সময় সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র, প্রেস আইডি ও ছবি সংগ্রহ করে ভেরিফিকেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে আগেভাগেই সব তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রস্তুত ছিলাম। তবে চূড়ান্ত কোনো নির্দেশনা না আসায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের জন্য কোনো পাসকার্ড ইস্যু করা সম্ভব হয়নি।

 

কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সংবাদ কভারেজ সংক্রান্ত বিষয়ে আমাদের কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটি হয়েছে। এ কারণে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ক্ষমাপ্রার্থী। সাংবাদিকদের বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুলত্রুটির পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেন। সফর সফল করতে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের সবার প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

ইউসিবি ব্যাংকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও, থানায় জিডি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ইউসিবি ব্যাংকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও, থানায় জিডি
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্টেশন এলাকার ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) শাখায় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হকের ব্যাংক হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিজের অজান্তে হিসাব থেকে ওই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে ঈদগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

 

জানা গেছে, গতকাল সকালে ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা তুলতে চেক দিয়ে এক কর্মচারীকে ব্যাংকে পাঠান ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। সেখানে গিয়ে ওই কর্মচারী জানতে পারেন, হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা নেই। পরে বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানানো হলে তিনি নিজেই ব্যাংকে গিয়ে খোঁজ নেন। এ সময় তাঁর হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা স্থানান্তর হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

এ ঘটনায় ঈদগাঁও থানায় জিডি করেছেন ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। জিডি নম্বর ৯৭৪ এবং ট্র্যাকিং নম্বর DEL665।

 

তবে কীভাবে, কখন এবং কার মাধ্যমে ওই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ব্যাংকের লেনদেনের তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে অর্থ স্থানান্তরের প্রকৃত কারণ জানা যেতে পারে।

 

এ বিষয়ে ইউসিবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন শাহজালাল রুমি। পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি বাসা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

ভবনটির কেয়ারটেকার জানান, টঙ্গীর মাদ্রাসায় ওই ঘটনার পর থেকেই রুমি হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায়ও ছিলেন তিনি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন রুমি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়। কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ভয়ের কারণে রুমির পরিবারের সদস্যরা বাসায় থাকছেন না।

 

হাবিবুর রহমান আরও জানান, যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী।

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

 

পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

 

মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়

 

ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা
শেয়ার করুন

অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম নিউজে টার্মিনালকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা।

 

এক প্রতিবাদলিপিতে শহিদুল মোস্তফা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর ছবি ব্যবহার করে ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁকে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর তিনি বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

শহিদুল মোস্তফা জানান, তিনি মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম লারপাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং লারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কারও নাম বা ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য ও পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

শহিদুল মোস্তফা টেলিগ্রাম নিউজ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও ছবি পুনরায় যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিবাদকারী:

শহিদুল মোস্তফা

স্বত্বাধিকারী, মুনজারিন টাইলস।