খুঁজুন
, ,

​মাতারবাড়ী এক্সেস রোড প্রকল্প: 

বালু উত্তোলনে ‘বিশেষ সুবিধা’ দিয়ে শত কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি: হাইকোর্টে গেলেন সোহানা শারমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
বালু উত্তোলনে ‘বিশেষ সুবিধা’ দিয়ে শত কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি: হাইকোর্টে গেলেন সোহানা শারমিন
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর সংযোগ সড়ক (পোর্ট এক্সেস রোড) নির্মাণ প্রকল্পে বালু উত্তোলন ও মূল্য নির্ধারণের নামে শত শত কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় রাজস্ব লুটের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

​গত সোমবার (১৫ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সোহানা শারমিন এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটে কক্সবাজারের মহেশখালী উপকূলীয় এলাকা থেকে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়া প্রায় ৬ কোটি ৩৪ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলনের অনুমোদন এবং নামমাত্র মূল্য নির্ধারণের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাতিল চাওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালত রিটটি গ্রহণ করে আগামী রোববার (২১ জুন) শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

 

#রয়্যালটি ফাঁকির অভিনব কৌশল

 

​রিটের নথিসূত্রে জানা যায়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ঘনফুট বালুর ভিত্তিমূল্য (রয়্যালটি) ৬ টাকা ৯৪ পয়সা নির্ধারিত। তবে ড্রেজিং ব্যয় বাবদ ৪ টাকা ৫৭ পয়সা কর্তন দেখিয়ে কার্যত প্রতি ঘনফুট বালুর মূল্য ধরা হয়েছে মাত্র ২ টাকা ৩৭ পয়সা। এই কৌশলে সংশ্লিষ্ট যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘তোকিউ-এমআইএল-জেভি’ (Tokyu-MIL-JV)-কে বিশেষ আর্থিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে রাষ্ট্র বিপুল অঙ্কের নিশ্চিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

​আইনজীবীদের মতে, ‘বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী যেকোনো সরকারি প্রকল্পে বালু সরবরাহ বা ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান বাধ্যতামূলক। কিন্তু এই প্রকল্পে কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা ছাড়াই একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এককভাবে বালু উত্তোলন ও সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা প্রচলিত আইনের চরম লঙ্ঘন।

 

মামলায় বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে— কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি); ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব; বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পরিচালক; বিআইডব্লিউটিএ কক্সবাজার (কস্তুরীঘাট) বন্দরের সহকারী পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন); সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের মাতারবাড়ী বন্দর এক্সেস রোড প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী); কক্সবাজারের গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং তোকিউ-এমআইএল-জেভি যৌথ উদ্যোগের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে।

 

এর আগে গত ১৬ এপ্রিল দৈনিক যুগান্তরে প্রিন্ট ও অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন “বালুতেই ঠিকাদারের পকেটে যাবে ৪৫০ কোটি টাকা” শিরোনামে দাবি করা হয়, মাতারবাড়ী পোর্ট এক্সেস রোড প্রকল্পে ব্যবহৃত বালু সরবরাহকে কেন্দ্র করে সরকারের প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার রাজস্ব সুবিধা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সমুদ্র থেকে বালু উত্তোলনের রয়্যালটি প্রতি ঘনফুট ৬ টাকা ৯৪ পয়সা নির্ধারণ করা হলেও ড্রেজিং ব্যয় সরকারি কোষাগার থেকে বহন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি রাজস্ব হিসাবে জমা হবে মাত্র ২ টাকা ৩৭ পয়সা।

 

 

​রিট আবেদনে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে। জেলা বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের স্বাক্ষরে এই বালু উত্তোলনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। রিটকারীর অভিযোগ— এই অনুমোদনের আগে কোনো ধরনের বিকল্প প্রস্তাব বিবেচনা করা হয়নি, এমনকি নেওয়া হয়নি পরিবেশগত ছাড়পত্র বা পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (ইআইএ)।

​পরিবেশবিদদের আশঙ্কা, যথাযথ ইআইএ (EIA) ছাড়া মহেশখালী উপকূলের সমুদ্র থেকে এই বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করা হলে উপকূলীয় অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য, সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র এবং পুরো ভূপ্রকৃতি মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

 

রিটকারী আইনজীবী সোহানা শারমিন বলেন,

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করা এবং এর অপচয় ও অপব্যবহার রোধ করা প্রতিটি নাগরিক ও প্রশাসনের পবিত্র সাংবিধানিক দায়িত্ব। দেশের সম্পদ থেকে যেখানে সরকারের সর্বোচ্চ ন্যায্য রাজস্ব আদায়ের কথা, সেখানে আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ব্যাকডোর দিয়ে বিশেষ কোনো গোষ্ঠীকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যা সরাসরি জনস্বার্থের পরিপন্থী।

 

​তিনি আরও বলেন, “আমরা রিট আবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ করেছি, প্রচলিত ‘বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন করে এবং উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা বা ডিপিপি (DPP) যথাযথভাবে না দেখেই সম্পূর্ণ আইন পরিপন্থী উপায়ে এই বালু উত্তোলনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে একক সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

​লোপাটের মূল আয়োজনটি সাজানো হয়েছে বালুর দাম নির্ধারণ এবং উত্তোলনের পরিমাণের আড়ালে। আমরা জানতে পেরেছি, এই প্রক্রিয়ায় পুরো প্রকল্পে অন্তত ৫০ কোটি ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হবে। আর সরকারের কাছ থেকে এসব বালুর মূল্য বাবদ প্রতি ঘনফুট ৪৭ টাকা থেকে শুরু করে ১১৭ টাকা পর্যন্ত তুলে নেওয়া হবে! অথচ ড্রেজিং খরচ সমন্বয়ের নামে রাষ্ট্রকে প্রতি ঘনফুটে রয়্যালটি দেওয়া হচ্ছে নামমাত্র ২ টাকা ৩৭ পয়সা। অর্থাৎ একদিকে নামমাত্র রয়্যালটি দেখিয়ে রাষ্ট্রকে ঠকানো হচ্ছে, অন্যদিকে আকাশচুম্বী মূল্যে সরকারের কাছ থেকেই বিল তুলে নিয়ে শত শত কোটি টাকা লোপাটের স্পষ্ট সুযোগ তৈরি করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই সাধারণ জনগণের স্বার্থের সাথে যায় না।

 

তাছাড়া, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (EIA) ছাড়া এই বালু উত্তোলন পরিবেশ সংরক্ষণ আইনেরও পরিপন্থী।

​এসব কারণেই আমরা মহামান্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি এবং এই অবৈধ ও জনস্বার্থবিরোধী প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা অবিলম্বে স্থগিত করাসহ রুল জারির আর্জি জানিয়েছি। আদালত আমাদের রিটটি গ্রহণ করে শুনানির দিন ধার্য করেছেন। আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করছি, মহামান্য হাইকোর্ট দেশের সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় একটি ঐতিহাসিক ও দৃষ্টান্তমূলক নির্দেশনা দেবেন।

​

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।