খুঁজুন
, ,

টেকনাফে হতদরিদ্র নারীদের চালের কার্ড পুকুরে, মহিলা ইউপি সদস্যেকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়

আবদুল্লাহ আল সম্রাট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
টেকনাফে হতদরিদ্র নারীদের চালের কার্ড পুকুরে, মহিলা ইউপি সদস্যেকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়
শেয়ার করুন

টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফ ও ভিডব্লিউবি কার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে এক মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের নাম বাদ দিয়ে আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠদের নাম তালিকাভুক্ত করে কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। এতে হতদরিদ্র নারীরা বঞ্চিত হচ্ছেন সরকারের দেওয়া সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা থেকে।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা একাধিকবার ইউপি কার্যালয়ে গিয়েও কোনো সহযোগিতা পাননি। স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

গত বৃহস্পতিবার ২১ আগস্ট দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সরকার প্রদত্ত ভিডব্লিউবি ৩০ কেজি চালের কার্ড বিতরণের সময় প্রকাশ্যে এক কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটে। এ সময় এক মহিলা ইউপি সদস্য উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ করে দুই শতাধিক কার্ড পানিতে ফেলে দেন।তিনি হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৩, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য নাসরিন পারভীন কবির।

অভিযোগ রয়েছে, হ্নীলা ইউনিয়নের মহিলা ইউপি সদস্য নাসরিন পারভীন কবির নিজের নামে এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনের নামে একাধিক চালের কার্ড বরাদ্দ নিয়েছেন। পরে কার্ড বিতরণের সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে প্রায় দুই শতাধিক কার্ড পানিতে ছুঁড়ে ফেলেন। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং ঘটনাস্থলে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হ্নীলা ইউনিয়নের মহিলা ইউপি সদস্য নাসরিন পারভীন কবির বলেন,আমি নিজের নামে কার্ড করেছি এটা সত্যি। আমার রাগ উঠে গিয়েছিল বলেই কার্ডগুলো পানিতে ফেলে দিয়েছি। কারণ চেয়ারম্যান আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেন না। তিনি আমার অনেক কার্ড বাতিলও করে দিয়েছেন। ফেলে দেওয়া কার্ডের সংখ্যা দুই শতাধিকের বেশি হবে। আমার এবং মেয়ের নামে কার্ড করার বিষয়টিও ঠিক আছে। আসলে এসব কার্ড আমি অসহায় মেয়েদের জন্যই করেছি।

ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় কার্ড বিতরণের সময় ওই ইউপি সদস্য নিজ হাতে সরকারি চালের কার্ড ছিঁড়ে ফেলে পানিতে নিক্ষেপ করছেন। এ দৃশ্য জনমনে ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দেয়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সরকারের দেওয়া মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভিডব্লিউবি চালের কার্ড প্রকৃত দরিদ্রদের হাতে না গিয়ে জনপ্রতিনিধির আত্মীয়-স্বজন ও প্রভাবশালীদের দখলে চলে যায়। এবার সেটির নগ্ন প্রমাণ মিলেছে।

হ্নীলা ইউনিয়নের স্থানীয় এক নাগরিক বলেন,সরকারের পক্ষ থেকে VWB প্রোগ্রামের আওতায় গরিব ও মেহনতী মানুষের জন্য ৩০ কেজি চালের কার্ড বরাদ্দ থাকে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য নিজেই সেই কার্ড নিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, নিজের মেয়ে ও দেবরের স্ত্রীসহ আত্মীয়দের নামেও কার্ড নিয়েছেন। এতে প্রকৃত গরিব মানুষ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আজ তিনি শত শত কার্ড ফেলে দিয়ে আসলে গরিব মানুষের পেটে লাঠি মারলেন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও তার শাস্তি দাবি করছি।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, ইউপি সদস্য জালিয়াতি করে নিজেরসহ স্বজনদের নামে চালের কার্ড করেছেন। এসব কার্ড না দেওয়ায় জোর করে নিয়ে সবগুলো ছিঁড়ে পানিতে ছুড়ে ফেলেন। এটি কোনোভাবেই একজন জনপ্রতিনিধির আচরণ হতে পারে না। এটা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানিয়েছি।

এবিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, বিষয়টা নিয়ে অবগত হয়েছি।ওই ইউপি সদস্য নিজের নামেও কার্ড করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।