খুঁজুন
, ,

২ লাখ টাকা ছিনতাই

পিএমখালীতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতার ওপর হামলা, হত্যাচেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
পিএমখালীতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতার ওপর হামলা, হত্যাচেষ্টা
শেয়ার করুন

কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে পিএমখালীর বাংলাবাজার নয়াপাড়া ভাই ভাই হোটেলের সামনে সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

 

হামলায় জসিম উদ্দিন (৩৪) নামের ওই নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। তার ডান হাতের কব্জির হাড় ভেঙে যাওয়াসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলার সময় তার কাছে থাকা ভাতিজির বিয়ের ফার্নিচার কেনার জন্য রাখা ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

জসিম উদ্দিন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের পিএমখালী ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক। তিনি পিএমখালীর গোলারপাড়ার বাসিন্দা চিকিৎসক মৌলভী মোহাম্মদ হোসাইন ওরফে মৌলভী বকশোর ছেলে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুরে জসিম উদ্দিন বাংলাবাজার কাজী অফিসে একটি কাবিন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। পরে শাহাব উদ্দিন নামের একজনকে সঙ্গে নিয়ে ফার্নিচার কেনার উদ্দেশ্যে সুইচগেট এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। ওইদিন বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে বাংলাবাজার নয়াপাড়া ভাই ভাই হোটেলের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী তাদের পথরোধ করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

হামলাকারীরা হলেন, পিএমখালীর মধ্যম নয়াপাড়ার মৃত মোক্তার আহমদের ছেলে শামশুল হুদা, পূর্ব গোলারপাড়ার লিয়াকত আলী, তার ছেলে শওকত আলী, রাশেলসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

 

জসিম উদ্দিনের অভিযোগ, হামলাকারীরা লোহার রড, খন্তা ও লাঠি নিয়ে তার ওপর হামলা করেন। একজন লোহার খন্তা দিয়ে তার মাথায় আঘাত করতে গেলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এতে তার ডান কব্জিতে গুরুতর আঘাত লাগে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকেরা এক্স-রে করে তার হাতে ফ্র্যাকচার শনাক্ত করেন।

 

জসিম জানান, সন্ত্রাসীরা লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে সেটি তার বাম কাঁধে লাগে। অন্য একজন লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি হাত দিয়ে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। এতে বাম হাতের তালুতেও জখম হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

একপর্যায়ে একজন তার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করেছেন জসিম।

 

জসিম উদ্দিনের অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে তার প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা হামলাকারীরা নিয়ে যান। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। যাওয়ার সময় মামলা করলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহারে জসিম উদ্দিন অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্তদের সঙ্গে তার পূর্বপরিচয় ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে কয়েকজন তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার চেষ্টা করে আসছিলেন। তাকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।

 

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার আগের তিন থেকে চার দিন ধরে অভিযুক্ত কয়েকজন বাংলাবাজার স্টেশন এলাকায় তাকে খুঁজছিলেন। এ কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন জসিম। তবে ঘটনার দিন ভাতিজির বিয়ের ফার্নিচার কেনার জন্য তার কাছে ২ লাখ টাকা থাকায় প্রয়োজনীয় কাজে বের হন তিনি।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখানো, মারামারি ও নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাদের নাম শুনলেই অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় বিরোধে জড়িয়ে পড়লেও প্রভাব ও ভয়ভীতির কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না। ফলে একের পর এক ঘটনার পরও তাদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড থামছে না। সর্বশেষ জসিম উদ্দিনের ওপর প্রকাশ্য সড়কে অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনায় এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

 

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

 

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।###

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।