খুঁজুন
, ,

নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দল নিয়ে নতুন সরকার গড়ার ডাক ইয়াইর গোলানের

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ
নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দল নিয়ে নতুন সরকার গড়ার ডাক ইয়াইর গোলানের
শেয়ার করুন

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন কট্টর ডানপন্থী জোট হেরেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির ডেমোক্র্যাটস দলের চেয়ারম্যান ইয়াইর গোলান। তার মতে, ইসরায়েলি আরব রাজনৈতিক দলগুলোকে হিসাবে ধরলে বিরোধীদের পক্ষে আসনসংখ্যা দাঁড়ায় ৬৫টি, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার (৬১টি আসন) চেয়েও বেশি।

বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে গোলান লিখেছেন, “নেতানিয়াহু হেরেছেন। আমি ১২০ পর্যন্ত গুনতে জানি। ৬৫ সংখ্যাটি ৫৫-এর চেয়ে বড়। ইসরায়েলের গণতন্ত্র এভাবেই চলে। ব্যস।” তিনি এই ফলাফলকে কাজে লাগিয়ে আরব দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে দেশে একটি নতুন পরিবর্তনশীল সরকার গঠনের তাগিদ জানান।

 

গোলান আরও যুক্তি দেন, নেতানিয়াহু যদি কেবল ‘জায়নবাদী’ (ইহুদি জাতীয়তাবাদী) সংখ্যাগরিষ্ঠতার দোহাই দিতে চান, তবে তাঁর নিজের জোট থেকেই জায়নবাদী নয় এমন কট্টর কট্টর-অর্থোডক্স (হারেদি) দলগুলোর ১৬ জন আইনপ্রণেতাকে বাদ দিতে হবে। সে হিসাবেও পরিবর্তনকামী বিরোধী জোটের কাছেই জায়নবাদী সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে।

 

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য ও প্রায় ৮৫.৬ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন শাসক জোট মাত্র ৫৩টি আসন পাওয়ার মুখে রয়েছে। বিপরীতে গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন সম্ভাব্য প্রধান বিরোধী জোট ৪৮টি এবং বিভিন্ন আরব জোট ও দল যৌথভাবে ১৯টি আসন পেতে যাচ্ছে।

 

গোলান আরও বলেন, “আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, একই সঙ্গে দায়িত্বও রয়েছে। ইসরায়েলের আরব নাগরিকদের অংশীদারত্বে একটি নতুন সরকার গঠনের এটাই সুযোগ, যা দেশের সকল নাগরিকের কল্যাণে কাজ করবে।”

 

একই সুর ফুটে উঠেছে ফিলিস্তিনি-ইসরায়েলি রাজনৈতিক দলগুলোর নেত্বদ্বয়ের মুখেও। বামপন্থী দল জয়েন্ট লিস্টের প্রার্থী ইউসুফ জাবারিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, বর্ণবাদ ও সংঘাতের নীতি দূর করে প্রকৃত ইহুদি-আরব অংশীদারত্বের মাধ্যমে নেতানিয়াহু সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তাঁরা প্রস্তুত। এছাড়া হাদাশ-তাআল জোটের শীর্ষ নেতা আহমাদ তিবি দেশের আর্মি রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, নেতানিয়াহু সরকারকে হটাতে বিরোধী শিবির সাহসী ভূমিকা নিলে তাঁরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে রাজি আছেন।

 

বদলে যাওয়া রাজনৈতিক বাস্তবতা

 

ডেমোক্র্যাটস দলের প্রভাবশালী আইনপ্রণেতা গিলাদ কারিভ উল্লেখ করেন, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল এক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে। তিনি জানান, বর্তমান কট্টর ডানপন্থী ধারার সরকার গড়ে তোলার যে সমীকরণ ছিল, তা ব্যর্থ হয়েছে এবং কয়েক লাখ ভোটের ব্যবধানে জনগণ নেতানিয়াহুর বিপক্ষে রায় দিয়েছে। এখন দেশকে বিধ্বংসী পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে এবং ভবিষ্যৎ গঠনে আরব-ইহুদি ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

গণভোটের গণরায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নাই

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ
গণভোটের গণরায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নাই
শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বিএনপি সরকার একলা চলো নীতিতে চলছে। জনগণের গণরায়কে উপেক্ষা করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে, সংবিধান সংশোধন কমিটির নামে নাটক ও তালবাহানা করছে। গণভোটের গণরায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নাই।

 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর বাড্ডা-লিংক রোড এলাকায় আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

 

আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, সরকার জনগণের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে, জনগণের নিরাপত্তার ব্যাপারে সরকারকে উদাসীন দেখতে পাচ্ছি। একইসাথে দেশের সাধারণ মানুষ সংসার চালাতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। গ্যাসের দাম নিয়ে গণশুনানির কথা থাকলেও সরকার সেটিকে আর মূল্যায়ন করছে না। যখন যা ইচ্ছা দাম বাড়িয়ে জনগণের উপর উচ্চমূল্যের খড়্গ বসিয়ে দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যে দেশের সরকার মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখতে চায় না, এনসিপিও সে সরকারকে সহযোগিতা করবে না। আমরা চেয়েছিলাম, গণ অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারকে সহযোগিতা করে দেশকে এগিয়ে নিতে। কিন্তু সরকার গণরায় উপেক্ষা করে দেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছে।

 

এদিন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন এনসিপির নেতারা।

 

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ও ঢাকা উত্তরের মেয়র পদপ্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল আমিন এমপি, সালেহ উদ্দিন সিফাত ও যুগ্ম সদস্য সচিব ফরিদুল হকসহ মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির: শফিকুল আলম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩২ পূর্বাহ্ণ
হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির: শফিকুল আলম
শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির ঠিক আগমুহূর্তে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানানোর উদ্যোগ নেন ছাত্রনেতারা। এ সময় ইউনূসের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে একজন বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন ছিল তাদের। সেই গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন এএফপির ঢাকা ব্যুরোর ফ্যাক্ট-চেক সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির। বর্তমানে তিনি দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

 

পোস্টে শফিকুল আলম লেখেন, এএফপির ঢাকা ব্যুরোতে তার ডেস্ক থেকে মাত্র এক গজ দূরে বসেই শিশির অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতেন হাতেগোনা কয়েকজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি। ছাত্রনেতাদের পক্ষ থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ স্থাপন এবং দুই পক্ষের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করেন শিশির নিজেই।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার তখনও দুই দিন বাকি ছিল। এমন পরিস্থিতিতেও তার নিরাপত্তা বাহিনী পুরো বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানতে পারেনি। শফিকুল আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড ও গুমের অভিযোগে কুখ্যাত ওই বাহিনী বিষয়টি জানতে পারলে শিশিরসহ এএফপির পুরো দলকে গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘরে’ আটক রাখার আশঙ্কা ছিল।

 

শফিকুল আলম আরও লেখেন, পুরো সময়জুড়ে শিশির অত্যন্ত শান্ত ও অবিচল থেকে নিজের দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে তিনি গোপনে ওই সময়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করতেও শুরু করেছিলেন।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ

‘মৃত নারীদের ওপর চালানো হয় বিকৃত যৌনাচার’, সংবাদ প্রচার করায় জীবননাশের হুমকি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৯ পূর্বাহ্ণ
‘মৃত নারীদের ওপর চালানো হয় বিকৃত যৌনাচার’, সংবাদ প্রচার করায় জীবননাশের হুমকি
শেয়ার করুন

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে সংরক্ষিত মৃত নারীদের মরদেহের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার ও ধর্ষণের লোমহর্ষক ঘটনা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় জীবননাশের হুমকি পেয়েছেন ‘আলাপ’-এর বিশেষ প্রতিনিধি দিপু সিকদার। এই হুমকির ঘটনার পর বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছেন ওই সাংবাদিক।

 

জিডিতে সাংবাদিক দিপু সিকদার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে মর্গের ভেতরে চলা নারকীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার পর থেকেই তাকে ক্রমাগত ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ন্যাএক্কারজনক কর্মকাণ্ডের পেছনে কোনো বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি নয়, বরং মর্গের একটি সংঘবদ্ধ চক্র ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট সরাসরি জড়িত রয়েছে বলে জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছে।

হুমকির মূল হোতা হিসেবে মর্গের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাবেক সহকারী নূরে আলম শান্তর নাম উল্লেখ করেছেন দিপু সিকদার। জিডির বিবরণ অনুযায়ী, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই সাবেক মর্গ সহকারী শান্ত ফোন করে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দেওয়া শুরু করেন। এমনকি একপর্যায়ে ‘কোর্টে দেখে নেওয়ার’ হুমকি দিয়ে দিপুর ফোনে বার্তা (মেসেজ) পাঠান শান্ত।

 

এর আগে গত ১৮ অক্টোবর অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘আলাপ’-এর মূল ওয়েবসাইট ও অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হ্যান্ডেলগুলোতে ‘ধর্ষণের শিকার হচ্ছে মৃত নারীও, নিরাপত্তা কোথায়?’ শিরোনামে ডিজিটাল অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মৃত নারীদের ওপর চালানো চরম বিকৃত যৌনাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য ও প্রমাণ জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটির বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিতে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি অভিযুক্ত দুজনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও গ্রহণ করা হয়েছিল। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হলেন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গের সাবেক ইনচার্জ যতন লাল এবং অন্যজন চাকরিচ্যুত মর্গ সহকারী নূরে আলম শান্ত। তবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসার পরই সাংবাদিককে লক্ষ্য করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের তৎপরতা শুরু হয়।

 

এদিকে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিক দিপু সিকদারকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)। সংগঠনটির এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা জনস্বার্থ রক্ষা, গোপন অনিয়ম উদ্ঘাটন এবং জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার এক অনন্য হাতিয়ার। পেশাগত দায়িত্ব পালনের দায়ে কোনো গণমাধ্যমকর্মীকে হুমকি বা হয়রানির শিকার হতে হওয়া মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

 

সংগঠনটির সদস্য দিপু সিকদারের তোলা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ক্র্যাব। পাশাপাশি অভিযোগকারী সাংবাদিকের ব্যক্তিগত সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব বলেও বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।