খুঁজুন
, ,

বাবার হত্যার বিচার চান সন্তান, ১২ বছরেও মেলেনি ন্যায়বিচার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
বাবার হত্যার বিচার চান সন্তান, ১২ বছরেও মেলেনি ন্যায়বিচার
শেয়ার করুন

অধ্যাপক মুহাম্মদ শামসুল আলমকে হত্যার ১২ বছর পার হলেও এখনো ন্যায়বিচার পাননি তাঁর পরিবার। দিনদুপুরে বাবাকে হত্যার অভিযোগ তুলে দীর্ঘ এক যুগ ধরে বিচারের অপেক্ষায় থাকার কথা জানিয়েছেন তাঁর সন্তান। একই সঙ্গে মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন এবং তাঁদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হয়নি। এখনো আসামিরা আইনের আওতায় আসেননি। উল্টো তাঁদের পরিবারকে হুমকির মুখে থাকতে হচ্ছে। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সব সময় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

তিনি বলেন, শুধু তাঁদের পরিবার নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন হাজারো পরিবার স্বজন হারিয়ে বিচারের আশায় অপেক্ষা করছে। কেউ বাবাকে হারিয়েছেন, কেউ সন্তানকে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও অনেক পরিবার এখনো ন্যায়বিচার পায়নি।

বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একটি মামলার সুষ্ঠু বিচার পেতে ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত সময় লেগে যায়। এ দীর্ঘ সময়ে আদালতের নানা জটিলতার পাশাপাশি আসামিদের হুমকি-ধমকিও সহ্য করতে হয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে। ফলে তাঁদের প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হয়।

তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হলে অপরাধ প্রবণতা কমাতে তা ভূমিকা রাখবে। এজন্য দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বাবা হত্যার ১২ বছরেও বিচার না পাওয়ার আক্ষেপ জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁরা কোনো প্রতিশোধ চান না, চান ন্যায়বিচার। দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক এবং কোনো পরিবার যেন স্বজন হারিয়ে বছরের পর বছর বিচারের অপেক্ষায় না থাকে—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা।প্রকাশের আগে: মামলার বর্তমান অবস্থা, আসামিদের পরিচয় এবং হুমকির অভিযোগ সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য দিয়ে যাচাই করে নেওয়া ভালো। এতে প্রতিবেদনটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হবে।

মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন: আ.লীগ-ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মী আটক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন: আ.লীগ-ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মী আটক
শেয়ার করুন

মিরপুরে ৩০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে মিশে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

 

রোববার (১ নভেম্বর) ডিবি মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ রাকিব খাঁন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। তবে গতকাল শনিবার থেকে তারা বেশ সহিংস হয়ে উঠেছেন। আজও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মূলত সাধারণ শ্রমিকদের ব্যবহার করে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নাশকাতার চেষ্টা করছে। শ্রমিকদের আন্দোলনের মাঝে থেকে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, মিরপুর ১০ ও এর আশপাশে এলাকায় অভিযানে আটকরা বরিশাল, পটুয়াখালী, কক্সবাজার, গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন জেলার তৃনমূল নেতা। মিরপুরের পলাতক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ভাগ্নে আলিফ মোল্লা মূলত এই নাশকতার সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন। আলিফই মূলত ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলা থেকে এসব নেতাকর্মীকে ঢাকায় এনেছেন। প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী এখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের শনাক্ত করে আটক অভিযান চলমান।

এদিন বেলা ১১টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন আন্দোলনকারীরা। এর আগে সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালালে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

এ সময় সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালালে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

 

দুপুরে মিরপুরে আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে সরকারবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চক্র যুক্ত হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছে।

 

তিনি বলেন, পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের নিয়ে সড়ক পরিষ্কার করা হয়েছে। জনভোগান্তি কমাতে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছে। তবে কোনো লাঠিপেটা করা হয়নি। কাউকে আটকও করা হয়নি। পুলিশের কোনো সদস্য আহত হননি।

আতঙ্কিত হবেন না, ৭০০টির মধ্যে ৫টি অটোরিকশার নিবন্ধন পাবেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
আতঙ্কিত হবেন না, ৭০০টির মধ্যে ৫টি অটোরিকশার নিবন্ধন পাবেন
শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে উদ্দেশ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ‘আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তার নামে থাকা ৭০০ ই-রিকশার মধ্যে পাঁচটির নিবন্ধন বৈধভাবে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তিনি।’

রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা চালক, বর্তমান যারা চালাচ্ছেন বৈধ হোক অবৈধ হোক, আপনারা আতঙ্কিত হবেন না। আমরা পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন দেবো এবং অবৈধগুলো সরিয়ে দেবো।’

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের নামে ৭০০ ই-রিকশা থাকার প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের উত্তরের প্রশাসক বলেছেন যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের নাকি ৭০০ ই-রিকশা আছে। তাহলে আমি জামায়াতের সেক্রেটারিকেও বলবো, আপনিও আতঙ্কিত হবেন না। আপনি পাঁচটা নিবন্ধন পাবেন বৈধভাবে, যদি আপনি নিতে চান। আর বাকিগুলো আপনাকে অন্যদের নামে নিবন্ধন নিতে হবে।’

পদ হারানো জামায়াত নেতার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিলেন এলাকাবাসী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
পদ হারানো জামায়াত নেতার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিলেন এলাকাবাসী
শেয়ার করুন

মাদারীপুরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন শাখার নেতা তাইজুল ইসলামের বসতঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

রোববার (১ নভেম্বর) সকালে শিবচর উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের পশ্চিম চরকামারকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তাইজুল ইসলাম নিলখী ইউনিয়নের জামায়াতের নেতা ছিলেন। স্থানীয়রা তাকে ইউনিয়ন আমির হিসেবে জানতেন।

এসময় ব্যানার হাতে তাইজুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে কয়েকশ নারী-পুরুষ একত্রিত হন। পরে তাদের মধ্য থেকে বসতঘরে ভাঙচুর চালান কয়েকজন।

এদিকে, অভিযুক্ত তাইজুল ইসলাম এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজি করে আসছিলেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন পর্যায়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ওই ইউনিয়নে জামায়াতের প্রচার-প্রচারণার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

গত রোববার তাকে ঘিরে একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এর আগে, ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শিবচর উপজেলা শাখার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাইজুল ইসলামকে নিলখী ইউনিয়ন শাখার সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে তার বিরুদ্ধে নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানানো হয়।

এদিকে, তাইজুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা নারী তার স্ত্রী।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, সকালে অভিযুক্ত তাইজুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে এলাকার লোকজন একটা মানববন্ধন করে বলে জানতে পারি। পরে কিছু লোক ঘরবাড়িতে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।