খুঁজুন
, ,

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ

‘মরা ছেলের মুখও দেখতে পারলাম না, এই কষ্টের কথা কারে কমু’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:২২ অপরাহ্ণ
‘মরা ছেলের মুখও দেখতে পারলাম না, এই কষ্টের কথা কারে কমু’
শেয়ার করুন

‘আমার ছেলেডা রামপুরায় (ঢাকা) পুলিশের গুলিতে মরল। তার মরদেহটা এহন পর্যন্ত পাইলাম না। মরা ছেলের মুখও একবার দেখতে পারলাম না। এই কষ্টের কথা কারে কমু।’

আক্ষেপ করে মুঠোফোনে কথাগুলো বলছিলেন গত বছর গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত পারভেজ ব্যাপারীর (২৩) বাবা সবুজ ব্যাপারী। পারভেজের মরদেহ কিংবা কবরের খোঁজ না পেয়ে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

পারভেজ ব্যাপারীর বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের বারহাতিয়া গ্রামে। বাবা সবুজ অসুস্থ, কাজ করতে পারেন না। মা শামসুন্নাহার বেগম গৃহিণী। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে পারভেজ ছিলেন সবার বড় এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য। পারভেজ রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় একটি আসবাবের দোকানে কাজ করতেন। থাকতেন উত্তর বাড্ডার একটি ভাড়া বাসায়। সংসার সামলে তিন বোনের পড়াশোনার খরচও চালাতেন তিনি।
পারভেজের এক সহকর্মীর বরাতে পরিবারের দাবি, গত বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর রামপুরা এলাকায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালে মিছিলে অংশ নেন পারভেজ। সেখানেই পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিনি। স্থানীয় লোকজন তাঁর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে নিয়ে যান। পরে সেখানে গিয়ে দেখেন, গণ-আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের তালিকা টাঙানো আছে। ওই তালিকায় পারভেজের নামও আছে। কিন্তু এর আগেই আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কর্মীরা মরদেহটি ঢাকার রায়েরবাজার গণকবরে দাফন করেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জুলাই শহীদের তালিকার গেজেটে তাঁর নাম আছে ৬৭৩ নম্বরে।

এক বছরের বেশি সময় ধরে রায়েরবাজারের ওই গণকবরে বহুবার গেছেন পারভেজের পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারেননি, কোনটি তাঁর কবর। এ বিষয়ে সবুজ ব্যাপারী বলেন, ‘হুনছিলাম, রায়েরবাজারের গণকবরস্থানে ছেলেডার মরদেহ দাফন হইছে। এক বছরের বেশি সময় ধইরা হেই গণকবরে কতবার গেছি! কিন্তু ছেলেডার কবর খুঁইজা পাই না।’
সবুজ ব্যাপারী আরও বলেন, ওই গণকবরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা তাঁকে জানিয়েছেন, ওই দিন তাঁরা গণ-অভ্যুত্থানে নিহত আটটি মরদেহের দাফন করেছেন। কিন্তু এগুলোর নাম-ঠিকানা বা পরিচয় জানেন না। বেওয়ারিশ হিসেবেই মরদেহগুলো দাফন করা হয়। তিনি জানান, জুলাই ফাউন্ডেশন থেকে পাঁচ লাখ টাকা পেয়েছেন। একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও পেয়েছেন দুই লাখ টাকা। এ ছাড়া সরকারিভাবে আরও আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে বলে প্রশাসনের মারফত জেনেছেন।

ছেলের কথা বলতে গিয়ে বারবার গলা ধরে আসছিল পারভেজের মা শামসুন্নাহার বেগমের। তবু তিনি বলছিলেন, ‘ছেলেডার লাশ দেহন তো দূরের কথা, তার কবরটাও এহন পর্যন্ত চিনতে পারলাম না। মরদেহ উডাইয়া পরীক্ষা করা হউক। সরকার এইডা করতাছে না কেন? কবর চিহ্নিত না অইলে জিয়ারত করুম ক্যামনে? ছেলের ছবি বুকে নিয়া আর কত থাহুম। কবরডা খুঁইজা পাইলেও একটু সান্ত্বনা পাইতাম।’

পারভেজ ব্যাপারীর প্রতিবেশী ও উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কাজী মোস্তাক আহাম্মেদ বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের এত সময় পরও পারভেজের লাশ বা কবর শনাক্ত না হওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। সরকারের উচিত, কবর চিহ্নিত করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা। সেই সঙ্গে অসহায় পরিবারটির পাশেও দাঁড়ানো দরকার।
মতলব উত্তরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনির বলেন, উপজেলাটিতে গণ-অভ্যুত্থানে সাতজন শহীদ হয়েছেন। এর মধ্যে পারভেজ ব্যাপারীর নাম ৭ নম্বরে। স্থানীয়ভাবে যাচাই-বাছাই করে ওই তালিকা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের করা তালিকায়ও জুলাই শহীদ হিসেবে পারভেজ ব্যাপারীর নাম অন্তর্ভুক্ত আছে। জুলাই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাঁর পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। আরও কিছু আর্থিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।