খুঁজুন
, ,

সবাই বুঝিয়েছেন, কারো কথা শোনেননি তামিম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
সবাই বুঝিয়েছেন, কারো কথা শোনেননি তামিম
শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন ঘিরে রাজনীতি সক্রিয় হলেও ক্যাটাগরি-২ থেকে পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থী শানিয়ান তানিম নাভিন নিজেকে রাজনীতির বাইরের লোক বলে দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ক্রিকেটের জন্যই এই নির্বাচনে এসেছেন, রাজনীতির জন্য নয়।

তামিম ইকবালের এই অনুপস্থিতি নিয়ে খোলামেলা আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তার কাছের বন্ধু শানিয়ান তানিম। তিনি মনে করেন, দেশের ক্রিকেটের জন্য যেমন মাঠে তামিমের উপস্থিতি ছিল অপরিহার্য, তেমনি ক্রিকেট প্রশাসনেও তার অবদান হতে পারত মূল্যবান। কিন্তু সেই সুযোগ আর হলো না।

গতকাল বিসিবিতে উপস্থিত হয়ে শানিয়ান তানিম বলেছেন, ‘তামিমের না থাকাটা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে খুব কষ্ট দিয়েছে। আমি এবং আরও অনেকে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি যেন শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে না সরে দাঁড়ান। কিন্তু তিনি নিজের সিদ্ধান্তেই অটল ছিলেন। আমার বিশ্বাস, এটি তার ব্যক্তিগত কারণেই হয়েছে। তবুও আমি মনে করি, তামিম থাকলে নির্বাচন আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতো।’

বিসিবি নির্বাচনকে ঘিরে তানিমের এই আক্ষেপকে নিছক ব্যক্তিগত দুঃখ নয়, বরং ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ ভাবনার সঙ্গে যুক্ত একটি বিষয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, ক্রিকেট মাঠের লড়াই আর নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আলাদা হলেও দুটো ক্ষেত্রেই সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা থাকা জরুরি। খেলোয়াড়ি জীবনে জয়-পরাজয় স্পষ্ট হয় মাঠের ভেতরে। কিন্তু নির্বাচনে নানা ধরনের চাপ, প্রভাব আর অদৃশ্য জটিলতা থাকে। তারপরও তিনি আশাবাদী যে কাউন্সিলররা কোনো প্রলোভন বা চাপ ছাড়াই স্বাধীনভাবে ভোট দেবেন।

শানিয়ান তানিমের মতে, ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন শুধু কয়েকজন প্রার্থীর জেতা-হারার লড়াই নয়। এটি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ দিক-নির্দেশনা ঠিক করে দেয়। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘আমার লক্ষ্য কেবল নির্বাচনে জয় পাওয়া নয়। আমি চাই সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিরা উঠে আসুক। আর আমি যদি সুযোগ পাই, তাহলে ক্রিকেটকে পেশাদার কাঠামোয় এগিয়ে নিতে কাজ করবো।’

এই প্রার্থী বিশেষভাবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। তার মতে, বিপিএল নিয়ে বারবার অভিযোগ উঠেছে, টুর্নামেন্টের আয়োজনে স্বচ্ছতা ও প্রফেশনালিজমের ঘাটতি স্পষ্ট। অথচ বিপিএল বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিশ্ব অঙ্গনে তুলে ধরার সবচেয়ে বড় মঞ্চ হতে পারতো। তানিম প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যদি তিনি দায়িত্ব পান তবে বিপিএলকে একটি আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্টে রূপ দিতে কাজ করবেন। এতে শুধু ক্রিকেটাররাই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেট অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।

তানিম আরও মনে করিয়ে দেন, ক্যাটাগরি-২ থেকে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৬ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নির্বাচিত হবেন ১২ জন। অর্থাৎ প্রতিযোগিতা বেশ তীব্র। তবে তিনি এটিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। কারণ তার মতে, বেশি প্রার্থী মানে কাউন্সিলরদের কাছে বিকল্প বেশি। আর সেখান থেকেই তারা সবচেয়ে যোগ্যদের বেছে নিতে পারবেন। এ দিকে ক্রিকেট প্রশাসনের রাজনীতি যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেন শানিয়ান তানিমও। তিনি বলেছেন, ‘ক্রিকেট মাঠে খেলা সময় প্রতিপক্ষ থাকে স্পষ্ট। কিন্তু নির্বাচনে প্রতিপক্ষের পাশাপাশি নানা ধরনের চাপ, কৌশল ও অদৃশ্য খেলা থাকে। তারপরও আমি বিশ্বাস করি, যারা সত্যিকারের ক্রিকেটপ্রেমী তারা সব সময় সঠিক জায়গায় ভোট দেবেন।’

তামিম ইকবালের প্রসঙ্গে ফিরে এসে তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘তামিম শুধু একজন প্রার্থী ছিলেন না, তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাসের অংশ। তার অংশগ্রহণ নির্বাচনের মান আরও উঁচুতে তুলতো। আমি সত্যিই দুঃখিত যে, তাকে পাশে পেলাম না।’ শানিয়ান তানিম নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, তিনি ক্রিকেটের মানুষ হিসেবে সবসময় খেলাটির পাশে থাকতে চান। তার বিশ্বাস, ক্রিকেটারদের উন্নতি, অবকাঠামো শক্তিশালী করা এবং ঘরোয়া ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করা-এই তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিলে বাংলাদেশ ক্রিকেট আরও এগিয়ে যাবে। আর সেই প্রক্রিয়ার সহযাত্রী হতে চান তিনি।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
ঝোঁপঝাড়ে ফেলে যাওয়া নবজাতককে দত্তক নিতে ১২৩ পরিবারের আবেদন
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে ফেলে যাওয়া এক নবজাত কন্যাশিশুকে দত্তক নিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে শিশুটির লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে এক দিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর পরিচর্যার সক্ষমতা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে, আবেদন করলেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে নবজাতকটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে ঝোঁপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল।তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের পাশাপাশি তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।