খুঁজুন
, ,

কবরের দুই ফেরেশতার প্রশ্ন নিয়ে প্রচলিত বিশ্বাসে আপত্তি, ইসলামি বক্তাকে গুলি করে হত্যা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
কবরের দুই ফেরেশতার প্রশ্ন নিয়ে প্রচলিত বিশ্বাসে আপত্তি, ইসলামি বক্তাকে গুলি করে হত্যা
শেয়ার করুন

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ইয়াহায়া মাসুসুকা নামের এক বিতর্কিত ইসলামি বক্তাকে। কবরের মধ্যে মৃত ব্যক্তিকে দুই ফেরেশতার প্রশ্ন করার প্রচলিত বিশ্বাস নিয়ে আপত্তি জানিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় তিনি আলোচনায় ছিলেন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪৭ বছর বয়সী মাসুসুকা সোমবার সন্ধ্যায় কাতসিনা রাজ্যের দুতসিন মা শহরে নিজের বাড়ির সামনে অতিথিদের বিদায় জানাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা দুই হামলাকারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ ঘটনায় তার এক অতিথিও গুলিবিদ্ধ হন।

পরে দুজনকেই হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এসব মাধ্যমে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করে তিনি ইসলামের প্রচলিত কিছু বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন।

মাসুসুকা মূলত পবিত্র কোরআনের ভিত্তিতে তার বক্তব্য দিতেন। হাদিসের কিছু বর্ণনা নিয়েও প্রশ্ন তুলতেন তিনি। বিশেষ করে মৃত্যুর পর কবরে দুই ফেরেশতা এসে মৃত ব্যক্তিকে প্রশ্ন করেন, ইসলামে ব্যাপকভাবে প্রচলিত এই বিশ্বাসটি তিনি মানতেন না।

 

এর আগে হাদিস ও অন্যান্য ধর্মীয় শিক্ষা নিয়ে বিশ্বাসের কারণে সম্মানিত ইসলামি পণ্ডিতদের উপহাস করার অভিযোগে তাকে নয় মাস কারাগারে থাকতে হয়েছিল।

 

১৩ বছর বয়সে কোরআনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন মাসুসুকা। পরে মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং ওমানে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে নিজ বাড়িতে একটি স্টুডিও স্থাপন করে ধর্মীয় বক্তব্য রেকর্ড করতেন তিনি। সেসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হতো।

 

বিতর্কিত মতের জন্য পরিচিত হলেও সহিংস উগ্রবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন মাসুসুকা। নাইজেরিয়ায় মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের মধ্যে আন্তধর্মীয় সংলাপ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে কথা বলতেন তিনি। এ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে গত বছর তাকে ‘পিস অ্যাম্বাসেডর অ্যাওয়ার্ড’ দেয় নেটওয়ার্ক ফর গুড গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্সি।

 

দুই স্ত্রী ও সাত সন্তানের জনক মাসুসুকা গত দুই দশকে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে নিহত হওয়া বেশ কয়েকজন পরিচিত মুসলিম ধর্মীয় বক্তার একজন।

 

এ অঞ্চলে ধর্মীয় বক্তাদের হত্যার পেছনে সশস্ত্র গোষ্ঠী বোকো হারামের সংশ্লিষ্টতার ঘটনাও রয়েছে। ২০০৯ সালে সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করা গোষ্ঠীটি তাদের মতাদর্শ ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করায় কয়েকজন ধর্মীয় বক্তাকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। বোকো হারাম পশ্চিমা সংস্কৃতি, শিক্ষা ও নাইজেরিয়ার ধর্মনিরপেক্ষ সরকারব্যবস্থার বিরোধিতা করে এবং একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অনুসরণ করে।

 

নাইজেরিয়ায় কয়েক দশক ধরে জাতিগত ও ধর্মীয় সহিংসতা চলছে। গত ২৫ বছরে দেশটিতে হাজারো মুসলিম ও খ্রিষ্টান নিহত হয়েছেন।

হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির: শফিকুল আলম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩২ পূর্বাহ্ণ
হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির: শফিকুল আলম
শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির ঠিক আগমুহূর্তে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানানোর উদ্যোগ নেন ছাত্রনেতারা। এ সময় ইউনূসের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে একজন বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন ছিল তাদের। সেই গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন এএফপির ঢাকা ব্যুরোর ফ্যাক্ট-চেক সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির। বর্তমানে তিনি দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

 

পোস্টে শফিকুল আলম লেখেন, এএফপির ঢাকা ব্যুরোতে তার ডেস্ক থেকে মাত্র এক গজ দূরে বসেই শিশির অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতেন হাতেগোনা কয়েকজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি। ছাত্রনেতাদের পক্ষ থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ স্থাপন এবং দুই পক্ষের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করেন শিশির নিজেই।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার তখনও দুই দিন বাকি ছিল। এমন পরিস্থিতিতেও তার নিরাপত্তা বাহিনী পুরো বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানতে পারেনি। শফিকুল আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড ও গুমের অভিযোগে কুখ্যাত ওই বাহিনী বিষয়টি জানতে পারলে শিশিরসহ এএফপির পুরো দলকে গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘরে’ আটক রাখার আশঙ্কা ছিল।

 

শফিকুল আলম আরও লেখেন, পুরো সময়জুড়ে শিশির অত্যন্ত শান্ত ও অবিচল থেকে নিজের দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে তিনি গোপনে ওই সময়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করতেও শুরু করেছিলেন।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ

‘মৃত নারীদের ওপর চালানো হয় বিকৃত যৌনাচার’, সংবাদ প্রচার করায় জীবননাশের হুমকি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৯ পূর্বাহ্ণ
‘মৃত নারীদের ওপর চালানো হয় বিকৃত যৌনাচার’, সংবাদ প্রচার করায় জীবননাশের হুমকি
শেয়ার করুন

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে সংরক্ষিত মৃত নারীদের মরদেহের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার ও ধর্ষণের লোমহর্ষক ঘটনা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় জীবননাশের হুমকি পেয়েছেন ‘আলাপ’-এর বিশেষ প্রতিনিধি দিপু সিকদার। এই হুমকির ঘটনার পর বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছেন ওই সাংবাদিক।

 

জিডিতে সাংবাদিক দিপু সিকদার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে মর্গের ভেতরে চলা নারকীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার পর থেকেই তাকে ক্রমাগত ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ন্যাএক্কারজনক কর্মকাণ্ডের পেছনে কোনো বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি নয়, বরং মর্গের একটি সংঘবদ্ধ চক্র ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট সরাসরি জড়িত রয়েছে বলে জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছে।

হুমকির মূল হোতা হিসেবে মর্গের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাবেক সহকারী নূরে আলম শান্তর নাম উল্লেখ করেছেন দিপু সিকদার। জিডির বিবরণ অনুযায়ী, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই সাবেক মর্গ সহকারী শান্ত ফোন করে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দেওয়া শুরু করেন। এমনকি একপর্যায়ে ‘কোর্টে দেখে নেওয়ার’ হুমকি দিয়ে দিপুর ফোনে বার্তা (মেসেজ) পাঠান শান্ত।

 

এর আগে গত ১৮ অক্টোবর অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘আলাপ’-এর মূল ওয়েবসাইট ও অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হ্যান্ডেলগুলোতে ‘ধর্ষণের শিকার হচ্ছে মৃত নারীও, নিরাপত্তা কোথায়?’ শিরোনামে ডিজিটাল অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মৃত নারীদের ওপর চালানো চরম বিকৃত যৌনাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য ও প্রমাণ জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটির বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিতে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি অভিযুক্ত দুজনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও গ্রহণ করা হয়েছিল। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হলেন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গের সাবেক ইনচার্জ যতন লাল এবং অন্যজন চাকরিচ্যুত মর্গ সহকারী নূরে আলম শান্ত। তবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসার পরই সাংবাদিককে লক্ষ্য করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের তৎপরতা শুরু হয়।

 

এদিকে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিক দিপু সিকদারকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)। সংগঠনটির এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা জনস্বার্থ রক্ষা, গোপন অনিয়ম উদ্ঘাটন এবং জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার এক অনন্য হাতিয়ার। পেশাগত দায়িত্ব পালনের দায়ে কোনো গণমাধ্যমকর্মীকে হুমকি বা হয়রানির শিকার হতে হওয়া মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

 

সংগঠনটির সদস্য দিপু সিকদারের তোলা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ক্র্যাব। পাশাপাশি অভিযোগকারী সাংবাদিকের ব্যক্তিগত সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব বলেও বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গের পাশে পুলিশ আসার আগেই এক লাখ ইয়াবা নিয়ে উধাও তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গের পাশে পুলিশ আসার আগেই এক লাখ ইয়াবা নিয়ে উধাও তারা
শেয়ার করুন

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গের পাশে এক লাখ ইয়াবা পাচারের খবর পেয়ে পুলিশকে জানিয়েছিলেন এক সোর্স। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ইয়াবার চালান নিয়ে উধাও হয়ে যান যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত সাহাব উদ্দিন বাবুসহ কয়েকজন।

 

বুধবার আসরের সময় এ ঘটনা ঘটে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন।

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, হাসপাতালের মর্গসংলগ্ন এলাকায় ইয়াবা পাচারের খবর পেয়ে এক সোর্স পুলিশকে ফোন করেন। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই এক লাখ ইয়াবা নিয়ে সেখান থেকে সরে পড়েন সাহাব উদ্দিন বাবুসহ কয়েকজন।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ইয়াবার চালান নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কমিশনসংক্রান্ত দরকষাকষি চলছিল। এ সময়ের মধ্যে সাহাব উদ্দিন বাবুসহ কয়েকজন ইয়াবার চালানটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে কমিশন নিয়ে দরকষাকষি এবং ইয়াবার চালান ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

এ বিষয়ে জানতে বারবার সাহাব উদ্দিন বাবুর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর তিনি পুলিশের ভয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে এ তথ্যও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে।