খুঁজুন
, ,

বললেন রুহুল কবির রিজভী গায়ের জোরে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায় বিরোধী দল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ
বললেন রুহুল কবির রিজভী গায়ের জোরে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায় বিরোধী দল
শেয়ার করুন

সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা না করে ও আইন না মেনেই বিরোধী দল গায়ের জোরে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, জুলাই সনদে কিছু বিষয়ের জন্য সাধারণ আইন প্রয়োজন, তেমনি কিছু ক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধনের প্রশ্ন জড়িত। সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে তো একটা আইনি রূপ লাগবে। কিন্তু তারা সংবিধান সংশোধন না করেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায়। তারা যেটা বলছে, তা গায়ের জোরে বাস্তবায়ন করতে হবে। এখানে কোনো আইনের দরকার নেই, সংবিধানের দরকার নেই।

গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর মান্ডা হায়দার আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। অবিভক্ত সবুজবাগ থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম শামসুল হুদা স্মরণে এ সভার আয়োজন করে মুগদা থানা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন।

রিজভী বলেন, জুলাই সনদে বিএনপি এবং আরও অনেক রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা আপত্তি রয়েছে। এগুলো আলোচনা করে আগে নিষ্পত্তি করি। কিন্তু তারা কোনো কথাই শুনতে চায় না।

 

​স্মরণসভায় মরহুম শামসুল হুদাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, শামসুল হুদা ছিলেন প্রায় ৪০ বছরের পরীক্ষিত ও বিনয়ী এক রাজনীতিক। কোনোদিন কারও সঙ্গে ঝগড়া করেননি বা সংঘর্ষে জড়াননি। আজকে যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে মিথ্যাচার ও কলঙ্কলেপন বাড়ছে, তখন তার মতো অভিভাবকতুল্য নীতি-আদর্শে অটল নেতার অভাব আমরা তীব্রভাবে অনুভব করি।

ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ ইউনুস মৃধা, দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন প্রমুখ।

 

এর আগে সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রিজভী বলেন, জামায়াতের লংমার্চ করার যৌক্তিকতা কি তা জনগণ জানে না, আমরাও বুঝতে পারছি না। তেল, গ্যাসের সংকট কি বিএনপি সরকারের তৈরি করেছে? সরকার গ্যাস কি বাংলাদেশ থেকে পাচার করে দিয়েছে? এই সংকট আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধের কারণে। সরকার বিকল্প উৎস হিসেবে মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে গ্যাস আনা শুরু করেছে। সারা দেশে জ্বালানি সহনীয় পর্যায়ে চলে আসছে। এটাতে লংমার্চ কর্মসূচি দেওয়ার কিছু নেই।

তিনি বলেন, সরকার ইতিবাচক রাজনীতি শুরু করেছে। এতে বিরোধী দলের রাজনৈতিক শূন্যতা বা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। মানুষের কাছে কিছু একটা দেখাতে হবে, এজন্য লংমার্চে কর্মসূচি দিয়েছে বিরোধী দল। এর কোনো যৌক্তিকতা নেই। জনগণের কাছেও গ্রহণযোগ্যতাও নেই।

আতঙ্কিত হবেন না, ৭০০টির মধ্যে ৫টি অটোরিকশার নিবন্ধন পাবেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
আতঙ্কিত হবেন না, ৭০০টির মধ্যে ৫টি অটোরিকশার নিবন্ধন পাবেন
শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে উদ্দেশ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ‘আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তার নামে থাকা ৭০০ ই-রিকশার মধ্যে পাঁচটির নিবন্ধন বৈধভাবে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তিনি।’

রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা চালক, বর্তমান যারা চালাচ্ছেন বৈধ হোক অবৈধ হোক, আপনারা আতঙ্কিত হবেন না। আমরা পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন দেবো এবং অবৈধগুলো সরিয়ে দেবো।’

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের নামে ৭০০ ই-রিকশা থাকার প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের উত্তরের প্রশাসক বলেছেন যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের নাকি ৭০০ ই-রিকশা আছে। তাহলে আমি জামায়াতের সেক্রেটারিকেও বলবো, আপনিও আতঙ্কিত হবেন না। আপনি পাঁচটা নিবন্ধন পাবেন বৈধভাবে, যদি আপনি নিতে চান। আর বাকিগুলো আপনাকে অন্যদের নামে নিবন্ধন নিতে হবে।’

পদ হারানো জামায়াত নেতার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিলেন এলাকাবাসী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
পদ হারানো জামায়াত নেতার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিলেন এলাকাবাসী
শেয়ার করুন

মাদারীপুরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন শাখার নেতা তাইজুল ইসলামের বসতঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

রোববার (১ নভেম্বর) সকালে শিবচর উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের পশ্চিম চরকামারকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তাইজুল ইসলাম নিলখী ইউনিয়নের জামায়াতের নেতা ছিলেন। স্থানীয়রা তাকে ইউনিয়ন আমির হিসেবে জানতেন।

এসময় ব্যানার হাতে তাইজুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে কয়েকশ নারী-পুরুষ একত্রিত হন। পরে তাদের মধ্য থেকে বসতঘরে ভাঙচুর চালান কয়েকজন।

এদিকে, অভিযুক্ত তাইজুল ইসলাম এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজি করে আসছিলেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন পর্যায়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ওই ইউনিয়নে জামায়াতের প্রচার-প্রচারণার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

গত রোববার তাকে ঘিরে একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এর আগে, ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শিবচর উপজেলা শাখার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাইজুল ইসলামকে নিলখী ইউনিয়ন শাখার সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে তার বিরুদ্ধে নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানানো হয়।

এদিকে, তাইজুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা নারী তার স্ত্রী।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, সকালে অভিযুক্ত তাইজুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে এলাকার লোকজন একটা মানববন্ধন করে বলে জানতে পারি। পরে কিছু লোক ঘরবাড়িতে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ পুলিশের গাড়িতে আগুন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ পুলিশের গাড়িতে আগুন
শেয়ার করুন

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেলের তিনটি স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষের পর থেকে মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও পল্লবী স্টেশনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

মেট্রোরেল পুলিশের (এমআরটি পুলিশ) অপারেশন বিভাগের পরিদর্শক মো. মহসীন শেখ দ্য ডেইলি স্টারকে স্টেশনগুলো বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, মিরপুর ১১ এলাকায় পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার হামিদুর রহমান জানান, আগুন নেভাতে তাদের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে।

এর আগে, মাসিক মজুরি ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আজ সকাল ৯টার দিকে বিভিন্ন পোশাক কারখানার কয়েকশ শ্রমিক রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে মিরপুর এলাকায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১টার দিকে মিরপুর-১০ এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। এ সময় শ্রমিকদেরও ইট-পাটকেল ছুড়তে দেখা যায়।