খুঁজুন
শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে ধর্ম উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে ধর্ম উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি
শেয়ার করুন

কক্সবাজার -চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবি জোরালো হচ্ছে। কক্সবাজারে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পাশাপাশি এ দাবি বাস্তবায়নে এবার মাঠে নেমেছে জামায়াতে ইসলামী।

কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমির আব্দুল্লাহ আল ফারুকের নেতৃত্বে জামায়াতের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) কক্সবাজার বিমানবন্দরে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেনের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দিয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টার একান্ত সচিব সাদেক আহমদ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. সালাহউদ্দিন, পুলিশ সুপার সাইফ উদ্দিন শাহীন।

স্মারকলিপি প্রদানের পর ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন বলেন, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের জন্য সেতু বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ফাওজুল কবিরের সঙ্গে আলোচনা করেছি। জাইকা এই সড়ক নির্মাণে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিষয়টি আমি প্রধান উপদেষ্টা ও ক্যাবিনেটে উত্থাপন করবো।

উপদেষ্টা বলেন, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর এই সড়কে দুর্ঘটনায় অনেক মানুষ মারা যায়। তাই এই সড়কের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

এর আগে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে কক্সবাজারে মানববন্ধনও করেছে জামায়াত।

কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমির আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, দেশের অন্যতম এবং বৃহৎ পর্যটন এলাকা কক্সবাজার। এছাড়া বাংলাদেশের অর্থনীতির চাবিকাঠি চট্টগ্রাম বন্দর। দেশকে অর্থনৈতিকভাবে চালিকাশক্তি হিসেবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বিশেষ অবদান রেখে আসছে। এ দুই এলাকায় অর্থনৈতিক গতি বাড়াতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করা প্রয়োজন। আমরা এটি উন্নীত করার দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা আশা করছি আমাদের এই দাবি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার মেনে নেবে। আমরা এর বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

একই দাবিতে এর আগে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে একাধিক সামাজিক সংগঠন।

অবস্থান কর্মসূচি পালন করা সামাজিক সংগঠনের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘একটি সমৃদ্ধ কক্সবাজার’। এ সংগঠনের চেয়ারম্যান সাইফুর রহিম শাহিন বলেন, ‘আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব সড়কটি ছয় লেনে উন্নীতকরণের মহাপরিকল্পনা নেওয়া হোক। এখনই চার লাইনের কাজ শুরু করা হোক। এখন কালুরঘাট সেতু হচ্ছে। এটা হলে এই সড়কের ওপর আরও বেশি চাপ বাড়বে।’

জানা যায়, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয় প্রায় এক যুগ আগে। দেড় শ’ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পথ চার লেন করা, গুরুত্বপূর্ণ অংশে একটি উড়ালসড়ক ও চারটি বাইপাস নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ১০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু নানা কারণে এ উদ্যোগের বাস্তবায়ন হয়নি।

রামুতে সিটি ব্যাংক পিএলসির নতুন এজেন্ট আউটলেট উদ্বোধন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
রামুতে সিটি ব্যাংক পিএলসির নতুন এজেন্ট আউটলেট উদ্বোধন
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় আধুনিক ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। চৌমুহনী এলাকার রবিন শপিং কমপ্লেক্সে সিটি ব্যাংক পিএলসি-এর রামু সদর এজেন্ট আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ২ ঘটিকার সময় ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের কার্যক্রম শুরু হয়।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক কাজী মুতমাইন্না তাহমিদা। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ব্যাংকিং রেগুলেশনস অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এর অতিরিক্ত পরিচালক রাবেয়া খন্দকার, এসএমই ও স্পেশাল প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক হাফিয়া তাজরিয়ান এবং একই বিভাগের যুগ্ম পরিচালক নাজিয়া হক ও সালাহউদ্দীন মাহমুদ।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংক পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব স্মল, মাইক্রোফাইন্যান্স অ্যান্ড এজেন্ট ব্যাংকিং বিজনেস কামরুল মেহেদী এবং হেড অব এজেন্ট ব্যাংকিং বিজনেস মহিবুর রহমান সহ সিটি ব্যাংকের সিনিয়র ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নতুন এই আউটলেট চালুর মাধ্যমে রামু এলাকার সাধারণ মানুষ সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

 

রামু চৌমুহনী এজেন্ট আউটলেটে এই অগ্রযাত্রায় এজেন্ট মালিক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত উদ্যোক্তা আশরাফুল করিম। রামুর পূর্ব শাহমদর পাড়া (চাকমারকুল) এলাকার কৃতি সন্তান আশরাফুল করিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তাঁর বাবা শামসুল আলম এবং মাতা শাহিদা খানম। একজন শিক্ষিত তরুণ হিসেবে স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার লক্ষ্যেই তিনি সিটি ব্যাংকের এই উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

 

এই এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দারা জমা উত্তোলন রেমিট্যান্সসহ বিভিন্ন আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা ঘরের কাছেই পাবেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ রামুর অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

 

 

উদ্বোধনের মাধ্যমে রামু বাসীর জন্য আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা আরও একধাপ এগিয়ে গেল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দুর্ঘটনায় নিভল স্বামী-স্ত্রীর প্রাণ, অনাথ ৩ মাসের শিশু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
দুর্ঘটনায় নিভল স্বামী-স্ত্রীর  প্রাণ, অনাথ ৩ মাসের শিশু
শেয়ার করুন

শুক্রবার (১ মে) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের মধুখালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পরীক্ষেতপুর হাচারির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

 

 

নিহতরা হলেন উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের আশাপুর গ্রামের হাবিবুল ইসলামের ছেলে তামিম মিয়া (২০) এবং তার স্ত্রী শিমলা খাতুন (১৯)। তারা মোটরসাইকেলে করে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইঞ্জিনচালিত পাঁচ চাকার ট্রলির সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তামিম মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

 

এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় শিমলা খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানেও তিনি মারা যান।

 

 

 

নিহত দম্পতির তিন মাস বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

 

 

এ বিষয়ে করিমপুর হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উখিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
শেয়ার করুন

উখিয়ায় নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে রাশেদা বেগম (৪৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (১ মে) সকালে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম নিধানিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টার আগে যেকোনো সময় নিজ বসতঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন রাশেদা বেগম। পরে সকাল ৯টার দিকে তার স্বামী আবুল হাসেম ঘরে প্রবেশ করে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় তিনি দ্রুত ইনানী পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। খবর পেয়ে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই দুর্জয় ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

 

ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দুর্জয় সরকার জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।