খুঁজুন
রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জের ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রত্যাহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
গোপালগঞ্জের ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রত্যাহার
শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দেওয়ায় দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মোশফেকুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া একটি পোস্টে মোশফেকুর রহমান লেখেন, ‘ট্যাংকের এসি খুব আরামদায়ক শুনেছি।’এর পরপরই দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এনসিপির নেতাকর্মীরা। রাত সাড়ে ৮টার দিকে সংগঠনের নেতারা প্রধান ফটকে অবস্থান নেন। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন দিনাজপুর জেলা আহ্বায়ক একরামুল ইসলাম আবির।আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এ পোস্টের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের ঘটনায় আহত নেতাকর্মীদের ব্যঙ্গ করা হয়েছে।

 এনসিপি ও ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বিষয়টিকে গুরুতর অপমান ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যঙ্গ হিসেবে দেখছেন।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দিনাজপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক একরামুল হক আবির বলেন, এক বছর আগে এই কর্মকর্তা আমাদের আন্দোলনের সময় গুলিবর্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে সে সময়েও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আজ আবার তিনি আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে ফেসবুকে ট্রল করলেন। আমরা মনে করি, তিনি ক্ষমতাসীন দলের সেল্টারে থেকে বারবার আন্দোলন দমন করছেন।একরামুল হক আরও বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, শুধু প্রত্যাহার নয় তার নামে মামলা নিয়ে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।এ বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মোশফেকুর রহমানের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগ করেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

দিনাজপুরের পুলিশ সুপার মারুফাত হোসেন বলেন, আমরা পোস্টটি দেখার পরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। বিষয়টি তদন্তাধীন।

‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান
শেয়ার করুন

রাঙ্গামাটিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা । এ সময় তারা টাকার বিনিময়ে কমিটিতে পদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে স্লোগান দেন, ‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’। শনিবার (২ মে) রাতে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণার পর নেতাকর্মীদের একাংশ ক্ষোভ জানানো শুরু করেন।

 

রবিবার (৩ মে) শহরের পৌরসভা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কাঠালতলী বিএনপি কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন তারা। সড়কে টায়ার জ্বালিয়েও প্রতিবাদ জানান নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, কমিটিতে বিবাহিত, অছাত্র ও শহরের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে।

 

বিক্ষোভে নতুন কমিটির সহসভাপতি নূর তালুকদার মুন্না, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শাকুর জাভেদ, যুগ্ম সম্পাদক মোখতার আহমেদ ও পারভেজ হোসেন সুমন, প্রচার সম্পাদক আব্দুল আহাদকেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। নূর তালুকদার মুন্না বলেন, যাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে, তিনি শহরের নেতাকর্মীদেরই চেনেন না। তাকে মেনে নেওয়া হবে না।

 

 

পারভেজ হোসেন সুমন বলেন, ‘টাকা ও আইফোনের বিনিময়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। অবিলম্বে কমিটি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। ছাত্রদলকে শক্তিশালী করতে হলে নিয়মিত ছাত্রদের নিয়ে কমিটি করতে হবে।’

 

 

 

অভিযোগের বিষয়ে নবগঠিত কমিটির সভাপতি অলি আহাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ছাত্রদল বড় সংগঠন। সবারই ত্যাগ আছে, কিন্তু সবাইকে একসঙ্গে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তারা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্বাভাবিক।’ সবাইকে সংগঠনের শৃঙ্খলা মেনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখার আহবান জানান তিনি।

 

 

শনিবার রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের স্বাক্ষরে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয়। এতে মো. অলি আহাদকে সভাপতি, নাঈমুল ইসলাম রনিকে সাধারণ সম্পাদক এবং গালিব হাসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখে পোস্ট দেওয়ায় এক ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

শনিবার (২ মে) পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল ও সদস্য সচিব শাহিন আলম জনি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার ১০ নম্বর সুখিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোনায়েম খাঁনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

 

এতে আরও বলা হয়, উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন এবং সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল বলেন, ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখে পোস্ট দেওয়া, সাংগঠনিক কাজে না পাওয়াসহ সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

‘পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই’ আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ
‘পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই’  আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব
শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। তবুও আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব। দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

 

 

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ আওয়ামী লীগের প্রতিই নিবেদিত কি না- এমন প্রশ্নে সাকিবের সাফ উত্তর, “সেটাই তো হওয়ার কথা (আওয়ামী লীগে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ), তাই না? আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই, ইচ্ছা নেই এবং কোনো কালেও ছিল না। আমি এই জিনিস কখনও করিনি। ঠিক আছে? আমি যদি একটা ছোট দলেও কোনো দিন নাম লিখিয়েছি তো ওই দলের প্রতি সবসময় অনুগত ছিলাম। পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।”

 

 

বর্তমানে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও তা আজীবন থাকবে না বলেই জানান সাকিব। তিনি বলেন, “এখন নিষিদ্ধ, তাই বলে আজীবন নিষিদ্ধ থাকবে নাকি? আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে! এটা তো মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। দেশের একটা বড় অংশকে তো দাবিয়ে রাখতে পারবেন না। হ্যাঁ, জোর করে কিছুদিন সম্ভব আটকে রাখা বা যতদিন সম্ভব দমিয়ে রাখতে পারেন। কিন্তু এটাতে আসলে দেশের কোনো উন্নতি বা রাজনীতির ভালো আছে বলে আমার মনে হয় না।”

 

 

একটা সময় আওয়ামী লীগও বিরোধী দলকে দমন করার চেষ্টা করেছে। এ প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, “এই ভুলটা যদি আমরা করে থাকি, ১০-১৫-২০ বছর আগের রাজনীতির সেই সময়ে দলের ভাবনা তো আমি জানি না, কিন্তু আমরা যদি এরকম ভুল করে থাকি, সেই ভুলেরও তো তাহলে এখন পুনরাবৃত্তি হচ্ছে! পরে যদি আবার অন্য কোনো দল ক্ষমতায় আসে বা আমরা আসি এবং পুনরাবৃত্তি করি, তাহলে এই খেলা তো চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এগুলো শেষ করতে হবে।”