খুঁজুন
রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩

আমরা জীবিত থাকলে গোপালগঞ্জের প্রত্যেকটা উপজেলায় প্রত্যেকটা গ্রামে কর্মসূচি করব: নাহিদ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
আমরা জীবিত থাকলে গোপালগঞ্জের প্রত্যেকটা উপজেলায় প্রত্যেকটা গ্রামে কর্মসূচি করব: নাহিদ
শেয়ার করুন
আবারও গোপালগঞ্জ যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা আবারও গোপালগঞ্জে যাব। আমরা জীবিত থাকলে গোপালগঞ্জের প্রত্যেকটা উপজেলায় প্রত্যেকটা গ্রামে কর্মসূচি করব। গোপালগঞ্জের প্রতিটা ঘরে ঘরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পতাকা উড়বে।

গোপালগঞ্জ মুজিববাদীদের হবে না, বাংলাদেশপন্থীদের হবে। 

আজ বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

ফেসবুক পোস্টে নাহিদ বলেন, গোপালগঞ্জ নিয়ে আমাদের অবস্থান গতকালের বক্তব্যেই পরিষ্কার বলা হয়েছে। পুরা বাংলাদেশের প্রতি আমাদের যে কমিটমেন্ট, গোপালগঞ্জের প্রতিও আমাদের সে কমিটমেন্ট।

গোপালগঞ্জের অধিবাসীদের প্রতি রাজনৈতিক বৈষম্যের আমরা বিরোধিতা করি। গোপালগঞ্জ ও পুরো বাংলাদেশকে আমরা মুজিববাদী সন্ত্রাস ও ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত করব। আওয়ামী লীগ যুগের পর যুগ ধরে গোপালগঞ্জের মানুষের জীবনকে বিপন্ন করেছে, মুক্তিযুদ্ধকে কলুষিত করেছে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে বেইনসাফি করেছে। আমরা বলেছি, আমরা এ পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাব।

তিনি আরো বলেন, আমরা যুদ্ধের আহ্বান নিয়ে যাইনি। আমাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সশস্ত্র হামলা চালায় আমাদের ওপর। যে রকমটা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সব সময় একটা গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়।

গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের এত হত্যাযজ্ঞের পরেও ৫ আগস্টের পরে অনেকে ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ আনতে চেয়েছিল। তাদের মনে রাখা উচিত, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয় আর, এটা একটা সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। ৫ আগস্টের পরে আমরা বহুবার বলেছি, আমরা আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় জুলাই গণহত্যার বিচার চাই। কিন্তু ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের লোকদের ব্যাপক হারে গ্রেপ্তার করা হয়নি। গ্রেপ্তার হলেও কোর্ট থেকে জামিন নিচ্ছে, থানা থেকে পালিয়ে যাচ্ছে।

প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ফ্যাসিবাদের দোসর এবং দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ঘাপটি মেরে আছে, যাদের টাকা দিয়ে কিনে ফেলা যায় বলে মন্তব্য করেছেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পুরো বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গার নেতাকর্মীরা গতকাল গোপালগঞ্জে ছিল। প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে ইনস্ট্রাকশন দিয়েছে, সকালের নাশকতার পরেও সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স পেয়েই আমরা গোপালগঞ্জে প্রবেশ করেছি। পদযাত্রা করিনি, পথসভা করেছি শুধু। গোপালগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আমাদের লোকজনকে আসতে দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে। এর পরেও আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পথসভা শেষ করেছি। যাওয়ার পথে সশস্ত্র আক্রমণ চালিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। নিরাপত্তাবাহিনী যেভাবে ইনস্ট্রাকশন দিয়েছে, আমরা সেভাবে সেখান থেকে বের হয়েছি।

চারজনের মৃত্যুর খবরে নাহিদ বলেন, আমরা চারজনের মৃত্যুর কথা শুনেছি। কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডজ্ঞানকে আমরা সমর্থন করি না, প্রত্যাশা করি না। সন্ত্রাসীদের বিচারিক প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থা যদি সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিত, তাহলে এ পরিস্থিতি তৈরি হতো না। এ দায়ভার সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে। আমরা পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সন্ত্রাসীদের বিচার দাবি করছি। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। শুধু গোপালগঞ্জ নয়, সারা দেশে এ গ্রেপ্তার অভিযান চালাতে হবে।

এনসিপির আহ্বায়ক আরো বলেন,  কমিটমেন্ট করেছিলাম আমরা গোপালগঞ্জে যাব। আমরা গেছি এবং শহীদের রক্তের শপথ নিয়ে ঘোষণা করছি যে মুজিববাদকে গোপালগঞ্জ ও বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়াতে দেব না। আমরা আবারও গোপালগঞ্জে যাব। আমরা জীবিত থাকলে গোপালগঞ্জের প্রতিটা উপজেলায় প্রত্যেক গ্রামে কর্মসূচি করব। গোপালগঞ্জের প্রতিটা ঘরে ঘরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পতাকা উড়বে। গোপালগঞ্জ মুজিববাদীদের হবে না, বাংলাদেশপন্থীদের হবে।

তিনি বলেন, শহীদ বাবু মোল্লার গোপালগঞ্জ, শহীদ রথীন বিশ্বাসের গোপালগঞ্জকে আমরা পুনরুদ্ধার করব। মকসুদপুরে, কোটালীপাড়ায় আমাদের শহীদদের কবর রয়েছে। এ মাটি মুজিববাদীদের হতে দেব না। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও মুজিববাদীর হবে না ইনশাআল্লাহ।

যারা গতকালের হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন, রাস্তায় নেমেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। ফরিদপুরে পদযাত্রায় দেখা হবে, যোগ করেন তিনি।

‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান
শেয়ার করুন

রাঙ্গামাটিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা । এ সময় তারা টাকার বিনিময়ে কমিটিতে পদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে স্লোগান দেন, ‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’। শনিবার (২ মে) রাতে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণার পর নেতাকর্মীদের একাংশ ক্ষোভ জানানো শুরু করেন।

 

রবিবার (৩ মে) শহরের পৌরসভা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কাঠালতলী বিএনপি কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন তারা। সড়কে টায়ার জ্বালিয়েও প্রতিবাদ জানান নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, কমিটিতে বিবাহিত, অছাত্র ও শহরের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে।

 

বিক্ষোভে নতুন কমিটির সহসভাপতি নূর তালুকদার মুন্না, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শাকুর জাভেদ, যুগ্ম সম্পাদক মোখতার আহমেদ ও পারভেজ হোসেন সুমন, প্রচার সম্পাদক আব্দুল আহাদকেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। নূর তালুকদার মুন্না বলেন, যাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে, তিনি শহরের নেতাকর্মীদেরই চেনেন না। তাকে মেনে নেওয়া হবে না।

 

 

পারভেজ হোসেন সুমন বলেন, ‘টাকা ও আইফোনের বিনিময়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। অবিলম্বে কমিটি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। ছাত্রদলকে শক্তিশালী করতে হলে নিয়মিত ছাত্রদের নিয়ে কমিটি করতে হবে।’

 

 

 

অভিযোগের বিষয়ে নবগঠিত কমিটির সভাপতি অলি আহাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ছাত্রদল বড় সংগঠন। সবারই ত্যাগ আছে, কিন্তু সবাইকে একসঙ্গে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তারা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্বাভাবিক।’ সবাইকে সংগঠনের শৃঙ্খলা মেনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখার আহবান জানান তিনি।

 

 

শনিবার রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের স্বাক্ষরে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয়। এতে মো. অলি আহাদকে সভাপতি, নাঈমুল ইসলাম রনিকে সাধারণ সম্পাদক এবং গালিব হাসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখে পোস্ট দেওয়ায় এক ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

শনিবার (২ মে) পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল ও সদস্য সচিব শাহিন আলম জনি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার ১০ নম্বর সুখিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোনায়েম খাঁনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

 

এতে আরও বলা হয়, উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন এবং সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল বলেন, ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখে পোস্ট দেওয়া, সাংগঠনিক কাজে না পাওয়াসহ সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

‘পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই’ আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ
‘পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই’  আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব
শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। তবুও আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব। দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

 

 

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ আওয়ামী লীগের প্রতিই নিবেদিত কি না- এমন প্রশ্নে সাকিবের সাফ উত্তর, “সেটাই তো হওয়ার কথা (আওয়ামী লীগে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ), তাই না? আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই, ইচ্ছা নেই এবং কোনো কালেও ছিল না। আমি এই জিনিস কখনও করিনি। ঠিক আছে? আমি যদি একটা ছোট দলেও কোনো দিন নাম লিখিয়েছি তো ওই দলের প্রতি সবসময় অনুগত ছিলাম। পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।”

 

 

বর্তমানে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও তা আজীবন থাকবে না বলেই জানান সাকিব। তিনি বলেন, “এখন নিষিদ্ধ, তাই বলে আজীবন নিষিদ্ধ থাকবে নাকি? আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে! এটা তো মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। দেশের একটা বড় অংশকে তো দাবিয়ে রাখতে পারবেন না। হ্যাঁ, জোর করে কিছুদিন সম্ভব আটকে রাখা বা যতদিন সম্ভব দমিয়ে রাখতে পারেন। কিন্তু এটাতে আসলে দেশের কোনো উন্নতি বা রাজনীতির ভালো আছে বলে আমার মনে হয় না।”

 

 

একটা সময় আওয়ামী লীগও বিরোধী দলকে দমন করার চেষ্টা করেছে। এ প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, “এই ভুলটা যদি আমরা করে থাকি, ১০-১৫-২০ বছর আগের রাজনীতির সেই সময়ে দলের ভাবনা তো আমি জানি না, কিন্তু আমরা যদি এরকম ভুল করে থাকি, সেই ভুলেরও তো তাহলে এখন পুনরাবৃত্তি হচ্ছে! পরে যদি আবার অন্য কোনো দল ক্ষমতায় আসে বা আমরা আসি এবং পুনরাবৃত্তি করি, তাহলে এই খেলা তো চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এগুলো শেষ করতে হবে।”