খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৯ মাঘ, ১৪৩২

পোশাক রপ্তানি বাড়বে আগামী বছর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
পোশাক রপ্তানি বাড়বে আগামী বছর
শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে পাল্টা শুল্ক এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবসায় অনিশ্চয়তার কারণে চলতি বছর জুড়ে পোশাক রপ্তানিতে ধীরগতি দেখা দিলেও বাংলাদেশি তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা আগামী বছরে শক্তিশালী পুনরুদ্ধারের আশা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে বড়দিনের বিক্রি শেষ হওয়ার পর জানুয়ারি থেকে মার্চ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পুনরায় নতুন ক্রয়াদেশ বাড়বে বলে তাদের প্রত্যাশা।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বেড়ে ৩৬ শতাংশের বেশি : গত আগস্টে ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। এর সঙ্গে আগের ১৬ দশমিক ১৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে বাংলাদেশি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে মোট ৩৬ দশমিক ১৫ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। এর আগে এপ্রিল মাসের হিসাবে সব আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেয় যুক্তরাষ্ট্র। সেই প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে এপ্রিল-আগস্ট সময়ে মার্কিন খুচরা বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলো শুল্ক সুবিধা নিয়ে আগাম বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করে। এই আগাম মজুতকরণের ফলেই আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক পাঠানোর চাপ অনেক কমে যায়, যা বড়দিনের বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

বড়দিনের পর ফের বাড়বে ক্রয়াদেশ : গার্মেন্টস রপ্তানিকারক জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক হাসান বলেন, বড়দিনের বিক্রি শেষ হলে মার্কিন বাজারে মজুত কমতে শুরু করবে। তখন জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে নতুন অর্ডার বাড়বে। মার্চের পর থেকে প্রবৃদ্ধি আরও দৃশ্যমান হবে। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছর সামগ্রিক বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাজারেও রপ্তানি মূল্যের চাপ রয়েছে। কারণ বাংলাদেশ, ভারত, চীন, পাকিস্তান ও ভিয়েতনাম একই বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় অনেক দেশ এখন ইইউর দিকে ঝুঁকছে, প্রতিযোগিতা আরও বাড়ছে, বলেন তিনি।

শুল্ক ধাক্কা কাটিয়ে ক্রয়াদেশ ফিরেছে : অনন্ত গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফ জহির জানান, আলাপ-আলোচনার সময় শুল্ক পরিবর্তন নিয়ে ভোক্তা ও ব্র্যান্ডগুলোর সিদ্ধান্তে বিলম্ব হয়েছিল। তবে এখন বাজারে স্থিতি ফিরেছে। আমাদের কারখানাগুলো ইতোমধ্যেই ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পূর্ণ সমতায় অর্ডার নিয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, পাল্টা শুল্কের প্রভাবে রপ্তানিতে ধীরগতি ছিল। ব্র্যান্ডগুলো অর্ডার দিতে সময় নিচ্ছিল। তবে এখন বাজার ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকা উচিত, যাতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হয়, বলেন তিনি। এক রপ্তানিকারক জানান, কম ক্রয়াদেশের কারণে বছরের প্রথমাংশে ব্যবসায়িক চাপ ছিল। তবে আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র শুল্কহার স্থির করার পর পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হচ্ছে। পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ) বলেন, আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বড়দিনের চালান খুব শক্ত হয়নি। তবে বড়দিনের বিক্রি বাড়ার পর বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা আবার বাড়বে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রপ্তানির সাম্প্রতিক চিত্র : রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী জুলাই-অক্টোবর সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। ২৫৮ কোটি মার্কিন ডলার। একই সময়ে ইউরোপে রপ্তানি বৃদ্ধি মাত্র শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং মোট রপ্তানি ৬২৫ কোটি ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, এই সামান্য প্রবৃদ্ধিও মূল্যচাপ, শুল্কের অনিশ্চয়তা এবং আগাম মজুতকরণের মতো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বাজার পরিস্থিতির তুলনায় ইতিবাচক।

আগামী বছরকে ঘিরে আশাবাদ : রপ্তানিকারকদের মতে, শুল্ক-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা কমেছে; বড়দিনের পর মার্কিন বাজারে মজুত কমে যাবে; মার্চ থেকে অর্ডার প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে; ইইউতে প্রতিযোগিতা বাড়লেও স্থিতিশীলতা আসছে; ২০২৬ পর্যন্ত অনেক কারখানাই নিশ্চিত ক্রয়াদেশ হাতে পেয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের শুরু থেকে পোশাক রপ্তানিতে দৃশ্যমান পুনরুদ্ধার সম্ভব বলে তারা মনে করছেন।

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন
শেয়ার করুন

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

 

 

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (ক্র্যাক) এর উদ্যোগে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার সহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন সুরক্ষার জন্য ক্র্যাকের উদ্যোগে ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন করা হয়। সেল থেকে যেসব সহায়তা দেওয়া হবে তা হলো-

ভোটগ্রহণের দিন কোন পেশাদার সাংবাদিক কোথাও আক্রান্ত বা হামলার শিকার হলে সাথে সহায়তা সেলে ফোন করে জানাতে পারবেন। সহায়তা সেল থেকে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে উদ্ধার করার জন্য। আক্রান্ত সাংবাদিকের যদি শারীরিকভাবে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে ক্র্যাকের পক্ষ থেকে সাথে সাথে এম্বুল্যান্স পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট স্থানে। এরপর কক্সবাজার শহরের ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। চিকিৎসা পরবর্তী আইনগতভাবে সহায়তার জন্য সহযোগীতা করবে ক্র্যাক।

জরুরি সহায়তা সেলের যোগাযোগ নম্বর:

+880 1306-289800 (জসিম উদ্দিন) ও 01685891417 (আজিম নিহাদ)

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীকাল বৃহস্পতিবার। দেশজুড়ে ভোটের আমেজের মধ্যে এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।

 

ভোটের দিন প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের পাশাপাশি ভোটারদেরও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কী করবেন, কী করবেন না- তা জেনে রাখা জরুরি।

 

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ভোটারদের সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। বিকেল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ালে সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ মিলবে।

 

ভোটার মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে পারবেন এবং কেন্দ্র প্রাঙ্গণে ছবি তোলায় নিষেধ নেই। তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) মোবাইল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। এনআইডি কার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে শনাক্তকরণ সহজ হয়।

 

যেকোনো শালীন পোশাক পরে ভোট দেওয়া যাবে। কেউ নেকাব পরলে পরিচয় নিশ্চিত করতে পোলিং কর্মকর্তার অনুরোধে একবারের জন্য মুখ দেখাতে হতে পারে।

 

ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখার পর পোলিং অফিসার আঙুলে অমোচনীয় কালি দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট পেপার দেবেন- একটি সংসদ নির্বাচনের, অন্যটি গণভোটের। ব্যালট নেওয়ার আগে পেছনে অফিসিয়াল সিল ও স্বাক্ষর আছে কি না তা দেখে নেওয়া জরুরি।

 

ব্যালট হাতে পাওয়ার পর নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট সিল দিতে হবে। গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ অপশনে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন কালি অন্য প্রতীকে না লাগে- লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করাই নিরাপদ।

 

ভাঁজ করা ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। ভোট দেওয়া শেষ হলে অযথা কেন্দ্রে অবস্থান না করে দ্রুত বেরিয়ে যেতে হবে।

 

অন্যদিকে অস্ত্র, বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থসহ যেকোনো বিপজ্জনক বস্তু নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ।

আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা চার দিনের ছুটি আজ (বুধবার) থেকে শুরু হয়েছে; যা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।অন্যদিকে, নির্বাচন ও পূজার ছুটি মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকবে টানা পাঁচ দিন। আজ থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সাথে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সাধারণ ছুটি চার দিনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত’ উপলক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ছুটি থাকায় সেখানে সর্বমোট পাঁচ দিনের ছুটি কার্যকর হচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মূল দিন নির্ধারিত রয়েছে।এর আগে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। একইসঙ্গে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটিও বহাল রাখা হয়েছে।

এদিকে, নির্বাচন উপলক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল আজ বুধবার এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বন্ধ থাকবে। দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংহতি রেখে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ দেশের সব দোকানপাট, বিপণিবিতান এবং শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।