খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৯ মাঘ, ১৪৩২

ভিভিআইপি ও ভিআইপি কারা, কী কী সুবিধা পান তারা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
ভিভিআইপি ও ভিআইপি কারা, কী কী সুবিধা পান তারা
শেয়ার করুন

বাংলাদেশে ভিভিআইপি, ভিআইপি ও সিআইপি এই তিন ক্যাটাগরি বিশিষ্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়। এজন্য প্রশাসনের কাছে একটি রেডবুক আছে। রেডবুক অনুযায়ী ভিভিআইপি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

অতীব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা হলেন ভিভিআইপি (ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট পার্সন)। এর পরের ধাপে আছেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, যাদের বলা হয় ভিআইপি (ভেরি ইম্পর্টেন্ট পার্সন)। আর ব্যবসা-বাণিজ্যে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তাদের বলা হয় ‘কমার্সিয়ালি ইম্পর্টেন্ট পার্সন’ (সিআইপি)।

প্রথম দুই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় নির্ধারিত হন৷ আর সিআইপি ঠিক করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বাংলাদেশের প্রটোকল বা ‘অর্ডার অব প্রিসিডেন্স’ অনুযায়ী, শুধু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দুই পদাধিকারী—রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা—‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) হিসেবে গণ্য হন। এ ছাড়া, বিদেশি রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানেরা বাংলাদেশ সফরকালে ভিভিআইপি মর্যাদা পান। তবে সরকার যদি মনে করে যেকোনো ব্যক্তি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, তবে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তাদের ভিভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।

ভিআইপি হলেন: জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, সিনিয়র সচিব, সচিব, তিন বাহিনী প্রধান এবং পুলিশের প্রধান। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কাউকেও ভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।

ভিআইপিদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের দুটি বিশেষ বিভাগ থেকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়: একটি হলো পুলিশের প্রটেকশন টিম এবং আরেকটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ। এছাড়া বিদেশি দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে চ্যান্সারি পুলিশ।

তবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য আলাদা বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গার্ড রেজিমেন্ট রয়েছে:

রাষ্ট্রপতি: প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), যা তাঁর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা ও ভিভিআইপি: স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)।

এর পাশাপাশি পুলিশের সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নও এই নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা এসএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে।

সড়ক প্রটোকল: ভিআইপি বনাম ভিভিআইপি

ভিআইপিদের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশের কোনো সড়কেই কোনো ভিআইপির জন্য কোনো বিশেষ ব্যবস্থাপনা থাকার কথা নয়। বিধি অনুযায়ী, তাদের জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল থাকবে, কিন্তু তাদের চলাচলের জন্য কোনো সড়ক বন্ধ বা অন্য কোনো যানবাহনের চলাচল বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। তাঁরা কোনো অগ্রাধিকারও পাবেন না। উলটো পথে চলা বা অন্য গাড়ি সরিয়ে চলাচলের কোনো সুযোগ নেই কোনো ভিআইপির।

ভিভিআইপিদের বিশেষ বিধান: শুধু রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টার (ভিভিআইপি) চলাচলের সময় সড়কের একপাশ ফাঁকা করে চলাচলের বিধান রয়েছে। ভিভিআইপিদের যাতায়াতের নির্দিষ্ট সড়কটির এক পাশ ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সেখানে সাধারণ যানচলাচল বন্ধ থাকে। তাঁদের চলাচলের ১৫ মিনিট আগে এ সম্পর্কিত তথ্য এসএসএফ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে আদান-প্রদান করা হয়, যা তাঁদের দ্রুত ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করে।

ভিআইপিরা তাদের নিরাপত্তার জন্য গানম্যান ও বডিগার্ড পেয়ে থাকেন, যা মূলত থ্রেট অ্যাসেসমেন্টের (হুমকি বা ঝুঁকি বিবেচনায়) ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্য কোনো ব্যক্তির জন্যও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারে।

এসএসএফের ক্ষমতা ও দায়িত্ব: আইনের বিধান

বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) আইনের বিধান অনুযায়ী, ভিভিআইপিদের সুরক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে বাহিনীর ক্ষমতা সুনির্দিষ্ট ও কঠোরভাবে সংজ্ঞায়িত। এসএসএফ আইনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে:

১. দৈহিক নিরাপত্তা: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী (বা প্রধান উপদেষ্টা) যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, তাদের দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করাই বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব।

২. বিদেশি ভিভিআইপি: বাহিনী বাংলাদেশে অবস্থানরত অতি গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ব্যক্তিকেও দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করবে।

৩. গোয়েন্দা তথ্য: তাদের নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটাতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, আদান-প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা এসএসএফের কাজ।

৪. গ্রেফতার ও বলপ্রয়োগের বিশেষ ক্ষমতা: আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান অনুযায়ী, যদি এসএসএফের কোনো কর্মকর্তার বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, ভিভিআইপি অবস্থান করছেন বা অতিক্রম করছেন এমন স্থানে কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি তাদের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা বিনা গ্রেফতারি পরোয়ানায় সেই ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করতে পারবেন। এই ক্ষমতা দেশের সকল প্রান্তে প্রযোজ্য।

শুধু তাই নয়, যদি ওই ব্যক্তি গ্রেফতার প্রচেষ্টায় বলপ্রয়োগক্রমে বাধা দেন বা এড়ানোর চেষ্টা করেন, তাহলে কর্মকর্তা গ্রেফতার কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপায় অবলম্বন করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ হুঁশিয়ারি প্রদানের পর তার উপর গুলি বর্ষণ বা এমন বল প্রয়োগও করতে পারবেন, যাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

এই আইনি বিধান ভিভিআইপিদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসএসএফকে একচ্ছত্র ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন
শেয়ার করুন

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

 

 

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (ক্র্যাক) এর উদ্যোগে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার সহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন সুরক্ষার জন্য ক্র্যাকের উদ্যোগে ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন করা হয়। সেল থেকে যেসব সহায়তা দেওয়া হবে তা হলো-

ভোটগ্রহণের দিন কোন পেশাদার সাংবাদিক কোথাও আক্রান্ত বা হামলার শিকার হলে সাথে সহায়তা সেলে ফোন করে জানাতে পারবেন। সহায়তা সেল থেকে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে উদ্ধার করার জন্য। আক্রান্ত সাংবাদিকের যদি শারীরিকভাবে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে ক্র্যাকের পক্ষ থেকে সাথে সাথে এম্বুল্যান্স পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট স্থানে। এরপর কক্সবাজার শহরের ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। চিকিৎসা পরবর্তী আইনগতভাবে সহায়তার জন্য সহযোগীতা করবে ক্র্যাক।

জরুরি সহায়তা সেলের যোগাযোগ নম্বর:

+880 1306-289800 (জসিম উদ্দিন) ও 01685891417 (আজিম নিহাদ)

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীকাল বৃহস্পতিবার। দেশজুড়ে ভোটের আমেজের মধ্যে এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।

 

ভোটের দিন প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের পাশাপাশি ভোটারদেরও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কী করবেন, কী করবেন না- তা জেনে রাখা জরুরি।

 

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ভোটারদের সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। বিকেল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ালে সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ মিলবে।

 

ভোটার মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে পারবেন এবং কেন্দ্র প্রাঙ্গণে ছবি তোলায় নিষেধ নেই। তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) মোবাইল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। এনআইডি কার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে শনাক্তকরণ সহজ হয়।

 

যেকোনো শালীন পোশাক পরে ভোট দেওয়া যাবে। কেউ নেকাব পরলে পরিচয় নিশ্চিত করতে পোলিং কর্মকর্তার অনুরোধে একবারের জন্য মুখ দেখাতে হতে পারে।

 

ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখার পর পোলিং অফিসার আঙুলে অমোচনীয় কালি দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট পেপার দেবেন- একটি সংসদ নির্বাচনের, অন্যটি গণভোটের। ব্যালট নেওয়ার আগে পেছনে অফিসিয়াল সিল ও স্বাক্ষর আছে কি না তা দেখে নেওয়া জরুরি।

 

ব্যালট হাতে পাওয়ার পর নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট সিল দিতে হবে। গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ অপশনে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন কালি অন্য প্রতীকে না লাগে- লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করাই নিরাপদ।

 

ভাঁজ করা ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। ভোট দেওয়া শেষ হলে অযথা কেন্দ্রে অবস্থান না করে দ্রুত বেরিয়ে যেতে হবে।

 

অন্যদিকে অস্ত্র, বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থসহ যেকোনো বিপজ্জনক বস্তু নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ।

আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা চার দিনের ছুটি আজ (বুধবার) থেকে শুরু হয়েছে; যা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।অন্যদিকে, নির্বাচন ও পূজার ছুটি মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকবে টানা পাঁচ দিন। আজ থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সাথে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সাধারণ ছুটি চার দিনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত’ উপলক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ছুটি থাকায় সেখানে সর্বমোট পাঁচ দিনের ছুটি কার্যকর হচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মূল দিন নির্ধারিত রয়েছে।এর আগে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। একইসঙ্গে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটিও বহাল রাখা হয়েছে।

এদিকে, নির্বাচন উপলক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল আজ বুধবার এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বন্ধ থাকবে। দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংহতি রেখে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ দেশের সব দোকানপাট, বিপণিবিতান এবং শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।