খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩

ভিভিআইপি ও ভিআইপি কারা, কী কী সুবিধা পান তারা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
ভিভিআইপি ও ভিআইপি কারা, কী কী সুবিধা পান তারা
শেয়ার করুন

বাংলাদেশে ভিভিআইপি, ভিআইপি ও সিআইপি এই তিন ক্যাটাগরি বিশিষ্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়। এজন্য প্রশাসনের কাছে একটি রেডবুক আছে। রেডবুক অনুযায়ী ভিভিআইপি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

অতীব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা হলেন ভিভিআইপি (ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট পার্সন)। এর পরের ধাপে আছেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, যাদের বলা হয় ভিআইপি (ভেরি ইম্পর্টেন্ট পার্সন)। আর ব্যবসা-বাণিজ্যে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তাদের বলা হয় ‘কমার্সিয়ালি ইম্পর্টেন্ট পার্সন’ (সিআইপি)।

প্রথম দুই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় নির্ধারিত হন৷ আর সিআইপি ঠিক করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বাংলাদেশের প্রটোকল বা ‘অর্ডার অব প্রিসিডেন্স’ অনুযায়ী, শুধু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দুই পদাধিকারী—রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা—‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) হিসেবে গণ্য হন। এ ছাড়া, বিদেশি রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানেরা বাংলাদেশ সফরকালে ভিভিআইপি মর্যাদা পান। তবে সরকার যদি মনে করে যেকোনো ব্যক্তি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, তবে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তাদের ভিভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।

ভিআইপি হলেন: জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, সিনিয়র সচিব, সচিব, তিন বাহিনী প্রধান এবং পুলিশের প্রধান। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কাউকেও ভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।

ভিআইপিদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের দুটি বিশেষ বিভাগ থেকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়: একটি হলো পুলিশের প্রটেকশন টিম এবং আরেকটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ। এছাড়া বিদেশি দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে চ্যান্সারি পুলিশ।

তবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য আলাদা বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গার্ড রেজিমেন্ট রয়েছে:

রাষ্ট্রপতি: প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), যা তাঁর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা ও ভিভিআইপি: স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)।

এর পাশাপাশি পুলিশের সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নও এই নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা এসএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে।

সড়ক প্রটোকল: ভিআইপি বনাম ভিভিআইপি

ভিআইপিদের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশের কোনো সড়কেই কোনো ভিআইপির জন্য কোনো বিশেষ ব্যবস্থাপনা থাকার কথা নয়। বিধি অনুযায়ী, তাদের জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল থাকবে, কিন্তু তাদের চলাচলের জন্য কোনো সড়ক বন্ধ বা অন্য কোনো যানবাহনের চলাচল বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। তাঁরা কোনো অগ্রাধিকারও পাবেন না। উলটো পথে চলা বা অন্য গাড়ি সরিয়ে চলাচলের কোনো সুযোগ নেই কোনো ভিআইপির।

ভিভিআইপিদের বিশেষ বিধান: শুধু রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টার (ভিভিআইপি) চলাচলের সময় সড়কের একপাশ ফাঁকা করে চলাচলের বিধান রয়েছে। ভিভিআইপিদের যাতায়াতের নির্দিষ্ট সড়কটির এক পাশ ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সেখানে সাধারণ যানচলাচল বন্ধ থাকে। তাঁদের চলাচলের ১৫ মিনিট আগে এ সম্পর্কিত তথ্য এসএসএফ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে আদান-প্রদান করা হয়, যা তাঁদের দ্রুত ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করে।

ভিআইপিরা তাদের নিরাপত্তার জন্য গানম্যান ও বডিগার্ড পেয়ে থাকেন, যা মূলত থ্রেট অ্যাসেসমেন্টের (হুমকি বা ঝুঁকি বিবেচনায়) ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্য কোনো ব্যক্তির জন্যও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারে।

এসএসএফের ক্ষমতা ও দায়িত্ব: আইনের বিধান

বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) আইনের বিধান অনুযায়ী, ভিভিআইপিদের সুরক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে বাহিনীর ক্ষমতা সুনির্দিষ্ট ও কঠোরভাবে সংজ্ঞায়িত। এসএসএফ আইনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে:

১. দৈহিক নিরাপত্তা: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী (বা প্রধান উপদেষ্টা) যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, তাদের দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করাই বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব।

২. বিদেশি ভিভিআইপি: বাহিনী বাংলাদেশে অবস্থানরত অতি গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ব্যক্তিকেও দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করবে।

৩. গোয়েন্দা তথ্য: তাদের নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটাতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, আদান-প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা এসএসএফের কাজ।

৪. গ্রেফতার ও বলপ্রয়োগের বিশেষ ক্ষমতা: আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান অনুযায়ী, যদি এসএসএফের কোনো কর্মকর্তার বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, ভিভিআইপি অবস্থান করছেন বা অতিক্রম করছেন এমন স্থানে কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি তাদের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা বিনা গ্রেফতারি পরোয়ানায় সেই ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করতে পারবেন। এই ক্ষমতা দেশের সকল প্রান্তে প্রযোজ্য।

শুধু তাই নয়, যদি ওই ব্যক্তি গ্রেফতার প্রচেষ্টায় বলপ্রয়োগক্রমে বাধা দেন বা এড়ানোর চেষ্টা করেন, তাহলে কর্মকর্তা গ্রেফতার কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপায় অবলম্বন করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ হুঁশিয়ারি প্রদানের পর তার উপর গুলি বর্ষণ বা এমন বল প্রয়োগও করতে পারবেন, যাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

এই আইনি বিধান ভিভিআইপিদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসএসএফকে একচ্ছত্র ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।

সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড
শেয়ার করুন

রাজধানীর সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে সমকামিতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে চার শিক্ষার্থীর আবাসিক সিট বাতিল করা হয়েছে। এক বহিরাগতসহ পাঁচজনকে পুলিশে সোপর্দ করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়। ইতিমধ্যে সেই মেয়াদও শেষ হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন কলেজ শাখা ছাত্রদলের পদধারী নেতা।

 

 

শাস্তিপ্রাপ্ত চার শিক্ষার্থী হলেন বিএএএমএস (আয়ুর্বেদিক) ৩৩ ব্যাচের আহসানুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৪ ব্যাচের মহিবুর রহমান নয়ন ও রাব্বি হোসেন ওরফে আরিয়ান শাহ রাব্বি এবং বিইউএমএস (ইউনানী) ৩৫ ব্যাচের শাহরিয়ার পলক। এদের মধ্যে আরিয়ান শাহ রাব্বি ও মহিবুর রহমান নয়ন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

 

গত ২২ এপ্রিল রাতে কলেজের মসজিদের গলি থেকে শাহরিয়ার পলককে এক বহিরাগতের সঙ্গে উলঙ্গ অবস্থায় আটক করা হয়। জেরায় তিনি ক্যাম্পাসের আরও কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেন, যাদের মধ্যে আরিয়ান রাব্বি, নয়ন ও আহসানও ছিলেন। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের কাফরুল থানায় হস্তান্তর করে।

 

একই দিন ২৩ এপ্রিল জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ছাত্রাবাস থেকে তাদের সিট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হোস্টেল সুপার ও আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মকছেদ আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমকামিতায় আসক্ত সন্দেহে তাদের থানায় সোপর্দ এবং আবাসিক সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক জানান, জেরায় অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্বেগজনক তথ্য বের হয়ে আসে। তারতা দাবি, এই চারজন প্রায় ৪০টি সমকামী গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া হোস্টেলের অন্য শিক্ষার্থীদের সমকামিতায় প্রলুব্ধ করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। আরিয়ান রাব্বির ডেস্ক থেকে যৌনচর্চায় ব্যবহৃত সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের অর্ধনগ্ন ছবি তুলে সমকামী গ্রুপে শেয়ার করার প্রমাণও মিলেছে বলে তিনি দাবি করেন।

 

একই শিক্ষক আরও জানান, আটক একজন শিক্ষার্থী এইডসে আক্রান্ত এবং অনুরূপ কর্মকাণ্ডের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হয়ে এই ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে ২৮ ও ৩৩তম ব্যাচের আরও অন্তত তিনজনের নাম উঠে এসেছে।

 

কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছিল এবং সেই মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে তাদের সিট বাতিল করা হলেও ছাত্রত্ব বহাল থাকবে বলে তিনি জানান।

ঢাকার সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করলো এয়ার ইন্ডিয়া

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করলো এয়ার ইন্ডিয়া
শেয়ার করুন

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া আগামী জুন থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাদের বেশ কিছু আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত ও সংখ্যা হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে।

 

 

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি জানিয়েছে, আকাশপথের বিধিনিষেধ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জেট ফুয়েলের অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

এই পরিবর্তনের ফলে ঢাকা ছাড়াও শিকাগো, সাংহাই, সিঙ্গাপুর ও মালের মতো গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যগুলোর আকাশপথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা সরাসরি প্রভাবিত হবেন। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল করে যাত্রীদের বিভ্রান্তিতে ফেলার চেয়ে আগেভাগেই এই যৌক্তিক সমন্বয় বা রেশনালাইজেশন করা হয়েছে যাতে শিডিউলের স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

 

সংস্থাটির নতুন সূচি অনুযায়ী, এশিয়া অঞ্চলের মধ্যে মুম্বাই-ঢাকা রুটের সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া দিল্লি থেকে ঢাকা, কাঠমান্ডু, কলম্বো, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর ও সিঙ্গাপুর রুটের ফ্লাইটের সংখ্যা সাপ্তাহিকভবে কমিয়ে আনা হয়েছে।

 

 

উত্তর আমেরিকার ক্ষেত্রে দিল্লি-শিকাগো সার্ভিসটি আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এবং দিল্লি থেকে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারগামী ফ্লাইটের সংখ্যাও হ্রাস করা হয়েছে। তবে ইতিবাচক খবর হলো, মুম্বাই থেকে নেওয়ার্ক রুটে এখন থেকে প্রতিদিন ফ্লাইট চলাচল করবে। ইউরোপের ক্ষেত্রে প্যারিস, রোম, জুরিখ, ভিয়েনা ও কোপেনহেগেনের মতো শহরগুলোতেও এয়ার ইন্ডিয়ার নিয়মিত ফ্লাইটের সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কম হবে বলে জানানো হয়েছে।

 

এয়ার ইন্ডিয়া স্পষ্ট করেছে, জ্বালানি সংকটের কারণে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সংস্থাটি আশ্বস্ত করেছে, এই সমন্বয়ের পরেও তারা প্রতি মাসে পাঁচটি মহাদেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ১ হাজার ২০০-র বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রাখবে।

 

এর মধ্যে উত্তর আমেরিকায় সপ্তাহে ৩৩টি, ইউরোপে ৪৭টি এবং যুক্তরাজ্যে ৫৭টি ফ্লাইট সচল থাকবে। এ ছাড়া দূরপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর (সার্ক) জন্য সপ্তাহে ১৫৮টি ফ্লাইট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মূলত ব্যয়বহুল দীর্ঘ রুটের ফ্লাইটগুলোর সক্ষমতা যাচাই করতেই এই সাময়িক কাটছাঁট করা হয়েছে।

 

যেসব যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল বা সময় পরিবর্তন হয়েছে, তাদের সরাসরি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীরা চাইলে বিকল্প ফ্লাইটে বুকিং, ভ্রমণের তারিখ পরিবর্তন অথবা টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। সংস্থাটি যাত্রীদের অনুরোধ জানিয়েছে যেন তারা কেবল এয়ার ইন্ডিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা ভেরিফাইড সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলের তথ্যের ওপর ভরসা রাখেন।

 

এ ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট রুটের আপডেট জানতে গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নেটওয়ার্ককে আরও সুসংগঠিত করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সূত্র: এনডিটিভি

হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
শেয়ার করুন

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ছররা গুলিতে খাদেমুল (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) গভীর রাত ২টার দিকে সীমান্তের বনচৌকি বিওপি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খাদেমুল উপজেলার উত্তর আমঝোল গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত পিলার ৯০৫/৬ এস-এর প্রায় ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকজন বাংলাদেশি চোরাকারবারি কাঁটাতারের বেড়ার কাছে গেলে ভারতের ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলামারী ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে। এতে খাদেমুলের মুখ, বুক ও মাথায় আঘাত লাগে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি দ্রুত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফিরে আসেন। পরে স্থানীয় ও তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে রংপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।