খুঁজুন
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ, ১৪৩২

বিএনপিকে জনগণ লাল কার্ড দেখাবে : জামায়াত আমির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
বিএনপিকে জনগণ লাল কার্ড দেখাবে : জামায়াত আমির
শেয়ার করুন

জামায়াতের আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপিকে জনগন লাল কার্ড দেখাবে। ১৩ তারিখ (ফেব্রুয়ারি) থেকে জনগন নতুন একটি বাংলাদেশ পাবে।

সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজার শহরের মুক্তিযোদ্ধা মাঠে জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বেলা ১২ টা পরপরই জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সমাবেশস্থলে পৌঁছেন এবং বক্তব্য রাখেন। এর আগে সকালে তিনি মহেশখালীতে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

উভয় সভায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘রাজার ছেলে রাজা হোক—এই মতবাদে আমরা বিশ্বাসী নই। এদেশে এমপি, মন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রী—যেই হোক, অপরাধ করলে তার বিচার নিশ্চিত করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘১২ তারিখ আমরা নিজেরা “হ্যাঁ” ভোট দেব এবং দেশের জনগণকে “হ্যাঁ” ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করবো। দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে কক্সবাজার আলোকিত হবে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কক্সবাজার একটি সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানকার প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে এই অঞ্চল দেশের অন্যতম উন্নয়নকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। সে জন্য ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কথা দিয়ে কথা রাখি। আমরা বেঁচে থাকলে কোনো ওয়াদা বরখেলাফ হবে না ইনশাআল্লাহ।’

এ সময় তিনি প্রতিটি আসনের প্রার্থীকে জনগণের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন এবং যুবকদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরা তৈরি হয়ে যাও। এই বাংলাদেশ তোমাদের জন্যই তৈরি করা হচ্ছে।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনের নয়, এটি জাতির দিক পরিবর্তনের নির্বাচন। এটি জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা পূরণের নির্বাচন এবং মা-বোনদের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন।’ তিনি বলেন, ‘১২ তারিখ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে দেশের জনগণ তা প্রমাণ করে দেবে।’

এর আগে মহেশখালীর জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, আমরা চাই এদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে সেটিই হবে প্রকৃত বিজয়—আমিও সেই বিজয়ের অংশ হবো, ইনশাআল্লাহ।’

সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় কক্সবাজার শহরের মুক্তিযোদ্ধা মাঠে কোরআন তেলওয়াতের মধ্যদিয়ে জনসভার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলামের সেক্রেটারী জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় ও জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক, কক্সবাজার-৩ আসনের প্রার্থী শহিদুল আলম বাহাদুর, কক্সবাজার-০৪ আসনের প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী, এনসিপির কেন্দ্রিয় নেতা ডা. মাহমুদা মিতু, জাগপা’র কেন্দ্রিয় সহ সভাপতি রাশেদ প্রধান, ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রিয় সেক্রেটারী মো. সিগবাতুল্লাহ সিফাত, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. পারভেজ উপস্থিত রয়েছেন।

মহেশখালী ও কক্সবাজার শহরের জনসভা শেষ করার পর জামায়াত আমির চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার পদুয়ায় জনসভায় যোগ দেবার জন্য যাত্রা দিয়েছেন।

সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফর: প্রচারণা বন্ধের ঘোষণা জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারীর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ
সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফর: প্রচারণা বন্ধের ঘোষণা জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারীর
শেয়ার করুন

কক্সবাজারে আগামীকাল বুধবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফরকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারণায় বিশেষ ঘোষণা দিয়েছেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।

 

​মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, বিএনপির এই শীর্ষ নেতার নির্বাচনী সফর উপলক্ষে বুধবার দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উখিয়ায় তাঁর সকল প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ রাখা হবে।

 

​মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, সালাউদ্দিন আহমদের আগমনকে সম্মান জানিয়ে এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এই ছয় ঘণ্টা নির্বাচনী কর্মকাণ্ড স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

 

এদিকে ২ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর কক্সবাজারে নির্বাচনী সমাবেশ থাকায় নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলেন কক্সবাজার -৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফর রহমান কাজল।

 

এমন রাজনৈতিক সহাবস্থান ও সম্প্রীতি সকল প্রার্থীর জন্যই অনুকরণীয় বলছেন নেটিজেনরা।

শবে বরাতে রাসুল সা. যেসব আমল করতেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
শবে বরাতে রাসুল সা. যেসব আমল করতেন
শেয়ার করুন

শাবান মাস মুমিনের আমলের মাস, শাবান মাস মুমিনের আনন্দের মাস, খুশির মাস। আর এ মাসের ১৪ তারিখের রাত মুসলমানদের অন্যতম একটি রাত। ভারতীয় উপমহাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশে এ রাত শবে বরাত নামে পরিচিত। হাদিসের ভাষায় এ রাতকে ‘নিসফ শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্যরাত বলা হয়। এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস শরিফে বিবৃত হয়েছে, মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাত অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে সৃষ্টির প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫)

 

শবে বরাতে রাসুল (সা.) যেসব আমল করতেন

 

১. পুরো রাত জেগে ইবাদত করতেন। যেমন-নফল নামাজ পড়া, কুরআন তেলাওয়াত করা, তাসবিহ পাঠ করা, তওবা-ইস্তেগফার ইত্যাদি পড়া। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেন– পাঁচটি রাত এমন আছে, যে রাতে বান্দার কোনও দোয়া ফেরত দেওয়া হয় না। আর তা হলো– জুমআর রাতের দোয়া, রজব মাসের প্রথম রাতের দোয়া, নিসফা শাবান তথা অর্ধ শাবানের রাতের দোয়া, ঈদুল ফিতর তথা রোজার ঈদের রাতের দোয়া, ঈদুল আজহা তথা কুরবানির ঈদের রাতের দোয়া। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক: ৭৯২৭, সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকি: ৬৯৮৭)

 

 

২. পুরো শাবান মাসেই অধিক পরিমাণে রোজা রাখা উত্তম। রাসুল (স.) প্রায় পুরো শাবান মাস রোজা রাখতেন। ফাতিমা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলকে (স.) শাবান ও রমযান ছাড়া দুই মাস একাধারে রোজা রাখতে দেখিনি। (সহিহ বুখারি: ১৯৬৯, সহিহ মুসলিম: ১১৫৬)

 

অন্য হাদিসে বিবৃত হয়েছে, রাসুল (স.) বলেন, যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত আসবে, তখন তোমরা এ রাতে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করবে এবং দিনে রোজা পালন করবে। কেননা এই দিন সূর্যাস্তের পরই আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আছো ক্ষমাপ্রার্থনাকারী, আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো। কে আছো রিজিকপ্রার্থী, আমি তাকে রিজিক দেবো। কে আছো বিপদগ্রস্ত, আমি তাকে বিপদমুক্ত করবো। ফজর হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা এ কথা বলতে থাকেন। (ইবন মাজাহ: ১৩৮৮)

 

৩. কিয়ামুল লাইল: হাদিস শরীফে বিবৃত হয়েছে, আলা ইবনুল হারিস (রা.) থেকে বর্ণিত, আয়েশা (রা.) বলেন, একবার রাসুল (স.) রাতে নামাজে দাঁড়িয়ে এতো দীর্ঘ সময় সেজদায় রইলেন যে, আমার ধারণা হলো হয়ত তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তখন আমি তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিয়ে দেখলাম। যখন তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামাজ শেষ করলেন তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আয়েশা ওহে হুমাইরা, তোমার কি আশঙ্কা হয়েছে যে, রাসুল (স.) তোমার হক নষ্ট করবেন? আমি উত্তরে বললাম, না, হে রাসুলুল্লাহ আপনার দীর্ঘ সেজদায় আমার আশঙ্কা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা।

 

রাসুল (স.) জিজ্ঞেস করলেন তুমি কি জানো এটা কোন রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও তার রাসুলই ভালো জানেন। তখন রাসুল (স.) বললেন, ‘এটা হলো অর্ধ শাবানের রাত অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখের দিবাগত রাত। আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তার বান্দার প্রতি মনযোগ দেন এবং ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন, অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন, বিদ্বেষ পোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই। (শুয়াবুল ঈমান: ৩৫৫৪)

 

সুতরাং এই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কিয়ামুল লাইল অর্থাৎ নফল নামাজে দীর্ঘ কিরাত পড়া এবং লম্বা সেজদা করা এ রাতের বিশেষ একটি আমল।

 

৪. ভিত্তিহীন কাজ পরিহার: হাদিস শরীফে শবে বরাতের রাতে রাসুল (স.) থেকে বিশেষ পদ্ধতিতে কোনও ইবাদত প্রমাণিত নেই। সাহাবায়ে কেরামদের থেকেও এর কোনও প্রমাণ পাওয়া যায় না। সুতরাং আমাদের সমাজে প্রচলিত শবে বরাতের বিশেষ পদ্ধতির যে নামাজের কথা বলা হয় তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট। এগুলো বিশ্বাস করা এবং এগুলোর ওপর আমল করা কোনোভাবেই জায়েজ নেই।

 

৫. ক্ষমা প্রার্থনা করা: শবে বরাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো বেশি বেশি তাওবা-ইস্তিগফার করা। কারণ বরকতময় এই রাতে আল্লাহ তাআলা প্রথম আকাশে এসে বান্দাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন। তাদের গুনাহগুলো মাফ করেন। হাদিস শরীফে বিবৃত হয়েছে, রাসুল (স.) বললেন, যখন অর্ধ শাবানের রাত আসে তখন আল্লাহ তাআলা প্রথম আকাশে অবস্থান করে, মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া অন্যদের ক্ষমা করে দেন। (মুসনাদে বাজজার: ৮০)

আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় হামলা চালাচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ এনসিপির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় হামলা চালাচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ এনসিপির
শেয়ার করুন

ভোটের প্রচারে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা করছে বলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশব্যাপী হামলার প্যাটার্ন অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট দলই এসব করে যাচ্ছে।

 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আইমান রাহাত এই অভিযোগ করেন।

 

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

এনসিপির পক্ষ থেকে সিইসি বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে সম্প্রতি ঘটা আটটি অভিযোগের বিষয়ে তুলে ধরা হয়।

 

এসময় এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আরও অভিযোগ করে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন তার বক্তব্য বিএনপির প্রার্থী বাছাইয়ে পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআইসহ তিন প্রতিষ্ঠানের জরিপের কথা উল্লেখ করেছেন। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ।

 

একই সঙ্গে গত ৩১ জানুয়ারি তারেক রহমানের বক্তব্য ১০ হাজারের কৃষি ঋণ মাফের রেশ ধরেই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা সহযোগী হয়ে কাজ করছে বলেও অভিযোগ জানানো হয়।