খুঁজুন
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবি! দোকানে দিলেন তালা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে বিএনপি নেতার চাঁদা দাবি! দোকানে দিলেন তালা
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের চকরিয়ায় চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নোমানের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নাম ভাঙিয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।

 

বৃ্‌হস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) চকরিয়া পৌর এলাকায় এ ঘটনায় প্রতিকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোহাম্মদ নোমান। তিনি কিছমত আলী পাড়া এলাকার মৃত মৌলভী নুর মোহাম্মদের ছেলে।

 

ভুক্তভোগী নোমান সাংবাদিকদের বলেন, “চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শপথের দিন তার প্রভাব দেখিয়ে ফাঁসিয়াখালীর গাবতলি বাজারে আমার মালিকানাধীন দোকান ‘ইত্যাদি স্টোরে’ দলবল নিয়ে এসে হামলা করে তালা লাগিয়ে দেন বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম। তিনি নফাঁসিয়াখালীর ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক।”

 

 

নোমান বলেন, “বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নুরুল ইসলামের নিকটাত্মীয় হেলাল উদ্দিন হেলালী ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ার পর আমার দোকানে প্রথম দফা হামলা হয়। ঐ ঘটনায় আমি মামলা করি এবং বিবাদীরা জেলে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও নুরুল ইসলামের স্ত্রীর বড় ভাই ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মাস্টার সিরাজ উদ্দিন আহমেদের মধ্যস্থতায় আপোষ হয়। এর অংশ হিসেবে ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে নুরুল ইসলাম ভবিষ্যতে আমার দোকান নিয়ে কোনো প্রকার ঝামেলা করবেন না বলে ‘অঙ্গিকারনামা’ প্রদান করেন।”

 

তিনি আরও বলেন, “সেই অঙ্গিকারনামা ভঙ্গ করে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কেড়ে নেওয়ায় পাঁয়তারা করছেন নুরুল ইসলাম। তিনি আমার কাছে বিভিন্ন সময় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। টিভিতে দেখেছি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি যে-ই করুক না কেন তাদেরকে কোন ছাড় দেয়া হবে না। মাননীয় মন্ত্রীসহ প্রশাসনের কাছে আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান চাই।”

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম বলেন, “আপনারা এলাকায় খবর নেন, এটা আমার দোকান আমি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি। তার অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা বানোয়াট।”

 

প্রসঙ্গত, চকরিয়া ও পেকুয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-১ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে গত মঙ্গলবার সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সালাউদ্দিন আহমদ।

 

কর্মদিবসের প্রথম দিন বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “বাংলাদেশে মব কালচারের দিন শেষ। মব কালচারকে আর কোনোভাবে উৎসাহিত করা হবে না।”

 

 

সূ

Go back

Your message has been sent

Warning
Warning
Warning
Warning

Warning.

ত্র : Dhakapost

ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে?

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২৪ পূর্বাহ্ণ
ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে?
শেয়ার করুন

সেহরি খেয়ে রোজা রাখা সুন্নত। হাদিসের ভাষায়, সেহরিতে রয়েছে অসংখ্য বরকত ও কল্যাণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও। কেননা, সেহরিতে বরকত রয়েছে।’ (সহিহ মুসলিম)

 

রমজান মাসে অনেকেরই এমন পরিস্থিতি হয়—সহবাস বা স্বপ্নদোষের কারণে গোসল ফরজ হয়েছে, কিন্তু সেহরির সময় খুব কম, বা ঘুম থেকে দেরিতে ওঠার কারণে তখনই গোসল করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় অনেকের মনে প্রশ্ন আসে: গোসল না করে সেহরি খেলে কি রোজা হবে?

 

গোসল ফরজ হওয়ার কারণ

 

সুনির্দিষ্ট চার কারণের যে কোনে একটি সংঘটিত হলেই গোসল ফরজ হয়। তাহলো-

 

১. জানাবাত থেকে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা হওয়ার গোসল। এটি নারী-পুরুষের যৌন মিলন, স্বপ্নদোষ বা যে কোনো উপায়ে বীর্যপাত হলে। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেন-

 

وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُواْ

 

‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৬)

 

২. মাসিক বন্ধ হওয়ার পর নারীদের পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করা ফরজ।

 

৩. সন্তান প্রসবের পর নেফাসের রক্ত বন্ধ হলে পবিত্র হওয়ার জন্য নারীদের গোসল করা ফরজ।

 

৪. আর জীবতদের জন্য মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া ফরজ।

 

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র জীবন থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রমজান মাসে সহবাসের ফলে ফরজ গোসল অবস্থায় রাসুল (সা.) সুবহে সাদিক অতিবাহিত করতেন। এরপর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। (সহিহ বুখারি: ১৮২৯)

 

উম্মুল মুমিনিন হজরত উম্মে সালামা (রা.) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে যে গোসল ফরজ অবস্থায় আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর ফজরের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং রোজা পালন করতেন। (সহিহ বুখারি: ১৯২৬)

 

সব সময়ই মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। এক্ষেত্রে তীব্র লজ্জা কিংবা গোসলের পরিবেশ নাই মনে করা শরিয়তসম্মত ওজর নয়। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/১৫১)

 

عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” مَنْ فَاتَتْهُ الصَّلَاةُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ

.أَهْلَهُ وَمَالَهُ

 

হজরত নওফেল বিন মুআবিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল ﷺ বলেছেন, যার নামাজ কাজা হয়ে গেল, যেন তার পরিবার ও সম্পদ সবই ধ্বংস হয়ে গেল।

 

(মুসনাদে আহমাদ : ২৩৬৪২)

ঘুমের ২০টি ট্যাবলেট একসঙ্গে খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মেঘমল্লার বসুর, হাসপাতালে ভর্তি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
ঘুমের ২০টি ট্যাবলেট একসঙ্গে খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মেঘমল্লার বসুর, হাসপাতালে ভর্তি
শেয়ার করুন

একসঙ্গে একাধিক ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি মেঘমল্লার বসু আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

গণমাধ্যমকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল জানান, মেঘমল্লার বসু আত্মহননের চেষ্টা করেছেন।তাকে শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন মেঘমল্লার বসুর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন জুবেল।

 

তবে কেন মেঘমল্লার বসু এই কাজ করেছেন এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঘুমের ২০টি ট্যাবলেট একসঙ্গে খেয়ে নেন মেঘমল্লার বসু। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রথমবার শহীদ মিনারে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
প্রথমবার শহীদ মিনারে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

 

অন্য বছর এই দিনে ছাত্র শিবিরের পক্ষ থেকে শোভাযাত্রা, আলোচনার মত আয়োজন থাকলেও জামায়াত আমির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাচ্ছেন এবারই প্রথম।

 

শুক্রবার বিকালে জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে’ ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে শফিকুর রহমান শহীদ মিনারে যাবেন। ১১ দলীয় ঐক্যজোটের সংসদ সদস্যরা তার সঙ্গে থাকবেন।

 

 

সেখানে বলা হয়, জামায়াত আমির ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করবেন।