খুঁজুন
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

বদলি ঠেকিয়ে সৈকতের রাজা বনে যাওয়া আপেল মাহমুদের কান্ড

পর্যটক সেবার সরঞ্জাম ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য

শাহেদ ফেরদৌস হিরু
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
পর্যটক সেবার সরঞ্জাম ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য
শেয়ার করুন

পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার জন্য কক্সবাজারে গড়ে তোলা হয়েছিল ট্যুরিস্ট পুলিশের একাধিক অবকাঠামো। কিন্তু সেই অবকাঠামোই এখন পরিণত হয়েছে অবৈধ ভাড়া, মাসোহারা ও চাঁদাবাজির উৎসে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, কটেজ জোনের পতিতালয় ও অবৈধ স্পা থেকে মাসোহারা আদায়সহ সরকারি অবকাঠামো বাণিজ্যিকভাবে ভাড়া দিয়ে কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। এসব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার (এডিশনাল ডিআইজি পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ আপেল মাহমুদ এমন অভিযোগ করছেন ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার, অভিযোগ কেন্দ্র, পুলিশ বক্স এমনকি সরকারি জেট স্কিও অবৈধভাবে ভাড়া দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর কোনো প্রতিকার হয়নি।

জানা গেছে, লাবণী পুলিশ ফাঁড়ির সামনে স্থাপিত একটি ওয়াচ টাওয়ার রেস্টুরেন্টে রূপান্তর করে ঈদগাহ উপজেলার বোরহান ও তায়েফ নামের দুই ভাইয়ের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়। অগ্রিম হিসেবে নেওয়া হয় ৮ লাখ টাকা। রেস্টুরেন্টটির নাম দেওয়া হয় অর্ণব ক্যান্টিন। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সেটিকে ট্যুরিস্ট পুলিশ ক্যান্টিন নামে চালানো শুরু করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও পর্যটকদের সেবার জন্য সুগন্ধা পয়েন্টে চালু করা হয় শহীদ কনস্টেবল পারভেজ নামে ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি তথ্য ও অভিযোগ কেন্দ্র। তবে অভিযোগ রয়েছে, পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে ওই অভিযোগ কেন্দ্রটি আজিজ নামের এক ব্যক্তির কাছে লকার হিসেবে ব্যবহারের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়।

একইভাবে কলাতলীতে পর্যটকদের সুবিধার্থে স্থাপিত ট্যুরিস্ট পুলিশ হেল্প ডেক্স বক্স দোকান ও লকার হিসেবে ভাড়া দিয়ে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

লাবণী বীচ থেকে কলাতলী পর্যন্ত পুরো বীচ এলাকায় একটি রড কোম্পানির বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়। অভিযোগ আছে, এসব বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা আদায় করা হয়।

সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের বিপরীত পাশে কটেজ জোনে থাকা সাতটি পতিতালয় থেকে এক দালালের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেড় লাখ টাকা করে মাসোহারা নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন কটেজ জোনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র। অভিযোগ রয়েছে, এসব পতিতালয়ে মাঝে মাঝে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

এছাড়াও কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে থাকা ৫০টিরও বেশি অবৈধ স্পা থেকে অভিযানের ভয় দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে মাসিক ভিত্তিতে কয়েক লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্পা সংশ্লিষ্টদের দাবি, মাঝে মাঝে অভিযানের নামে চাপ সৃষ্টি করে অতিরিক্ত অর্থও আদায় করা হয়।

পর্যটকদের নিরাপত্তায় ব্যবহারের জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশকে দেওয়া চারটি জেট স্কিও ভাড়া দিয়ে অকেজো করে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া কোটি টাকার বীচ বাইক নষ্ট অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে ট্যুরিষ্ট পুলিশ কার্যালয়ের পার্কিংয়ে। আবার এসব জেট স্কি ও বীচ বাইকের ইঞ্জিন বিকল দেখিয়ে বাইরে ইঞ্জিন বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। যার ফলে সরকারি সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সুগন্ধা পয়েন্টে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসনের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও তারা দোকান বসাতে পারছেন না। তাদের দাবি, জয়নাল নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে টাকা দিলে তবেই দোকান চালানোর সুযোগ মেলে। জয়নালের ইশারা পেলেই নির্দিষ্ট দোকান উচ্ছেদ করা হয় এবং তা বাস্তবায়ন করা হয় ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপারের মাধ্যমে। মাসিক টাকার বিনিময়ে আপেল মাহমুদ যুবদল নেতা জয়নালের ভাড়াটে হিসেবে কাজ করার অভিযোগও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে আপেল মাহমুদকে বদলির আদেশ দেওয়া হলেও পরবর্তীতে এক উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে সেই বদলি স্থগিত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও নানান অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে বান্দরবান বদলি করা হলেও তদবিরের মাধ্যমে সেখান থেকে আবার কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

দেশের প্রধান পর্যটন শহর হিসেবে কক্সবাজারের সুনাম দেশ-বিদেশে। কিন্তু ট্যুরিস্ট পুলিশের একটি অংশের বিরুদ্ধে ওঠা এসব গুরুতর অভিযোগ পর্যটন খাতের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবী এই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত কবে হবে, আর ট্যুরিস্ট পুলিশের নামে গড়ে ওঠা এই অবৈধ সাম্রাজ্যের দায় শেষ পর্যন্ত কে নেবে?

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোঃ আপেল মাহমুদ স্পষ্টভাবে বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ কিংবা তাঁর নাম ব্যবহার করে কেউ যদি পতিতালয়, স্পা বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ আদায় করে, সে দায় ট্যুরিস্ট পুলিশ গ্রহণ করবে না। বরং কেউ যদি ট্যুরিস্ট পুলিশের নামে টাকা চাইতে আসে, তাহলে তাকে আটকে রেখে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে অবহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, জুলফিকার স্টীল নামের যে প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, সেই প্রতিষ্ঠানকে তিনি চেনেন না এবং তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ-এর কোনো ধরনের চুক্তিও নেই। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সব বিলবোর্ড অপসারণের জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ বক্স ও তথ্যকেন্দ্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পর্যটকদের সুবিধার্থেই এসব স্থানে দুইজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এর সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়নি।

ওয়াচ টাওয়ার ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, বোরহান নিজ উদ্যোগে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় করে ওয়াচ টাওয়ারটি সাজিয়ে-গুছিয়ে ব্যবহার উপযোগী করে তুলছেন। এই অর্থ ট্যুরিস্ট পুলিশ ফেরত দেবে। ওয়াচ টাওয়ারটি ভাড়া দেওয়া হয়নি বরং ট্যুরিস্ট পুলিশের ক্যান্টিন পরিচালনার উদ্দেশ্যেই বোরহানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সবশেষে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ কিংবা তিনি নিজে মোঃ আপেল মাহমুদ যদি কারো কাছ থেকে কোনো ধরনের অনৈতিক আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে থাকেন, তার প্রমাণ পাওয়া গেলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে শাস্তি দেবেন, তা তিনি বিনা দ্বিধায় মেনে নেবেন।

তেহরানে নতুন করে ব্যাপক হামলা শুরু ইসরায়েলের

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ
তেহরানে নতুন করে ব্যাপক হামলা শুরু ইসরায়েলের
শেয়ার করুন

ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন করে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। সোমবার (২ মার্চ) ভোরে তেহরানে উড়ে যায় ইসরায়েলি বিমান।

 

 

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধবিমান তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে আঘাত হানছে।

 

ইসরায়েল যখন এ তথ্য জানাচ্ছে, তখন ইরানের বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, তেহরানের বেশ কয়েক জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

 

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ধ্বংসস্তূপ থেকে খামেনির দেহ উদ্ধারের ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ
ধ্বংসস্তূপ থেকে খামেনির দেহ উদ্ধারের ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি
শেয়ার করুন

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধারের একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, লাশ উদ্ধারের দৃশ্য দাবি করে প্রচারিত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি।

 

গতকাল শনিবার ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। আজ রোববার ভোরে আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনির মৃত্যুর কথা স্বীকার করে ইরান সরকার। ৮৬ বছর বয়সী আলী খোমেনি যে ভবনে ছিলেন, তার একাংশ গুঁড়িয়ে গেছে।

 

এরপর ফেসবুকের একটি ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে একটি ছবি পোস্ট করা হয়, যাতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপে আলী খামেনির মরদেহ একটি পিলারের নিচে চাপা পড়ে আছে। তাঁর দেহের পাশেই তাঁর মাথার পাগড়ি ও চোখের চশমাটি পড়ে আছে। উদ্ধারকর্মীরা সেখান থেকে তাঁর লাশ বের করার চেষ্টা করছেন।

 

ভালো করে ছবিটি দেখলে তাতে বেশ কিছু অসংগতি খুঁজে পাওয়া যায়। ছবিতে আলী খামেনির দেহ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে চাপা থাকলেও শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় না। এমনকি তাঁর সামনে পড়ে থাকা চশমাটিও পুরোপুরি অক্ষত।

 

সন্দেহ জাগায় নিশ্চিত হতে এআই কনটেন্ট শনাক্তকরণ টুল হাইভ মডারেশন ও এআই অর নট দিয়ে যাচাই করে দেখা গেছে, এই ছবি এআই দিয়ে তৈরির সম্ভাবনা প্রবল।

লেবানন থেকে ইসরায়েলে রকেটে নিক্ষেপ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৬:০০ পূর্বাহ্ণ
লেবানন থেকে ইসরায়েলে রকেটে নিক্ষেপ
শেয়ার করুন

দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে লেবানন থেকে রকেট ছোড়া হয়েছে। বাংলাদে সময় সোমবার ভোরে ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ করা হয়।

 

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, রকেট নিক্ষেপের কারণে উত্তর ইসরায়েলে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে উঠেছে।

 

সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে বন্দরনগরী হাইফা এবং এর আশপাশের অঞ্চলে। এছাড়া আপার গিলিলিতেও সাইরেন বেজেছে।

 

লেবানন থেকে কারা রকেট ছুড়েছে সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। তবে হিব্রু ভাষার সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুললাহ রকেটগুলো ছুড়েছে। তবে হিজবুল্লাহ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু জানায়নি।

 

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, যদি হিজবুল্লাহ রকেটগুলো ছোড়ে তাহলে গত কয়েক মাসের মধ্যে এটি তাদের প্রথম রকেট হামলা হবে। এছাড়া ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে ইসরায়েলে প্রথম হামলা হবে এটি। গত বছরের জুনে ইরান-ইসরায়েল ১২ দিনের যুদ্ধে অংশ নেয়নি হিজবুল্লাহ।

 

 

২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। এরপর আর তারা ইসরায়েলে কোনো ধরনের হামলা চালায়নি।

 

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা একটি রকেট ভূপাতিত করেছে। আর কয়েকটি রকেট উন্মুক্ত স্থানে পড়েছে। যেহেতু এগুলো উন্মুক্ত স্থানে ছিল ফলে এগুলো আটকাতে কোনো প্রতিরক্ষা মিসাইল ছোড়া হয়নি।

 

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল