খুঁজুন
বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিরুকে হয়রানির প্রচেষ্টা ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তার: ক্র্যাকের নিন্দা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিরুকে হয়রানির প্রচেষ্টা ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তার: ক্র্যাকের নিন্দা
শেয়ার করুন

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ আপেল মাহমুদ নিজের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে এবার সাংবাদিক শাহেদ ফেরদৌস হিরুর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও অপকর্মের অভিযোগ আড়াল করতেই এ জিডি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা। এ ঘটনায় জেলায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

 

জানা গেছে, কক্সবাজারের দৈনিক সকালের কক্সবাজার নামের একটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে কটেজ জোনের পতিতালয়, অবৈধ স্পা, সরকারি স্থাপনা বাণিজ্যিকভাবে ভাড়া দেওয়া এবং পর্যটন নিরাপত্তা অবকাঠামো ব্যক্তিগত আয়ের উৎসে পরিণত করার অভিযোগ তোলা হয়। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে আপেল মাহমুদের নেতৃত্বেই এসব কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে।

 

অনুসন্ধানে উঠে আসে, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য নির্মিত ওয়াচ টাওয়ার, অভিযোগ কেন্দ্র, পুলিশ বক্স ও সরকারি জেট স্কি অবৈধভাবে ভাড়া দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, লাবণী পুলিশ ফাঁড়ির সামনে স্থাপিত একটি ওয়াচ টাওয়ার রেস্টুরেন্টে রূপান্তর করে অগ্রিম ৮ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়া দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি আলোচনায় এলে সেটি ট্যুরিস্ট পুলিশ ক্যান্টিন নামে পরিচালনা করা শুরু হয়।

 

এছাড়া সুগন্ধা পয়েন্টে শহীদ কনস্টেবল পারভেজের নামে স্থাপিত তথ্য ও অভিযোগ কেন্দ্রও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে লকার হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে কলাতলীতে স্থাপিত ট্যুরিস্ট পুলিশ হেল্প ডেস্ক বক্স দোকান ও লকার হিসেবে ব্যবহারের জন্য ভাড়া দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

 

লাবণী বীচ থেকে কলাতলী পর্যন্ত একটি রড কোম্পানির বিজ্ঞাপন বিলবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে প্রায় ২০ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। কটেজ জোনে থাকা সাতটি পতিতালয় থেকে মাসিক ভিত্তিতে মাসোহারা আদায় এবং শহরের বিভিন্ন হোটেলে পরিচালিত অর্ধশতাধিক অবৈধ স্পা থেকে দালালের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠে আসে।

 

সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ চারটি জেট স্কি ভাড়া দিয়ে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া বীচ বাইক অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে এবং ইঞ্জিন বিক্রির মাধ্যমেও অনিয়ম হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।

 

সুগন্ধা পয়েন্টের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসনের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে অর্থ প্রদান না করলে দোকান বসাতে দেওয়া হয় না। প্রভাবশালী এক স্থানীয় ব্যক্তির মাধ্যমে এসব নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার সহযোগিতায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

এদিকে ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে আপেল মাহমুদের বদলির আদেশ জারি হলেও পরবর্তীতে তা স্থগিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অতীতেও তাকে অন্য জেলায় বদলি করা হলেও তদবিরের মাধ্যমে পুনরায় কক্সবাজারে দায়িত্ব নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

 

এসব অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সাব-এডিটর শাহেদ ফেরদৌস হিরুর বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন আপেল মাহমুদ।

 

সাংবাদিক নেতাদের দাবি, অভিযোগ মিথ্যা হলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু তা না করে জিডির মাধ্যমে সাংবাদিককে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হয়েছে।

 

এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কক্সবাজার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির সভাপতি জসিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আজিম নিহাদ এক বিবৃতিতে দাবী করেন, দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জিডি করে সত্য প্রকাশ বন্ধ করা যাবে না। তারা অবিলম্বে জিডি প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আহ্বান জানান। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

এনসিপির বহিষ্কৃত নেতা তানভীরের বিদেশযাত্রায় বাধা নেই

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ
এনসিপির বহিষ্কৃত নেতা তানভীরের বিদেশযাত্রায় বাধা নেই
শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বহিষ্কৃত যুগ্ম সদস্য সচিব এ বি এম গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লকের আদেশ প্রত্যাহার করেছেন আদালত।

 

ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ গত রবিবার (১ মার্চ) শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। বিষয়টি মঙ্গলবার দুদক নিশ্চিত করেছে। দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, “গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও এনআইডি আনব্লক চেয়ে করা আবেদন শুনানি শেষে আদালত মঞ্জুর করেছেন।”

 

 

তানভীরের বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধান শেষ হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুদক আদালতকে প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও এনআইডি ব্লকের আদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করলে তা মঞ্জুর হয়।

 

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাদের নিয়ে গঠিত দল এনসিপির শীর্ষস্থানীয় নেতা তানভীরের ‘হঠাৎ বিলাসী জীবন’ এবং সামাজিক মাধ্যমে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দলটির ভেতরে আলোচনার জন্ম হয়।

 

দুর্নীতির অভিযোগের পর ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল এনসিপি তাকে যুগ্ম সদস্য সচিবের দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়। ওই সময়ে জেলা প্রশাসক নিয়োগ ও এনসিটিবির বই প্রকাশ সংক্রান্ত ‘কমিশন বাণিজ্য’ ও হস্তক্ষেপের অভিযোগে তার বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

এরপর ২৭ মে দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও এনআইডি ব্লকের আদেশ জারি করা হয়। তবে বর্তমানে আদালতের আদেশে সেই বাধা তুলে দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটিতে সরাসরি আঘাত হানল ইরানি মিসাইল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটিতে সরাসরি আঘাত হানল ইরানি মিসাইল
শেয়ার করুন

কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে সরাসরি আঘাত হেনেছে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল। বুধবার (৪ মার্চ ) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে চারটার দিকে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। খবর আল জাজিরা

 

তারা বলেছে, কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান দোহার দিকে দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে। এরমধ্যে একটি প্রতিরক্ষা মিসাইল দিয়ে প্রতিহত করা হয়। অপর একটি মিসাইল আল-উদেইদ ঘাঁটিতে সরাসরি আঘাত হানে।

 

এই ঘাঁটিতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। এটি মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি। তবে মিসাইল হামলায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে কাতারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেট ভবনে ড্রোন হামলা করেছে ইরান। এ ঘটনায় ভবিনটির কাছে আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

 

 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ঘটনার পর কনস্যুলেটের আশপাশ এলাকায় ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও, যা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা যাচাই করেছে বলে জানিয়েছে, সেগুলোতেও ঘটনাস্থলের কাছ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।

 

 

দুবাই মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানায়, মার্কিন কনস্যুলেটের নিকটবর্তী এলাকায় একটি ড্রোন হামলার ঘটনা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। জরুরি সেবা বিভাগের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঘটনায় কোনও ব্যক্তি আহত হননি এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

 

 

এর আগে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে কিছু ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেলেও হতাহতের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হলেন খামেনির ছেলে মোজতবা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৫ পূর্বাহ্ণ
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হলেন খামেনির ছেলে মোজতবা
শেয়ার করুন

ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রভাব ও চাপে ‘এসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ তাকে এই পদে নির্বাচিত করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে পর্দার আড়ালে থেকে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে সক্রিয় থাকা মোজতবা খামেনি এখন দেশটির সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় প্রধান।

 

 

১৯৬৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ইরানের মাশহাদ শহরে এক ধর্মীয় পরিবারে জন্ম নেওয়া মোজতবা ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির ছেলে। ১৯৮৭ সালে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করার পরপরই তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে (আইআরজিসি) যোগ দেন এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেন। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে তিনি কোম শহরের সেমিনারিতে উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং সেখানে শিক্ষকতাও করেন।

 

মোজতবা খামেনি মূলত ‘অফিস অব দ্য সুপ্রিম লিডার’-এর একজন প্রভাবশালী নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত। বাবার দপ্তরে কাজ করার সুবাদে তিনি সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে শক্তিশালী যোগাযোগ গড়ে তোলেন। তাকে ইরানের ক্ষমতার অন্যতম কারিগর (পাওয়ার ব্রোকার) হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে তার এই ক্ষমতা আরোহণের বিষয়টি বিতর্কহীন ছিল না। ২০০৫ ও ২০০৯ সালের নির্বাচনে মাহমুদ আহমাদিনেজাদের বিজয়ে নেপথ্যে থেকে ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

এছাড়া ২০০৯ সালের নির্বাচন-পরবর্তী আন্দোলন এবং ২০২২ সালে জিনা মাহসা আমিনীর মৃত্যুর পর দেশব্যাপী চলা বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীকে কঠোরভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। ২০২২ সালের আগস্ট মাসে কোম সেমিনারের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি মাধ্যম তাকে ‘আয়াতুল্লাহ’ উপাধিতে ভূষিত করে। একজন ধর্মীয় নেতা হিসেবে যে ধরনের উচ্চতর পাণ্ডিত্য ও গ্রহণযোগ্যতার প্রয়োজন হয়, তা না থাকা সত্ত্বেও এই উপাধি ব্যবহার তার উত্তরসূরি হওয়ার পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবেই বিবেচিত হয়েছিল।

 

 

বর্তমানে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিলেন যখন ইরান গভীর ভূ-রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন বাবার ছায়ায় থেকে পর্দার আড়ালে কাজ করলেও, এখন থেকে তাকে প্রকাশ্যে ইরানের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করতে হবে।