খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২

সীমান্তে ইরানি পতাকা নামিয়ে উড়ানো হলো কালো পতাকা, শোকের ইঙ্গিত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সীমান্তে ইরানি পতাকা নামিয়ে উড়ানো হলো কালো পতাকা, শোকের ইঙ্গিত
শেয়ার করুন

ইরান-তুরস্ক সীমান্তের রাজি ক্রসিং পয়েন্টে ইরানের জাতীয় পতাকা নামিয়ে সেখানে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে সীমান্ত এলাকা থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, আকাশে উড়ছে একটি কালো পতাকা, যেখানে সাধারণত ইরানের সবুজ-সাদা-লাল জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা যায়।

 

 

ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু ঘিরে এই কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ইরানি সংস্কৃতি ও শিয়া ধর্মীয় ঐতিহ্যে কালো পতাকা শোকের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে জাতীয় বা ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কালো পতাকা উত্তোলনের নজির রয়েছে।

 

 

রাজি সীমান্ত ক্রসিং ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি তুরস্কের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। এই পথ দিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও যাত্রী চলাচল হয়ে থাকে। সীমান্তে জাতীয় পতাকার পরিবর্তে কালো পতাকা উত্তোলন আন্তর্জাতিকভাবে একটি শক্ত বার্তা বহন করে-এটি কেবল শোক প্রকাশই নয়, বরং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের গভীর পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিতে পারে।

 

বর্তমানে ইরান আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর খবর দেশটির ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোয় সর্বোচ্চ নেতা রাষ্ট্র, সামরিক বাহিনী ও বিচারব্যবস্থার ওপর সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব রাখেন। ফলে তার মৃত্যু ক্ষমতার উত্তরাধিকার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করতে পারে।

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্তে কালো পতাকা উত্তোলন অভ্যন্তরীণ শোক প্রকাশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলকেও পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝানোর প্রতীকী পদক্ষেপ হতে পারে। তবে এ বিষয়ে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

ইরানকে বেলারুশের প্রেসিডেন্টের জিজ্ঞাসা, কী সাহায্য দরকার আপনাদের?

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫১ পূর্বাহ্ণ
ইরানকে বেলারুশের প্রেসিডেন্টের জিজ্ঞাসা, কী সাহায্য দরকার আপনাদের?
শেয়ার করুন

বেলারুশে ইরানের রাষ্ট্রদূত সেদেশের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

 

ওই সাক্ষাতে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সর্বোপরি বৃহৎ শক্তিগুলো, বিশেষ করে ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বুঝতে হবে যে এই সংঘাত বিশ্বকে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। যুদ্ধ আমাদের কাছে সহজাতভাবে অগ্রহণযোগ্য।

 

ইরানের ওপর ইসরায়েলি ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অগ্রহণযোগ্য। বিশেষ করে, এই হামলার ফলে, নিরপরাধ নাগরিক এবং প্রথমত, শিশুরা মারা যায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও শহীদ হন।

 

বৈঠকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট ইরানের দেশের রাষ্ট্রদূতকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, এই বিরোধের মুখে আমরা যে অবস্থান নিয়েছি তা বিবেচনা করে, আমরা কীভাবে এই পরিস্থিতিতে আপনাকে সাহায্য করতে পারি?

 

 

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ার এক মার্কিন ইউজার ক্ষোভের সাথে বলেছেন, মাত্র ৪ দিনের মধ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তার সমস্ত সামরিক ঘাঁটি হারিয়েছে। ৭০ বছর সময় নিয়েছে এগুলো নির্মাণ ও সজ্জিত করতে। সেই সাথে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়েছে।

 

সূত্র: পার্সটুডে

আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দাস হব না: স্পেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ পূর্বাহ্ণ
আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দাস হব না: স্পেন
শেয়ার করুন

‘স্পেন যুক্তরাষ্ট্রের দাস হবে না’ বলে মার্কিন প্রশাসনকে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে স্পেন। স্প্যানিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী মারিয়া জেসুস মন্টেরো বলেছেন, আমরা নিশ্চিতভাবে কারও দাস হবো না। কোনো হুমকি বরদাশত করবো না এবং নিজেদের মূল্যবোধের রক্ষা করবো।

 

স্পেনের সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ছে। স্পেনের এই অবস্থানের কারণে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতেই এসব মন্তব্য কররেন স্প্যানিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী।

 

এদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ আগেই সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, কেবল কারও প্রতিশোধ এড়ানোর জন্য আমরা এমন কোনো কর্মকাণ্ডে সহযোগী হবো না, যা বিশ্বের জন্য ক্ষতিকর বা আমাদের মূল্যবোধ ও স্বার্থের বিরোধী।

 

সূত্র: আল-জাজিরা

‘খামেনি শহীদ হওয়ার মূল্য দিতে হবে, ইনশাআল্লাহ’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
‘খামেনি শহীদ হওয়ার মূল্য দিতে হবে, ইনশাআল্লাহ’
শেয়ার করুন

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উস্কানিমূলক কৌশলের প্রভাবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে আমেরিকার বড় ক্ষতি করেছেন।

 

বুধবার নিজের এক্সে প্রকাশিত পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫০০ সেনা নিহত হয়েছেন।

 

তিনি প্রশ্ন করেছেন, ‘শুধু কয়েক দিনের মধ্যে ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পরও কি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বাস্তব?’

 

লারিজানি বলেন, ট্রাম্প ইসরায়েলের প্ররোচনায় আমেরিকান জনগণকে অন্যায় যুদ্ধে টেনে এনেছেন।

 

 

সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আরও জানান, ইসলামি বিপ্লবের নেতা আলি খামেনি হত্যার প্রতিশোধে ইরান ধারাবাহিক আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এই হামলায় ইসরায়েলি অঞ্চলের স্থাপনাগুলো এবং ইরানের নিকটবর্তী দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে অভূতপূর্ব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

 

লারিজানি সতর্ক করেছেন, ‘গল্প চলতেই থাকবে। ইমাম খামেনির শহীদ হওয়ার মূল্য আপনাদের দিতে হবে। ইনশাআল্লাহ।’

 

সূত্র: প্রেস টিভি