খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০ বৈশাখ, ১৪৩৩

‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হু/ম/কি পেলেন ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
‘দাঁত ফেলে দেওয়ার’ হু/ম/কি পেলেন ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক
শেয়ার করুন

ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী। তিনি ছাত্রদল নেতা মো. আলাউদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং দাঁত ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

 

বুধবার (২২ এপ্রিল) ঢাবির প্রক্টর অফিসের সামনে সংবাদ সম্মেলনে মুসাদ্দিক আলী ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, আজ বেলা ১টা ২৫ মিনিট থেকে ১টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে কলা ভবনের পেছনের ফটকের সামনে ক্লাসে যাওয়ার পথে আলাউদ্দিনসহ আরো কয়েকজন তার পথ রোধ করেন।

 

তিনি বলেন, পথ রোধ করে দাঁড়ালে আমি জিজ্ঞেস করি যে কী হইছে ভাই? আপনি কে? আমি তাকে চিনতে পারছিলাম না।

 

 

সে আমাকে প্রথমেই বলে, তুই আমাকে চিনতে পারতেছিস না? প্রথমেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বলে আমার দাঁত ফেলে দেবে।

ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক আরো অভিযোগ করেন, আলাউদ্দিন তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এক পর্যায়ে মারতে যান। এ সময় সঙ্গীরা তাকে সরিয়ে নিলেও বারবার তেড়ে এসে হামলার চেষ্টা করেন এবং যাওয়ার সময় হুমকি দেন।

 

ছাত্রদল নেতা মো. আলাউদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমি মুসাদ্দিককে বলছি, তুমি আমার নামে যে মিথ্যা কথা লিখেছ, আমিও তো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র।

 

আমার নামে যে ভুয়া কথাগুলা, মিথ্যা প্রপাগান্ডা কেন ছড়িয়েছে, এ কথার জবাব চেয়েছি শুধু তার কাছে।

কক্সবাজারে পর্যাপ্ত বিমান শক্তি থাকলে রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টি হত না: সেনাপ্রধান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে পর্যাপ্ত বিমান শক্তি থাকলে রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টি হত না: সেনাপ্রধান
শেয়ার করুন

কক্সবাজার বা চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিমান বাহিনীর শক্তিশালী অবস্থান থাকলে রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টি হত না বলেই মনে করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

 

সামরিক সরঞ্জামের ‘অপর্যাপ্ততার’ কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন, যুদ্ধ এড়ানোর জন্যও পর্যাপ্ত প্রস্তুতি প্রয়োজন।

 

বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

 

এই কোর্সে মোট ৪৫ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে ছিলেন পাঁচজন সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষক, চিকিৎসক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং করপোরেট প্রতিনিধি।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান বলেন, “আমি আপনাদের সামরিক বিষয়াবলীতে—সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর—আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করি। কারণ এগুলো জাতীয় প্রতিষ্ঠান এবং এগুলোর সক্ষমতা সম্পর্কে জানার অধিকার আপনাদের রয়েছে।

 

যেমন বাংলাদেশ নৌবাহিনী আমাদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাহিনী। আমরা ব্যাপকভাবে আমদানি ও রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল এবং আমাদের সমুদ্রপথের যোগাযোগ রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। নৌবাহিনীকে শক্তিশালী না করলে এই যোগাযোগ ব্যবস্থা সুরক্ষিত থাকবে না।”

 

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, “আপনারা কল্পনা করতে পারেন এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নৌবাহিনীর সীমাবদ্ধতা রয়েছে; তাদের পর্যাপ্ত ওপিভি নেই, ফলে ছোট করভেট দিয়ে সাগরে টহল দিতে হচ্ছে যা অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ী নয়। আমাদের সমুদ্রপথ এবং জাহাজগুলোর সুরক্ষায় নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

 

“একইভাবে বিমানবাহিনীর কথা যদি বলি, দীর্ঘ সময় ধরে আমরা মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট ক্রয় করিনি। যদি কক্সবাজার বা চট্টগ্রাম এলাকায় আমাদের পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা থাকত, তবে হয়ত এই রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টিই হত না।”

 

২০১৭ সালের অগাস্টে মিয়ানমারে সহিংস সামরিক অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। জাতিসংঘ ওই ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী উদাহরণ’ হিসেবে বর্ণনা করে।

 

এরপর আরো কয়েক দফায় বাংলাদেশে এসেছে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। সব মিলিয়ে বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছে। ফলে ওই এলাকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে পরিণত হয়েছে।

 

তাদের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানের ফলে স্থানীয় অর্থনীতি, পরিবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। মিয়ানমারের পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় রোহিঙ্গাদের ফেরানোর কোনো উদ্যোগই কাজে আসেনি।

 

সেনাপ্রধান বলেন, “আজ আপনি যদি এক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন, তবে ভবিষ্যতে হয়ত ৫০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে। কথায় আছে—’সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়।’ আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিই যুদ্ধ করার জন্য নয়, বরং যুদ্ধ এড়ানোর জন্য।”

 

শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকলে পররাষ্ট্রনীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না বলেও মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান।

 

তিনি বলেন, “এই দুটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক। এ কারণেই আমি আপনাদের সবসময় সামরিক বিষয়াবলীতে আগ্রহী হতে উৎসাহিত করি। আমরা সবসময় জাতির কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চাই। আমরা এমন একটি প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তুলতে চাই যা আমাদের সম্ভাব্য শত্রুদের জন্য কার্যকর প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করবে।

 

“যে অর্গানাইজেশনের জবাবদিহিতা নাই, সে অর্গানাইজেশন কখনোই গ্রো করবে না। আমরা চাই আমাদের মিলিটারি সব সময় জবাবদিহিতার মধ্যে থাকবে।”

 

সেনাপ্রধানের বক্তব্যে সাম্প্রতিক তেল সংকটের প্রসঙ্গও আসে। স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও দেশে তেল শোধনের পর্যাপ্ত সক্ষমতা তৈরি না হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি।

 

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, “আমরা এক চ্যালেঞ্জিং পৃথিবীতে বাস করছি; প্রতিদিন নতুন নতুন সমস্যা সামনে আসছে। এনডিসিতে আসার পথে আমি দেখলাম মানুষ জ্বালানি তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছে।

 

এখানেই জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি চলে আসে। জ্বালানি নিরাপত্তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে তা অত্যন্ত স্পষ্ট। আমাদের একটি মাত্র রিফাইনারি (ইস্টার্ন রিফাইনারি) আছে যা মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করতে পারে। বাকি সব জ্বালানি আমাদের পরিশোধিত অবস্থায় চড়া দামে আমদানি করতে হয়।”

 

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার ৫৫ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আমরা ইস্টার্ন রিফাইনারির উন্নয়ন করিনি বা দ্বিতীয় কোনো রিফাইনারি তৈরি করিনি। রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল অনেক সস্তা হওয়া সত্ত্বেও রিফাইনারির অভাবে আমরা তা ব্যবহার করতে পারছি না। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা এদেশের প্রতিটি মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন।”

 

এনডিসির কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সংলাপ ও ঐকমত্য গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

তিনি বলেন, “কোর্স চলাকালে ফেলোদের সক্রিয়, চিন্তাশীল ও শ্রদ্ধাশীল অংশগ্রহণ কৌশলগত বোঝাপড়া সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের নেতৃত্বের মধ্যে একটি শক্তিশালী জাতীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হয়েছে।”

 

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের অন্যতম প্রধান কোর্স হিসেবে ক্যাপস্টোন কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, সমালোচনামূলক চিন্তাধারা বিকাশ, আন্তঃবিষয়ক সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।

 

সুত্র: বিডিনিউজ২৪.কম

দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান
শেয়ার করুন
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা দ্বিতীয় কোনো রিফাইনারি বা তেল শোধনাগার তৈরি করতে পারিনি, যা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব এখন অনেক বেশি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি), কর্তৃক আয়োজিত ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

সংসদ সদস্য, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিসহ মোট ৪৫ জন ফেলো এই কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী ফেলোরা জানান, কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করা এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।

এসময় জ্বালানি সংকট নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটিমাত্র রিফাইনারি (ইস্টার্ন রিফাইনারি) আছে যা চাহিদার মাত্র ১০-১৫ শতাংশ মেটাতে পারে। বাকি জ্বালানি আমাদের পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়, যার ফলে খরচ অনেক বেশি পড়ে।

মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল
শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) কমিশন সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে, গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) সরকারি চাকরি সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য উপস্থাপনে অসঙ্গতি এবং আইনি জটিলতার কারণে যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নটি স্থগিত করা হয়। একই সঙ্গে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বাকি ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, মনিরা শারমিন রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। নথি অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি ছাড়েন। কিন্তু গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের চাকরি ছাড়ার তিন বছরের মধ্যে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়া যায় না। মূলত এই কারণেই তার মনোনয়নটি বাতিল করা হয়।