খুঁজুন
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২ বৈশাখ, ১৪৩৩

টেকনাফে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধতার ডাক, টেসাসে নতুন কমিটি

আবদুল্লাহ আল সম্রাট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
টেকনাফে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধতার ডাক, টেসাসে নতুন কমিটি
শেয়ার করুন

দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে নতুন করে প্রাণের স্পন্দন ফিরে পাচ্ছে টেকনাফ সাংবাদিক সমিতি (টেসাস)। স্থবিরতার সেই অধ্যায়ে আজ যুক্ত হলো এক নতুন সূচনা। যেন দীর্ঘদিন পর একই ছাদের নিচে মিলিত হলো সংবাদকর্মীদের আশা, অভিজ্ঞতা আর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় টেসাসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক মমতাজুল ইসলাম মনুর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা হ্নীলা ছৈয়দুল্লাহ মার্কেটের ২য় তলায় সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়৷

 

টেকনাফের হোয়াইক্যং, হ্নীলা ও বাহারছড়া ইউনিয়নের অন্তত ২০ জন কর্মরত সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সভায় সংগঠনের অতীত, বর্তমান ও সম্ভাবনার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ তাহের নঈম, হুমায়ুন রশিদ, জিয়াউর রহমান জিয়া, শামশুল আলম শারেক,জসিম উদ্দিন টিপু, আমান উল্লাহ কবির, রমজান উদ্দিন পটল, মুহাম্মদ জাহাংগীর আলম, জাহাংগীর আলম, ছৈয়দুল আমিন ছৌধুরী, হেলাল উদ্দিন, সাদ্দাম হোসেন, ফরিদুল আলম, মো. শেখ রাসেল, সাইফুল ইসলাম শাকের ও আবদুল্লাহ আল সম্রাট ৷

 

সভায় বক্তারা আরো বলেন, সাংবাদিকতার পেশাগত মান উন্নয়ন, ঐক্যবদ্ধতা এবং নৈতিকতার ভিত্তিতে টেসাসকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করে তোলার এখনই উপযুক্ত সময়। তারা আরো বলেন, আমরা আর পেছনে ফিরে তাকাতে চাইনা। আমরা একটি সুসংগঠিত, গতিশীল এবং দায়িত্বশীল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চাই ৷

 

সভাশেষে সাংবাদিক মমতাজুল ইসলাম মনুকে আহবায়ক , জসিম উদ্দিন টিপুকে যুগ্ন আহবায়ক ও ছৈয়দুল আমিন চৌধুরী প্রিমকে সদস্য সচিব করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয় ৷

 

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি একসময় টেকনাফের সাংবাদিকদের প্রথম ও অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও, সময়ের পরিক্রমায় তা যেন ধীরে ধীরে ঝিমিয়ে পড়েছিল নেতৃত্বের শূন্যতায়।

প্রেমের টানে রংপুরে এসে তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
প্রেমের টানে রংপুরে এসে  তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক
শেয়ার করুন

প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসে এক বাংলাদেশি নারীকে বিয়ে করেছেন ‘মা লিয়াংহুই’ নামে এক চীনা যুবক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে গড়ে ওঠা দেড় মাসের প্রেমের সম্পর্ক পরিণয়ে রূপ নিয়েছে। বিদেশি নাগরিকের উপস্থিতির বিষয়টি গ্রামজুড়ে জানাজানির পর সেখানে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার ১০ নম্বর বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়নের হামিদপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই চীনা যুবক প্রেমিকার বাড়িতেই অবস্থান করছেন।

 

ওই চীনা যুবকের প্রেমিকা আনিকা আক্তার ওই এলাকার বাসিন্দা তৌহিদুল ইসলামের মেয়ে।

 

তৌহিদুল ইসলামের পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনিকা আক্তারের সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয় মা লিয়াংহুইয়ের। পরিচয়ের অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের দু’জনের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই ভালোবাসার টানেই হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ছুটে আসেন চীনা যুবক মা লিয়াংহুই। বৃহস্পতিবার থেকে আনিকার গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। শুক্রবার রাতে ভিনদেশি ওই যুবকের বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে দেখতে আনিকাদের বাড়িতে ভিড় করছেন আশেপাশের মানুষ। ঘটনাটি ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

মিঠাপুকুরের বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একজন বিদেশি নাগরিক ওই এলাকায় অবস্থান করছেন শুনেছি। আমি নিজে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। সেখানে পৌঁছে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং তার আসার কৃত উদ্দেশ্য জানতে পারবো।

শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতেন জামিল-নাহিদা, ঘাতকের নৃশংসতায় সব শেষ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতেন জামিল-নাহিদা, ঘাতকের নৃশংসতায় সব শেষ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ

শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের সঙ্গে আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা শিগগিরই বিয়ের পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু ঘাতকের নৃশংসতায় সেই স্বপ্নের মৃত্যু হয়েছে।

প্রায় ১০ দিন আগে নিখোঁজ হওয়া এই দুই শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে জামিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নাহিদার মরদেহ এখনও পুরোপুরি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

লিমনের ভাইয়ের বরাত দিয়ে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময় বৃষ্টিকে নিয়ে লিমন অনেক ভালো ভালো কথা বলতেন। লিমন বলেছিলেন, তিনি বৃষ্টিকে প্রেম নিবেদন করেছেন এবং তাঁরা দুজন বিয়ের বিষয়েও ভাবছেন।

জুবায়ের বলেন, ‘লিমন বলত, সে খুবই ভালো মেয়ে, তার অনেক প্রতিভা আছে; যেমন তার গানের গলা ভালো, তেমনি রান্নাও করতে পারে।’

লিমন দুই বছর ধরে নিজের থিসিস নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন বলেও জানান তার ভাই জুবায়ের আহমেদ।

জুবায়ের বলেন, ‘আমার ভাই খুবই ভদ্র এবং খুবই সাধারণ একজন মানুষ ছিল। তার মুখে সব সময় হাসি লেগে থাকত। পিএইচডি শেষ করে তার বাংলাদেশে ফিরে আসার ইচ্ছা ছিল, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে কাজ করার ইচ্ছা ছিল।’

এ ঘটনায় হিশাম আবুঘরবেহ (২৬) নামের এক মার্কিন নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি জামিলের সঙ্গে একই কক্ষে থাকতেন।

হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের (পুলিশ) কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, পুলিশ আবুঘরবেহকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গতকাল ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকা থেকে জামিলের মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে বৃষ্টির ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত শনিবার (২৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমার বোন আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।’

যোগাযোগ করা হলে জাহিদ হাসান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় পুলিশ আজ ভোরে তার বোনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি একটি ভয়ানক উদ্বেগজনক ঘটনা, যা আমাদের এলাকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছে এবং বহু মানুষকে প্রভাবিত করেছে।’

লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকালে গ্রেপ্তার করা হয়। শেরিফের কার্যালয়ের চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরার বলেন, পারিবারিক সহিংসতার একটি ঘটনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তার বাড়িতে ডাকা হয়েছিল।

শেরিফের দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৬ বছর বয়সী আবুঘরবেহ ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার একজন সাবেক শিক্ষার্থী। লিমনও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

 

কক্সবাজারে স্ত্রী হত্যা: পরকীয়া নয়, ইয়াবা কারবার ফাঁসের আশঙ্কাই মূল কারণ!

শাহেদ ফেরদৌস হিরু
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে স্ত্রী হত্যা: পরকীয়া নয়, ইয়াবা কারবার ফাঁসের আশঙ্কাই মূল কারণ!
শেয়ার করুন

কক্সবাজার শহরের জানারঘোনা এলাকায় স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে হাত ও মাথা বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। শুরুতে স্বামী সাইফুল পরকীয়ার জেরে হত্যার কথা স্বীকার করলেও, অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। ইয়াবা কারবার ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাই এই হত্যার মূল কারণ হতে পারে বলে জানিয়েছে নিহত মুন্নির পরিবারের একটি সূত্র।

 

সূত্র জানায়, আয়ুব, সাইফুল এবং ইয়াছিন মিলে একটি ইয়াবা সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। সাইফুলের স্ত্রী মুন্নি এই অবৈধ ব্যবসার বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিলে পারিবারিক বিরোধ চরমে পৌঁছে। এ বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয়দের দাবি, আয়ুব দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রের মূল ডিলার হিসেবে কাজ করছিলেন। তার ছেলে এবং সাইফুল ইয়াবা পরিবহনের দায়িত্বে ছিলেন। ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনার সুবিধার্থে আয়ুব নিজ বাড়িতে সাইফুলকে থাকতে দেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আয়ুব আত্মগোপনে রয়েছেন।

 

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, সাইফুল প্রায়ই মাদকাসক্ত অবস্থায় স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। বিভিন্ন সময় মুন্নি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন এবং এ বিষয়ে পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছে অভিযোগও করেছিলেন। এমনকি তিনি কয়েকবার প্রশাসনের সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা করেন বলেও জানা গেছে।

 

পরিবারের একটি সূত্র জানায়, মুন্নি দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর নির্যাতন সহ্য করছিলেন। পরে তিনি ইয়াবা কারবারের বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর হুমকি দিলে সাইফুল ও তার সহযোগীরা মিলে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

আরও জানা যায়, আয়ুব ইয়াবা ব্যবসার অর্থ দিয়ে জানারঘোনা এলাকায় একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। প্রথমে সেখানে এক সাংবাদিক ভাড়ায় থাকলেও পরে তাকে সরিয়ে দিয়ে সাইফুলকে রাখা হয়। স্থানীয়দের মতে, ওই বাড়ি থেকেই নিয়মিত ইয়াবা পাচার হতো। বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের যাতায়াত ছিল সেখানে। আয়ুব মাঝে মধ্যে এলেও মুখ ঢেকে চলাফেরা করতেন। তার ছেলে ইয়াছিন ও সাইফুল ইয়াবা পাচারে সক্রিয় ছিলেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, আয়ুব একজন রোহিঙ্গা, যার পরিবার ২০১৭ সালে বাংলাদেশে আসে। বর্তমানে তার আত্মীয়রা কুতুপালং এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকা থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নিজের পরিচয় গোপন করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয়দের দাবি, আয়ুব বর্তমানে কলঘর এলাকায় তার নতুন বাড়িতে আত্মগোপনে রয়েছেন, যদিও তার পরিবার দাবি করছে তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন।

 

পুলিশ জানায়, হত্যাকান্ডের পর আয়ুবের ছেলে ইয়াছিনকে থানায় আসার জন্য বার বার যোগাযোগ করা হলেও সে থানায় আসতে গড়িমসি করে। পরে সাইফুল গ্রেফতার হওয়ার পর অনেকটা বাধ্য হয়ে থানায় আসে।

 

এলাকাবাসীর মতে, আয়ুবের সক্রিয়তায় এলাকায় আবারও ইয়াবা কারবার বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। তাদের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড শুধু পারিবারিক ট্র্যাজেডি নয়, বরং এর পেছনে একটি সংগঠিত মাদক চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

 

সাবেক এক ভাড়াটিয়া সাংবাদিক জানান, শুরুতে আয়ুবের ইয়াবা কারবার সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারেন, বাড়িটি “ইয়াবা দালান” নামে পরিচিত। হত্যাকাণ্ডের প্রায় পাঁচ মাস আগে তাকে বাসা ছাড়তে বলা হয়। এর কিছুদিন পরই সেখানে আলোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, আয়ুব সহযোগী শামশুল আলমকে নিয়ে ভবনটি নির্মাণ করেন এবং পরে ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পড়েন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, আয়ুব ও তার ছেলে ইয়াছিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাড়ির মালিক আয়ুবের ছেলে ইয়াছিন সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেন।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রাজীব পাল বলেন, আসামি একবার জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রয়োজনে তাকে আবার রিমান্ডে এনে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হবে।