খুঁজুন
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২ বৈশাখ, ১৪৩৩

কক্সবাজারে স্ত্রী হত্যা: পরকীয়া নয়, ইয়াবা কারবার ফাঁসের আশঙ্কাই মূল কারণ!

শাহেদ ফেরদৌস হিরু
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে স্ত্রী হত্যা: পরকীয়া নয়, ইয়াবা কারবার ফাঁসের আশঙ্কাই মূল কারণ!
শেয়ার করুন

কক্সবাজার শহরের জানারঘোনা এলাকায় স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে হাত ও মাথা বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। শুরুতে স্বামী সাইফুল পরকীয়ার জেরে হত্যার কথা স্বীকার করলেও, অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। ইয়াবা কারবার ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাই এই হত্যার মূল কারণ হতে পারে বলে জানিয়েছে নিহত মুন্নির পরিবারের একটি সূত্র।

 

সূত্র জানায়, আয়ুব, সাইফুল এবং ইয়াছিন মিলে একটি ইয়াবা সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। সাইফুলের স্ত্রী মুন্নি এই অবৈধ ব্যবসার বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিলে পারিবারিক বিরোধ চরমে পৌঁছে। এ বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয়দের দাবি, আয়ুব দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রের মূল ডিলার হিসেবে কাজ করছিলেন। তার ছেলে এবং সাইফুল ইয়াবা পরিবহনের দায়িত্বে ছিলেন। ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনার সুবিধার্থে আয়ুব নিজ বাড়িতে সাইফুলকে থাকতে দেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আয়ুব আত্মগোপনে রয়েছেন।

 

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, সাইফুল প্রায়ই মাদকাসক্ত অবস্থায় স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। বিভিন্ন সময় মুন্নি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন এবং এ বিষয়ে পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছে অভিযোগও করেছিলেন। এমনকি তিনি কয়েকবার প্রশাসনের সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা করেন বলেও জানা গেছে।

 

পরিবারের একটি সূত্র জানায়, মুন্নি দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর নির্যাতন সহ্য করছিলেন। পরে তিনি ইয়াবা কারবারের বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর হুমকি দিলে সাইফুল ও তার সহযোগীরা মিলে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

আরও জানা যায়, আয়ুব ইয়াবা ব্যবসার অর্থ দিয়ে জানারঘোনা এলাকায় একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। প্রথমে সেখানে এক সাংবাদিক ভাড়ায় থাকলেও পরে তাকে সরিয়ে দিয়ে সাইফুলকে রাখা হয়। স্থানীয়দের মতে, ওই বাড়ি থেকেই নিয়মিত ইয়াবা পাচার হতো। বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের যাতায়াত ছিল সেখানে। আয়ুব মাঝে মধ্যে এলেও মুখ ঢেকে চলাফেরা করতেন। তার ছেলে ইয়াছিন ও সাইফুল ইয়াবা পাচারে সক্রিয় ছিলেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, আয়ুব একজন রোহিঙ্গা, যার পরিবার ২০১৭ সালে বাংলাদেশে আসে। বর্তমানে তার আত্মীয়রা কুতুপালং এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকা থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নিজের পরিচয় গোপন করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয়দের দাবি, আয়ুব বর্তমানে কলঘর এলাকায় তার নতুন বাড়িতে আত্মগোপনে রয়েছেন, যদিও তার পরিবার দাবি করছে তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন।

 

পুলিশ জানায়, হত্যাকান্ডের পর আয়ুবের ছেলে ইয়াছিনকে থানায় আসার জন্য বার বার যোগাযোগ করা হলেও সে থানায় আসতে গড়িমসি করে। পরে সাইফুল গ্রেফতার হওয়ার পর অনেকটা বাধ্য হয়ে থানায় আসে।

 

এলাকাবাসীর মতে, আয়ুবের সক্রিয়তায় এলাকায় আবারও ইয়াবা কারবার বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। তাদের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড শুধু পারিবারিক ট্র্যাজেডি নয়, বরং এর পেছনে একটি সংগঠিত মাদক চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

 

সাবেক এক ভাড়াটিয়া সাংবাদিক জানান, শুরুতে আয়ুবের ইয়াবা কারবার সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারেন, বাড়িটি “ইয়াবা দালান” নামে পরিচিত। হত্যাকাণ্ডের প্রায় পাঁচ মাস আগে তাকে বাসা ছাড়তে বলা হয়। এর কিছুদিন পরই সেখানে আলোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, আয়ুব সহযোগী শামশুল আলমকে নিয়ে ভবনটি নির্মাণ করেন এবং পরে ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পড়েন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, আয়ুব ও তার ছেলে ইয়াছিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাড়ির মালিক আয়ুবের ছেলে ইয়াছিন সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেন।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রাজীব পাল বলেন, আসামি একবার জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রয়োজনে তাকে আবার রিমান্ডে এনে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হবে।

শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতেন জামিল-নাহিদা, ঘাতকের নৃশংসতায় সব শেষ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতেন জামিল-নাহিদা, ঘাতকের নৃশংসতায় সব শেষ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ

শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের সঙ্গে আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা শিগগিরই বিয়ের পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু ঘাতকের নৃশংসতায় সেই স্বপ্নের মৃত্যু হয়েছে।

প্রায় ১০ দিন আগে নিখোঁজ হওয়া এই দুই শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে জামিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নাহিদার মরদেহ এখনও পুরোপুরি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

লিমনের ভাইয়ের বরাত দিয়ে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময় বৃষ্টিকে নিয়ে লিমন অনেক ভালো ভালো কথা বলতেন। লিমন বলেছিলেন, তিনি বৃষ্টিকে প্রেম নিবেদন করেছেন এবং তাঁরা দুজন বিয়ের বিষয়েও ভাবছেন।

জুবায়ের বলেন, ‘লিমন বলত, সে খুবই ভালো মেয়ে, তার অনেক প্রতিভা আছে; যেমন তার গানের গলা ভালো, তেমনি রান্নাও করতে পারে।’

লিমন দুই বছর ধরে নিজের থিসিস নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন বলেও জানান তার ভাই জুবায়ের আহমেদ।

জুবায়ের বলেন, ‘আমার ভাই খুবই ভদ্র এবং খুবই সাধারণ একজন মানুষ ছিল। তার মুখে সব সময় হাসি লেগে থাকত। পিএইচডি শেষ করে তার বাংলাদেশে ফিরে আসার ইচ্ছা ছিল, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে কাজ করার ইচ্ছা ছিল।’

এ ঘটনায় হিশাম আবুঘরবেহ (২৬) নামের এক মার্কিন নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি জামিলের সঙ্গে একই কক্ষে থাকতেন।

হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের (পুলিশ) কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, পুলিশ আবুঘরবেহকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গতকাল ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকা থেকে জামিলের মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে বৃষ্টির ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত শনিবার (২৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমার বোন আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।’

যোগাযোগ করা হলে জাহিদ হাসান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় পুলিশ আজ ভোরে তার বোনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি একটি ভয়ানক উদ্বেগজনক ঘটনা, যা আমাদের এলাকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছে এবং বহু মানুষকে প্রভাবিত করেছে।’

লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকালে গ্রেপ্তার করা হয়। শেরিফের কার্যালয়ের চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরার বলেন, পারিবারিক সহিংসতার একটি ঘটনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তার বাড়িতে ডাকা হয়েছিল।

শেরিফের দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৬ বছর বয়সী আবুঘরবেহ ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার একজন সাবেক শিক্ষার্থী। লিমনও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

 

৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী’
শেয়ার করুন

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, বাহাত্তরের সংবিধান মোতাবেক বিতাড়িত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান এখনও জাতির জনক এবং স্বাধীনতার ঘোষক।

 

আজ (শনিবার) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

 

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, সরকারি দল কিছু মূলধনকে পুঁজি করে যে রাজনৈতিক ব্যবসা শুরু করেছে, তা ইতোমধ্যে ঋণখেলাপিতে পরিণত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে একটি ‘ইন্ডাস্ট্রি’ তৈরি করেছে, যা সাম্প্রতিক জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন প্রজন্ম সেই প্রেক্ষাপটে মুক্তিযুদ্ধের নতুন স্বপ্ন নিয়ে সামনে এসেছে।

 

তিনি আরও বলেন, যে পুঁজি ইতোমধ্যে ক্ষয় হয়ে গেছে, সেটিকে কেন্দ্র করে আবারও ৭২-এর সংবিধান নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছে বিএনপি। তার দাবি, বিএনপির রাজনীতি, আদর্শ ও শহীদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে ১৯৭২ সালের সংবিধানের কোনো সামঞ্জস্য নেই।

 

 

বক্তব্যে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই ভিডিও বক্তব্যে বলেছেন যে তিনি পদত্যাগ করেননি এবং রাষ্ট্রপতিও কোনো পদত্যাগপত্র পাননি বলে জানিয়েছেন। এ প্রেক্ষিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি পদত্যাগ না হয়ে থাকে, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনা এখনও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন কি না। তাহলে কি দেশে আজ দুটি সংসদ বা দুজন প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন? একজন বিতাড়িত হয়েছেন, আরেকজন সেই আসনে বসে আছেন।

 

 

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি শুধুমাত্র জুলাইয়ের কারণে প্রধানমন্ত্রী, শহীদদের আত্মত্যাগের কারণে প্রধানমন্ত্রী, সংবিধানের কারণে নয়। যারা বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে রাজনীতি করছেন, তাদের ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না। পঞ্চম সংশোধনী পুনর্বহালের প্রস্তাবও ৭২-এর সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমান এখনও জাতির জনক ও স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে বিবেচিত। বর্তমান সরকারের একমাত্র বৈধতা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান থেকে এসেছে, সংবিধান থেকে নয়।

জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে জামায়াতের সমাবেশ আজ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে জামায়াতের সমাবেশ আজ
শেয়ার করুন

রাজধানীতে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে বাংলাদেশ জামাত ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে আজ। শনিবার (২৫ এপ্রিল)সকাল ১০ টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান – এ সমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে।

গত বুধবার ২২ এপ্রিল দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই শহীদ পরিবার ও ‘জুলাই যোদ্ধা জাতীয় সমাবেশ’- এ বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।