খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

থানায় মব করেছে ছাত্রদল, মজা নিয়েছে পুলিশ : ফরহাদ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
থানায় মব করেছে ছাত্রদল, মজা নিয়েছে পুলিশ : ফরহাদ
শেয়ার করুন

ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শাহবাগ থানায় ঢুকে মব করেছে এবং পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা নিয়েছে। এগুলো সবই ফ্যাসিবাদী আচরণের লক্ষণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ।

 

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সমর্থনে ছাত্রদল শাহবাগ থানায় চড়াও হয়েছে কি না সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

 

এস এম ফরহাদ বলেন, ‘একটা ভুয়া ফটোকার্ড, ছাত্রলীগ ছড়ায়। লিগ্যাল এপ্রোচে না গিয়ে, সেটাকে কেন্দ্র করে থানায় গিয়ে মব করা হলো। ডাকসু নেতা মুকাদ্দিস ও জুবায়েরসহ সবার ওপর আক্রমণ করা হলো। এই নগ্ন হামলা, জিডি না নেওয়া, অপেক্ষামাণ রাখা, পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অবজার্ভ করা এবং এনজয় করা। এগুলো সবই ফ্যাসিবাদি লক্ষণ।’

 

 

এ সময় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, থানায় থামলা চালিয়ে ইতিহাসের ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছে ছাত্রদল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশী শক্তির রাজনীতি মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি করেন তিনি।

 

 

এর আগে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) দুই নেতা এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলা করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। থানার ভেতরে আটকে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়।

 

রাত ৮টার দিকে শাহবাগ থানায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে ঘটনাস্থলে আসেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক জুবায়ের ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক। এ সময় তাদের বেশ কয়েকবার মারধর করা হয়। এ ছাড়া ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান নূর আলভিও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সুরা কাহাফের ১০ আয়াতের ফজিলত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
সুরা কাহাফের ১০ আয়াতের ফজিলত
শেয়ার করুন

মানুষকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য মহান আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রসুল পাঠিয়েছেন। এসব নবী-রসুলের গাইডবুক হিসেবে দিয়েছেন কিতাব। এসব কিতাবের মধ্যে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব হচ্ছে আল-কোরআন।

সুরা কাহাফ কোরআনের ১৫তম পারার ১৮ নম্বর সুরা। কাহাফ মানে গুহা। এ সুরায় ১১০টি আয়াত রয়েছে, আর রুকুর সংখ্যা ১২। সুরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

 

হাদিসের বর্ণনা অনুসারে সুরা কাহাফ তেলাওয়াতের অন্যতম ফজিলত হলো — এ সুরা পাঠ করলে মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত বর্ষিত হয়। এক সাহাবি সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করছিলেন। তার বাড়িতে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল। ঘোড়াটি তখন লাফালাফি করতে লাগল। তখন ওই সাহাবি শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন। তখন তিনি দেখলেন, একখণ্ড মেঘ এসে তাকে ঢেকে দিয়েছে। তিনি নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলেন। তখন তিনি বললেন, হে অমুক! তুমি এভাবে তেলাওয়াত করবে। এটাতে প্রশান্তি ছিল, যা কোরআন তেলাওয়াতের কারণে নাজিল হয়েছিল। (বুখারি: ৩৬১৪)

 
কিয়ামতের দিন এ সুরা তার পাঠকারীকে আলোকিত করবে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,  

যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে, তার পায়ের নিচ থেকে আসমান পর্যন্ত নুর প্রজ্বলিত হবে এবং কিয়ামতের দিন তার জন্য উজ্জ্বল হবে। আর দুই জুমার মধ্যবর্তী সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (তাফসিরে ইবনে কাসির: ৬/৩৯৮)

 

 
প্রতি জুমায় এ সুরা তেলাওয়াত করলে এক জুমা থেকে অন্য জুমার মধ্যবর্তী সময়ের জন্য নুর প্রজ্বলিত করে রাখা হয়। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
  

যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, তার জন্য দুই জুমা পর্যন্ত নুর প্রজ্বলিত হবে। (সুনানে দারিমি ৩৪০৭)

 

মুসলমান হিসেবে সবারই পবিত্র কোরআন পড়া জরুরি। আর শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত শেখা ফরজ। কেউ যদি পুরো সুরা পাঠ করতে না পারে, সে অন্তত এ সুরার প্রথম ১০ আয়াত তেলাওয়াত করতে পারে।

হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 
  

যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। (মুসলিম: ৮০৯, আবু দাউদ: ৪৩২৩)

নকল পা সংযোজন ও বিকৃত মুখে প্লাস্টিক সার্জারির প্রয়োজন মোজতবার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
নকল পা সংযোজন ও বিকৃত মুখে প্লাস্টিক সার্জারির প্রয়োজন মোজতবার
শেয়ার করুন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে ভবিষ্যতে কৃত্রিম পা ব্যবহার ও প্লাস্টিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে বলে জানা গেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন মোজতবার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ওই হামলায় মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। তবে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান নিহত হয়েছেন। বর্তমানে নিরাপত্তার কারণে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন এবং সীমিতসংখ্যক চিকিৎসক ছাড়া অন্য কারও প্রবেশাধিকার নেই।

 

 

চিকিৎসা সূত্রে জানা গেছে, মোজতবার একটি পায়ে তিনবার অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং সেটির জন্য কৃত্রিম পা ব্যবহারের প্রয়োজন হবে। তাঁর একটি হাতেও অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা ফিরছে। তবে মুখমণ্ডল ও ঠোঁট গুরুতর দগ্ধ হওয়ায় কথা বলতে অসুবিধা হচ্ছে, যার জন্য ভবিষ্যতে প্লাস্টিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।

 

এ অবস্থার মধ্যেও মোজতবা মানসিকভাবে সচেতন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্রিয় রয়েছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে নিজেকে দুর্বল দেখাতে না চাওয়ায় তিনি মৌখিক বক্তব্য দিচ্ছেন না। এর বদলে তিনি বরং লিখিত বার্তার মাধ্যমেই যোগাযোগ করছেন।

 

বর্তমানে মোজতবার নিরাপত্তা ও চিকিৎসা তত্ত্বাবধান করছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। তিনি নিজেও একজন হৃদ্‌রোগ সার্জন। ইসরায়েলের সম্ভাব্য নজরদারি এড়াতে দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারা তাঁর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ বন্ধ রেখেছেন।

 

এদিকে, মোজতবার শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বড় ভূমিকা নিচ্ছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটির জেনারেলদের পরামর্শেই রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বর্তমানে দেশটি কার্যত সামরিক নেতৃত্বের প্রভাবেই পরিচালিত হচ্ছে।

 

আইআরজিসির নেতৃত্বে থাকা আহমাদ বাহিদি, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের জোলঘদর এবং প্রভাবশালী উপদেষ্টা ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি—এই তিনজন বর্তমানে ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়েছেন।

 

অন্যদিকে, নির্বাচিত সরকার তুলনামূলকভাবে পেছনে পড়ে গেছে। সরকার এখন মূলত অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোতে ভিন্নমত ও একাধিক ক্ষমতাকেন্দ্র সব সময়ই বিদ্যমান থাকলেও ক্ষমতার ভারসাম্য এখন স্পষ্টভাবে সামরিক প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

লোডশেডিং ছাড়াতে পারে ৩০০০ মেগাওয়াট

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
লোডশেডিং ছাড়াতে পারে ৩০০০ মেগাওয়াট
শেয়ার করুন

গরম না কমলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং লোডশেডিং বাড়তে পারে। সরকারি হিসাবে বৃহস্পতিবার বিকালে সারা দেশে লোডশেডিং হয়েছে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের মতো। এদিকে এদিন সকালে সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা জানিয়েছেন, মূলত জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। তাই বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। তিনি বলেন, গরমে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। সে তুলনায় আপাতত বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। তাই বৃহস্পতিবার (গতকাল) সারা দেশে ৩ হাজার মেগাওয়াটের মতো লোডশেডিং ছিল। তবে আগামী ২৮ এপ্রিলের মধ্যে আদানির দ্বিতীয় ইউনিট, এসএস পাওয়ার এবং আরএনপিএলের একটি ইউনিট উৎপাদনে এলে বিদ্যুতের উৎপাদন ১৯০০ মেগাওয়াট বাড়ানো যাবে। তখন লোডশেডিং কমে আসবে।

সারা দেশে কয়েকদিন ধরে ব্যাপক লোডশেডিং হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামেগঞ্জে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। রাজধানী ঢাকায় এখনো তেমন লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে না। শহর ও গ্রামের মধ্যে এই বৈষম্য নিয়ে যুগান্তরসহ বিভিন্ন পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীতে লোডশেডিংয়ের অনুমোদন দিতে গত বুধবার বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে একটি ফাইল পাঠানো হয়েছে। তিনি সেই ফাইলে সই করেছেন। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গতকাল সংসদে বলেছেন, রাজধানীতে লোডশেডিং হবে। সচিবালয়ের ব্রিফিংয়ে যুগ্ম সচিব সাংবাদিকদের বলেন, গ্রাম ও শহরের মধ্যে বিদ্যুৎ বিতরণে বৈষম্য দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এখন দেশে বিদ্যুতের চাহিদা কত? একেক সংস্থা একেক তথ্য দিচ্ছে-এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা বলেন, এখন বিদ্যুতের চাহিদা পিক আওয়ারে ১৭ হাজার মেগাওয়াট। আর সরবরাহ করা যাচ্ছে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। তবে সরকার কৃষি সেচ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ বেশকিছু বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছে। শিগ্গিরই শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যুতের লোড ঠিক করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আগামী দুই সপ্তাহ দেশের খাদ্যশস্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সময়ে ধান পাকবে। তাই এ সময়টা সেচে গুরুত্বের সঙ্গে বিদ্যুৎ দিতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত বছরের এ সময়ে কোনো লোডশেডিং হয়নি। এবার গরম কিছুটা বেড়েছে। তাহলে কি এবার ব্যাপক লোডশেডিং হবে-এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যন্ত্রের তো কোনো বিশ্বাস নেই। এবার অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেশিন ট্রিপ করেছে। বিশেষ করে আদানিসহ বিভিন্ন ইউনিটের ট্রিপ করেছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পুরো বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পনায় আমলাদের ব্যর্থতা আছে কি না, এই প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা বলেন, বিদ্যুৎ সচিব ৭ এপ্রিল রাতে জুমে বৈঠক করে এবারের বিদ্যুৎ সরবরাহের সব ঠিক করেছেন। আমলাদের কোনো ব্যর্থতা নেই। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে ঠিকমতো এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহ করা যাচ্ছে না। একইভাবে ফার্নেস অয়েল এবং কয়লা সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই অনেক কেন্দ্রে ঠিকমতো জ্বালানি সরবরাহ দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা আছে সরকারের। এজন্য প্রয়োজন ২০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস। এ কারণে এখন গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে উৎপাদন হচ্ছে ৬ হাজার মেগাওয়াটের কম। এমনকি বিদ্যুৎকেন্দ্রে দৈনিক ১২০ কোটি ঘনফুট গ্যাস দেওয়া হলে ৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেত। কিন্তু সেটাও দেওয়া হচ্ছে না। তাই সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও লোডশেডিং বাড়ছে।

এদিকে পাওয়ার গ্রিড অব কোম্পানি-পিজিসিবি’র ওয়েব পেইজে লোডশেডিংয়ের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন করার পর গতকাল বিকালে হঠাৎ করে কিছুক্ষণের জন্য ওই পেইজ উধাও হয়ে যায়। পরে অবশ্য তা আবার প্রকাশ করা শুরু করে পিজিসিবি।