খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার প্রাথমিক দল ঘোষণা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার প্রাথমিক দল ঘোষণা
শেয়ার করুন

২০২৬ বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক পর্দা ওঠার মাত্র এক মাস বাকি থাকতে ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। লিওনেল মেসিকে কেন্দ্র করে সাজানো এই তালিকায় থাকা ফুটবলারদের মধ্য থেকেই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ২৬ জনের দল বেছে নেবেন লিওনেল স্কালোনি।

 

তালিকায় ঘরোয়া লিগের আধিপত্য এই তালিকায় রিভার প্লেটের ৬ জন এবং বোকা জুনিয়র্সের ৪ জন খেলোয়াড় জায়গা পেয়েছেন। কোচ লিওনেল স্কালোনি এছাড়া আর্জেন্টিনার ঘরোয়া লিগের আরও কিছু মুখ যুক্ত করেছেন, যেমন রেসিং ক্লাবের গ্যাব্রিয়েল রোহাস এবং গোলরক্ষক ফাকুন্দো কামবেসেস।

 

নতুন মুখ ও তরুণ তুর্কি তালিকায় এমন কিছু নাম রয়েছে যারা এর আগে স্কালোনির অধীনে কোনো ম্যাচ খেলেননি। এদের মধ্যে জার্মানির হামবুর্গ এসভি-তে খেলা নিকোলাস কাপালদো, গেতাফে’র জাইদ রোমেরো এবং পারমার মাতেও পেলেগ্রিনো অন্যতম। তরুণদের মধ্যে চেলসিতে খেলা আলেহান্দ্রো গারনাচো এবং রোমায় দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মাতিয়াস সুলে তালিকায় রয়েছেন। জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নিও তালিকায় স্থান পেয়েছেন, যদিও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ভিনিসিয়ুসের প্রতি আপত্তিকর আচরণের কারণে ফিফা তার ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে।

 

 

পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি খেলোয়াড়রা নিজ নিজ ক্লাবের খেলা শেষ করে এজিজায় এএফএ-র ক্যাম্পে যোগ দেবেন। জুনের শুরুতে দলটি যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে পাড়ি জমাবে, যেখানে তারা বিশ্বকাপের বেস ক্যাম্প করবে। মূল আসর শুরুর আগে আর্জেন্টিনা দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। ৬ জুন টেক্সাসে হন্ডুরাস এবং ৯ জুন আলাবামায় আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরপর ১৬ জুন কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে।

 

আর্জেন্টিনার ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড

 

গোলরক্ষক : এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো, ওয়াল্টার বেনিতেজ, ফাকুন্দো কামবেসেস, সান্তিয়াগো বেলত্রান।

 

রক্ষণভাগ : অগুস্তিন জিয়াই, গঞ্জালো মনতিয়েল, নাহুয়েল মলিনা, নিকোলাস কাপালদো, কেভিন ম্যাকঅ্যালিস্টার, লুকাস মার্তিনেজ কুয়াত্রা, মার্কোস সেনেসি, লিসান্দ্রো মার্তিনজ, নিকোলাস ওতামেন্দি, জার্মান পেজ্জেলা, লিওনার্দো বালের্দি, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লাউতারো ডি ললো, জাইদ রোমেরো, ফাকুন্দো মেদিনা, মার্কোস আকুনিয়া, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, গ্যাব্রিয়েল রোহাস।

 

মধ্যমাঠ : ম্যাক্সিমো পেরোনে, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, গুইদো রদ্রিগেজ, আনিবাল মোরেনো, মিল্টন ডেলগাদো, অ্যালান ভ্যারেলা, এজেকুয়েল ফার্নান্দেজ, রদ্রিগো ডি পল, এজেকুয়েল পালাসিওস, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টার, জিওভানি লো সেলসো, নিকোলাস ডমিঙ্গুয়েজ, এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া, ভ্যালেন্টিন বার্কো।

 

আক্রমণভাগ : লিওনেল মেসি, নিকোলাস পাজ, ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানো, থিয়াগো আলমাদা, টমাস আরান্দা, নিকোলাস গঞ্জালেজ, আলেহান্দ্রো গারনাচো, জুলিয়ানো সিমিওনে, মাতিয়াস সুলে, ক্লাউদিও এচেভেরি, জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নি, সান্তিয়াগো কাস্ত্রো, লাউতারো মার্তিনেজ, হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ, হুলিয়ান আলভারেজ, মাতেও পেলেগ্রিনো।

বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু
শেয়ার করুন

ফেনীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

তারা হলেন, মোহাম্মদ নুরুল আলম ও তার পুত্র নুর হাসনাত নীরব। নুরুল আলম পেশায় অ্যাম্বুলেন্স চালক। তাদের বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বক্তারমুনশি বাজারে।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে মোটরসাইকেলযোগে নুরুল আলম ও পুত্র নুর হাসনাত নীরব বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। হাফেজিয়া এলাকায় পৌঁছালে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে দাউদকান্দি এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস পাশ থেকে মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নুরুল আলম মারা যান। এ সময় তার ছেলে নীরব গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করলে পথিমধ্যে সে মারা যায়।

 

 

এ বিষয়ে ফেনীর মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, নিহতদের মৃতদেহ ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে থানায় রেখেছে। বাস চালক পালিয়ে গেছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

মুসলিমদের অত্যাচার করলে কোনো হিন্দুকে ছাড় দেয়া হবে না

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
মুসলিমদের অত্যাচার করলে কোনো হিন্দুকে ছাড় দেয়া হবে না
শেয়ার করুন

তামিলনাড়ুর নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় রাজ্যের ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় কঠোর বার্তা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করেন, নাগরিকের ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের অত্যাচার বা সহিংসতা সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘মুসলিমদের ওপর অত্যাচার করা হলে কোনো হিন্দুকেও ছাড় দেওয়া হবে না।’

অপরাধী যে ধর্মেরই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখাকে সরকারের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

 

 

 

গত রবিবার ৫১ বছর বয়সী এই অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া নেতা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তার দল টিভিকে (TVK) এবার ডিএমকে ও এআইএডিএমকে-র দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আধিপত্য ভেঙে নিরঙ্কুশ জয় পায়। বিজয়ের নেতৃত্বে গঠিত এই জোট সরকারে কংগ্রেস, বামপন্থী দল এবং মুসলিম লিগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই সামাজিক সংস্কারের অংশ হিসেবে তিনি রাজ্যের ৪ হাজার ৭৬৫টি সরকারি মদের দোকানের মধ্যে ৭১৭টি বন্ধের নির্দেশ দেন। মূলত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাসস্ট্যান্ডের কাছে অবস্থিত টাসম্যাক পরিচালিত এসব দোকান বন্ধের এই সিদ্ধান্ত ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

 

 

মদের দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তে রাজস্ব ঘাটতির আশঙ্কা থাকলেও বিজয় তার জনকল্যাণমূলক অবস্থানে অনড় রয়েছেন। ইতোমধ্যে তার সরকার বিনামূল্যে বিদ্যুৎ প্রদান, বিশেষ নারী নিরাপত্তা বাহিনী গঠন এবং মাদকবিরোধী ইউনিট তৈরির মতো একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতা গ্রহণের পর বিজয়ের এই সাহসী নীতি ও কঠোর অবস্থান তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা করতে যাচ্ছে।

৩৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
৩৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ
শেয়ার করুন

প্রায় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হতে পারে। প্রায় ২৫ বছর আগে তত্কালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ শুরু করেছিল। এবার নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণের অংশ হিসেবে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

 

প্র্রকল্প প্রস্তাবের নথি অনুসারে, রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পদ্মা নদীতে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার মূল বাঁধ নির্মাণ করা হবে। পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচটি নদীকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। মূলত ফারাক্কা বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে পানির যে সংকট দেখা দেয়, তা থেকে কিছুটা রেহাই পেতে প্রকল্পটি প্রস্তুত করা হয়েছে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। সে জন্য কয়েক দশকের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পদ্মা ব্যারাজ নামের প্রকল্পটি পাশের অপেক্ষায় আছে।

 

 

 

প্রকল্পের আওতায় রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার মূল বাঁধ নির্মাণ করা হবে। যাতে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডার স্লুইস ও ২টি ফিশ পাশ। এ বাঁধের মাধ্যমে ২৯০ কোটি ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা যাবে। আর সংরক্ষিত পানি বণ্টনের জন্য তিনটি অফটেক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুেকন্দ্র স্থাপন করা হবে।

 

সংরক্ষিত পানি দিয়ে পাঁচটি নদীর পানিপ্রবাহ পুনরুজ্জীবিত করা হবে। এগুলো হলো হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতী নদী। শুষ্ক মৌসুমে এসব নদীতে প্রায় ৮০০ কিউসেক মিটার পানি সরবরাহ করা হবে।

 

 

 

প্রকল্পের নথি বলছে, বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের চাষযোগ্য প্রায় ২৯ লাখ হেক্টর কৃষি জমিতে প্রয়োজনীয় সেচের পানি সরবরাহ করা যাবে। এতে প্রায় ২৪ লাখ টন ধানের ও ২ দশমিক ৩৪ লাখ টন মাছের উত্পাদন বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।