খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিলেন আরো ২ রাষ্ট্রদূতকে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫, ২:৩৯ অপরাহ্ণ
ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিলেন আরো ২ রাষ্ট্রদূতকে
শেয়ার করুন

কথিত মিস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন মেঘনা আলমের অন্ধকার জগতের একের পর এক তথ্য উঠে আসছে। সৌন্দর্য, স্মার্টনেস ও ইংরেজি জানার কারণে দ্রুতই যে কারো কাছে নিজেকে মোহনীয় করে তুলতে পারতেন মেঘনা। তবে ইতিবাচক এসব গুণকেই পরে প্রতারণার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তার প্রথম দিকের টার্গেট ছিল গুলশান, বনানী ও ধানমন্ডির ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানরা। পরে নিজের নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে প্রতারণার সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে যান।

অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকারী বিদেশি রাষ্ট্রদূতদেরও প্রতারণার টার্গেট করেছিলেন মেঘনা। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ফান্ড সংগ্রহের নামে হাতিয়ে নিতেন মোটা অঙ্কের টাকা। সর্বশেষ ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিলেন সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতকে। তবে শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তাকে গ্রেপ্তার হতে হয়েছে। তার গ্রেপ্তারে সারা দেশে হইচই পড়ে যায়।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সূত্র জানিয়েছে, শুধু সৌদি আরব নয়, বরং আরো দুই দেশের রাষ্ট্রদূতকে ফাঁদে ফেলেছেন মেঘনা। কিন্তু তারা মান-সম্মানের ভয়ে কিছু বলেননি। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো হাতিয়ে নিয়েছেন। এদের একজন হলেন ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগের আলোচিত এক রাষ্ট্রদূত, যিনি বিগত স্বৈরশাসক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করেছেন। তবে তিনি এখন আর ওই পদে নেই। নিজ দেশের অন্য একটি বিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন। আরেকজন ছিলেন সার্কভুক্ত একটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশেই কর্মরত। তারা দুজন পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি।

মেঘনা আলমের সহযোগী দেওয়ান সমীরও পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি স্বীকার করেছেন। মামলার প্রয়োজনে ওই দুই রাষ্ট্রদূতের কাছে তথ্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করবে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ও চ্যান্সেরি পুলিশের শাখা। তারা ইতোমধ্যেই একটি নোট তৈরি করেছে।

সূত্র জানায়, একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে তথ্য পেয়েছে ডিবি। বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছে। মেঘনার মোবাইল ফোন ও পেনড্রাইভ জব্দ করে ডিবি ওই গোয়েন্দা সংস্থার ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

গত ৯ এপ্রিল রাতে মডেল মেঘনা আলমকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে আটক করে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ফেসবুক লাইভে থাকার সময় মেঘনা অভিযোগ করেন, পুলিশ পরিচয়ধারীরা তার বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। লাইভটি প্রায় ১২ মিনিট চলার পর বন্ধ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে সেটি ডিলিটও হয়ে যায়।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী, পরদিন ১০ এপ্রিল রাতে আদালত তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের আটকাদেশ দেয়। তিনি এখন কারাগারে আছেন। সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে মেঘনা আলমের আটকের ঘটনা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। অপরাধে জড়ালে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার না করে তাকে কেন বিশেষ ক্ষমতা আইনের বিতর্কিত ‘প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন’ বা প্রতিরোধমূলক আটক করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এরপর ১০ এপ্রিল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে মেঘনার সহযোগী সমীরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে আদালতে হাজির করলে আদালত তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এ ছাড়া ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মেঘনা আলমের বাবার পক্ষে এই রিট দায়ের করেন তিনি। বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করে গত ১০ এপ্রিল মেঘনাকে ৩০ দিনের জন্য কারাগারে রাখার আদেশ দেয় আদালত। ডিবি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের সদ্যবিদায়ী অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমপির এক যুগ্ম কমিশনার আমার দেশকে জানান, মেঘনা বড়মাপের একজন প্রতারক। ফান্ড সংগ্রহের নামে ভিআইপিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

মেঘনাকে গ্রেপ্তারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ডিবির এক কর্মকর্তা জানান, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন মেঘনা। পরে সৌদি রাষ্ট্রদূত বিষয়টি কূটনৈতিক কোর কমিটির প্রধানকে অবহিত করেছিলেন। কূটনৈতিক কোর কমিটি ডিএমপির চ্যান্সেরি বিভাগকে জানিয়েছিল। পরে ডিবি মেঘনা আলম ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তারের আওতায় আনে।

সূত্র জানায়, মেঘনা নিজেকে আগে ‘মিস বাংলাদেশ’ নামে পরিচয় দিতেন। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের নামে বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন দূতাবাসের জনসংযোগ কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরে ধীরে ধীরে ওইসব দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কোনো অনুষ্ঠানে ভিজিটিং কার্ড দেওয়া-নেওয়া হতো। একপর্যায়ে সম্পর্ক করে ব্ল্যাকমেইল করতেন। তার কথিত ‘সিরিয়াস ওয়ার্ক’ নামে একটি ফান্ডে টাকা দিতে বলতেন ওই ব্যক্তিকে।

সূত্র জানায়, অনেকেই তার প্রতারণার বিষয়টি টের পেলেও তাকে সতর্ক করতে গেলে তিনি ডিজিটাল মামলার ভয় দেখাতেন। ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভুয়া ছবির কাটিং করে সেগুলো দেখাতেন। এতে ভিকটিম ভয় পেতেন।

সূত্র জানায়, মেঘনা ও তার সহযোগী সমীরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এসেছে ডিবিতে। সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে ডিবি। মেঘানার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সুত্র,আমার দেশ

রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু
শেয়ার করুন

রামুতে বন্য হাতির তাণ্ডবে একই পরিবারের মা ও মেয়েসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকার আব্দুল করিমের কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী জানায়, বণ্য হাতির একটি দল ভোর বেলায় আব্দুল করিম কলোনীতে হানা দেয়। এ সময় হাতি দলটির আক্রমনে মা মেয়ের মৃত্যু হয়। এখনও নিহতদের পরিচয় ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইনুকে ‘টেনশন না করতে’ বলা সেই দুই পুলিশ সদস্য শাস্তির মুখে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৬ পূর্বাহ্ণ
ইনুকে ‘টেনশন না করতে’ বলা সেই দুই পুলিশ সদস্য শাস্তির মুখে
শেয়ার করুন

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে টেনশন না করতে বলা কনস্টেবল জামালসহ দুজনকে নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে ডিএমপি কমিশনার বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।

 

 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডেপুটি রেজিস্টার মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

চিঠিতে ডিএমপি থেকে প্রেষণে ট্রাইব্যুনালে কর্মরত কনস্টেবল মো. জামাল হোসেন ও কনস্টেবল মো. সোলাইমান হোসেনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়, ২৯ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার আসামি হাসানুল হক ইনুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এজলাস থেকে হাজতখানায় আনা-নেওয়ার পথে বিভিন্ন ধরনের শৃঙ্খলাবহির্ভূত আলাপ করেন কনস্টেবল জামাল ও কনস্টেবল সোলাইমান। এ ঘটনায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দৃশ্যমান তাদের শৃঙ্খলাবহির্ভূত আচরণে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বিঘ্নসহ বিচারিক কার্যক্রমে হুমকির সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় তাদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণক্রমে ট্রাইব্যুনালকে অবগত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

 

 

ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাসকক্ষ থেকে ইনুকে হাজতখানায় নিচ্ছেন দুজন পুলিশ সদস্য। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। একপর্যায়ে দুই পুলিশ সদস্যকে বলতে শোনা যায়, ‘টেনশন কইরেন না, আমরা আছি তো স্যার।’

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার চলছে ইনুর। ষষ্ঠ দিনের মতো আজও তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৪ মে দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২।

রাজধানীতে জঙ্গি সন্দেহে চারজন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-ড্রোন-জিহাদি বই উদ্ধার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীতে জঙ্গি সন্দেহে চারজন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-ড্রোন-জিহাদি বই উদ্ধার
শেয়ার করুন

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, জিহাদি বই, ড্রোনসহ বিস্ফোরক দ্রব্য ও সামরিক পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

পুলিশের দাবি, তারা বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার পরিকল্পনা করছিলেন।

 

 

গ্রেপ্তার চারজন হলেন মো. ইমরান চৌধুরী (২৯), মো. মোস্তাকিম চৌধুরী (২৫), রিপন হোসেন শেখ (২৮) ও আবু বক্কর (২৫)। ইমরান ও মোস্তাকিম আপন ভাই এবং তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায়। রিপনের বাড়ি নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় এবং আবু বক্করের বাড়ি রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের রূপনগর এলাকায়।

 

গত সোমবার দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত ৩টা ৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের তারা মসজিদ-সংলগ্ন কয়লাঘাট এলাকার একটি বাসা থেকে ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে কেরানীগঞ্জের জিয়ানগর এলাকা থেকে মোস্তাকিমকে এবং সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর শিকসন ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকা থেকে রিপন ও আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা মিয়ানমারকেন্দ্রিক রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। তারা রাজধানীতে সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন স্থানে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও গুপ্ত হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। এ লক্ষ্যে অস্ত্র, গুলি, ড্রোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করেন তারা। উদ্ধার করা সামরিক পোশাকগুলো আরসার বলে পুলিশের ধারণা। তবে ডিবির আরেকটি সূত্র জানায়, পাকিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

বুধবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কামরাঙ্গীরচর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

বিকেলে ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থেকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।’ উগ্রবাদীরা হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মাথাচাড়া দিচ্ছে এমনটি বলব না, আমি শুধু বলব যারা এসব কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতীতেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে যারা জড়াবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’