খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

বরখাস্ত অপসারণ পদাবনতি হলে ওসি হতে পারবে না

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫, ৪:০৮ পূর্বাহ্ণ
বরখাস্ত অপসারণ পদাবনতি হলে ওসি হতে পারবে না
শেয়ার করুন

পলিসি গ্রুপের সভায় আলোচনা: ওসির বয়স অনূর্ধ্ব ৫৪ থাকছে, সর্বোচ্চ ৪টি থানা বা আট বছরের বেশি দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হবে না * ৫ বছরের এসিআর-এ অন্তত ৮০ নম্বর থাকতে হবে

পুলিশে চাকরিরত অবস্থায় তিনটি গুরুদণ্ড (চাকরি থেকে বরখাস্ত, অপসারণ, পদাবনতি, বেতন বৃদ্ধি স্থগিত ও পদোন্নতি স্থগিত) পেলে কোনো কর্মকর্তা থানার ওসি (অফিসার ইনচার্জ) হতে পারবেন না। আর পরিদর্শক থাকা অবস্থায় একটি গুরুদণ্ড পেলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ওসি পদে পদায়ন পাবেন না।

এছাড়া কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বয়স ৫৪ বছরের বেশি হলে কোনোক্রমেই তাকে ওসি হিসাবে পদায়ন দেওয়া হবে না। ওসি পদায়ন সংক্রান্ত নতুন নীতিমালায় এসব বিষয় উল্লেখ করা হচ্ছে। নতুন নীতিমালা করা হচ্ছে পুলিশ পরিদর্শকদের (নিরস্ত্র, সশস্ত্র ও ট্রাফিক) পদায়নের ক্ষেত্রেও।নীতিমালায় বলা হচ্ছে, ওসি হিসাবে সর্বোচ্চ চারটি থানা বা আট বছর দায়িত্ব পালন করলে (যেটি আগে হবে) পরবর্তী সময়ে তাকে আর ওসি হিসাবে পদায়ন করা যাবে না। ওসি হিসাবে পদায়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রশিক্ষণের ফলাফল মূল্যায়ন করতে হবে। বিগত পাঁচ বছরের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (এসিআর) অন্তত ৮০ নম্বর থাকতে হবে।

শুধু তাই নয়, ওসি হিসাবে পদায়নের জন্য ফিটলিস্ট (পদায়নের জন্য যোগ্য কর্মকর্তা নির্বাচন) প্রণয়ন করবে পুলিশ সদর দপ্তর। এক্ষেত্রে ছয় বা ততোধিক সদস্যবিশিষ্ট একটি সিলেকশন বোর্ড গঠিত হবে। এর সভাপতি হবেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) এবং সদস্য সচিব হবেন পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট (পিএম-২)।

পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে যুগান্তরকে জানায়, পুলিশের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, মাঠ প্রশাসনে গতিশীলতা আনয়ন, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিতের বিষয়কে সামনে রেখে নীতিমালার খসড়া তৈরি হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে জারি করা নির্দেশনাবলি সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিমার্জন করেই নীতিমালা প্রস্তুত হচ্ছে।

সূত্র জানায়, নতুন নীতিমালায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততা, মেধা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশিক্ষণ ও সন্তোষজনক চাকরির বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই নীতিমালার খসড়া প্রস্তাব নিয়ে ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ পুলিশের পলিসি গ্রুপের সভায় আলোচনা হয়। প্রস্তাব দেওয়া হয়, ৫২ বছরের ঊর্ধ্বের কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে থানার ওসি হিসাবে পদায়ন করা হবে না।তবে এই প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন পলিসি গ্রুপের বেশির ভাগ সদস্য। সভায় ওসি পদায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট ২৮টি এবং পরিদর্শক পদে পদায়নে ২১টি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী মাসে ফের অনুষ্ঠিত হবে পলিসি গ্রুপের সভা। ওই সভায় প্রস্তাবগুলো পাশ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, ওসি হিসাবে ফিটলিস্টভুক্তির জন্য পরিদর্শক (নিরস্ত্র) পদে ন্যূনতম তিন বছর চাকরি করতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা অন্তত এইচএসসি বা সমমান হতে হবে। কোনো কর্মকর্তা আর্থিক অনিয়ম বা নৈতিক স্খলনের কারণে পরিদর্শক থাকা অবস্থায় একটি গুরুদণ্ড পেলে ওসি হিসাবে পদায়নের অযোগ্য হবেন। থানায় পাদায়ন করা ফিটলিস্টভুক্ত পরিদর্শকদের মধ্য থেকে সিনিয়র পরিদর্শককে প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে ওসি হিসাবে পদায়ন করতে হবে।পরিদর্শক (তদন্ত/অপারেশন্স) পদে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাকে ধারাবাহিকভাবে একই থানার ওসি হিসাবে পদায়ন করা যাবে না। তবে অন্য কোনো ইউনিটে ন্যূনতম ছয় মাস চাকরি করার পর তাকে পদায়ন করা যাবে। কোনো কর্মকর্তা একবার ওসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করলে ওই থানায় দ্বিতীয়বার তাকে ওসি হিসাবে পদায়ন করা যাবে না। ওসি হিসাবে দুই বছর চাকরির পর অন্যত্র বদলি করা হবে। এক্ষেত্রে একই থানায় ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ তিন বছর চাকরি করার সুযোগ থাকবে।

আরও বলা হয়েছে, কোনো থানার ওসিকে দেড় বছরের আগে অন্যত্র বদলি, প্রত্যাহার বা সংযুক্তি করার প্রয়োজন হলে পুলিশ সদর দপ্তরের পূর্বানুমতি নিতে হবে। ওসি হিসাবে সর্বোচ্চ চারটি থানা বা আট বছর দায়িত্ব পালন করলে (যেটি আগে হবে) পরবর্তী সময়ে তাকে ফের ওসি হিসাবে পাদায়ন করা যাবে না। অব্যবহিত (দুটি কাজের মাঝে যখন সময় ব্যবধান থাকে না) পূর্বের কর্মস্থল, জেলা পুলিশ বা ইউনিটে ওসি হিসাবে পদায়ন করা যাবে না।

থানার ওসি পদে পদায়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই পুলিশ স্টেশন ম্যানেজমেন্ট কোর্স (পিএসএমসি) সম্পন্ন করতে হবে। মূল্যায়ন করতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রশিক্ষণের ফলাফল। বিগত পাঁচ বছরের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (এসিআর) অন্তত ৮০ নম্বর থাকতে হবে। সবশেষ তিন বছরের এসিআর-এ ‘বিরূপ মন্তব্য’ থাকলে ওসি হিসাবে পদায়নের অযোগ্য হবেন।

পরিদর্শক (নিরস্ত্র) পদে পদায়নের ক্ষেত্রে খসড়া নীতিমালায় বলা হচ্ছে, পুলিশের যে ইউনিটে থাকা অবস্থায় পদোন্নতি হবে, পদোন্নতি পাওয়ার পর প্রথমে সেখানে চাকরি করতে হবে। একটি কর্মস্থলে বা ইউনিটে দুই বছর চাকরি করার পর সাধারণত অন্যত্র বদলি করা যাবে।

তবে একই জেলা বা ইউনিটে ধারাবাহিকভাবে তিন বছরের বেশি চাকরি করতে পারবেন না। এছাড়া একই রেঞ্জ বা ইউনিটি (পুলিশ সদর দপ্তর ও র‌্যাব ছাড়া) ধারাবাহিকভাবে ছয় বছরের বেশি চাকরি করতে পারবেন না। একই ধরনের শর্ত থাকছে পরিদর্শক (সশস্ত্র) ও পরিদর্শক (ট্রাফিক) পদে পদায়নের ক্ষেত্রেও।

জানাতে চাইলে বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (চলতি দায়িত্বে) আবু নাসের মো. খালেদ যুগান্তরকে বলেন, ওসি এবং পুলিশ পরিদর্শক পদায়নের বিষয়টি নিয়ে ১৬ এপ্রিল পলিসি গ্রুপের সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ নিয়ে আরও সভা হবে। উত্থাপিত প্রস্তাবের চুলচেরা বিশ্লেষণ শেষে এ বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সূত্র,দৈনিক যুগান্তর।

রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু
শেয়ার করুন

রামুতে বন্য হাতির তাণ্ডবে একই পরিবারের মা ও মেয়েসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকার আব্দুল করিমের কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী জানায়, বণ্য হাতির একটি দল ভোর বেলায় আব্দুল করিম কলোনীতে হানা দেয়। এ সময় হাতি দলটির আক্রমনে মা মেয়ের মৃত্যু হয়। এখনও নিহতদের পরিচয় ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইনুকে ‘টেনশন না করতে’ বলা সেই দুই পুলিশ সদস্য শাস্তির মুখে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৬ পূর্বাহ্ণ
ইনুকে ‘টেনশন না করতে’ বলা সেই দুই পুলিশ সদস্য শাস্তির মুখে
শেয়ার করুন

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে টেনশন না করতে বলা কনস্টেবল জামালসহ দুজনকে নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে ডিএমপি কমিশনার বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।

 

 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডেপুটি রেজিস্টার মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

চিঠিতে ডিএমপি থেকে প্রেষণে ট্রাইব্যুনালে কর্মরত কনস্টেবল মো. জামাল হোসেন ও কনস্টেবল মো. সোলাইমান হোসেনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়, ২৯ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার আসামি হাসানুল হক ইনুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এজলাস থেকে হাজতখানায় আনা-নেওয়ার পথে বিভিন্ন ধরনের শৃঙ্খলাবহির্ভূত আলাপ করেন কনস্টেবল জামাল ও কনস্টেবল সোলাইমান। এ ঘটনায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দৃশ্যমান তাদের শৃঙ্খলাবহির্ভূত আচরণে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বিঘ্নসহ বিচারিক কার্যক্রমে হুমকির সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় তাদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণক্রমে ট্রাইব্যুনালকে অবগত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

 

 

ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাসকক্ষ থেকে ইনুকে হাজতখানায় নিচ্ছেন দুজন পুলিশ সদস্য। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। একপর্যায়ে দুই পুলিশ সদস্যকে বলতে শোনা যায়, ‘টেনশন কইরেন না, আমরা আছি তো স্যার।’

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার চলছে ইনুর। ষষ্ঠ দিনের মতো আজও তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৪ মে দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২।

রাজধানীতে জঙ্গি সন্দেহে চারজন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-ড্রোন-জিহাদি বই উদ্ধার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীতে জঙ্গি সন্দেহে চারজন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-ড্রোন-জিহাদি বই উদ্ধার
শেয়ার করুন

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, জিহাদি বই, ড্রোনসহ বিস্ফোরক দ্রব্য ও সামরিক পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

পুলিশের দাবি, তারা বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার পরিকল্পনা করছিলেন।

 

 

গ্রেপ্তার চারজন হলেন মো. ইমরান চৌধুরী (২৯), মো. মোস্তাকিম চৌধুরী (২৫), রিপন হোসেন শেখ (২৮) ও আবু বক্কর (২৫)। ইমরান ও মোস্তাকিম আপন ভাই এবং তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায়। রিপনের বাড়ি নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় এবং আবু বক্করের বাড়ি রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের রূপনগর এলাকায়।

 

গত সোমবার দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত ৩টা ৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের তারা মসজিদ-সংলগ্ন কয়লাঘাট এলাকার একটি বাসা থেকে ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে কেরানীগঞ্জের জিয়ানগর এলাকা থেকে মোস্তাকিমকে এবং সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর শিকসন ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকা থেকে রিপন ও আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা মিয়ানমারকেন্দ্রিক রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। তারা রাজধানীতে সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন স্থানে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও গুপ্ত হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। এ লক্ষ্যে অস্ত্র, গুলি, ড্রোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করেন তারা। উদ্ধার করা সামরিক পোশাকগুলো আরসার বলে পুলিশের ধারণা। তবে ডিবির আরেকটি সূত্র জানায়, পাকিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

বুধবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কামরাঙ্গীরচর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

বিকেলে ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থেকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।’ উগ্রবাদীরা হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মাথাচাড়া দিচ্ছে এমনটি বলব না, আমি শুধু বলব যারা এসব কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতীতেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে যারা জড়াবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’