খুঁজুন
, ,

কক্সবাজারে স্থায়ী সংরক্ষণাগার স্থাপনের উদ্যোগ

লবণ আমদানির অজুহাত আর নয়’ প্রান্তিক চাষির স্বার্থ সুরক্ষায় কঠোর অবস্থানে শিল্প মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
লবণ আমদানির অজুহাত আর নয়’ প্রান্তিক চাষির স্বার্থ সুরক্ষায় কঠোর অবস্থানে শিল্প মন্ত্রণালয়
শেয়ার করুন

দেশের লবণ শিল্প নতুন এক অধ্যায়ের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকট ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে চলা এ খাতে এবার সরকারের নজর পড়েছে বাস্তব সমস্যার মূল কেন্দ্রে—প্রান্তিক লবণচাষি ও সংরক্ষণ ব্যবস্থায়।

শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কক্সবাজারে একটি আধুনিক ও স্থায়ী লবণ সংরক্ষণাগার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে উৎপাদিত লবণ সারা বছর সংরক্ষণ করা যাবে, যা প্রান্তিক চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবে এবং দেশের লবণ স্বয়ংসম্পূর্ণতাকে আরও সুসংহত করবে।

বাংলাদেশের প্রায় ৯০ শতাংশ লবণ উৎপাদিত হয় কক্সবাজারে—বিশেষ করে চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, টেকনাফ ও সদর উপজেলার উপকূলজুড়ে বিস্তৃত লবণক্ষেতে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই লবণচাষিরা বছরের অর্ধেক সময় রোদে পুড়ে, কাদায় মিশে পরিশ্রম করলেও মৌসুম শেষে ন্যায্যমূল্য পান না। সংরক্ষণাগারের অভাবে বাধ্য হয়ে লবণ বিক্রি করতে হয় কম দামে।

চাষিদের অভিযোগ, মিল মালিক ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে বছরের পরিশ্রম অনেক সময় লোকসানে শেষ হয়।

চকরিয়ার একজন প্রবীণ লবণচাষি নুরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন,“লবণ তুলি আমরা, কিন্তু দাম ঠিক করে শহরের অফিসে বসে যারা, তারা। একবার সংরক্ষণাগার হলে আমরা অন্তত নিজের লবণ নিজের দামে বিক্রি করতে পারব।”

একই কথা বলেছেন, মহেশখারীর লবণ চাষি আনোয়ার হোসেন।তিনি বলেন চাষিরা লবণ চাষ করলেও লাভের মুখ দেখছে না। মধ্যখানে মিল মালিকদের সিন্ডিকেট ও দালাল মাফিয়া চক্র ব্যবসায় লাভবান হচ্ছে। এ ছাড়াও পর্যাপ্ত লবণ মজুদ থাকার পর লবণ আমদানি করে দেশের লবণ শিল্প ধবংস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তার।

কোনো অজুহাতে লবণ আমদানি নয়:

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এ টি এম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও বিসিকের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক পর্যালোচনা সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন,“বাংলাদেশ লবণ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কোনো অজুহাতে খাবার লবণ আমদানি করতে দেওয়া হবে না। সরকারের কঠোর অবস্থান আছে এ বিষয়ে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান। উপস্থিত ছিলেন বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নিজামউদ্দিন আহমেদ, সরকারি কর্মকর্তা, মিল মালিক ও প্রান্তিক চাষি সমিতির নেতারা।সভায় বর্তমান মজুত, উৎপাদন ব্যয়, ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ, বাজার ব্যবস্থাপনা ও পরিবহন সংকট নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।

সংরক্ষণাগার হলে বদলে যাবে পুরো চিত্র:

কক্সবাজারের লবণ শিল্পের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো — সংরক্ষণ অবকাঠামোর অভাব। লবণ মৌসুম শেষ হওয়ার পর বৃষ্টিতে, বাতাসে, কিংবা জায়গা সংকটে প্রচুর লবণ নষ্ট হয়ে যায়।

শিল্প সচিব সভায় জানান,“যদি উপযুক্ত জমি পাওয়া যায়, কক্সবাজারেই একটি আধুনিক লবণ সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে উৎপাদিত লবণ দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা যাবে, দাম ওঠানামা কমবে, এবং চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাবেন।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংরক্ষণাগার হলে লবণ উৎপাদনশীলতা বাড়বে অন্তত ২০ শতাংশ, এবং বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের আধিপত্য কমবে।

সভায় আলোচনায় উঠে আসে, কক্সবাজার থেকে বিভিন্ন জেলায় লবণ পরিবহনের সময় মহাসড়কে লবণপানি পড়ে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সচিব বলেন,
“এই সমস্যা দীর্ঘদিনের। আমরা পরিবহন ব্যবস্থায় প্যাকেজিং ও ঢাকনা ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করব, যাতে সড়কে লবণপানি না পড়ে দুর্ঘটনা না ঘটে।”

সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ে লবণনীতি চূড়ান্তের পথে:

বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম বলেন,
“লবণ শুধু কৃষিপণ্য নয়, এটি একটি শিল্প উপাদান। তাই এর জন্য আলাদা ‘জাতীয় লবণনীতি’ প্রণয়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যাতে উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিপণন—সব পর্যায়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা থাকে।”জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন,“কক্সবাজারের অর্থনীতি লবণের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। চাষিদের টিকিয়ে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। প্রশাসন এ শিল্পে স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা আনতে সচেষ্ট।”

বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদিত হয়। এর ৯০ শতাংশই কক্সবাজারে। কিন্তু বাজারে চাহিদা অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ না হওয়ায় প্রায়ই দেখা দেয় কৃত্রিম সংকট বা মূল্যহ্রাসের ধাক্কা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সংরক্ষণাগার স্থাপন, মিল আধুনিকায়ন, ও পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়ন হলে এই শিল্প শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, বরং রপ্তানিযোগ্য খাতে পরিণত হতে পারে।তবে তারা সতর্ক করেছেন— সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন যেন মাঠপর্যায়ের চাষিদের বাস্তব উপকারে আসে, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে না পড়ে।

চাষিদের প্রত্যাশা : ঘোষণার পর এবার বাস্তবায়নের দাবি:

সভা শেষে প্রান্তিক লবণচাষি রশিদা বেগম বলেন,
“আমরা অনেক সভা, অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছি। কিন্তু মাঠে পরিবর্তন আসেনি। এইবার যদি সংরক্ষণাগার হয়, তাহলে হয়তো আমাদের সন্তানরাও এই পেশায় থাকতে চাইবে।”চাষিদের এমন প্রত্যাশার মাঝেই কক্সবাজারের লবণক্ষেত যেন নতুন আশার আলোয় ভেসে উঠছে।
সরকারের ঘোষিত উদ্যোগ যদি দ্রুত বাস্তবায়িত হয়, তবে বাংলাদেশের লবণ শিল্প নতুন দিগন্তে প্রবেশ করবে—যেখানে চাষির ঘামের দাম ফিরবে, আর ‘লবণ আমদানির অজুহাত’ হয়ে উঠবে অতীত ইতিহাস।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।