খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৯ মাঘ, ১৪৩২

সোয়া ২ কোটি টাকার ইয়াবা গায়েব

দোষ স্বীকার কনস্টেবল ইমতিয়াজের:জড়িত দুই ইন্সপেক্টরসহ ১১ পুলিশ সদস্য

টেলিগ্রাম নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:১৩ অপরাহ্ণ
দোষ স্বীকার কনস্টেবল ইমতিয়াজের:জড়িত দুই ইন্সপেক্টরসহ ১১ পুলিশ সদস্য
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা ‘সোয়া ২ কোটি টাকার ইয়াবা গায়েব’ ঘটনার তদন্তে অবশেষে মুখ খুলেছেন কক্সবাজার আদালতের এক বিচারকের গানম্যান কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন। টেলিগ্রাম নিউজের হাতে থাকা অকাট্য প্রমাণের সামনে সব সত্য উপস্থাপন করতে তিনি বাধ্য হয়েছেন। এরপর তা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়েও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তদন্ত কমিটির কাছে। তিনি জানিয়েছেন, এ ঘটনার সঙ্গে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বাকলিয়া থানার দুই ইন্সপেক্টরসহ ১০ পুলিশ সদস্য জড়িত রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে তদন্ত কমিটির কাছে এসব তথ্য জানিয়েছেন ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক হওয়া পুলিশ সদস্য ইমতিয়াজ হোসেন। লিখিত ও মৌখিক জবানবন্দিতে কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন পুরো ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘গত ৮ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ২টার দিকে একজন এএসআই আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পুলিশ বক্সে নিয়ে যায়। সেখানে সিভিল পোশাকে বাকলিয়া থানার ওসি (তদন্ত) তানভীর আহমেদ, সিভিলে একজন এসআই, পুলিশ পোশাকে আরেকজন এসআই, তিনজন এএসআই, একজন পুরুষ কনস্টেবল এবং দুইজন মহিলা কনস্টেবল ছিলেন। আমার লাগেজ খুলেছিল একজন পাবলিক চেকার। সে চেইন খুলে ইয়াবা দেখার পর পুলিশ চেইন বন্ধ করে দিতে বলে। তারা ইয়াবাগুলো গুনেনি। পরে তারা সেগুলো কী করেছে আমি জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন এসআই সাদা কাগজে একটি সিজার লিস্ট তৈরি করেছিল। বাকলিয়া থানার ওসি (তদন্ত) তানভীর আহমেদ আমার জবানবন্দি নিয়েছিল। আমার কাছ থেকে জবানবন্দিতে স্বাক্ষর করানো হয়। সেখানে আলাদা আলাদা পেজ ছিল। পরে আমাকে এসব বিষয় কাউকে না জানানোর জন্য বলা হয় এবং তারাও আমার ক্ষতি করবে না বলে নিশ্চিত করে। এরপর কোনো একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনার পর ভোরের দিকে আমাকে একটি গাড়িতে তুলে দেয়।’ কনস্টেবল ইমতিয়াজ বলেন, ‘চাকরি চলে যাওয়ার ভয়েই এতদিন কিছু স্বীকার করিনি। এছাড়া বাকলিয়া থানা পুলিশ আমাকে স্পষ্ট বলেছিল-কাউকে কিছু বললে বিপদ হবে।’

জানা গেছে, ৮ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে দেশ ট্রাভেলসের কক্সবাজার কলাতলী কাউন্টারে যায় পুলিশ সদস্য ইমতিয়াজ। সেখান থেকে ঢাকার একটি টিকিট কাটেন তিনি। তবে টিকিট কেটেছিলেন চকরিয়া থেকে ওঠার কথা বলে। কিন্তু তিনি উঠেছিলেন কলাতলি থেকেই। কারণ কক্সবাজার থেকে যেসব যাত্রী ওঠে, চেকপোস্টে তাদের প্রতি সন্দেহ থাকে। ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে দেশ ট্রাভেলসের গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-১৬৪২) কলাতলি থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে। ইমতিয়াজ গাড়ির ই-১ আসনে ছিলেন। গাড়িতে বসেই তিনি পুলিশের আইডি কার্ডটি সামনের ডি-১ সিটে ঝুলিয়ে দেন। এতে গাড়ির যাত্রীরাও বুঝে যায় ইমতিয়াজ পুলিশ সদস্য।

তদন্ত কমিটির একজন সদস্য টেলিগ্রাম নিউজ কে জানিয়েছেন, ‘কনস্টেবল ইমতিয়াজ শুরুতে বিষয়টি অস্বীকার করছিল। তবে যুগান্তরের সরবরাহ করা অডিও ও তথ্য উপস্থাপন করার পর তিনি ভেঙে পড়েন এবং কোনো যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে ইয়াবাসহ আটক হওয়ার পুরো ঘটনা খুলে বলেন।’

এদিকে ইয়াবা গায়েবের সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি পৃথক ‘মিস কেস’ নথি খুলেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলাউদ্দিন মাহমুদ। এ বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ১২ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সিএমপির উপ-কমিশনারকে (দক্ষিণ) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর বাইরেও সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মর্যাদার একজন কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করছেন।

কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান বলেন, ‘ইয়াবা গায়েবের ঘটনায় আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখনই সবকিছু প্রকাশ করা যাচ্ছে না। ওই পুলিশ সদস্য ইয়াবাগুলো কার কাছ থেকে নিয়েছে এবং বর্তমানে সেগুলোর অবস্থান কোথায়? সেটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন
শেয়ার করুন

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

 

 

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (ক্র্যাক) এর উদ্যোগে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার সহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন সুরক্ষার জন্য ক্র্যাকের উদ্যোগে ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন করা হয়। সেল থেকে যেসব সহায়তা দেওয়া হবে তা হলো-

ভোটগ্রহণের দিন কোন পেশাদার সাংবাদিক কোথাও আক্রান্ত বা হামলার শিকার হলে সাথে সহায়তা সেলে ফোন করে জানাতে পারবেন। সহায়তা সেল থেকে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে উদ্ধার করার জন্য। আক্রান্ত সাংবাদিকের যদি শারীরিকভাবে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে ক্র্যাকের পক্ষ থেকে সাথে সাথে এম্বুল্যান্স পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট স্থানে। এরপর কক্সবাজার শহরের ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। চিকিৎসা পরবর্তী আইনগতভাবে সহায়তার জন্য সহযোগীতা করবে ক্র্যাক।

জরুরি সহায়তা সেলের যোগাযোগ নম্বর:

+880 1306-289800 (জসিম উদ্দিন) ও 01685891417 (আজিম নিহাদ)

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীকাল বৃহস্পতিবার। দেশজুড়ে ভোটের আমেজের মধ্যে এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।

 

ভোটের দিন প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের পাশাপাশি ভোটারদেরও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কী করবেন, কী করবেন না- তা জেনে রাখা জরুরি।

 

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ভোটারদের সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। বিকেল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ালে সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ মিলবে।

 

ভোটার মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে পারবেন এবং কেন্দ্র প্রাঙ্গণে ছবি তোলায় নিষেধ নেই। তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) মোবাইল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। এনআইডি কার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে শনাক্তকরণ সহজ হয়।

 

যেকোনো শালীন পোশাক পরে ভোট দেওয়া যাবে। কেউ নেকাব পরলে পরিচয় নিশ্চিত করতে পোলিং কর্মকর্তার অনুরোধে একবারের জন্য মুখ দেখাতে হতে পারে।

 

ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখার পর পোলিং অফিসার আঙুলে অমোচনীয় কালি দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট পেপার দেবেন- একটি সংসদ নির্বাচনের, অন্যটি গণভোটের। ব্যালট নেওয়ার আগে পেছনে অফিসিয়াল সিল ও স্বাক্ষর আছে কি না তা দেখে নেওয়া জরুরি।

 

ব্যালট হাতে পাওয়ার পর নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট সিল দিতে হবে। গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ অপশনে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন কালি অন্য প্রতীকে না লাগে- লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করাই নিরাপদ।

 

ভাঁজ করা ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। ভোট দেওয়া শেষ হলে অযথা কেন্দ্রে অবস্থান না করে দ্রুত বেরিয়ে যেতে হবে।

 

অন্যদিকে অস্ত্র, বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থসহ যেকোনো বিপজ্জনক বস্তু নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ।

আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা চার দিনের ছুটি আজ (বুধবার) থেকে শুরু হয়েছে; যা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।অন্যদিকে, নির্বাচন ও পূজার ছুটি মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকবে টানা পাঁচ দিন। আজ থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সাথে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সাধারণ ছুটি চার দিনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত’ উপলক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ছুটি থাকায় সেখানে সর্বমোট পাঁচ দিনের ছুটি কার্যকর হচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মূল দিন নির্ধারিত রয়েছে।এর আগে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। একইসঙ্গে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটিও বহাল রাখা হয়েছে।

এদিকে, নির্বাচন উপলক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল আজ বুধবার এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বন্ধ থাকবে। দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংহতি রেখে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ দেশের সব দোকানপাট, বিপণিবিতান এবং শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।