খুঁজুন
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র, ১৪৩২

সোয়া ২ কোটি টাকার ইয়াবা গায়েব

দোষ স্বীকার কনস্টেবল ইমতিয়াজের:জড়িত দুই ইন্সপেক্টরসহ ১১ পুলিশ সদস্য

টেলিগ্রাম নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:১৩ অপরাহ্ণ
দোষ স্বীকার কনস্টেবল ইমতিয়াজের:জড়িত দুই ইন্সপেক্টরসহ ১১ পুলিশ সদস্য
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা ‘সোয়া ২ কোটি টাকার ইয়াবা গায়েব’ ঘটনার তদন্তে অবশেষে মুখ খুলেছেন কক্সবাজার আদালতের এক বিচারকের গানম্যান কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন। টেলিগ্রাম নিউজের হাতে থাকা অকাট্য প্রমাণের সামনে সব সত্য উপস্থাপন করতে তিনি বাধ্য হয়েছেন। এরপর তা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়েও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তদন্ত কমিটির কাছে। তিনি জানিয়েছেন, এ ঘটনার সঙ্গে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বাকলিয়া থানার দুই ইন্সপেক্টরসহ ১০ পুলিশ সদস্য জড়িত রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে তদন্ত কমিটির কাছে এসব তথ্য জানিয়েছেন ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক হওয়া পুলিশ সদস্য ইমতিয়াজ হোসেন। লিখিত ও মৌখিক জবানবন্দিতে কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন পুরো ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘গত ৮ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ২টার দিকে একজন এএসআই আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পুলিশ বক্সে নিয়ে যায়। সেখানে সিভিল পোশাকে বাকলিয়া থানার ওসি (তদন্ত) তানভীর আহমেদ, সিভিলে একজন এসআই, পুলিশ পোশাকে আরেকজন এসআই, তিনজন এএসআই, একজন পুরুষ কনস্টেবল এবং দুইজন মহিলা কনস্টেবল ছিলেন। আমার লাগেজ খুলেছিল একজন পাবলিক চেকার। সে চেইন খুলে ইয়াবা দেখার পর পুলিশ চেইন বন্ধ করে দিতে বলে। তারা ইয়াবাগুলো গুনেনি। পরে তারা সেগুলো কী করেছে আমি জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন এসআই সাদা কাগজে একটি সিজার লিস্ট তৈরি করেছিল। বাকলিয়া থানার ওসি (তদন্ত) তানভীর আহমেদ আমার জবানবন্দি নিয়েছিল। আমার কাছ থেকে জবানবন্দিতে স্বাক্ষর করানো হয়। সেখানে আলাদা আলাদা পেজ ছিল। পরে আমাকে এসব বিষয় কাউকে না জানানোর জন্য বলা হয় এবং তারাও আমার ক্ষতি করবে না বলে নিশ্চিত করে। এরপর কোনো একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনার পর ভোরের দিকে আমাকে একটি গাড়িতে তুলে দেয়।’ কনস্টেবল ইমতিয়াজ বলেন, ‘চাকরি চলে যাওয়ার ভয়েই এতদিন কিছু স্বীকার করিনি। এছাড়া বাকলিয়া থানা পুলিশ আমাকে স্পষ্ট বলেছিল-কাউকে কিছু বললে বিপদ হবে।’

জানা গেছে, ৮ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে দেশ ট্রাভেলসের কক্সবাজার কলাতলী কাউন্টারে যায় পুলিশ সদস্য ইমতিয়াজ। সেখান থেকে ঢাকার একটি টিকিট কাটেন তিনি। তবে টিকিট কেটেছিলেন চকরিয়া থেকে ওঠার কথা বলে। কিন্তু তিনি উঠেছিলেন কলাতলি থেকেই। কারণ কক্সবাজার থেকে যেসব যাত্রী ওঠে, চেকপোস্টে তাদের প্রতি সন্দেহ থাকে। ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে দেশ ট্রাভেলসের গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-১৬৪২) কলাতলি থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে। ইমতিয়াজ গাড়ির ই-১ আসনে ছিলেন। গাড়িতে বসেই তিনি পুলিশের আইডি কার্ডটি সামনের ডি-১ সিটে ঝুলিয়ে দেন। এতে গাড়ির যাত্রীরাও বুঝে যায় ইমতিয়াজ পুলিশ সদস্য।

তদন্ত কমিটির একজন সদস্য টেলিগ্রাম নিউজ কে জানিয়েছেন, ‘কনস্টেবল ইমতিয়াজ শুরুতে বিষয়টি অস্বীকার করছিল। তবে যুগান্তরের সরবরাহ করা অডিও ও তথ্য উপস্থাপন করার পর তিনি ভেঙে পড়েন এবং কোনো যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে ইয়াবাসহ আটক হওয়ার পুরো ঘটনা খুলে বলেন।’

এদিকে ইয়াবা গায়েবের সংবাদ প্রকাশের পর মঙ্গলবার স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি পৃথক ‘মিস কেস’ নথি খুলেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলাউদ্দিন মাহমুদ। এ বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ১২ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সিএমপির উপ-কমিশনারকে (দক্ষিণ) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর বাইরেও সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মর্যাদার একজন কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করছেন।

কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান বলেন, ‘ইয়াবা গায়েবের ঘটনায় আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখনই সবকিছু প্রকাশ করা যাচ্ছে না। ওই পুলিশ সদস্য ইয়াবাগুলো কার কাছ থেকে নিয়েছে এবং বর্তমানে সেগুলোর অবস্থান কোথায়? সেটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে
শেয়ার করুন

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম
শেয়ার করুন

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে আজ রাতে সৌদি আরব যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

 

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে দলের মিডিয়া টিম থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

বার্তায় বলা হয়, নিরাপদ যাত্রার জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৪ এপ্রিল তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ
শেয়ার করুন

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান আর চায় না বলে- মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি হতে নির্বাচিত নোয়াখালী-৬(হাতিয়া)র এমপি আব্দুল হান্নান মাসউদ। রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে জুলাই সনদ ও সংবিধান ইস্যুতে এ কথা বলেন হান্নান মাসউদ।

 

মাসউদ বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি। আপনারা যে জেন-জির কথা বলেন, আমি জেন-জির প্রতিনিধি হয়ে সংসদে কথা বলতে এসেছি। আপনারা যদি বলেন, জেন-জিরা কী চায়। আমি বলি, জেন-জিরা ৭২‘র সংবিধান আর চায় না।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৩০ বছর পরে আমার মত যেসব সন্তানরা রয়েছে, তারা ভোট দিতে পারেনি, আমি এর জবাব চাই। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছি। আমাদের কী ভুল ছিল? আমরা নতুন মানচিত্র পেয়েছি। নতুন পতাকা ও নতুন সীমানা পেয়েছি। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা ১৯৭১ সালে রক্ত দিয়ে আমাদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছেন। আমরা কি সেই নিরাপদ এবং নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি? সেই নতুন বাংলাদেশ আমরা পাইনি।’

 

এমপি বলেন, ‘৭১-এ ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে এবং জীবন দিয়েছে। পরবর্তীতে তাদের সন্তানরা যেন নিরাপদ বাংলাদেশে ভোটাধিকার পায় এবং রক্ষী বাহিনী না হয়। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছে। ১৯৭৩ সালে ভোট চুরি হয়েছে। এরপর আমরা দেখেছি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্র পুনর্জন্মের জন্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আমার হাতিয়াতে তিনবার গিয়েছেন। আমি যেদিকে তাকিয়েছি এবং বলেছি, এই বেরিবাঁধ কে করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি জিয়াউর রহমান। আমার এই খাল কে খনন করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি, জিয়াউর রহমান। তার পরে বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতিয়াতে তিন থেকে চারবার গিয়েছেন। এরপরেও আমার হাতিয়াতে নদী ভাঙন রোধ হয়নি। ওই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়িহীন হয়ে পড়ে আছেন। আমি এই ইলেকশনে ভোট ডাকাতি দেখেছি। আমার বাড়িঘরে হামলা করেছে।’

 

সংসদের সদস্যদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে হান্নান বলেন,‘আমি কি এই নির্বাচনের জন্য রক্ত ঝড়িয়েছি? আমরা রক্ত ঝড়িয়েছি বলেই আপনারা সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন।’

 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনড় অবস্থান জানিয়ে হান্নান মাসউদ আরও বলেন, ‘আমরা নতুন বাংলাদেশের বিষয়ে কোনো প্রতারণা দেখতে চাই না। গণভোটের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রচারণা চালিয়েছেন। যে আদেশের পক্ষে সংসদ সদস্যরা প্রচারণা চালিয়েছেন, আজকে কেন আবার দীর্ঘ আলোচনা হতে হবে?’