খুঁজুন
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ, ১৪৩২

“হ্যাঁ” মানে আজাদী, “না” মানে গোলামী- কক্সবাজারে ডা. শফিকুর রহমান

শাহেদ ফেরদৌস হিরু
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
“হ্যাঁ” মানে আজাদী, “না” মানে গোলামী- কক্সবাজারে ডা. শফিকুর রহমান
শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১৩ তারিখ থেকে জনগণ একটি নতুন বাংলাদেশ পেতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এই বাংলাদেশ হবে ন্যায়বিচার, যোগ্যতা ও মানবিক মর্যাদার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাহারছড়া মুক্তিযোদ্ধা গোল চত্বর মাঠে কক্সবাজার জেলা জামায়েত আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। “চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ, গণভোটে হ্যাঁ দিই” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত জনসভায় তিনি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেন।

নারীদের অধিকার ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা মায়েদের মাথার ওপরে তুলে রাখার মর্যাদা দেব। ঘর থেকে শুরু করে কর্মস্থল পর্যন্ত তাদের চলাচলের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নারীদের মাস্টার্স পর্যন্ত সকল শিক্ষাখরচ সরকার বহন করবে।

যুব সমাজের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা যুবকদের হাতে বেকারভাতা তুলে দিয়ে অপমানিত করব না। আমরা তাদের হাতকে শক্ত করব, কাজের সুযোগ সৃষ্টি করব। দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে তাদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়ে বলব এগিয়ে যাও, এ দেশ তোমার। তিনি বলেন, সেই সময় যুবকরাই বলবে আমিই বাংলাদেশ। গর্বিত নাগরিক হিসেবে যুব সমাজকে গড়ে তুলতে চান বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে নারীদের প্রতি সহিংসতা ও অপমানের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, গত কয়েক দিনে মা-বোনদের অপমান করার মতো অনেক ঘটনা ঘটেছে। আমি এর প্রতিবাদ করেছি বলেই একটি চক্র আমার পেছনে লেগেছে। তারা সামনে মোকাবিলা করতে পারে না, পেছন থেকেই আঘাত করে। তবে পেছনের লোকেরা সবসময় পেছনেই পড়ে থাকবে সামনে এগোতে পারবে না।

প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জনগণের হবেন, কোনো দলের হবেন না। আমরা সেটাই বাস্তবায়ন করতে চাই। তিনি আরও বলেন, সৎ ও দক্ষতার সঙ্গে জনগণকে সেবা দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন রাখেন, কক্সবাজার অপার সম্ভাবনার একটি অঞ্চল তবুও এই কক্সবাজার কেন আজও হংকং বা সিঙ্গাপুর হতে পারল না? তিনি বলেন, অসৎ দুর্নীতিবাজ ও ব্যাংক লুটেরাদের কারণেই এই সম্ভাবনাময় অঞ্চল পিছিয়ে আছে। তিনি অভিযোগ করেন, দেশ থেকে প্রায় ২৮ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে এবং প্রতিশ্রুতি দেন এই অর্থ উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়ে জনগণের উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হবে।

তিনি আরও জানান, কক্সবাজারবাসীর প্রাণের দাবি একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। কক্সবাজার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যা মানুষকে মানুষ বানাবে এবং একই সঙ্গে দেশ গড়ার কারিগর তৈরি করবে।

রাজনৈতিক সংস্কার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, “রাজার ছেলে রাজা হবে” আমরা এই রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। যার যোগ্যতা আছে, সেই হবে এই দেশের সেবক। তিনি বলেন, একজন রিকশাচালকের মেধাবী সন্তান যেন ভবিষ্যতে বিকশিত হয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারে এমন বাংলাদেশ গড়াই তাদের লক্ষ্য।

ন্যায়বিচারের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ইনসাফ কায়েম হওয়া মানে একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে শাস্তি হবে, রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধ করলে তারও একই শাস্তি হবে। এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান বলেও তিনি জানান।

গণভোট প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করার নামই হচ্ছে ‘হ্যাঁ’। অনেকে শুরুতে ‘না’ বলেছে, এখন জাতির চাপে ধীরে ধীরে ‘হ্যাঁ’ বলতে শুরু করেছে। এই ‘হ্যাঁ’ যেন মুখের কথা না হয়ে বুকের কথা হয় এই কামনা করেন তিনি। তবে এবার ‘না’ এর পক্ষে দাঁড়ালে জাতি তার হিসাব ভালোভাবেই বুঝে নেবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলের “হ্যাঁ মানে আজাদী, না মানে গোলামী।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বাংলাদেশ জামায়েতের আমির কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন। এরপর কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শহিদুল আলম এবং কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারীর হাতেও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন। এর আগে সকালে মহেশখালীতে আয়োজিত জনসভায় তিনি কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।

জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, একসাথে এগিয়ে এসে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য।

সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফর: প্রচারণা বন্ধের ঘোষণা জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারীর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ
সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফর: প্রচারণা বন্ধের ঘোষণা জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারীর
শেয়ার করুন

কক্সবাজারে আগামীকাল বুধবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফরকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারণায় বিশেষ ঘোষণা দিয়েছেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।

 

​মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, বিএনপির এই শীর্ষ নেতার নির্বাচনী সফর উপলক্ষে বুধবার দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উখিয়ায় তাঁর সকল প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ রাখা হবে।

 

​মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, সালাউদ্দিন আহমদের আগমনকে সম্মান জানিয়ে এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এই ছয় ঘণ্টা নির্বাচনী কর্মকাণ্ড স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

 

এদিকে ২ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর কক্সবাজারে নির্বাচনী সমাবেশ থাকায় নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলেন কক্সবাজার -৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফর রহমান কাজল।

 

এমন রাজনৈতিক সহাবস্থান ও সম্প্রীতি সকল প্রার্থীর জন্যই অনুকরণীয় বলছেন নেটিজেনরা।

শবে বরাতে রাসুল সা. যেসব আমল করতেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
শবে বরাতে রাসুল সা. যেসব আমল করতেন
শেয়ার করুন

শাবান মাস মুমিনের আমলের মাস, শাবান মাস মুমিনের আনন্দের মাস, খুশির মাস। আর এ মাসের ১৪ তারিখের রাত মুসলমানদের অন্যতম একটি রাত। ভারতীয় উপমহাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশে এ রাত শবে বরাত নামে পরিচিত। হাদিসের ভাষায় এ রাতকে ‘নিসফ শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্যরাত বলা হয়। এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস শরিফে বিবৃত হয়েছে, মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাত অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে সৃষ্টির প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫)

 

শবে বরাতে রাসুল (সা.) যেসব আমল করতেন

 

১. পুরো রাত জেগে ইবাদত করতেন। যেমন-নফল নামাজ পড়া, কুরআন তেলাওয়াত করা, তাসবিহ পাঠ করা, তওবা-ইস্তেগফার ইত্যাদি পড়া। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেন– পাঁচটি রাত এমন আছে, যে রাতে বান্দার কোনও দোয়া ফেরত দেওয়া হয় না। আর তা হলো– জুমআর রাতের দোয়া, রজব মাসের প্রথম রাতের দোয়া, নিসফা শাবান তথা অর্ধ শাবানের রাতের দোয়া, ঈদুল ফিতর তথা রোজার ঈদের রাতের দোয়া, ঈদুল আজহা তথা কুরবানির ঈদের রাতের দোয়া। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক: ৭৯২৭, সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকি: ৬৯৮৭)

 

 

২. পুরো শাবান মাসেই অধিক পরিমাণে রোজা রাখা উত্তম। রাসুল (স.) প্রায় পুরো শাবান মাস রোজা রাখতেন। ফাতিমা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলকে (স.) শাবান ও রমযান ছাড়া দুই মাস একাধারে রোজা রাখতে দেখিনি। (সহিহ বুখারি: ১৯৬৯, সহিহ মুসলিম: ১১৫৬)

 

অন্য হাদিসে বিবৃত হয়েছে, রাসুল (স.) বলেন, যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত আসবে, তখন তোমরা এ রাতে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করবে এবং দিনে রোজা পালন করবে। কেননা এই দিন সূর্যাস্তের পরই আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আছো ক্ষমাপ্রার্থনাকারী, আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো। কে আছো রিজিকপ্রার্থী, আমি তাকে রিজিক দেবো। কে আছো বিপদগ্রস্ত, আমি তাকে বিপদমুক্ত করবো। ফজর হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা এ কথা বলতে থাকেন। (ইবন মাজাহ: ১৩৮৮)

 

৩. কিয়ামুল লাইল: হাদিস শরীফে বিবৃত হয়েছে, আলা ইবনুল হারিস (রা.) থেকে বর্ণিত, আয়েশা (রা.) বলেন, একবার রাসুল (স.) রাতে নামাজে দাঁড়িয়ে এতো দীর্ঘ সময় সেজদায় রইলেন যে, আমার ধারণা হলো হয়ত তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তখন আমি তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিয়ে দেখলাম। যখন তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামাজ শেষ করলেন তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আয়েশা ওহে হুমাইরা, তোমার কি আশঙ্কা হয়েছে যে, রাসুল (স.) তোমার হক নষ্ট করবেন? আমি উত্তরে বললাম, না, হে রাসুলুল্লাহ আপনার দীর্ঘ সেজদায় আমার আশঙ্কা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা।

 

রাসুল (স.) জিজ্ঞেস করলেন তুমি কি জানো এটা কোন রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও তার রাসুলই ভালো জানেন। তখন রাসুল (স.) বললেন, ‘এটা হলো অর্ধ শাবানের রাত অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখের দিবাগত রাত। আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তার বান্দার প্রতি মনযোগ দেন এবং ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন, অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন, বিদ্বেষ পোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই। (শুয়াবুল ঈমান: ৩৫৫৪)

 

সুতরাং এই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কিয়ামুল লাইল অর্থাৎ নফল নামাজে দীর্ঘ কিরাত পড়া এবং লম্বা সেজদা করা এ রাতের বিশেষ একটি আমল।

 

৪. ভিত্তিহীন কাজ পরিহার: হাদিস শরীফে শবে বরাতের রাতে রাসুল (স.) থেকে বিশেষ পদ্ধতিতে কোনও ইবাদত প্রমাণিত নেই। সাহাবায়ে কেরামদের থেকেও এর কোনও প্রমাণ পাওয়া যায় না। সুতরাং আমাদের সমাজে প্রচলিত শবে বরাতের বিশেষ পদ্ধতির যে নামাজের কথা বলা হয় তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট। এগুলো বিশ্বাস করা এবং এগুলোর ওপর আমল করা কোনোভাবেই জায়েজ নেই।

 

৫. ক্ষমা প্রার্থনা করা: শবে বরাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো বেশি বেশি তাওবা-ইস্তিগফার করা। কারণ বরকতময় এই রাতে আল্লাহ তাআলা প্রথম আকাশে এসে বান্দাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন। তাদের গুনাহগুলো মাফ করেন। হাদিস শরীফে বিবৃত হয়েছে, রাসুল (স.) বললেন, যখন অর্ধ শাবানের রাত আসে তখন আল্লাহ তাআলা প্রথম আকাশে অবস্থান করে, মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া অন্যদের ক্ষমা করে দেন। (মুসনাদে বাজজার: ৮০)

আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় হামলা চালাচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ এনসিপির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় হামলা চালাচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ এনসিপির
শেয়ার করুন

ভোটের প্রচারে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা করছে বলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশব্যাপী হামলার প্যাটার্ন অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট দলই এসব করে যাচ্ছে।

 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আইমান রাহাত এই অভিযোগ করেন।

 

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

এনসিপির পক্ষ থেকে সিইসি বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে সম্প্রতি ঘটা আটটি অভিযোগের বিষয়ে তুলে ধরা হয়।

 

এসময় এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আরও অভিযোগ করে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন তার বক্তব্য বিএনপির প্রার্থী বাছাইয়ে পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআইসহ তিন প্রতিষ্ঠানের জরিপের কথা উল্লেখ করেছেন। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ।

 

একই সঙ্গে গত ৩১ জানুয়ারি তারেক রহমানের বক্তব্য ১০ হাজারের কৃষি ঋণ মাফের রেশ ধরেই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা সহযোগী হয়ে কাজ করছে বলেও অভিযোগ জানানো হয়।