খুঁজুন
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ, ১৪৩২

৫ লাখ স্নাতকধারী বেকারকে বিনা সুদে ঋণ দেবে জামায়াত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
৫ লাখ স্নাতকধারী বেকারকে বিনা সুদে ঋণ দেবে জামায়াত
শেয়ার করুন

৫ লাখ স্নাতকধারী বেকারকে বিনা সুদে ঋণ দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ক্ষমতায় গেলে মাসে ১০ হাজার টাকা করে সুদমুক্ত এই ঋণ দেবে দলটি। শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি পাওয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বছর এ সুবিধা পাবেন তরুণেরা। সেই সঙ্গে মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে ১ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা করে সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।

 

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে জামায়াত আয়োজিত ‘পলিসি সামিট ২০২৬’-এ দলের পক্ষ থেকে এসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। দিনব্যাপী এই নীতি সম্মেলনে বিভিন্ন প্যানেল আলোচনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, দেশের রাজনীতিবিদ শিক্ষাবিদ, গবেষক, সম্পাদকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সম্মেলনে প্রতিবছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য ১০০ শিক্ষার্থীকে সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে জামায়াতের পক্ষ থেকে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে বলেও ঘোষণা দেয় দলটি।

 

সম্মেলনে আগামী তিন বছরে শিল্পে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির মাশুল বাড়ানো হবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াত। এ ছাড়া বন্ধ কলকারখানা সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্বে (পিপিপি) চালু ও ১০ শতাংশ মালিকানা শ্রমিকদের দেওয়া, ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রণয়ন, সহজ লাইসেন্সিং ব্যবস্থা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের জন্য সুদবিহীন ঋণসুবিধা দেওয়ার কথা বলেছে দলটি। জামায়াত আরও বলেছে, তারা ক্ষমতায় গেলে মেধার ভিত্তিতে সব নিয়োগ হবে। ৬০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক ও ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে এবং ৬৪ জেলায় ৬৪টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে।

 

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) নীতি ঘোষণা করবে। কর ও ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) বর্তমান হার থেকে ধাপে ধাপে কমানো হবে। দীর্ঘ মেয়াদে কর ১৯ শতাংশ ও ভ্যাট ১০ শতাংশে (এখন ১৫ শতাংশ) নিয়ে আসা হবে এবং স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড (এনআইডি, টিআইএন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এক কার্ডে) চালু করা হবে।

 

‘ফার্স্ট থাউজেন্ড ডেজ প্রোগ্রাম’ বা প্রথম ১ হাজার দিনের কর্মসূচির আওতায় গর্ভধারণ থেকে শুরু করে শিশুর দুই বছর বয়স পর্যন্ত মা ও শিশুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তাকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসাও জামায়াতের লক্ষ্য।

 

তরুণদের জন্য জামায়াতের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, দক্ষ জনশক্তি ও ‘জব প্লেসমেন্ট’–এর জন্য নতুন মন্ত্রণালয় সৃষ্টি, ৫ বছরে ১ কোটি তরুণকে বাজারভিত্তিক দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া, প্রতিটি উপজেলায় গ্র্যাজুয়েটদের জন্য ‘ইয়ুথ টেক ল্যাব’ স্থাপন, প্রতিটি জেলায় ‘জেলা জব ইয়ুথ ব্যাংক’ গঠন করে ৫ বছরে ৫০ লাখ ‘জব অ্যাকসেস’ (কর্মে প্রবেশ) নিশ্চিত; নারী, তরুণ ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিয়ে ৫ লাখ উদ্যোক্তা তৈরি, ১৫ লাখ ফ্রিল্যান্সার তৈরি, স্বল্পশিক্ষিত যুবকদের জন্য উপযোগী দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা।

 

তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি খাত উন্নয়নে ‘ভিশন ২০৪০’ ঘোষণা করেছে জামায়াত। দলটি ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ লাখ আইসিটি সম্পৃক্ত কর্মসংস্থান ও প্লেসমেন্ট, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল রপ্তানির জন্য ন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপন, আইসিটি খাত থেকে ৫০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয়, আইসিটি খাতে সরকারের ১৫০ কোটি ডলার ব্যয় সাশ্রয় এবং শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়েছে।

 

দক্ষ জনশক্তির মাধ্যমে পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স দুই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি, ‘ইন্টেলেকচুয়াল রেমিট্যান্স’ হিসেবে প্রবাসী বাংলাদেশি পেশাজীবী, গবেষক ও শিক্ষকদের দেশে নিয়ে আসার কথা বলেছে জামায়াত।

সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফর: প্রচারণা বন্ধের ঘোষণা জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারীর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ
সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফর: প্রচারণা বন্ধের ঘোষণা জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারীর
শেয়ার করুন

কক্সবাজারে আগামীকাল বুধবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফরকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারণায় বিশেষ ঘোষণা দিয়েছেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।

 

​মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, বিএনপির এই শীর্ষ নেতার নির্বাচনী সফর উপলক্ষে বুধবার দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উখিয়ায় তাঁর সকল প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ রাখা হবে।

 

​মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, সালাউদ্দিন আহমদের আগমনকে সম্মান জানিয়ে এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এই ছয় ঘণ্টা নির্বাচনী কর্মকাণ্ড স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

 

এদিকে ২ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর কক্সবাজারে নির্বাচনী সমাবেশ থাকায় নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলেন কক্সবাজার -৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফর রহমান কাজল।

 

এমন রাজনৈতিক সহাবস্থান ও সম্প্রীতি সকল প্রার্থীর জন্যই অনুকরণীয় বলছেন নেটিজেনরা।

শবে বরাতে রাসুল সা. যেসব আমল করতেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
শবে বরাতে রাসুল সা. যেসব আমল করতেন
শেয়ার করুন

শাবান মাস মুমিনের আমলের মাস, শাবান মাস মুমিনের আনন্দের মাস, খুশির মাস। আর এ মাসের ১৪ তারিখের রাত মুসলমানদের অন্যতম একটি রাত। ভারতীয় উপমহাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশে এ রাত শবে বরাত নামে পরিচিত। হাদিসের ভাষায় এ রাতকে ‘নিসফ শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্যরাত বলা হয়। এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস শরিফে বিবৃত হয়েছে, মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাত অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে সৃষ্টির প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫)

 

শবে বরাতে রাসুল (সা.) যেসব আমল করতেন

 

১. পুরো রাত জেগে ইবাদত করতেন। যেমন-নফল নামাজ পড়া, কুরআন তেলাওয়াত করা, তাসবিহ পাঠ করা, তওবা-ইস্তেগফার ইত্যাদি পড়া। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেন– পাঁচটি রাত এমন আছে, যে রাতে বান্দার কোনও দোয়া ফেরত দেওয়া হয় না। আর তা হলো– জুমআর রাতের দোয়া, রজব মাসের প্রথম রাতের দোয়া, নিসফা শাবান তথা অর্ধ শাবানের রাতের দোয়া, ঈদুল ফিতর তথা রোজার ঈদের রাতের দোয়া, ঈদুল আজহা তথা কুরবানির ঈদের রাতের দোয়া। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক: ৭৯২৭, সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকি: ৬৯৮৭)

 

 

২. পুরো শাবান মাসেই অধিক পরিমাণে রোজা রাখা উত্তম। রাসুল (স.) প্রায় পুরো শাবান মাস রোজা রাখতেন। ফাতিমা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলকে (স.) শাবান ও রমযান ছাড়া দুই মাস একাধারে রোজা রাখতে দেখিনি। (সহিহ বুখারি: ১৯৬৯, সহিহ মুসলিম: ১১৫৬)

 

অন্য হাদিসে বিবৃত হয়েছে, রাসুল (স.) বলেন, যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত আসবে, তখন তোমরা এ রাতে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করবে এবং দিনে রোজা পালন করবে। কেননা এই দিন সূর্যাস্তের পরই আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আছো ক্ষমাপ্রার্থনাকারী, আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো। কে আছো রিজিকপ্রার্থী, আমি তাকে রিজিক দেবো। কে আছো বিপদগ্রস্ত, আমি তাকে বিপদমুক্ত করবো। ফজর হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা এ কথা বলতে থাকেন। (ইবন মাজাহ: ১৩৮৮)

 

৩. কিয়ামুল লাইল: হাদিস শরীফে বিবৃত হয়েছে, আলা ইবনুল হারিস (রা.) থেকে বর্ণিত, আয়েশা (রা.) বলেন, একবার রাসুল (স.) রাতে নামাজে দাঁড়িয়ে এতো দীর্ঘ সময় সেজদায় রইলেন যে, আমার ধারণা হলো হয়ত তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তখন আমি তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিয়ে দেখলাম। যখন তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামাজ শেষ করলেন তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আয়েশা ওহে হুমাইরা, তোমার কি আশঙ্কা হয়েছে যে, রাসুল (স.) তোমার হক নষ্ট করবেন? আমি উত্তরে বললাম, না, হে রাসুলুল্লাহ আপনার দীর্ঘ সেজদায় আমার আশঙ্কা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা।

 

রাসুল (স.) জিজ্ঞেস করলেন তুমি কি জানো এটা কোন রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও তার রাসুলই ভালো জানেন। তখন রাসুল (স.) বললেন, ‘এটা হলো অর্ধ শাবানের রাত অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখের দিবাগত রাত। আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তার বান্দার প্রতি মনযোগ দেন এবং ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন, অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন, বিদ্বেষ পোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই। (শুয়াবুল ঈমান: ৩৫৫৪)

 

সুতরাং এই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কিয়ামুল লাইল অর্থাৎ নফল নামাজে দীর্ঘ কিরাত পড়া এবং লম্বা সেজদা করা এ রাতের বিশেষ একটি আমল।

 

৪. ভিত্তিহীন কাজ পরিহার: হাদিস শরীফে শবে বরাতের রাতে রাসুল (স.) থেকে বিশেষ পদ্ধতিতে কোনও ইবাদত প্রমাণিত নেই। সাহাবায়ে কেরামদের থেকেও এর কোনও প্রমাণ পাওয়া যায় না। সুতরাং আমাদের সমাজে প্রচলিত শবে বরাতের বিশেষ পদ্ধতির যে নামাজের কথা বলা হয় তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট। এগুলো বিশ্বাস করা এবং এগুলোর ওপর আমল করা কোনোভাবেই জায়েজ নেই।

 

৫. ক্ষমা প্রার্থনা করা: শবে বরাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো বেশি বেশি তাওবা-ইস্তিগফার করা। কারণ বরকতময় এই রাতে আল্লাহ তাআলা প্রথম আকাশে এসে বান্দাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন। তাদের গুনাহগুলো মাফ করেন। হাদিস শরীফে বিবৃত হয়েছে, রাসুল (স.) বললেন, যখন অর্ধ শাবানের রাত আসে তখন আল্লাহ তাআলা প্রথম আকাশে অবস্থান করে, মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ছাড়া অন্যদের ক্ষমা করে দেন। (মুসনাদে বাজজার: ৮০)

আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় হামলা চালাচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ এনসিপির

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় হামলা চালাচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ এনসিপির
শেয়ার করুন

ভোটের প্রচারে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা করছে বলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশব্যাপী হামলার প্যাটার্ন অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট দলই এসব করে যাচ্ছে।

 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আইমান রাহাত এই অভিযোগ করেন।

 

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

এনসিপির পক্ষ থেকে সিইসি বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে সম্প্রতি ঘটা আটটি অভিযোগের বিষয়ে তুলে ধরা হয়।

 

এসময় এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আরও অভিযোগ করে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন তার বক্তব্য বিএনপির প্রার্থী বাছাইয়ে পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআইসহ তিন প্রতিষ্ঠানের জরিপের কথা উল্লেখ করেছেন। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ।

 

একই সঙ্গে গত ৩১ জানুয়ারি তারেক রহমানের বক্তব্য ১০ হাজারের কৃষি ঋণ মাফের রেশ ধরেই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা সহযোগী হয়ে কাজ করছে বলেও অভিযোগ জানানো হয়।