খুঁজুন
বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

৫ লাখ স্নাতকধারী বেকারকে বিনা সুদে ঋণ দেবে জামায়াত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
৫ লাখ স্নাতকধারী বেকারকে বিনা সুদে ঋণ দেবে জামায়াত
শেয়ার করুন

৫ লাখ স্নাতকধারী বেকারকে বিনা সুদে ঋণ দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ক্ষমতায় গেলে মাসে ১০ হাজার টাকা করে সুদমুক্ত এই ঋণ দেবে দলটি। শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি পাওয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বছর এ সুবিধা পাবেন তরুণেরা। সেই সঙ্গে মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে ১ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা করে সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।

 

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে জামায়াত আয়োজিত ‘পলিসি সামিট ২০২৬’-এ দলের পক্ষ থেকে এসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। দিনব্যাপী এই নীতি সম্মেলনে বিভিন্ন প্যানেল আলোচনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, দেশের রাজনীতিবিদ শিক্ষাবিদ, গবেষক, সম্পাদকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সম্মেলনে প্রতিবছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য ১০০ শিক্ষার্থীকে সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে জামায়াতের পক্ষ থেকে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে বলেও ঘোষণা দেয় দলটি।

 

সম্মেলনে আগামী তিন বছরে শিল্পে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির মাশুল বাড়ানো হবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াত। এ ছাড়া বন্ধ কলকারখানা সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্বে (পিপিপি) চালু ও ১০ শতাংশ মালিকানা শ্রমিকদের দেওয়া, ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রণয়ন, সহজ লাইসেন্সিং ব্যবস্থা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের জন্য সুদবিহীন ঋণসুবিধা দেওয়ার কথা বলেছে দলটি। জামায়াত আরও বলেছে, তারা ক্ষমতায় গেলে মেধার ভিত্তিতে সব নিয়োগ হবে। ৬০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক ও ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে এবং ৬৪ জেলায় ৬৪টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে।

 

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহনশীলতা) নীতি ঘোষণা করবে। কর ও ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) বর্তমান হার থেকে ধাপে ধাপে কমানো হবে। দীর্ঘ মেয়াদে কর ১৯ শতাংশ ও ভ্যাট ১০ শতাংশে (এখন ১৫ শতাংশ) নিয়ে আসা হবে এবং স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড (এনআইডি, টিআইএন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এক কার্ডে) চালু করা হবে।

 

‘ফার্স্ট থাউজেন্ড ডেজ প্রোগ্রাম’ বা প্রথম ১ হাজার দিনের কর্মসূচির আওতায় গর্ভধারণ থেকে শুরু করে শিশুর দুই বছর বয়স পর্যন্ত মা ও শিশুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তাকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসাও জামায়াতের লক্ষ্য।

 

তরুণদের জন্য জামায়াতের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, দক্ষ জনশক্তি ও ‘জব প্লেসমেন্ট’–এর জন্য নতুন মন্ত্রণালয় সৃষ্টি, ৫ বছরে ১ কোটি তরুণকে বাজারভিত্তিক দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া, প্রতিটি উপজেলায় গ্র্যাজুয়েটদের জন্য ‘ইয়ুথ টেক ল্যাব’ স্থাপন, প্রতিটি জেলায় ‘জেলা জব ইয়ুথ ব্যাংক’ গঠন করে ৫ বছরে ৫০ লাখ ‘জব অ্যাকসেস’ (কর্মে প্রবেশ) নিশ্চিত; নারী, তরুণ ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিয়ে ৫ লাখ উদ্যোক্তা তৈরি, ১৫ লাখ ফ্রিল্যান্সার তৈরি, স্বল্পশিক্ষিত যুবকদের জন্য উপযোগী দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা।

 

তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি খাত উন্নয়নে ‘ভিশন ২০৪০’ ঘোষণা করেছে জামায়াত। দলটি ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ লাখ আইসিটি সম্পৃক্ত কর্মসংস্থান ও প্লেসমেন্ট, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল রপ্তানির জন্য ন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপন, আইসিটি খাত থেকে ৫০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয়, আইসিটি খাতে সরকারের ১৫০ কোটি ডলার ব্যয় সাশ্রয় এবং শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়েছে।

 

দক্ষ জনশক্তির মাধ্যমে পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স দুই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি, ‘ইন্টেলেকচুয়াল রেমিট্যান্স’ হিসেবে প্রবাসী বাংলাদেশি পেশাজীবী, গবেষক ও শিক্ষকদের দেশে নিয়ে আসার কথা বলেছে জামায়াত।

রামুতে প্রবাসীর সাড়ে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ: মূল হোতা শাহেদসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
রামুতে প্রবাসীর সাড়ে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ: মূল হোতা শাহেদসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের রামুতে প্রবাসী স্বামীর পাঠানো ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শাহেদ আহমদ (২৭) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। আত্মীয়তার সুযোগ নিয়ে অভিনব কায়দায় এই বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন উল্টো খুন-খারাবির হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের লম্বরীপাড়া এলাকায়।

​গত ৭ মে (২০২৬) রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর শাহেদ আহমদকে প্রধান অভিযুক্ত করে মোট ৩ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ মিনুয়ারা বেগম (২৬)।

​অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তেচ্ছিপুল খন্দকারপাড়ার বাসিন্দা মিনুয়ারা বেগমের স্বামী ইব্রাহীম খলিল দীর্ঘ বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত আছেন। অভিযুক্ত শাহেদ আহমদ (২৭) ও তার মা মুর্শিদা বেগম (৫০) এবং ভাই আমিন সরওয়ার (২২) প্রবাসীর নিকটাত্মীয়। আত্মীয়তার সুবাদে এবং বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে, গত ১৭ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৪ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বমোট ১০,৫০,০০০/- (দশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা শাহেদের মা মুর্শিদা বেগমের পরামর্শে মূল অভিযুক্ত শাহেদ আহমদের নিকট পাঠান প্রবাসী ইব্রাহীম খলিল।

​পরবর্তীতে ওই টাকা স্ত্রী হিসেবে মিনুয়ারা বেগমকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও শাহেদ ও তার পরিবার “আজ দেব, কাল দেব” বলে নানা টালবাহানায় সময় ক্ষেপণ করতে থাকে এবং অদ্যাবধি কোনো টাকা ফেরত দেয়নি।

​ভুক্তভোগী মিনুয়ারা বেগম অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ৭ মে তিনি তার দেবর রাশেদসহ লম্বরীপাাড়ায় শাহেদদের বাড়িতে গিয়ে পাওনা টাকা দাবি করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শাহেদ ও তার সহযোগীরা টাকা দিতে সরাসরি অস্বীকার করে। উল্টো টাকা চাইলে মারধর ও খুন-খারাবি করার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে এবং তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেয়।

​মিনুয়ারা বেগম জানান, শাহেদের হাত থেকে স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে টাকা উদ্ধারের বহু চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে তিনি নিরুপায় হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। ঘটনার পক্ষে বহু সাক্ষী রয়েছে বলেও তিনি জানান।

​এ বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত শাহেদ আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মিনুয়ারা বেগম আমার আপন বড় মামী। আমার মামা সৌদি আরব থেকে মূলত জমি কেনার উদ্দেশ্যে আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছিলেন। পরবর্তীতে মামা যখন সেখানে আইনি জটিলতায় জেলে পড়েন, তখন তার নির্দেশেই আমি মামীকে ১ লক্ষ টাকা বুঝিয়ে দিয়েছি। এখন আমার সৎ মামা রাশেদুল ইসলাম মামীকে জিম্মি করে আমার কাছে থাকা বাকি টাকাগুলো আত্মসাৎ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। আমার আপন মামার পাঠানো টাকা হাতিয়ে নিতেই সৎ মামা রাশেদুল ইসলাম মামীকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে থানায় এই মিথ্যা অভিযোগ করিয়েছেন।

​ভুক্তভোগী পরিবারটি তাদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত পেতে এবং মূল অপরাধী শাহেদসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রামু থানা পুলিশের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে হত্যা করলে ৫৮ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে হত্যা করলে ৫৮ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেবে ইরান
শেয়ার করুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার জন্য একটি বিশাল আর্থিক পুরস্কার বা বাউন্টি ঘোষণা করার বিষয়ে আলোচনা করছে ইরান।

 

 

দেশটির সংসদ বা মজলিসে এই লক্ষ্যে ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা পদক্ষেপ’ শিরোনামে একটি নতুন বিল পাসের প্রস্তুতি চলছে, যার আওতায় মার্কিন ও ইসরায়েলি শীর্ষ নেতাদের হত্যাকারীকে ৫ কোটি ইউরো বা প্রায় ৫৮ দশমিক ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়ার আইনি বৈধতা দেওয়া হবে।

 

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ইরান ওয়ার এবং যুক্তরাজ্যের দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বাহিনীর চালানো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবেই এই বিলটি আনা হচ্ছে।

 

ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আজিজি এই বিলটির প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইরান ওয়ারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইব্রাহিম আজিজি জানিয়েছেন যে সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি ভূমিকা রাখার অপরাধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারকে পাল্টা পদক্ষেপের প্রধান লক্ষ্যবস্তু করা উচিত।

 

 

একই কমিটির আরেক প্রভাবশালী সদস্য মাহমুদ নাবাবিয়ানও ঘোষণা করেছেন যে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে জাহান্নামে পাঠাতে পারবে’ এমন ব্যক্তির জন্য রাষ্ট্রীয় পুরস্কার নির্ধারণের এই বিলটির ওপর খুব শীঘ্রই ইরানি পার্লামেন্টে চূড়ান্ত ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

 

সংসদে এই সরকারি বিল আনার কয়েক দিন আগেই ইরানের জান্তা বা সরকার সমর্থিত প্রভাবশালী মিডিয়া আউটলেট ‘মাসাফ’ দাবি করেছিল যে তারা ইতিমধ্যেই ‘কিল ট্রাম্প’ বা ট্রাম্পকে হত্যা করার একটি বিশেষ অভিযানের জন্য ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক তহবিল সুরক্ষিত করেছে।

 

এ ছাড়া ইরানের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাধীন সাইবার যুদ্ধ পরিচালনাকারী হ্যাকিং গ্রুপ ‘হান্দালা’ একটি পৃথক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে মার্কিন বিচার বিভাগ তাদের সদস্যদের সন্ধান দেওয়ার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণার পাল্টা জবাব হিসেবে তারা ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘নিপীড়ন ও দুর্নীতির প্রধান কারিগর’ আখ্যা দিয়ে তাদের হত্যার জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে। হ্যাকিং গ্রুপটি স্পষ্ট করেছে যে এই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধে যে কেউ ‘বাস্তব পদক্ষেপ’ নিতে পারবে, তাকেই এই অর্থ প্রদান করা হবে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই প্রস্তাবিত বাউন্টি আইনটি দেশটির পূর্ববর্তী যেকোনো মৌখিক হুমকি বা ধর্মীয় ফতোয়া ও প্রচারণামূলক প্রচারণার চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মক এবং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে বর্তমানে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে চূড়ান্তভাবে হুমকির মুখে ফেলেছে। গত বছর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক বক্তৃতায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন যে তেহরান যদি তাকে হত্যার কোনো চেষ্টা করে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হবে যাতে ইরানকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়।

 

এই বাউন্টি বা পুরস্কারের খবরটি এমন এক সময়ে সামনে এলো যখন ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তাদের একটি সংশোধিত ও আপডেট করা শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তবে ওয়াশিংটন এই প্রস্তাবটিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে যে এটি তেহরানের পূর্ববর্তী অবস্থানের চেয়ে ভালো কোনো অগ্রগতি নয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, দুই পক্ষের আলোচনা বর্তমানে একটি অত্যন্ত জটিল ও গুরুতর অবস্থানে রয়েছে এবং এখন সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ চাপ ইরানের ওপরই বর্তায়।

 

সূত্র: এনডিটিভি

সিলেট সীমান্তে বিএসএফের গুলির জবাবে বিজিবির পাল্টা গুলি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সিলেট সীমান্তে বিএসএফের গুলির জবাবে বিজিবির পাল্টা গুলি
শেয়ার করুন

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সোনারহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলির জবাবে পাল্টা গুলিবর্ষণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার (১৮ মে) বিকেলে ঘটা এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও শান্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিবি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবির সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিএসএফ গুলি ছুড়লে তাৎক্ষণিকভাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় বিজিবি। পরে বিজিবির পক্ষ থেকে পাল্টা গুলিবর্ষণ করা হলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

 

 

ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে যেকোনো উসকানিমূলক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।