খুঁজুন
রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

অভিজাত ইফতারের স্বাদ নিলো শিক্ষার্থী শতাধিক এতিম শিশু-কিশোর 

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
অভিজাত ইফতারের স্বাদ নিলো শিক্ষার্থী শতাধিক এতিম শিশু-কিশোর 
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের একাধিক প্রতিষ্ঠানের শতাধিক এতিম শিক্ষার্থীকে অভিজাত ইফতারের স্বাদ আস্বাদন করালো দরিয়াপারের তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইস লিমিটেড (হোটেল এন্ড রিসোর্ট) কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় হোটেলের শাহসুজা হল রুমে আয়োজিত ইফতার পার্টিতে সুবিধাবঞ্চিত এতিম শতাধিক শিশু-কিশোর কোরআন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এতিম অতিথিদের দেখভাল করেন হোটেলের পরিচালক আবদুল কাদের মিশুসহ কর্মকর্তাগণ।

 

এতিম শিশুদের ইফতার পার্টি নিয়ে আবদুল কাদের মিশু বলেন, সেবা-সংযম ও বৈষম্যহীনতার শিক্ষা দেয় পবিত্র রমজান। রোজার শেষভাগে সিংহভাগ মাদ্রাসা, এতিম ও হেফজখানাতে এক করুণ দৃশ্য দেখা যায়। অনেক এতিম শিশু বাবা-মা না থাকায় প্রতিষ্ঠানেই থেকে যায়- নিরবে কান্দে।

বুদ্ধি বিকাশের পর থেকেই এসব দেখেছি- আরো দেখেছি- আমার বাবা-মা এতিমদের খোঁজ নিতেন। দানশীলদের সহযোগিতায় এতিমখানায় কমবেশি স্বাভাবিক ইফতার খাওয়া হয়। কিন্তু দামি হোটেলগুলোতে এতিমদের যাবার বা খাবারের সুযোগ হয় না। আমরা সারাবছর পর্যটন সেবী। রোজায় পর্যটক কম থাকার সুযোগে আশপাশের হেফজ ও এতিমখানার শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের পর্যটকদের মতোই কর্পোরেট ইফতারের অতিথি করে আসছে ওশান প্যারাডাইস কর্তৃপক্ষ। মনের সেটিসপেকশনের জন্য হোটেলের চেয়ারম্যান এম. এন করিমের নির্দেশে দীর্ঘ একযুগ ধরে এ ধারা নিরবে চলে আসছে।

 

আদর্শগ্রাম এলাকার এতিমখানার পরিচালক মাওলানা ইরফান উল্লাহ বলেন, ঈদের ছুটিতে একদল বাচ্চাকে কেউ নিতে আসে না। এদের কারো বাবা-মা নেই। কারো বাবা নেই- মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকের মা নেই, বাবা বাচ্চার খোঁজ রাখে না। এদের মাঝে যারা ভাগ্যবান তাদের অন্য স্বজনরা এসে নিয়ে যায়। আর বাকীরা সারাদিন নিরবে কাঁন্দে। প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে কোলাহলে তারা শূণ্যতা অনুভব করতে পারে না। কিন্তু সহপাঠীরা যখন স্বজনদের সাথে বাসায় যায়, আর তাদের কেউ নিতে আসে না- তখনই তাদের ছোট্ট মনে ‘এতিমতার’ বেদনা শুরু হয়।

 

হোটেলের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক মো. মাহবুব ইসলাম বলেন, শুধু ইফতার নয়, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাতেও শতাধিক এতিম শিশু-কিশোর শিক্ষার্থী হোটেলে অতিথি হিসেবে নিমন্ত্রণ পায়। বিরিয়ানি-পুলাওসহ নানা অভিজাত খাবারের স্বাদ দেয়ার চেষ্টা করা হয় এতিম শিশু-কিশোরদের। সবার এটা মনে রাখা দরকার, আজ আপনি বেঁচে না থাকলে কাল, আপনার ছোট সন্তান এতিম হিসেবেই গণ্য!

 

আয়োজনের খুদে অতিথিরা জানায়, চলে যাওয়া রমজানে চনা-মুরি-শরবত খেয়ে ইফতার সেরেছে। তাদের জন্যে জমকালো আয়োজনে বিফ হালিম, জিলাপি, খেজুর, আনারস, তরমুজ, আঙ্গুর, মুরগির কাবাব, পেপের জুস, চনা, পিয়াজু, মরিচ্চা, বেগুনিসহ নানা পদের ইফতার। মাগরিব নামাজের পর বিফ তেহেরি, কোল্ড ড্রিংক ও সালাদ খেয়েছি। কোরবানির ঈদেও আমরা এখানে গরুর মেজবান খেতে আসি। ওনারা আমাদের মতো এতিমদের মূল্যায়ন করে আসছেন, আল্লাহপাক ওনাদেরও সেভাবে প্রতিদান দিবেন-ইন শা আল্লাহ।

 

ইফতার পার্টিতে হিসাব বিভাগ প্রধান মোহাম্মদ আলমগীর, বিপনন বিভাগের ব্যবস্থাপক ইমতিয়াজ নুর সুমেল, প্রকৌশলী আরাফাত, হাউস কিপিং ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হোসাইন, ফুডস এন্ড বেভারেজের সহব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম, সিকিউরিটি ইনচার্জ মো. জালাল উদ্দিন, জনসংযোগ কর্মকর্তা সাংবাদিক সায়ীদ আলমগীর, আইটি বিভাগের কর্মকর্তা জিসানসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মজীবিগণ শিশু-কিশোর অতিথিদের সেবা দেন।

চকরিয়ায় বেপরোয়া পিকআপের ধাক্কায় পথচারী গুরুতর আহত, চট্টগ্রাম মেডিকেলে প্রেরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চকরিয়ায় বেপরোয়া পিকআপের ধাক্কায় পথচারী গুরুতর আহত, চট্টগ্রাম মেডিকেলে প্রেরণ

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"effects":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার জিদ্দাবাজার এলাকায় বেপরোয়া পিকআপের ধাক্কায় রফিকুল আলম নামে এক পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

শনিবার দিবাগত রাত প্রায় সোয়া ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনায় আহত রফিকুল আলমের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

ভূমিকম্পে কাঁপছে গোটা যুক্তরাষ্ট্র, ৪ ঘণ্টায় ২৮ বার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
ভূমিকম্পে কাঁপছে গোটা যুক্তরাষ্ট্র, ৪ ঘণ্টায় ২৮ বার
শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে একের পর এক ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২৮টি মৃদু মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১ দশমিক ৫ বা তার বেশি মাত্রার মোট ১০৮টি ভূমিকম্প হয়েছে। গত সাত দিনে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩১টিতে। আর গত ৩০ দিনে রেকর্ড করা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৭০৭টি ভূমিকম্প।

 

সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলোর বেশিরভাগই ছিল তুলনামূলক কম মাত্রার। সর্বশেষ রেকর্ড অনুযায়ী, নেভাদার লাভলকে ১.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে, যার গভীরতা ছিল প্রায় ৪ কিলোমিটার। এর আগে টেক্সাসের ভ্যান হর্নে ১.৯ মাত্রার এবং ক্যালিফোর্নিয়ার সোলেদাদে ২.০ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

 

এ ছাড়া হাওয়াইয়ের আগ্নেয়গিরি এলাকায়, আলাস্কার সোলডোটনা ও হ্যাপি ভ্যালি, নিউ মেক্সিকোর লাভিং এবং টেক্সাসের কয়েকটি অঞ্চলেও স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।

 

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছে লুইজিয়ানার কুশাট্টায়, যার মাত্রা ছিল ৪.৯। আর চলতি মাসে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়েছে আলাস্কার উনালাস্কায়, যার মাত্রা ছিল ৬.১।

 

অন্যদিকে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছে আলাস্কার স্যান্ড পয়েন্ট এলাকায়, যার মাত্রা ছিল ৭.৩। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে ছোট মাত্রার ভূমিকম্প প্রায়ই ঘটে থাকে। বিশেষ করে আলাস্কা, ক্যালিফোর্নিয়া ও হাওয়াই ভূকম্পনপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব ভূমিকম্প বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয় না।

২৪ ঘণ্টায় ২২০ মার্কিন সেনা হতাহতের দাবি ইরানের

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় ২২০ মার্কিন সেনা হতাহতের দাবি ইরানের
শেয়ার করুন

ইরানের লাগাতার হামলায় গেলো ২৪ ঘণ্টায় ২২০ জনের বেশি মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের খাতামুল আম্বিয়া (সা.) কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি।

 

 

শনিবার (৭ মার্চ) তেহরানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পার্স্টুডে খাতামুল আম্বিয়া (সা.) কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের বরাতে এ কথা জানিয়েছে। তবে এ দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।

 

ইব্রাহিম জোলফাগারি বলেন, এই অঞ্চলে (মধ্যপ্রাচ্যে) অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর ধ্বংসাত্মক আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় আগ্রাসী মার্কিন সেনাবাহিনীর বহু সৈন্য ও কমান্ডার হতাহত হয়েছে এবং তাদের অবকাঠামো ও সম্পদের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে।

 

 

তার দাবি অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরে হামলা ২১ জন মার্কিন সন্ত্রাসী সেনা নিহত এবং আরও বেশ কয়েক জন আহত হয়েছে।

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-জাফরা এয়ার বেসে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় প্রায় ২০০ জন মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

 

এছাড়া পারস্য উপসাগরের উত্তরে মার্কিন মালিকানাধীন একটি তেলবাহী জাহাজেও হামলা করা হয়েছে। সেখানেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

 

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে আগ্রাসন শুরু করার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

 

এর আগে গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছিল, ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে অন্তত পাঁচ শতাধিক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করেনি কোনো পক্ষ।