খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২ চৈত্র, ১৪৩২

আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস
শেয়ার করুন

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। হাজার বছরের সংগ্রামমুখর বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তার বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করে।

 

স্বাধীন বাংলাদেশ এবার ৫৬ বছরে পদার্পণ করল। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।

 

১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর দীর্ঘ প্রায় ১৯০ বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হয় এ অঞ্চল। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হলেও পূর্ব বাংলার জনগণের ওপর নতুন করে শোষণের বোঝা চাপিয়ে দেয় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়। সেই পাকিস্তানের দুই অংশ—পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে ছিল হাজার মাইলের ভৌগোলিক দূরত্ব।

 

শুধু তাই নয়, ভাষা ও সংস্কৃতিতেও ছিল বিস্তর অমিল। তবুও পূর্ব বাংলাকে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

রাষ্ট্র গঠনের শুরু থেকেই পূর্ব বাংলার মানুষ সীমাহীন শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার হতে থাকে—অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সব ক্ষেত্রেই। তবে এই পরিস্থিতি মেনে নেয়নি এ ভূখণ্ডের মানুষ।

 

 

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক আচরণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিবাদ ও আন্দোলনে গড়ে তোলে। ধীরে ধীরে এসব আন্দোলন জাতীয় সংগ্রামে রূপ নেয়, যা শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামে পরিণত হয়।

পাকিস্তানের দুঃশাসন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি শুরু থেকেই অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নামে। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সংগ্রামের পথ প্রসারিত হয়। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনসহ দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতি ১৯৭১ সালে এসে উপনীত হয়।

 

এই আন্দোলনগুলো এক পর্যায়ে স্বাধীনতার দাবিতে পরিণত হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় এসে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেন, কিন্তু তা প্রহসনে পরিণত হয়। ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ইয়াহিয়া খান গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন এবং বাঙালির ওপর সশস্ত্র হামলার নির্দেশ দিয়ে যান।

 

২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ ও গণহত্যা শুরু করে। ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে চালানো এই হত্যাযজ্ঞের প্রেক্ষিতে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান (পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি) চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের। একই রাতে পাকিস্তানি বাহিনী শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানে নিয়ে যায়।

 

২৫ মার্চ রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ও রাজারবাগে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষক, পুলিশ ও সামরিক সদস্যদের হত্যা করা হয়। নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ২৬ মার্চ থেকেই ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবী, নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের মানুষ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

 

পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীও গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞে অংশ নেয়। এর বিরুদ্ধে অদম্য সাহস নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে বীর বাঙালি। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর (ভারতীয় সেনাবাহিনী) যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

 

৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত হয় বাঙালি জাতির চূড়ান্ত বিজয়।

 

জাতির এই শ্রেষ্ঠ অর্জন, মহান স্বাধীনতা দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে। দিনটি সরকারি ছুটির দিন।

সড়কে সাত দিনে ২০৪ মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
সড়কে সাত দিনে ২০৪ মৃত্যু
শেয়ার করুন

ঈদুল ফিতরের ছুটির সাত দিনে সরকারি হিসাবে সড়কে ৯২ দুর্ঘটনায় ১০০ জন নিহত এবং ২১৭ জন আহত হয়েছেন। তবে বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রাথমিক হিসাবে একই সময়ে ২৬৮ সড়ক দুর্ঘটনায় ২০৪ জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা ছয় শতাধিক। মন্ত্রীরা স্মরণকালের নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রার দাবি করলেও, প্রাণহানির এই সংখ্যা অতীতের যে কোনো ঈদের ছুটির তুলনায় বেশি।

 

সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) হিসাবে, দুর্ঘটনা ও হতাহতের অনেক তথ্য নেই। যেমন ২১ মার্চ রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং বাস দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হওয়ার তথ্য নেই। হাসপাতালগুলোতে ঈদের ছুটিতে দুর্ঘটনায় আহত রোগীর ঢল ছিল।

 

 

সরকারি হিসাবে সারাদেশে আহতের সংখ্যা ২১৭ জন বলা হলেও, পঙ্গু হাসপাতাল নামে পরিচিত রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে ঈদের আগের রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে পরের দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১৫১ জন আহত রোগী আসেন। দেশের অন্যান্য হাসপাতালেও ছিল একই চিত্র। অধিকাংশ আহত রোগী ছিলেন মোটরসাইকেল, ব্যাটারির রিকশা কিংবা ইজিবাইক দুর্ঘটনায় আহত।

 

বেসরকারি সংস্থাগুলো সাধারণত ঈদের আগে সাত দিন, পরের সাত দিন এবং ঈদের দিনসহ মোট ১৫ দিনকে ঈদযাত্রা হিসেবে গণ্য করে। অতীতে দেখা গেছে, এই সময়ের মধ্যে নিহতের সংখ্যা ৩০০ থেকে ৪০০ থাকে।

 

 

যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে গত বছরের ঈদুল ফিতরের আগে-পরে ১৫ দিনে সড়ক-মহাসড়কে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত হন। আহত হন ৮২৬ জন। সংগঠনটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ঈদুল ফিতরের ১৫ দিনে ৩৭২ দুর্ঘটনায় ৪১৬ জন নিহত হয়েছিলেন। যা ছিল এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।

 

এবার ঈদের ছুটি শুরু হয় ১৭ মার্চ। সাত দিনের ছুটি চলে ২৩ মার্চ পর্যন্ত। গতকাল মঙ্গলবার ২৪ মার্চ অফিস-আদালত খুলেছে। তবে অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কলকারখানায় এখনও চলছে ঈদের ছুটি। আগামী শনিবার থেকে খুলবে। এ হিসেবে ঈদযাত্রা এখনও চলছে।

 

প্রাণহানিতে রেকর্ডের আশঙ্কা

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান সমকালকে বলেছেন, ১৭ মার্চ দুপুর থেকে ২৪ মার্চ দুপুর পর্যন্ত সাত দিনে অন্তত ২৬৮ সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২০৪ জন নিহত হয়েছেন। এই সংখ্যা একবারেই প্রাথমিক। ঈদের ছুটির কারণে অফিস বন্ধ রয়েছে। অনেক তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরুর পর আরও অনেক তথ্য আসবে। তখন বলা যাবে, প্রাণহানির প্রকৃত সংখ্যা কত। তবে যে আভাস মিলছে, তাতে প্রাণহানির রেকর্ড হতে পারে এবারের ঈদযাত্রায়।

 

সরকারি হিসাবে ছুটির সাত দিনে ১০০ জন নিহত হয়েছেন। এই সংখ্যাও প্রাথমিক। বিআরটিএর একাধিক কর্মকর্তা সমকালকে নিশ্চিত করেছেন, ছুটির কারণে অনেক তথ্য পাওয়া যায়নি। সব তথ্য আসার পর তা সরকারি মাধ্যমে যাচাই করার পর প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া যাবে।

 

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ১৭ মার্চ ১২ দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন। ১৮ মার্চ ১৮ দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত এবং ৬২ জন আহত হয়েছেন। ১৯ মার্চ ১১ দুর্ঘটনায় আটজন নিহত এবং সাতজন আহত হয়েছেন। ২০ মার্চ ছয় দুর্ঘটনায় আটজন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। ২১ মার্চ ১৭ দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছেন। ২২ মার্চ ১৯ দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত এবং ৬০ জন আহত হয়েছেন। ২৩ মার্চ ৯ দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন।

 

গত বছরের ঈদুল ফিতরে ছুটি ছিল ৯ দিন; ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত। সেবার সরকারি হিসাবে ১৪৬ জন নিহত হন। গড়ে দৈনিক ১৬ দশমিক ২২ জন প্রাণ হারান। এবার সাত দিনের ছুটিতে দিনে গড়ে ১৪ দশমিক ২৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে। তবে সরকারি সূত্রগুলোই বলছে, পূর্ণাঙ্গ তথ্য আসার পর এই সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল চৌধুরী বলেছেন, সাধারণত ঈদের ছুটির পর কর্মস্থলে ফেরার পথে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বৃদ্ধি পায়। কারণ, ঈদের আগে সরকারের যে নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে কঠোরতা সড়কে থাকে, তা ঈদের পর দেখা যায় না।

 

একই ভাষ্য জানিয়ে সাইদুর রহমান বলেছেন, এ কারণে প্রতিবছরই ঈদের পর কর্মস্থলে ফেরার পথে প্রাণহানি বৃদ্ধি পায়। এবারও এই ধারা অব্যাহত থাকলে এবং সরকার কঠোর না হলে নিশ্চিতভাবেই এবারের ঈদযাত্রায় প্রাণহানির রেকর্ড হবে।

 

সাইদুর রহমান বলেন, ২৮ মার্চ পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও পরিবর্তিত হতে পারে। এবার ট্রেনে দুর্ঘটনা অতীতের তুলনায় বেশি। জ্বালানি সংকটের কারণে মোটরসাইকেলের ব্যবহার না কমলে, দুর্ঘটনা আরও বৃদ্ধি পেত। অধিকাংশ দুর্ঘটনায় ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক, অটোরিকশাসহ সড়কে চলাচল নিষিদ্ধ যানবাহনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

 

যত্রতত্র ব্যাটারির রিকশাই কি প্রধান কারণ

সড়ক-মহাসড়কে দ্রুতগতির গাড়ির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাটারির রিকশা-অটোরিকশা চলাচলের কারণে দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বহু বছর ধরে এ মতামত দিয়ে রিকশা নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পর রিকশা চলাচল আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

ব্যাটারিচালিত এই যানবাহনের প্রকৃত সংখ্যা কত, তা এখন আর কেউ জানে না। ধারণা করা হয়, অন্তত ১৫ লাখ ব্যাটারি রিকশা চলে সারাদেশে। কারও কারও দাবি, সংখ্যাটি ৪০ লাখ। অন্তর্বর্তী সরকার সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভা আইনে সংশোধন করে ব্যাটারিচালিত যানবাহনকে নিবন্ধনের মাধ্যমে বৈধতার সুযোগ দিয়েছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান সমকালকে বলেছেন, দ্রুতগতির যান চলাচলের উপযোগী সড়ক-মহাসড়কে একই সঙ্গে যতদিন ব্যাটারির রিকশা, ইজিবাইক, অটোরিকশা চলবে, ততদিন দুর্ঘটনা ঠেকানো যাবে না। এসব যানবাহনে সামান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। বাস, ট্রাকের মতো বড় যানবাহন ছাড়াও মাইক্রোবাস, পিকআপের মতো মাঝারি যানবাহনের সঙ্গে সাধারণ সংঘর্ষেও ভয়াবহ প্রাণহানি হচ্ছে।

 

সারাদেশে একই চিত্র

সমকালের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, ঈদযাত্রায় মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, ব্যাটারি রিকশা-সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় অধিকাংশ প্রাণহানি হয়েছে। ভেদরগঞ্জ (শরিয়তপুর) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, উপজেলায় ঈদের তিন দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। হাসপাতাল, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মোটরসাইকেল আরোহী ও চালকদের অধিকাংশ কিশোর। ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হেলমেট ছাড়াই দাপিয়ে বেড়ায় তারা। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার গাজীপুর ব্রিজে দুই বন্ধুসহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে অনিক হাওলাদার নামে এক ১৭ বছরের কিশোর। হেলমেট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না তার। ঈদের ছুটিতে রাস্তায় পুলিশ নেই তাই বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে বের হয়।

 

ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার বেলায়াত রাজু বলেন, সোমবার এক দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত ৩০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।

আজ গণহত্যা দিবস, ৫৫ বছরেও মেলেনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ
আজ গণহত্যা দিবস, ৫৫ বছরেও মেলেনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
শেয়ার করুন

আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস। মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত হত্যাযজ্ঞের দিন। একাত্তরের অগ্নিঝরা ২৫ মার্চে বাঙালির জীবনে নেমে আসে নৃশংস, বীভত্স, ভয়ঙ্কর ও বিভীষিকাময় কালরাত্রি। এ রাতে বর্বর পাকবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’র নামে ঢাকাসহ সারা দেশে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হিংস্র দানবের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। মেতে ওঠে ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা, যা কালরাত হিসেবে পরিচিত।

 

 

২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় জাতীয় সংসদে ২০১৭ সালের ১১ মার্চ। ঐ দিন থেকেই দিনটি গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে দিবসটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি ৫৫ বছরেও। পাকিস্তানি বাহিনীর যে নির্মমতার শিকার হয়েছিল বাংলার মানুষ, এক মিনিটের জন্য বাতি নিভিয়ে সেই কালরাত স্মরণ করবে বাংলাদেশ। সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, আজ বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত সারা দেশে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক-আউট’ পালন করা হবে। এ সময় সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। কেপিআই এবং জরুরি স্থাপনাগুলো ব্লাকআউটের আওতামুক্ত থাকবে।

 

 

দিবসটি উপলক্ষ্যে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বাণীতে বলেন, ২৫ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে সবচেয়ে নৃশংস ও বেদনাবিধুর অধ্যায়। এই গণহত্যায় পুরো জাতি বাক্রুদ্ধ ও স্তব্ধ হয়ে পড়ে। এ সময় ২৫ মার্চের দিবাগত রাতে চট্টগ্রামের ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টে গণহত্যার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্রোহ ও সশস্ত্র প্রতিরোধ এবং এর অব্যবহিত পর কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তদানীন্তন মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা বিভ্রান্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে, অসম সাহসী করে তুলে, সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে ও প্রাণ উত্সর্গ করতে উজ্জীবিত করে। শুরু হয়ে যায় সশস্ত্র প্রতিরোধ ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস পর লাখ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয় গৌরবময় বিজয়। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাসের এই নিষ্ঠুর বর্বরতা, অন্যদিকে, জাতি হিসেবে আমাদের গৌরবগাথা ও বীরত্ব সম্পর্কে স্পষ্টভাবে জানতে হবে। হতে হবে অনুপ্রাণিত। রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বহু বছর পর বহু কাঙ্ক্ষিত ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা পেয়েছে। জনরায়ে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে।

 

গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত ও নৃশংসতম গণহত্যার দিন। এ কালরাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে বাংলাদেশের নিরস্ত্র স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস গণহত্যা চালায়। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও নিরপরাধ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় এবং হত্যা করে। তিনি বলেন, ২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ। সুপরিকল্পিত এ হত্যাযজ্ঞ কেন প্রতিরোধ করা গেল না—এ ব্যাপারে তত্কালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃশ্যমান ভূমিকা এখনো ইতিহাসের গবেষণার বিষয়। তবে ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে ‘উই রিভোল্ট’ বলে গণহত্যার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে চট্টগ্রামের অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। গণহত্যা প্রতিরোধের মধ্য দিয়েই শুরু হয়ে যায় দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার মূল্য ও তাত্পর্য বর্তমান ও ভবিষ্যত্ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হলে ২৫ মার্চের গণহত্যা দিবস সম্পর্কেও জানা জরুরি। আসুন, আমরা সবাই রাষ্ট্র ও সমাজে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করি। একটি ন্যায়ভিত্তিক, উন্নত সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।

 

 

কী ঘটেছিল সেদিন :উত্তাল দিন শেষে নামে সন্ধ্যা। গভীর হতে শুরু করে রাত। একাত্তর সালের ২৫ মার্চ কৃষ্ণপক্ষের রাত। তখনো কেউ জানে না কী ভয়ঙ্কর, নৃশংস ও বিভীষিকাময় রাত আসছে বাঙালির জীবনে। ব্যস্ত শহর ঢাকা প্রস্তুতি নিচ্ছে ঘুমের। ঘরে ঘরে অনেকে তখন ঘুমিয়েও পড়েছে। হঠাত্ই যেন খুলে গেল নরকের সবকটি দরজা। রাত সাড়ে ১১টায় ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হলো হনন-উদ্যত নরঘাতক কাপুরুষ পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ছড়িয়ে পড়ল শহরময়। ‘অপারেশন সার্চ লাইট’। এ নাম নিয়েই মৃত্যুক্ষুধা নিয়ে জলপাই রঙের ট্যাংক নেমে এলো। চালানো হলো, অত্যাধুনিক রাইফেল, মেশিনগান ও মর্টার। নিরীহ মানুষের আর্তনাদে ভারি হলো রাতের বাতাস। মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণের মাধ্যমে পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনী নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। শুরু হলো বর্বরোচিত নিধনযজ্ঞ আর ধ্বংসের উন্মত্ত তান্ডব। হতচকিত বাঙালি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঢলে পড়ল মৃত্যুর কোলে। মানুষের কান্না ও আর্তচিত্কারে ভারী হয়ে ওঠে শহরের আকাশ। মধ্যরাতে ঢাকা পরিণত হলো লাশের শহরে। ঢাকা শহরের রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানা ইপিআর সদর দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, নীলক্ষেতসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে তারা বাঙালি নিধন শুরু করে। আর মানব ইতিহাসের পাতায় রচিত হলো কালিমালিপ্ত আরেকটি অধ্যায়। নিরস্ত্র, ঘুমন্ত মানুষকে বর্বরোচিতভাবে হত্যার ঘটনায় স্তম্ভিত হলো বিশ্ববিবেক।

 

কর্মসূচি: আজ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারা দেশে গণহত্যা দিবস পালন করা হবে। এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ২৫ মার্চের গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এছাড়া ২৫ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় মিনিপোলসমূহে গণহত্যা বিষয়ক বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যক্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। আজ বাদ জোহর অথবা সুবিধাজনক সময়ে ২৫ মার্চের রাতে নিহতদের স্মরণে সারা দেশে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হবে। আজ রাতে কোনো অবস্থাতেই আলোকসজ্জা করা যাবে না।

 

একাত্তরে গণহত্যার স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করবে সরকার: একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করবে সরকার—এমনটাই জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে সংঘটিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে বর্তমান সরকার জোরালোভাবে কাজ চালিয়ে যাবে। একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতি পাওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে চলমান রয়েছে এবং সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তিনি আরো বলেন, ‘একাত্তরের গণহত্যা নিয়ে সরকার কাজ করবে—এটি অত্যন্ত জরুরি। কারণ আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে এই ইতিহাস গভীরভাবে জড়িত।’

ইরানের কাছে ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ
ইরানের কাছে ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র
শেয়ার করুন

মার্কিন ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইরানের কাছে একটি ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স এবং ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর মতো শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

 

জানা গেছে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানের কাছে প্রস্তাবটি হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নিরসনে শান্তি আলোচনার আয়োজক হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।

 

 

 

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ এ শান্তি পরিকল্পনার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ও দাবির কথা সামনে এনেছে। প্রস্তাবের প্রধান শর্ত হলো, কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে সব সময়ের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং এটিকে একটি ‘মুক্ত সামুদ্রিক অঞ্চল’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে হবে।

 

 

 

তবে চুক্তিতে ইরানের জন্য সুবিধার কথা বলা হয়েছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তেহরান যদি ১৫ দফার প্রস্তাবটি পুরোপুরি মেনে নেয়, তবে দেশটির ওপর আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।

 

 

 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত শান্তি প্রস্তাব সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নথিপত্র দেখেনি। বর্তমানে তারা গণমাধ্যমে আসা তথ্যের সত্যতা যাচাই-বাছাইয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসা পর্যন্ত পুরোপুরি সত্যতা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

 

 

 

তথ্যসূত্র: বিবিসি