খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২৬ চৈত্র, ১৪৩২

হাম আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন জেলায় এই রোগ ছড়িয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩২ শিশু।

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
হাম আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন জেলায় এই রোগ ছড়িয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩২ শিশু।
শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ৬ জন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪ জন এবং রাজশাহী ও পাবনায় ১ জন করে শিশু মারা গেছে। তবে বিভিন্ন জেলা ও বেসরকারি হাসপাতালের তথ্য যোগ করলে এ বছর মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৬ বা তারও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

মহাখালীর ১০০ শয্যার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে এ বছর ৫৬০ জন হামের রোগী এসেছে, যেখানে গত বছর পুরো সময়ে ছিল মাত্র ৬৯ জন। হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট তানজিনা জাহান জানান, চলতি মাসের ২৯ দিনেই ৪৪৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। গতকালও সেখানে ৪৫ জন চিকিৎসাধীন ছিল।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও (রামেক) হামের পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। সেখানে একটি আলাদা আইসোলেশন সেন্টার খোলা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ জন এবং নোয়াখালীতে গত ১৫ দিনে ৩০০-এর বেশি শিশু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 

বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এই প্রাদুর্ভাবের পেছনে টিকা দিতে না পারাকে দায়ী করছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ডা. লুৎফুন্নেসা বলেন, ‘হামের টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার হার ভালো হলেও দ্বিতীয় ডোজের ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে অনীহা দেখা যায়। বিশেষ করে পকেট কমিউনিটি বা টিকা না নেওয়া ছোট ছোট গোষ্ঠী এই রোগের জীবাণু বহন করে, যেখান থেকে রোগ ছড়ায়।’

ইপিআই (ইপিআই) পরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, সাধারণত প্রতি চার বছর অন্তর একটি বিশেষ হামের টিকা কর্মসূচি (ক্যাম্পেইন) পরিচালিত হয়। সর্বশেষ ২০২০ সালে এটি হয়েছিল। ২০২৪ সালে দেশের পরিস্থিতির জন্য টিকা কর্মসূচি পরিচালনা সম্ভব হয়নি। এছাড়া গত বছর স্বাস্থ্য সহকারীদের ধর্মঘটের কারণে তিনবার নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হয়েছিল। ভিটামিন-এ এবং কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানোর কর্মসূচি নিয়মিত না হওয়ায় শিশুদের পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমেছে। এটাও হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আরেকটি কারণ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে হামের টিকার মজুদ প্রায় শেষ। মাঠ পর্যায়ে মাত্র এক মাসের সরবরাহ আছে। তবে বিশেষ ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা এরই মধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে ৬০৪ কোটি টাকার টিকা ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদুল আজহার আগে বা পরে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে পারে।

 

 

 

হামের সংক্রমণের ক্ষমতা (আরও) অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত শিশুদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং মস্তিষ্কের সংক্রমণ (এনসেফালাইটিস) হতে পারে। ডা. লুৎফুন্নেসা বলেন, ‘হামের সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই, মূলত জটিলতাগুলোর চিকিৎসা করা হয়। শিশুদের চোখের ক্ষতি রোধে ভিটামিন-এ এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা জরুরি।’

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রিয়াজ মোবারক জানান, এবার ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের মধ্যেও সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে, যা সচরাচর ঘটে না। মায়েদের টিকা নেওয়া না থাকলে বা শিশুর সঠিক সময়ে টিকা না হলে এই ঝুঁকি আরও বাড়ে।

(প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন রাজশাহী, পাবনা, সিলেট, নোয়াখালী ও ময়মনসিংহ সংবাদদাতা)

লেবাননে ইসরায়েলের আক্রমণ, ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি: ইরানি গণমাধ্যম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
লেবাননে ইসরায়েলের আক্রমণ, ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি: ইরানি গণমাধ্যম
শেয়ার করুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত দুই সপ্তাহের ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রতিবাদে তেহরান পুনরায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

 

বুধবার (৮ এপ্রিল) এমনটাই জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম ফার্স নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়, এদিন সকালে ইরানের অনুমতি নিয়ে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার প্রণালি অতিক্রম করতে পারলেও, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে এর চলাচল বন্ধ রয়েছে।

 

 

মূলত, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ট্যাংকার চলাচল অব্যাহত রাখা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

 

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে এক জরুরি ফোনালাপে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ অভিযোগ তুলেছেন। তেহরান থেকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে তারা এই শান্তিচুক্তি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসবে এবং পাল্টা আঘাত হানবে।

 

 

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছিলেন, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শাহবাজ শরিফের সেই দাবি নাকচ করে দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর তাদের হামলা অব্যাহত থাকবে।

 

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলটিমেটামের মুখে ইরান মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি হয়েছিল, যা বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম কিছুটা কমিয়েছিল। তবে প্রণালিটি পুনরায় বন্ধ হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
শেয়ার করুন

লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ইসরায়েলের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরান। ইসরায়েলকে শাস্তি দিতে যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে তেহরান।

 

ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লেবাননে সংঘটিত ‘অপরাধ’ এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য ইসরায়েলকে শাস্তি দেওয়া হবে।

 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, “লেবাননে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড এবং যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের জবাবে আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব।”

 

তিনি আরও দাবি করেন, চলমান যুদ্ধবিরতি পুরো অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করে। তার ভাষায়, “ইসরায়েল প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জন্য পরিচিত এবং তাদের কেবল শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।”

 

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এক অজ্ঞাত সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে এবং বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

 

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননের রাজধানী বৈরুতের ঘনবসতিপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায় আকস্মিক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এসব হামলায় ৮৯ জন নিহত এবং সাত শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে।

 

ইসরায়েল আগেই জানায়, এই যুদ্ধবিরতি লেবাননে তাদের চলমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান দাবি করেছে, লেবাননও এর অন্তর্ভুক্ত।

 

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এটিকে চলমান যুদ্ধে সবচেয়ে বড় সমন্বিত হামলা বলে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ১০০টির বেশি হিজবুল্লাহ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে, যা বৈরুত, দক্ষিণ লেবানন এবং পূর্বাঞ্চলের বেকা উপত্যকাজুড়ে চালানো হয়।

 

হামলার পর সমুদ্রতীরবর্তী রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। ব্যস্ত বিকালে হঠাৎ বিস্ফোরণে থমকে যায় যানবাহনের শব্দ। অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়, আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ি ও বিধ্বস্ত ভবনের মধ্যে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। অনেক হামলা হয়েছে জনবহুল বাণিজ্যিক এলাকায়, ফলে রাস্তায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, বৈরুতের অন্তত পাঁচটি এলাকায় এসব বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দেওয়ার ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দেওয়ার ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর
শেয়ার করুন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সাশ্রয়ের কারণে অনলাইন ক্লাস চালানোর পক্ষে মন্ত্রীপরিষদে মতামত দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

 

বুধবার (৮ এপ্রিল) তিনি রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাস বিষয়ক মতামত অনুষ্ঠানে এ ইঙ্গিত দেন।

 

সেমিনারে অংশ নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু কার্যকর সমাধান উঠে এসেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

 

স্কুলের ক্লাস আওয়ার কিছুটা কমিয়ে বিদ্যুতের ব্যবহার হ্রাস করা।

জানালা বেশি খোলা রাখার মাধ্যমে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা, ফলে লাইট কম জ্বালানো।

যেসব স্কুলে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর ব্যবহার সীমিত করা।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের সেমিনারে আমরা দেখেছি, ইতোমধ্যে বেশ কিছু সমাধান উঠে এসেছে। যেমন- আমরা চাইলে স্কুলের ক্লাস আওয়ার কিছুটা কমাতে পারি, ক্লাসের সময় বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো সম্ভব। জানালাগুলো বেশি খোলা রাখলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা যাবে, ফলে লাইট কম জ্বালাতে হবে। যেসব স্কুলে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার হয়, সেগুলোর ব্যবহারও সীমিত করা যেতে পারে। এ ধরনের আরও অনেক কার্যকর সমাধান রয়েছে। আমরা আপনাদের কাছ থেকেও নতুন নতুন আইডিয়া শুনতে চাই। আপনারা আজকের সেমিনারেও আপনাদের মতামত জানাবেন।

 

এছাড়া বাস্তবতা বিবেচনায় দেশের কিছু নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বিত (হাইব্রিড) পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে অনলাইন ক্লাস হলেও শিক্ষকদের স্কুলে গিয়েই ক্লাস নিতে হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।